প্রাক্তন জাতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক শন উইলিয়ামস মাদকের আসক্তিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন। নিজের ভুল স্বীকার করার পরও জাতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাকে চূড়ান্তভাবে জাতীয় দলে থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানে শন নিজেই সুস্থ হওয়ার চেষ্টা করছেন এবং জীবনে নতুন করে পথ তৈরি করতে আগ্রহী। তবে তার দীর্ঘ ২৭৩ ম্যাচের আন্তর্জাতিক কেরিয়ার একটিমাত্র ভুলের কারণে বড় ধাক্কা খেয়েছে। তাঁর এই ঘটনা খেলোয়াড়দের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ ও পেশাদার জীবনের ভারসাম্য রক্ষা করার গুরুত্ব সামনে আসে।
জিম্বাবোয়ের ক্রিকেটার শন উইলিয়ামস মাদকাসক্তি নিয়ে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন। নিজেই এই সত্য স্বীকার করার পর জাতীয় দল থেকে তাকে স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জিম্বাবোয়ে ক্রিকেট। বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে আর কখনও শনকে জাতীয় দলের জন্য বিবেচনা করা হবে না। একই সঙ্গে, এত বছর দেশের হয়ে খেলায় তার অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি শন আইসিসি-র বিশ্বকাপ যোগ্যতা অর্জন পর্বের খেলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন। এরপর প্রকাশ্যে এসেছে যে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকের নেশার সমস্যায় জড়িত ছিলেন। জাতীয় দলের অভ্যন্তরীণ তদন্তে শন স্বীকার করেছেন যে তিনি এই সমস্যার মুখোমুখি ছিলেন এবং বর্তমানে রিহ্যাব প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। অতীতে তিনি বারবার শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন এবং দলের প্রস্তুতি ও পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলেছেন, যা বোর্ডের কঠোর সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ।
জিম্বাবোয়ে ক্রিকেট জানিয়েছেন, কঠিন সময়ে নিজের দায়িত্ব পালন না করার জন্য শনকে সমালোচনা করা হয়েছে। তবে রিহ্যাবের জন্য তাকে সমর্থন জানানো হয়েছে। দীর্ঘ ভাবনাচিন্তোর পর বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, জাতীয় দলে নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে কখনও শনকে বিবেচনা করা হবে না।
শনের আন্তর্জাতিক কেরিয়ার অত্যন্ত উজ্জ্বল—জিম্বাবোয়ের হয়ে সব ফরম্যাট মিলিয়ে ২৭৩টি ম্যাচ খেলে তিনি দুই দশকেরও বেশি সময় দেশের হয়ে খেলেছেন। ৯,০০০-এর বেশি রান ও ১৫০-এর বেশি উইকেটের মালিক এই তারকা ক্রিকেটারের কেন্দ্রীয় চুক্তি ২০২৫ সালের পর আর বৃদ্ধি করা হবে না।