Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ক্যানিংয়ের পুজোয় এবার মহাশক্তি থেকে বিষ্ণুর দশ অবতার, নজর কাড়বে শিবমন্দিরের থিমও

ক্যানিংয়ের পুজোয় এবারও থিমের লড়াই জমজমাট। অভিনব ভাবনা ও নান্দনিক উপস্থাপনায় নজর কাড়তে প্রস্তুত মিঠাখালি সর্বজনীন পুজো কমিটি।

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা:
দুর্গাপুজো মানেই বাঙালির আবেগ, উৎসব, আনন্দ আর নতুনত্বের টান। প্রতি বছরই পুজোকে ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায় থিমের প্রতিযোগিতা। মণ্ডপসজ্জা থেকে প্রতিমা, আলোকসজ্জা থেকে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা—সব ক্ষেত্রেই নিজেদের সেরাটা তুলে ধরার চেষ্টা করে পুজো কমিটিগুলি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংও তার ব্যতিক্রম নয়। এবছরও ক্যানিংয়ের বিভিন্ন পুজো কমিটি থিমের লড়াইয়ে অভিনবত্ব আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি পুজোর থিম নিয়ে স্থানীয় মানুষের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

ক্যানিংয়ের পুজো মানেই বহু মানুষের কাছে আলাদা আকর্ষণ। শহর ও শহরতলির পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। পুজোর কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই শুরু হয়ে যায় মণ্ডপ তৈরির কাজ। কার মণ্ডপ কতটা অভিনব হবে, কার থিম দর্শকদের বেশি আকর্ষণ করবে, কোন পুজোয় থাকবে নতুন কোনও ভাবনা—তা নিয়ে শুরু হয়ে যায় আলোচনা। সেই প্রতিযোগিতাতেই এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে নিজেদের প্রস্তুত করছে ক্যানিংয়ের একাধিক পুজো কমিটি।

এই পুজোগুলির মধ্যে বিশেষভাবে আলোচনায় রয়েছে মিঠাখালি সর্বজনীন দুর্গাপুজো। ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশরাম দাসের পুজো হিসেবেও পরিচিত এই পুজো। প্রতিবছরই মিঠাখালি সর্বজনীন নিজেদের মণ্ডপ, থিম এবং পরিবেশনার মাধ্যমে দর্শকদের নজর কাড়ার চেষ্টা করে। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। পুজো কমিটির পক্ষ থেকে এমন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, যা দর্শকদের কাছে নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মিঠাখালি সর্বজনীনের পুজোকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিমধ্যেই উৎসাহ তৈরি হয়েছে। থিমের ভাবনা থেকে শুরু করে মণ্ডপের নকশা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই অভিনবত্ব রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। শুধু মণ্ডপ তৈরি করাই নয়, দর্শকদের সামনে পুরো বিষয়টিকে কীভাবে তুলে ধরা হবে, সেই পরিবেশনাতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে পুজোর দিনগুলিতে মিঠাখালি সর্বজনীনে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে শুধু মিঠাখালি সর্বজনীন নয়, ক্যানিংয়ের অন্যান্য পুজো কমিটিও এবার নিজেদের মতো করে চমক দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। কোথাও পুরাণের কাহিনি, কোথাও ধর্মীয় ভাবনা, আবার কোথাও ঐতিহ্য ও স্থাপত্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ। অর্থাৎ এবারের ক্যানিংয়ের দুর্গাপুজোয় একাধিক বৈচিত্র্য দেখতে পাবেন দর্শকরা।

কোনও পুজো কমিটি এবার বেছে নিয়েছে বিষ্ণুর ১০ অবতারকে। হিন্দু পুরাণে বিষ্ণুর দশাবতার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। মৎস্য, কূর্ম, বরাহ, নৃসিংহ, বামন, পরশুরাম, রাম, কৃষ্ণ, বুদ্ধ এবং কল্কি—এই দশ অবতারের কাহিনি ও তাৎপর্যকে কেন্দ্র করে মণ্ডপসজ্জার পরিকল্পনা করা হয়েছে। পুরাণের এই পরিচিত কাহিনিকে কীভাবে মণ্ডপের শিল্পকর্ম, প্রতিমা, আলো এবং পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়, সেদিকেই নজর থাকবে দর্শকদের।

বিষ্ণুর দশাবতারকে কেন্দ্র করে থিম তৈরি করার ক্ষেত্রে শুধু ধর্মীয় ভাবনাই নয়, শিল্পীর কল্পনাশক্তিরও বড় ভূমিকা রয়েছে। প্রতিটি অবতারের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আলাদা কাহিনি। সেই কাহিনিগুলিকে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশে তুলে ধরার মাধ্যমে দর্শকদের সামনে একটি ধারাবাহিক গল্পের মতো পরিবেশন করার চেষ্টা থাকতে পারে। ফলে শিশু থেকে বয়স্ক—সব বয়সের দর্শকের কাছেই এই ধরনের থিম আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।

অন্যদিকে, ক্যানিংয়ের আর একটি পুজো কমিটি উত্তর ভারতের বিখ্যাত শিবমন্দিরের আদলে মণ্ডপ তৈরি করে দর্শকদের চমক দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। মন্দিরের স্থাপত্য, গঠনশৈলী এবং পরিবেশকে সামনে রেখে তৈরি হচ্ছে এই মণ্ডপ। ফলে ক্যানিংয়ে বসেই দর্শকরা উত্তর ভারতের মন্দির স্থাপত্যের একটি আলাদা আবহ অনুভব করতে পারবেন।

দুর্গাপুজোর মণ্ডপে বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপত্য বা বিখ্যাত ধর্মীয় স্থানের আদল তুলে ধরার প্রবণতা নতুন নয়। তবে স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সেই স্থাপত্যকে কীভাবে মেলানো হচ্ছে, সেটিই হয়ে ওঠে মূল আকর্ষণ। ক্যানিংয়ের এই পুজো কমিটিও সেই ভাবনাকে সামনে রেখে মণ্ডপ তৈরির কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

থিমের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি এবার আলোকসজ্জা এবং পরিবেশনা নিয়েও বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে বিভিন্ন পুজো কমিটির। একটি ভালো থিমকে দর্শকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে শুধু মণ্ডপের কাঠামো যথেষ্ট নয়। আলো, শব্দ, প্রতিমার অবস্থান, মণ্ডপের ভিতরের সাজসজ্জা এবং পুরো প্রবেশপথ—সবকিছুকেই একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনার মধ্যে নিয়ে আসা হয়। ক্যানিংয়ের পুজোগুলিতেও সেই প্রস্তুতির ছবি দেখা যাচ্ছে।

পুজো কমিটিগুলির এই থিমের লড়াইয়ের পিছনে রয়েছে দর্শকদের নতুন কিছু দেওয়ার চেষ্টা। প্রতি বছর মানুষ নতুন নতুন মণ্ডপ দেখতে চান। একই ধরনের মণ্ডপ বা সাজসজ্জার বদলে দর্শকদের সামনে নতুন ভাবনা তুলে ধরাই এখন পুজো কমিটিগুলির অন্যতম লক্ষ্য। ফলে দুর্গাপুজো শুধু ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ক্রমেই একটি বড় সাংস্কৃতিক ও শিল্পের মঞ্চে পরিণত হয়েছে।

ক্যানিংয়ের মতো এলাকায় এই ধরনের থিমভিত্তিক পুজোর গুরুত্ব আরও বেশি। কারণ পুজোর কয়েকদিন এলাকার মানুষের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও দর্শকরা মণ্ডপ দেখতে আসেন। ভালো থিমের পুজোকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় জনসমাগম। স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যেও তার প্রভাব পড়ে। পুজোর বাজার, খাবারের দোকান, বিভিন্ন অস্থায়ী স্টল—সব মিলিয়ে উৎসবের পরিবেশ আরও জমজমাট হয়ে ওঠে।

মিঠাখালি সর্বজনীনকে ঘিরে এবারের প্রত্যাশা তাই স্বাভাবিকভাবেই বেশি। ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশরাম দাসের পুজো হিসেবে এই পুজোর আলাদা পরিচিতি রয়েছে। সেই পরিচিতিকে আরও শক্তিশালী করতে এবারের আয়োজন কতটা দর্শক টানতে পারে, সেটিই এখন দেখার। থিমের পাশাপাশি মণ্ডপের পরিবেশনা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনার দিকেও নজর থাকবে।

news image
আরও খবর

তবে ক্যানিংয়ের পুজোর আসল আকর্ষণ এবার সম্ভবত হবে বৈচিত্র্য। একদিকে মিঠাখালি সর্বজনীনের অভিনব ভাবনা, অন্যদিকে বিষ্ণুর দশাবতার, আবার কোথাও উত্তর ভারতের শিবমন্দিরের আদলে মণ্ডপ। অর্থাৎ একই এলাকার মধ্যে দর্শকরা একাধিক ধরনের থিমের স্বাদ পেতে চলেছেন। ফলে পুজোর দিনগুলিতে ক্যানিংয়ে মণ্ডপ পরিক্রমা অনেকের কাছেই বিশেষ আকর্ষণের বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

থিমের সঙ্গে পুরাণ ও ধর্মীয় কাহিনিকে যুক্ত করার ফলে পুজোর মণ্ডপগুলিতে একটি গল্প বলার সুযোগ তৈরি হয়। দর্শক শুধু মণ্ডপ দেখতে প্রবেশ করেন না, বরং থিমের সঙ্গে যুক্ত গল্পটি বোঝার চেষ্টা করেন। বিষ্ণুর দশাবতারকে কেন্দ্র করে তৈরি পুজোর ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। প্রতিটি অবতারের আলাদা কাহিনি এবং তাৎপর্যকে শিল্পের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।

একইভাবে শিবমন্দিরের আদলে মণ্ডপ তৈরি করা পুজোতেও স্থাপত্যের সূক্ষ্মতা গুরুত্বপূর্ণ। মন্দিরের গঠন, অলঙ্করণ, প্রবেশপথ এবং আলোর ব্যবহার—সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে একটি সম্পূর্ণ পরিবেশ তৈরি করাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ। মণ্ডপটি বাস্তব কোনও মন্দিরের আদল অনুসরণ করলেও তার মধ্যে পুজোর নিজস্ব পরিচয় কতটা ফুটে উঠছে, সেটিও দর্শকদের নজরে থাকবে।

ক্যানিংয়ের পুজো কমিটিগুলির এই প্রস্তুতি দেখে বোঝা যাচ্ছে, থিমের প্রতিযোগিতা এবারও যথেষ্ট জোরদার হতে চলেছে। কে সেরা, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও শুরু হয়েছে আলোচনা। সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন পুজোর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের আগ্রহ আরও বাড়তে পারে। পুজোর আগে থেকেই কোন মণ্ডপে কী থাকছে, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হওয়াটাই এখন থিম পুজোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে মানুষের এই আগ্রহ শুধু বিনোদনের জায়গায় আটকে নেই। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে শিল্প, সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং স্থানীয় মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ। একটি থিম তৈরি করতে শিল্পী, মণ্ডপশিল্পী, আলোকশিল্পী, কারিগর এবং পুজো কমিটির বহু মানুষের পরিশ্রম থাকে। পুজোর কয়েকদিনের আনন্দের পিছনে চলে দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি।

ক্যানিংয়ের বিভিন্ন পুজোতেও সেই পরিশ্রম এখন চোখে পড়ছে। মণ্ডপ তৈরির পাশাপাশি প্রতিমা, আলোকসজ্জা এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়েও পুজো কমিটিগুলিকে প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে। কারণ থিম যত আকর্ষণীয় হয়, দর্শকের ভিড়ও তত বাড়তে পারে। ফলে মণ্ডপের সৌন্দর্যের পাশাপাশি ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং দর্শকদের সুবিধার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে এবারের দুর্গাপুজোয় ক্যানিং যে দর্শকদের জন্য বেশ কিছু চমক জমিয়ে রেখেছে, তা বলাই যায়। মিঠাখালি সর্বজনীনের থিমের লড়াই, বিষ্ণুর দশাবতারকে ঘিরে মণ্ডপ, উত্তর ভারতের শিবমন্দিরের আদলে নির্মাণ—সব মিলিয়ে ক্যানিংয়ের পুজো এবার অন্য মাত্রা পেতে চলেছে।

পুজোর দিন যত এগিয়ে আসবে, ততই পরিষ্কার হবে কোন পুজোর থিম কতটা দর্শকের মন জয় করতে পারে। মণ্ডপের বাস্তব রূপ, প্রতিমার সঙ্গে থিমের সামঞ্জস্য, আলোকসজ্জা এবং পরিবেশনা—সবকিছুর বিচারেই শেষ পর্যন্ত দর্শকের রায় মিলবে। তবে তার আগেই ক্যানিংয়ের বিভিন্ন পুজো কমিটির এই প্রস্তুতি উৎসবপ্রেমীদের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি করেছে।

বিশেষ করে মিঠাখালি সর্বজনীনকে ঘিরে প্রত্যাশা বেশি। কারণ প্রতি বছরই বড় আয়োজন এবং অভিনব ভাবনার মাধ্যমে দর্শকদের আকর্ষণ করার চেষ্টা করে এই পুজো। এবারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নতুন কিছু উপহার দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ফলে ক্যানিংয়ের পুজো পরিক্রমায় মিঠাখালি যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য হতে পারে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে বিষ্ণুর দশাবতার এবং শিবমন্দিরের আদলে তৈরি মণ্ডপগুলিও নিজেদের জায়গা থেকে দর্শকদের আকর্ষণ করার চেষ্টা করবে। পুরাণ, ধর্মীয় ঐতিহ্য এবং স্থাপত্য—এই তিনটি ভিন্ন ভাবনার মেলবন্ধন ক্যানিংয়ের পুজোকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলতে পারে।

তাই এবারের দুর্গাপুজোয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে গেলে একাধিক থিম পুজো দেখার সুযোগ থাকছে। কোনও মণ্ডপে মিলবে পুরাণের কাহিনি, কোথাও দেখা যাবে ধর্মীয় স্থাপত্যের অনুপ্রেরণা, আবার কোথাও থিম ও পরিবেশনার মাধ্যমে তৈরি হবে সম্পূর্ণ আলাদা আবহ। উৎসবের দিনগুলিতে এই পুজোগুলিকে ঘিরে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়বে বলেই প্রত্যাশা পুজো উদ্যোক্তাদের।

সবশেষে বলা যায়, ক্যানিংয়ের এবারের দুর্গাপুজোর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হতে চলেছে থিমের বৈচিত্র্য এবং নতুনত্বের চেষ্টা। মিঠাখালি সর্বজনীন থেকে শুরু করে বিষ্ণুর দশাবতার কিংবা শিবমন্দিরের আদলে মণ্ডপ—প্রতিটি পুজোই নিজেদের মতো করে দর্শকদের চমক দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এখন অপেক্ষা শুধু পুজোর দিনগুলির। তখনই বোঝা যাবে, ক্যানিংয়ের থিমের লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসবে কোন পুজো কমিটি এবং কোন মণ্ডপ হয়ে উঠবে দর্শকদের সবচেয়ে প্রিয়।

Preview image