কালীপূজা ২০২৫ উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে উৎসবের আমেজে মুখ্যমন্ত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সপরিবারে মা কালীর আরাধনায় অংশ নেন। পূজামণ্ডপে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্য, দলের কর্মী ও সাধারণ মানুষ। শান্তি ও সমৃদ্ধির বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা করেন, আর প্রশাসন সর্বত্র কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে এই শুভ দিনে।
কালীপূজা ২০২৫-এ রাজ্যজুড়ে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে। আলোর রোশনাই, ধূপ-ধুনোর গন্ধ, আর মন্ত্রোচ্চারণে ভরে উঠেছে শহর ও গ্রামাঞ্চল। এই শুভ দিনে মুখ্যমন্ত্রী নিজে সপরিবারে মা কালী–র আরাধনায় অংশ নেন। রাজ্যের বিভিন্ন মন্দিরে পূজার আয়োজন থাকলেও, মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
এই বছর মুখ্যমন্ত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দু’জনেই একসঙ্গে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পূজার অনুষ্ঠানে যোগ দেন। মা কালীর পায়ে প্রণাম করে রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা করেন তাঁরা। পূজামণ্ডপে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি এবং দলের কর্মীরাও। পূজার পর মুখ্যমন্ত্রী সংক্ষিপ্ত বার্তায় বলেন, “মা যেন সকলের জীবনে শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি এনে দেন।”
রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কালীপূজাকে ঘিরে নিরাপত্তার জোরদার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন, দমকল, এবং বিদ্যুৎ দপ্তর সর্বত্র নজরদারিতে রয়েছে যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে। একইসঙ্গে, মুখ্যমন্ত্রীর আরাধনা ঘিরে সাধারণ মানুষের আগ্রহও ছিল চোখে পড়ার মতো।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও পরিবারের সদস্যরা এই পবিত্র দিনে সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন এবং তাঁর নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন স্থানে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
এই কালীপূজা কেবল ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়—এটি রাজ্যবাসীর ঐক্য, শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের প্রতীক। মুখ্যমন্ত্রীর সপরিবারে অংশগ্রহণ একদিকে যেমন রাজনৈতিক বার্তা বহন করে, অন্যদিকে মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার প্রতীক হিসেবেও দেখা হচ্ছে।