Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

প্রেমের গোলাপে দামের কাঁটা চাষিদের লক্ষ্মীলাভের স্বপ্ন

ভ্যালেন্টাইনস ডের আগে শুরু হয়েছে ভালোবাসার সপ্তাহ, যার প্রথম দিন রোজ ডে। গোলাপের বাজারে সেলিব্রেশন চললেও, পাশকুড়ার গোলাপ চাষিরা পেয়েছে লক্ষ্মীলাভ। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এ বছর গোলাপের উৎপাদন ভালো হলেও, দাম কমেনি।

ভালোবাসার সপ্তাহের শুরুতেই শুরু হচ্ছে গোলাপের বেচাকেনা। বিশেষত, ৭ ফেব্রুয়ারি রোজ ডে এবং এক সপ্তাহ পর ভ্যালেন্টাইন্স ডে’র জন্য গোলাপের চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে। তারই সুবাদে, এই সময়টাতে গোলাপ চাষিরা ভালো লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন। পশ্চিমবঙ্গের পাঁশকুড়ার গোলাপ চাষিদের জন্য এটি বিশেষ সময়, কারণ গোলাপের দাম বেড়েছে এবং তারা এই দাম বাড়ানোর জন্য প্রস্তুত।

গোলাপের দাম বেড়েছে ৫০ টাকায়, এবং দাম আরও বাড়বে, এমনটাই আশা করছেন গোলাপ চাষিরা। বছরের এই সময়ে গোলাপের চাহিদা আকাশচুম্বী হয়ে থাকে, কারণ প্রেমের গোলাপ পছন্দ করেন সবাই, বিশেষ করে ভালোবাসার দিনে। রোজ ডে ও ভ্যালেন্টাইন্স ডে এই বিশেষ দিনগুলোর জন্য গোলাপের চাহিদা বেড়ে যায়।

এ বছর গোলাপের উৎপাদন ভালো হয়েছে এবং চাষিরাও লাভের মুখ দেখছেন। বিশেষ করে, পাঁশকুড়ায় ফুল সংরক্ষণের সরকারি হিমঘর চালু হওয়ায় গোলাপ চাষিরা কম খরচে গোলাপ সংরক্ষণ করতে পারছেন। সরকারি হিমঘরটি দীর্ঘ পাঁচ বছর বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি পুনরায় চালু হয়েছে, যা গোলাপ চাষিদের জন্য এক বিশেষ সুবিধা। এর ফলে, তারা গোলাপ দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষণ করতে পারছেন, যা তাদের ব্যবসার জন্য অনেকটাই লাভজনক।

গোলাপ চাষিদের আশা, ১৪ ফেব্রুয়ারির পরও গোলাপের দাম আরো বাড়বে, কারণ ভ্যালেন্টাইন্স ডে’র পরও বিশেষত বিয়ের মরসুম এবং অন্যান্য উৎসবে গোলাপের চাহিদা থাকে। ফলস্বরূপ, চাষিরা আশা করছেন, তারা এই বছরের ভালো ফলনের সুফল পাবেন। পাঁশকুড়ার শীতল সামন্তের মতো চাষিরা জানাচ্ছেন, এবছর তাদের গোলাপ চাষে ভালো ফলন হয়েছে, এবং দামও ভালো উঠেছে।

এছাড়া, চাষিরা জানাচ্ছেন যে, বর্ষায় নদীর জলে কিছু ক্ষতি হলেও এবছর গোলাপের দাম ভালো উঠেছে, তাই তারা সেই ক্ষতি পূরণ করতে সক্ষম হয়েছেন। সারা বাংলা ফুলচাষি ও ফুল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়কের মতে, গোলাপের দাম এই বছর আরও বাড়বে, বিশেষত ভ্যালেন্টাইন্স ডে’তে, যখন বাজারে গোলাপের চাহিদা তুঙ্গে থাকবে।

কোথায় কোথায় গোলাপের দাম বেড়েছে? কলকাতার মল্লিকঘাট ফুলবাজার থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের দেউলিয়া, কোলাঘাট ফুলবাজার, এই সব জায়গায় বেঙ্গালুরুর গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা প্রতি পিস, অন্য রঙের বেঙ্গালুরু গোলাপ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা প্রতি পিস। পুনের গোলাপ ৩৫ টাকা প্রতি পিস। পশ্চিমবঙ্গের মিনিপল প্রজাতির সাদা গোলাপ ২৪ থেকে ২৫ টাকা, লাল গোলাপ ১২ থেকে ১৪ টাকা, পিঙ্ক গোলাপ ১৪ থেকে ১৬ টাকা, এবং ম্যাট গোল্ড ভ্যারাইটির গোলাপ ১৫ টাকা প্রতি পিস।

গোলাপের দাম বাড়ার পাশাপাশি চাষিরা এখন আশা করছেন, দাম আরও বাড়বে, বিশেষত ভ্যালেন্টাইন্স ডে’র দিন। গোলাপের বাজারে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে চাষিরা লাভের মুখ দেখছেন এবং তাদের উৎপাদন ভালো হয়েছে। এটা শুধু তাদের জন্য ভালো খবর নয়, এই সময়ে বাজারে গোলাপের যে চাহিদা তুঙ্গে রয়েছে, তা প্রমাণ করে, গোলাপের ব্যবসা লাভজনক হতে চলেছে।

এছাড়া, গোলাপের দাম বৃদ্ধি পেতে থাকলে চাষিরা বাজারে তাদের উৎপাদিত গোলাপগুলো তাড়াতাড়ি বিক্রি করতে পারছেন, যাতে তারা আরও লাভবান হতে পারেন। এই বছর গোলাপ চাষিদের আশার জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ গোলাপের দাম তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্থনৈতিক উপাদান।

এ বছর ভালোবাসার সপ্তাহে গোলাপের বাজারে সাড়া জাগানো পরিবর্তন এসেছে। গোলাপের দাম সারা দেশে বেড়ে যাওয়ার কারণে, চাষিরা লাভের মুখ দেখছেন এবং তারা আশা করছেন, বিশেষ করে ভ্যালেন্টাইন্স ডে’র পর, দাম আরও বাড়বে। এই সময়টাতে গোলাপের চাহিদা বৃদ্ধি পায়, কারণ রোজ ডে এবং ভ্যালেন্টাইন্স ডে’র মতো বিশেষ দিনগুলোর কারণে ফুলের বাজারে চাহিদা তুঙ্গে পৌঁছে যায়।

news image
আরও খবর

কলকাতার মল্লিকঘাট ফুলবাজার, পূর্ব মেদিনীপুরের দেউলিয়া, কোলাঘাট ফুলবাজারে গোলাপের দাম বেড়েছে। বেঙ্গালুরু থেকে আসা সাদা গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা প্রতি পিস, আর অন্যান্য রঙের বেঙ্গালুরু গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা প্রতি পিস। পুনে থেকে আসা গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা প্রতি পিস। পশ্চিমবঙ্গের মিনিপল প্রজাতির সাদা গোলাপের দাম ২৪ থেকে ২৫ টাকা, লাল গোলাপের দাম ১২ থেকে ১৪ টাকা, পিঙ্ক গোলাপের দাম ১৪ থেকে ১৬ টাকা, এবং ম্যাট গোল্ড ভ্যারাইটির গোলাপ ১৫ টাকা প্রতি পিস।

গোলাপের দাম বাড়ার সাথে সাথে গোলাপ চাষিদের মধ্যে একটা আশার সঞ্চার হয়েছে। গোলাপের দাম এইভাবে বাড়লে চাষিরা তাদের উৎপাদিত গোলাপগুলো দ্রুত বিক্রি করতে পারছেন, এবং তাদের লাভের পরিমাণও বাড়ছে। এই সময়টাতে গোলাপের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চাষিরাও চাষের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য উদ্যোগী হচ্ছেন, কারণ তারা জানেন যে এই সময়ে বাজারে গোলাপের চাহিদা থাকবে, এবং সেই সুযোগে তারা লাভবান হতে পারবেন।

গোলাপ চাষিদের এই লাভের পেছনে অন্যতম কারণ হল গোলাপের ভালো উৎপাদন। বিশেষ করে এই বছর গোলাপের উৎপাদন অনেক ভালো হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় এবং আবহাওয়া অনুকূল থাকার কারণে গোলাপের চাষি নিজের জমিতে ভালো ফলন পেয়েছেন। এর ফলে, গোলাপ চাষিরা বাজারে বেশি গোলাপ বিক্রি করতে পারছেন এবং লাভের পরিমাণ বেড়েছে। কিছু গোলাপ চাষি, যেমন পাঁশকুড়ার শীতল সামন্ত, জানিয়েছেন যে তাদের এবছরের গোলাপ চাষের ফলন অনেক ভালো হয়েছে এবং দামও বেশ ভালো উঠেছে। তারা জানাচ্ছেন, বর্ষায় নদীর জল গোলাপের ক্ষতি করেছিল, তবে গোলাপের দাম ভালো হওয়ায় তাদের ক্ষতি পূর্ণ হয়েছে এবং তারা ভালো আয় পাচ্ছেন।

গোলাপের ব্যবসা সারা বছরই চালু থাকে, তবে ভালোবাসার সপ্তাহে এবং ভ্যালেন্টাইন্স ডে’র আশেপাশে এই ব্যবসা তুঙ্গে চলে যায়। চাষিরা জানাচ্ছেন যে, গোলাপের দাম এই সময়টা বেশি থাকে এবং এই সময়ের মধ্যে গোলাপের চাহিদা দ্রুত বেড়ে যায়, যা তাদের জন্য লাভজনক হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে, ভ্যালেন্টাইন্স ডে’র আগেই গোলাপের দাম বাড়তে শুরু করে এবং তা ভ্যালেন্টাইন্স ডে’র পর আরও বাড়ে। এই বছর গোলাপের উৎপাদন ভালো হওয়ায়, চাষিরা আগেই গোলাপ মজুত করতে শুরু করেছেন এবং সরকারি হিমঘর চালু হওয়ার কারণে তারা সস্তায় গোলাপ সংরক্ষণ করতে পারছেন।

পাঁশকুড়ার সরকারি হিমঘরটি যে কারণে বিশেষ, তা হল এর মাধ্যমে চাষিরা তাদের গোলাপ সংরক্ষণ করতে পারছেন কম খরচে। দীর্ঘ পাঁচ বছর বন্ধ থাকার পরে কয়েক মাস আগে এই হিমঘরটি চালু হয়েছে। এই হিমঘরটির মাধ্যমে চাষিরা কম খরচে গোলাপ সংরক্ষণ করে রাখতে পারছেন, এবং এর ফলে তারা তাদের গোলাপ দীর্ঘ সময় ধরে বাজারে বিক্রি করতে পারছেন। হিমঘরটি গোলাপ চাষিদের জন্য এক বিশেষ সুবিধা, কারণ এই সুবিধাটি তাদের ব্যবসায় লাভের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিয়েছে।

গোলাপের দাম বৃদ্ধি পেতে থাকলে, গোলাপ চাষিরা তাদের উৎপাদিত গোলাপগুলো তাড়াতাড়ি বিক্রি করতে পারবেন, যাতে তারা আরও লাভবান হতে পারেন। এই বছর গোলাপ চাষিদের জন্য বিশেষ সুখবর, কারণ গোলাপের দাম বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি তাদের উৎপাদনও ভালো হয়েছে। গোলাপ চাষিরা বিশ্বাস করেন, ভ্যালেন্টাইন্স ডে’র পরেও গোলাপের দাম বাড়বে, এবং এই সময় তারা আরও বেশি লাভ করতে পারবেন।

এছাড়া, গোলাপের দাম বৃদ্ধির কারণে ব্যবসায়ী এবং বিক্রেতারাও গোলাপের মজুত করে রাখছেন এবং ভ্যালেন্টাইন্স ডে’র পরে তা দ্রুত বিক্রি করছেন। গোলাপের দাম বাড়ার সাথে সাথে ব্যবসায়ীরা গোলাপের দাম বৃদ্ধি পেতে থাকলে, তারা তাদের মজুত গোলাপগুলো বিক্রি করে আরও লাভবান হচ্ছেন। এটি পুরো গোলাপ ব্যবসার জন্য একটি ইতিবাচক দিক, কারণ ব্যবসায়ীরা ভালো লাভ করতে পারছেন এবং চাষিরাও তাদের উৎপাদিত গোলাপ বিক্রি করে ভালো আয় পাচ্ছেন।

ভ্যালেন্টাইন্স ডে’য়ের আগে গোলাপের দাম বাড়ানো ব্যবসায়ীদের জন্য একটি ভাল সুযোগ, কারণ এই সময় গোলাপের চাহিদা তুঙ্গে থাকে। চাষিরাও তাদের উৎপাদিত গোলাপ দ্রুত বাজারে বিক্রি করে আরও লাভবান হতে পারেন।

এই বছর গোলাপের দাম বেড়ে যাওয়ায়, চাষিরা এবং ব্যবসায়ীরা উভয়ই লাভের মুখ দেখছেন। গোলাপের বাজারে এটি একটি সুখবর, কারণ চাষিরা ভালো লাভ করতে সক্ষম হচ্ছেন এবং তাদের জন্য এটা একটি লাভজনক ব্যবসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Preview image