Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

দু’বার IVF ব্যর্থ, মা হওয়ার স্বপ্ন অধরাই স্বরা ভাস্করের! কেন ব্যর্থ হয় IVF, এরপর কী পথ?

আইভিএফ ব্যর্থ হলে হতাশ না হয়ে প্রথমেই খুঁজে বের করা জরুরি, ব্যর্থতার সম্ভাব্য কারণ কী। ভ্রূণের গুণমান, জরায়ুর অবস্থা, বয়সসহ একাধিক কারণ IVF-এর সাফল্যে প্রভাব ফেলতে পারে। এরপর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হয়।

আইভিএফ করলেই যে প্রথম চেষ্টাতেই সাফল্য আসবে, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। অনেক দম্পতির ক্ষেত্রেই প্রথম IVF সাইকেল ব্যর্থ হতে পারে। আবার কারও ক্ষেত্রে একাধিকবার চিকিৎসার পর কাঙ্ক্ষিত সুখবর আসে। তাই একটি IVF সাইকেল সফল না হওয়া মানেই সন্তানধারণের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যাওয়া নয়। অভিনেত্রী স্বরা ভাস্করের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাও সেই বাস্তবতাকেই সামনে আনল।

সম্প্রতি একটি রিয়্যালিটি শোয়ে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের কথা বলতে গিয়ে ৩৮ বছর বয়সি অভিনেত্রী জানান, স্বামী ফাহাদ আহমেদের সঙ্গে বিয়ের আগে তিনি দু’বার IVF করিয়েছিলেন। কিন্তু দু’টি চেষ্টাই সফল হয়নি। স্বরার এই অভিজ্ঞতা প্রকাশ্যে আসার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে IVF চিকিৎসার সাফল্য, ব্যর্থতার কারণ এবং একটি সাইকেল ব্যর্থ হওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হওয়া উচিত, সেই বিষয়গুলি।

IVF বা In Vitro Fertilisation হল এমন একটি সহায়ক প্রজনন পদ্ধতি, যেখানে শরীরের বাইরে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর নিষেক ঘটিয়ে তৈরি হওয়া ভ্রূণ পরবর্তী সময়ে জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করা হয়। সাধারণভাবে IVF-এর সঙ্গে অনেকের মনে ‘সন্তানধারণের নিশ্চিত উপায়’-এর ধারণা তৈরি হলেও বাস্তবে বিষয়টি এতটা সরল নয়। IVF একটি বহু ধাপের চিকিৎসা এবং প্রতিটি ধাপেই সাফল্য নির্ভর করে একাধিক শারীরিক ও চিকিৎসাগত বিষয়ের উপর।

IVF কীভাবে করা হয়?

IVF চিকিৎসা সাধারণত একাধিক ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথমে ওষুধের সাহায্যে ডিম্বাশয়কে উদ্দীপিত করা হয়, যাতে একাধিক পরিণত ডিম্বাণু তৈরি হতে পারে। এরপর নির্দিষ্ট সময়ে ডিম্বাণু সংগ্রহ করা হয়। একই সময়ে সঙ্গীর বা প্রয়োজন অনুযায়ী ডোনারের শুক্রাণু সংগ্রহ করা হয়।

এরপর ল্যাবরেটরিতে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর নিষেক ঘটানো হয়। নিষেক সফল হলে তৈরি হয় ভ্রূণ। সেই ভ্রূণ কয়েক দিন পর্যবেক্ষণে রাখার পর উপযুক্ত ভ্রূণ জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করা হতে পারে। এরপর অপেক্ষা করতে হয় ভ্রূণটি জরায়ুর আস্তরণে সঠিকভাবে স্থাপন বা implant করতে পারল কি না।

এই পুরো প্রক্রিয়ার যে কোনও একটি পর্যায়ে সমস্যা দেখা দিলে IVF সাইকেল সফল নাও হতে পারে। তাই IVF ব্যর্থ হওয়ার একটি মাত্র কারণ নেই।

IVF ব্যর্থ হওয়ার অন্যতম কারণ ডিম্বাণুর গুণমান

নারীর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিম্বাণুর সংখ্যা এবং গুণমান—দু’টিই পরিবর্তিত হতে পারে। বিশেষ করে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে chromosomal abnormalities-এর ঝুঁকি বাড়তে পারে, যা ভ্রূণের বিকাশ এবং implantation-এর উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে শুধুমাত্র বয়স দেখেই কোনও ব্যক্তির IVF সফল বা ব্যর্থ হবে কি না, তা নির্ধারণ করা যায় না। প্রত্যেকের শারীরিক অবস্থা আলাদা। ডিম্বাণুর সংখ্যা, ovarian reserve, আগের চিকিৎসার ইতিহাস এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত বিষয় চিকিৎসক বিবেচনা করেন।

শুক্রাণুর গুণমানও গুরুত্বপূর্ণ

IVF-এর ক্ষেত্রে শুধু নারীর শারীরিক অবস্থাকেই দায়ী করা ঠিক নয়। পুরুষের fertility-ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুক্রাণুর সংখ্যা, গতিশীলতা এবং গঠনসহ বিভিন্ন বিষয় নিষেকের সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করতে পারে।

কখনও ডিম্বাণু সংগ্রহ সফল হলেও নিষেক প্রত্যাশামতো নাও হতে পারে। আবার নিষেক হলেও ভ্রূণের বিকাশ স্বাভাবিকভাবে এগোতে নাও পারে। তাই IVF ব্যর্থ হওয়ার কারণ খুঁজতে গেলে পুরুষ ও নারী—দু’জনেরই fertility factors মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

নিষেক সফল না হলেও IVF সাইকেল ব্যর্থ হতে পারে

IVF-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল fertilisation বা নিষেক। ডিম্বাণু ও শুক্রাণু সংগ্রহের পর প্রত্যাশিত সংখ্যক ডিম্বাণু নিষিক্ত না হলে পরবর্তী ধাপে যাওয়ার মতো ভ্রূণ কমে যেতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে একাধিক ডিম্বাণু সংগ্রহ করা হলেও সবকটি থেকে ভালো মানের embryo তৈরি হয় না। আবার কিছু ভ্রূণ তৈরি হলেও সেগুলি পরবর্তী পর্যায়ের জন্য উপযুক্ত নাও হতে পারে। ফলে একটি IVF cycle-এর ফলাফল শুধুমাত্র ডিম্বাণু সংগ্রহের সংখ্যার উপর নির্ভর করে না।

ভ্রূণের বিকাশেও সমস্যা হতে পারে

নিষেকের পর ভ্রূণকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ল্যাবরেটরিতে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই সময় কিছু embryo স্বাভাবিকভাবে বিকশিত হতে পারে, আবার কিছু embryo প্রত্যাশিতভাবে বিকশিত নাও হতে পারে।

ভ্রূণের গুণমান এবং chromosomal health-এর মতো বিষয় implantation-এর সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই IVF-এর ক্ষেত্রে embryo development একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

Embryo implantation ব্যর্থ হওয়া

অনেক সময় ভালো মানের embryo তৈরি হলেও সেটি জরায়ুর দেয়ালে সঠিকভাবে implant নাও করতে পারে। এই পর্যায়টিও IVF সাফল্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জরায়ুর আস্তরণের অবস্থা, embryo-র গুণমান এবং বিভিন্ন শারীরিক কারণ implantation-এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তাই embryo transfer সফলভাবে সম্পন্ন হলেও pregnancy নিশ্চিত হয়ে যায় না।

জরায়ু বা reproductive system-এর কিছু সমস্যাও ভূমিকা রাখতে পারে

কিছু ক্ষেত্রে জরায়ুর গঠনগত সমস্যা, fibroid, polyp, endometriosis বা অন্যান্য reproductive health condition IVF-এর ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। আবার হরমোনের ভারসাম্য বা জরায়ুর lining-এর সমস্যাও চিকিৎসকের মূল্যায়নের প্রয়োজন হতে পারে।

তবে কোনও নির্দিষ্ট সমস্যা আছে কি না, তা পরীক্ষা ছাড়া ধরে নেওয়া উচিত নয়। IVF ব্যর্থ হওয়ার পর চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন পরীক্ষা করতে পারেন।

বয়সের সঙ্গে IVF সাফল্যের সম্পর্ক

IVF-এর ফলাফলে বয়স একটি গুরুত্বপূর্ণ factor হতে পারে। সাধারণভাবে বয়স বাড়ার সঙ্গে ডিম্বাণুর গুণমান এবং chromosomal abnormalities-এর ঝুঁকি পরিবর্তিত হয়। ফলে reproductive age-এর সঙ্গে IVF-এর সম্ভাব্য সাফল্যের সম্পর্ক রয়েছে।

তবে বয়সকে একমাত্র কারণ হিসেবে দেখা উচিত নয়। একজনের IVF ব্যর্থ হলেও অন্য কোনও ব্যক্তির একই বয়সে ফলাফল আলাদা হতে পারে। তাই ব্যক্তিগত fertility profile বিবেচনা করেই চিকিৎসা পরিকল্পনা করা জরুরি।

প্রথম IVF ব্যর্থ হলে কি আবার IVF করা যায়?

একটি IVF cycle ব্যর্থ হওয়া মানেই চিকিৎসা বন্ধ করে দিতে হবে—এমন নয়। পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ভর করে প্রথম cycle কেন ব্যর্থ হয়েছে, সেই কারণের উপর।

কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসক আগের cycle-এর medication response, retrieved eggs, fertilisation rate, embryo development এবং transfer-এর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে পারেন। প্রয়োজন হলে treatment protocol-এ পরিবর্তন আনা হতে পারে।

news image
আরও খবর

তবে দ্বিতীয়বার IVF করার আগে নিজের মতো করে ওষুধ পরিবর্তন করা বা আগের prescription অনুসরণ করা উচিত নয়। Fertility specialist-এর সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

IVF ব্যর্থ হলে সবার আগে কী জানা জরুরি?

বিশেষজ্ঞদের মতে, IVF ব্যর্থ হলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল—কেন ব্যর্থ হল তা বোঝা। শুধু ‘একবার হয়নি, আবার চেষ্টা করব’—এই পদ্ধতির বদলে আগের cycle-এর তথ্য বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

প্রথমে দেখা যেতে পারে কতগুলি ডিম্বাণু পাওয়া গিয়েছিল, কতগুলি mature ছিল, কতগুলি নিষিক্ত হয়েছিল এবং কতগুলি embryo তৈরি হয়েছিল। এরপর embryo-গুলির বিকাশ কেমন ছিল এবং transfer কীভাবে হয়েছে, সেই তথ্যও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

প্রয়োজনে চিকিৎসক রোগীর বয়স, ovarian reserve, sperm parameters, uterine condition এবং অন্যান্য fertility factors বিবেচনা করতে পারেন।

একই চিকিৎসা পদ্ধতি কি দ্বিতীয়বারও করা হয়?

সব রোগীর ক্ষেত্রে একই protocol দ্বিতীয়বার অনুসরণ করা হবে—এমন নয়। প্রথম cycle-এর response দেখে চিকিৎসক পরবর্তী চিকিৎসা পরিকল্পনায় পরিবর্তন করতে পারেন।

কোন ওষুধ ব্যবহার করা হবে, ovarian stimulation কীভাবে করা হবে বা embryo transfer-এর সময় কী পরিকল্পনা নেওয়া হবে—এসব বিষয় ব্যক্তিভেদে আলাদা হতে পারে।

তাই IVF ব্যর্থ হওয়ার পর ইন্টারনেটে পাওয়া কোনও সাধারণ পরামর্শ দেখে নিজে থেকে treatment plan পরিবর্তন করা উচিত নয়।

IVF নিয়ে মানসিক চাপও গুরুত্বপূর্ণ

IVF শুধুমাত্র শারীরিক চিকিৎসা নয়, মানসিকভাবেও অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। একটি cycle ব্যর্থ হলে হতাশা, উদ্বেগ, অপরাধবোধ বা মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে একাধিকবার চিকিৎসা ব্যর্থ হলে সেই চাপ আরও বাড়তে পারে।

এক্ষেত্রে মনে রাখা জরুরি, IVF ব্যর্থ হওয়া ব্যক্তিগত ব্যর্থতা নয়। সন্তানধারণের ফলাফল একাধিক biological এবং medical factor-এর উপর নির্ভর করে। তাই নিজের উপর দোষ চাপিয়ে না দিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করা জরুরি।

প্রয়োজনে পরিবার, সঙ্গী বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়াও উপকারী হতে পারে।

দ্বিতীয় IVF-এর আগে কী কী নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলবেন?

প্রথম IVF ব্যর্থ হওয়ার পর দ্বিতীয়বার চিকিৎসা শুরু করার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। আগের cycle-এ কতগুলি egg পাওয়া গিয়েছিল, fertilisation-এর হার কেমন ছিল, embryo development কেমন হয়েছিল এবং transfer-এর পর কী হয়েছিল—এসব তথ্য পর্যালোচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

এর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ovarian reserve, sperm quality, uterine health বা অন্য কোনও fertility factor পরীক্ষা করার প্রয়োজন আছে কি না, সেটিও চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন।

সব রোগীর জন্য একই পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না। তাই ব্যক্তিগত medical history এবং আগের IVF cycle-এর ফলাফল অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা বেছে নেওয়া উচিত।

IVF-এর সাফল্যের কোনও গ্যারান্টি আছে কি?

না। IVF একটি অত্যাধুনিক fertility treatment হলেও এটি শতভাগ সফলতার নিশ্চয়তা দেয় না। একটি cycle সফল হবে কি না, তা অনেকগুলি বিষয়ের উপর নির্ভর করে।

এই কারণেই IVF শুরু করার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে realistic expectations নিয়ে আলোচনা করা গুরুত্বপূর্ণ। কতটা সম্ভাবনা রয়েছে, কোন কোন factor সাফল্যকে প্রভাবিত করতে পারে এবং ব্যর্থ হলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে—এসব আগে থেকেই জানা থাকলে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা সহজ হয়।

স্বরা ভাস্করের অভিজ্ঞতা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

স্বরা ভাস্কর নিজের IVF অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে বলায় fertility treatment নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সামনে এসেছে। IVF নিয়ে সমাজে এখনও অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন IVF করলেই সন্তানধারণ নিশ্চিত। আবার IVF ব্যর্থ হলে অনেকে মনে করেন আর কোনও সম্ভাবনা নেই।

বাস্তবে দু’টির কোনওটিই সম্পূর্ণ সত্য নয়। IVF একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যার ফলাফল ব্যক্তিভেদে পরিবর্তিত হতে পারে। কখনও প্রথম cycle সফল হয়, কখনও পরবর্তী cycle-এ সাফল্য আসে, আবার কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসার পদ্ধতি পরিবর্তন বা অন্য fertility treatment বিবেচনা করতে হতে পারে।

তাই স্বরার অভিজ্ঞতা মূলত মনে করিয়ে দেয়—IVF-এর ক্ষেত্রে সাফল্য বা ব্যর্থতা কোনও ব্যক্তির মূল্য বা যোগ্যতার মাপকাঠি নয়।

শেষ কথা

দু’বার IVF ব্যর্থ হওয়ার অভিজ্ঞতা প্রকাশ্যে এনে স্বরা ভাস্কর দেখিয়ে দিয়েছেন, fertility treatment-এর পথ সবসময় সহজ হয় না। IVF-এর প্রতিটি ধাপে একাধিক biological factor কাজ করে এবং একটি cycle ব্যর্থ হওয়ার পিছনে এক বা একাধিক কারণ থাকতে পারে।

তাই IVF ব্যর্থ হলে আতঙ্কিত না হয়ে প্রথমে কারণটি বোঝা জরুরি। আগের cycle-এর প্রতিটি ধাপ পর্যালোচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পরিকল্পনা করা উচিত। প্রয়োজন হলে চিকিৎসা পদ্ধতিতে পরিবর্তন, অতিরিক্ত পরীক্ষা বা অন্য কোনও fertility option নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, IVF ব্যর্থ হওয়া মানেই সব আশা শেষ নয়। একইসঙ্গে পরবর্তী IVF-ও নিশ্চিতভাবে সফল হবে—এমন প্রতিশ্রুতিও দেওয়া যায় না। প্রত্যেক রোগীর পরিস্থিতি আলাদা। তাই ব্যক্তিগত fertility history, বয়স, egg ও sperm-এর গুণমান, embryo development, uterine health এবং আগের treatment response—সবকিছু বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

স্বরা ভাস্করের অভিজ্ঞতা তাই শুধু একটি তারকার ব্যক্তিগত জীবনের গল্প নয়; এটি IVF নিয়ে বাস্তবসম্মত ধারণা তৈরি করারও একটি সুযোগ। সন্তানধারণের চিকিৎসা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নির্ভরযোগ্য তথ্য জানা এবং fertility specialist-এর পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Preview image