Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ডাল থেকে ঝাঁপিয়ে পড়া গাছে চড়া প্রাগৈতিহাসিক কুমির নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ

গাছে চড়া প্রাগৈতিহাসিক কুমির নিয়ে নতুন গবেষণায় জানা গেছে তারা ডাল থেকে ঝাঁপিয়ে শিকার ধরতে পারত অনেকটা চিতাবাঘের মতো

চল্লিশ বছরেরও বেশি সময় আগে শুরু হয়েছিল এক দীর্ঘ অনুসন্ধানের যাত্রা অস্ট্রেলিয়ার কুইনসল্যান্ড প্রদেশে ১৯৮৩ সালে প্রথম মাটি খোঁড়ার কাজ শুরু হয় আর ঠিক বিয়াল্লিশ বছর পরে সেই প্রচেষ্টার ফল এসে পৌঁছায় বিজ্ঞানীদের হাতে এই সময়ের ব্যবধানে অসংখ্য গবেষণা পরিকল্পনা বিশ্লেষণ ও প্রত্যাশার সঙ্গে মিলেমিশে গড়ে ওঠে এক অসাধারণ আবিষ্কারের গল্প যা শুধু সরীসৃপ জগতের ইতিহাসই নয় বরং পৃথিবীর বিবর্তনের অধ্যয়নেও নতুন আলো ফেলেছে

অস্ট্রেলিয়ার কুইনসল্যান্ডের দূরবর্তী মুরগন অঞ্চলের একটি খামারবাড়ি ছিল এ আবিষ্কারের কেন্দ্রবিন্দু কৃষিজমির সাধারণ চাষের ফাঁকে যখন মাটি কাটার কাজ চলছিল তখন হঠাৎ উন্মোচিত হয় কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্যযুক্ত বস্তু প্রথমে সেগুলোকে সাধারণ পাথর বা খনিজ ভাবা হলেও দ্রুতই বিশেষজ্ঞদের নজরে আসে যে এগুলি আসলে বহু লাখ বছর ধরে মাটির গভীরে লুকিয়ে থাকা জীবাশ্ম ডিমের খোসা আরও পরীক্ষা নিরীক্ষায় বোঝা যায় এই ডিমের খোসাগুলি কোনও সাধারণ সরীসৃপের নয় বরং পৃথিবী থেকে বহু হাজার বছর আগে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া মেকোসুচিন প্রজাতির গাছে চড়া কুমিরের

এই প্রাগৈতিহাসিক কুমিরের অস্তিত্বের কথা আগে জানা থাকলেও তাদের জীবনধারা আচরণ শিকার ধরার কৌশল এবং বাস্তুসংস্থান নিয়ে তেমন গবেষণা হয়নি প্রধানত তাদের জীবাশ্ম পাওয়া কঠিন ছিল বলে কিন্তু এই আবিষ্কার পরিস্থিতি বদলে দেয় কারণ প্রথমবারের মতো বিজ্ঞানীরা হাতে পান সাড়ে পাঁচ কোটি বছরের পুরানো এমন কিছু খোসা যেগুলো পুরোপুরি সংরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে এত পুরানো ডিমের খোসা মেকোসুচিন পরিবারের মধ্যে আগে কখনও পাওয়া যায়নি ফলে গবেষণার দরজা খুলে যায় আরও বড় স্তরে

মেকোসুচিন কুমির ছিল কুমির বংশের একটি উপগোষ্ঠী তারা ছিল অত্যন্ত বিচিত্র ও বৈচিত্র্যময় তাদের বেশ কয়েকটি প্রজাতি ছিল এবং সবকটিই আজ বিলুপ্ত হয়েছে বৈজ্ঞানিক অনুমান অনুযায়ী এই কুমির পরিবারের শেষ কিছু প্রজাতি প্রায় তিন হাজার বছর আগে পৃথিবী থেকে চিরতরে হারিয়ে যায় বর্তমান অস্ট্রেলিয়ার নদীখাল হ্রদ ও জলাশয়ে যেসব লবণাক্ত ও মিষ্টি জলের কুমির দেখা যায় তাদের উদ্ভব হয়েছে প্রায় আটত্রিশ লক্ষ বছর আগে কিন্তু মেকোসুচিন কুমির তার অনেক আগেই বিচরণ করত অস্ট্রেলিয়ার জঙ্গল উপত্যকা ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জে

এই কুমিরের সবচেয়ে বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্য ছিল গাছে চড়ার ক্ষমতা যা সাধারণ কুমিরদের মধ্যে কখনও দেখা যায়নি শুধু গাছে ওঠাই নয় গবেষণায় উঠে এসেছে যে তারা ছিল অসাধারণ ক্ষিপ্র শিকারি গাছের ডাল থেকে শিকারকে লক্ষ্য করে দ্রুত ঝাঁপিয়ে পড়ত এবং প্রচণ্ড শক্তি দিয়ে ধরতে পারত অনেকটা আজকের দিনের চিতাবাঘ বা অন্যান্য বৃক্ষচারী শিকারিদের মতো এই আচরণ তাদের প্রাগৈতিহাসিক বনে টিকে থাকতে বিশেষ সুবিধা দিয়েছিল কারণ বনের মাটিতে হাঁটা শিকারিদের তুলনায় গাছের উপর লুকিয়ে আক্রমণ করা ছিল অনেক বেশি কার্যকর

ডিমের খোসার গঠন রাসায়নিক উপাদান স্তরবিন্যাস এবং তার মাপ বিচার করে বিজ্ঞানীরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে এই কুমিরদের আকার হতে পারত অন্তত পাঁচ মিটার লম্বা অর্থাৎ প্রায় ষোল ফুট প্রাগৈতিহাসিক যুগে এত বড় দেহবিশিষ্ট গাছে চড়া প্রাণী ছিল অত্যন্ত বিরল ফলে মেকোসুচিন কুমির ছিল সত্যিই ব্যতিক্রমী

এই গবেষণার নেতৃত্ব দেয় স্পেনের বার্সেলোনার ইনস্টিটিউট ক্যাটালা দি প্যালিওন্টোলজিয়া মিকেল ক্রুসাফন্ট নামের একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান তাদের সঙ্গে যুক্ত ছিল সিডনির নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরাও যৌথ গবেষণায় তারা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করেন যেমন সূক্ষ্ম স্ক্যানিং উচ্চ রেজোলিউশন চিত্র বিশ্লেষণ ও ত্রি মাত্রিক মডেলিং এই সব উপায়ে তারা জীবাশ্মগুলি পরীক্ষা করে দেখেন এবং ধাপে ধাপে তৈরি করেন সেই যুগের কুমিরদের একটি জীবন্ত চিত্র

গবেষকেরা যখন ডিমের খোসার শক্তি স্থায়িত্ব ও গঠন বিশ্লেষণ করছিলেন তখনই বুঝতে পারেন এই কুমিরেরা স্থলজ নয় বরং বৃক্ষচারী তাদের নখের গঠন ও দেহের ভারসাম্য ঠিক রাখতে সক্ষম হাড়ের তৈরি সে সময়ের পরিবেশও ছিল এমন যে বনে ঘন গাছপালা আর প্রচুর শিকার পাওয়া যেত ফলে গাছের উপর থেকে আক্রমণ ছিল দ্রুত ও সহজ

এই কারণেই বিজ্ঞানীরা এই কুমিরদের একটি বিশেষ নাম দিয়েছেন ড্রপ ক্রোক অর্থাৎ যাঁরা উপরের দিক থেকে হঠাৎ নেমে এসে শিকার ধরে এটি শুধু একটি বৈজ্ঞানিক নামই নয় বরং তাদের জীবনধারা আচরণ এবং শিকার কৌশলের প্রতীক এই নামের মধ্যেই লুকিয়ে আছে তাদের গতিশীলতা শিকারি প্রবৃত্তি ও অভিযোজন ক্ষমতার পরিচয়

বিশ্বজুড়ে জীবাশ্মবিদ্যার ক্ষেত্রে এই আবিষ্কার এক যুগান্তকারী ঘটনা কারণ এটি শুধু একটি বিলুপ্ত প্রাণীর সন্ধানই নয় বরং কুমির প্রজাতির বিবর্তনের সম্পূর্ণ ধারা নতুনভাবে বুঝতে সাহায্য করে আমরা সাধারণত কুমিরকে ভাবি জলের ধারে থাকা শক্তিশালী স্থিরচর প্রাণী হিসেবে যারা ধীরে ধীরে পানির জীবনধারার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে কিন্তু মেকোসুচিন নামের প্রাগৈতিহাসিক কুমির পরিবারের আবিষ্কার এই প্রচলিত ধারণাকে সম্পূর্ণ বদলে দেয় কারণ তাদের শারীরিক গঠন আচরণ বাস্তুসংস্থান এবং শিকারধারণ কৌশল ছিল আজকের কুমিরদের তুলনায় সম্পূর্ণ আলাদা তারা শুধু জলে বা মাটিতে নয় বরং গাছের উপরেও চলাফেরা করত এবং শিকার ধরত এই ভাবনাই আধুনিক জীবাশ্মবিশ্বকে নতুন প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়েছে

বিবর্তন একটি দীর্ঘ ও ধীর প্রক্রিয়া যা হাজার হাজার প্রজন্মের পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রাণীদের গঠনশৈলীকে পাল্টে দেয় বর্তমান কুমিরদের শরীর ভারী দেহ লম্বা লেজ এবং পানিতে দ্রুত চলাফেরার জন্য উপযোগী পা গড়ে তুলেছে যা নদী খাল বা জলাশয়ে বসবাসের জন্য যথাযথ কিন্তু অতীতের মেকোসুচিন কুমিরের দেহ গাছবাড়ানো পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে তৈরি হয়েছিল তাদের দেহ ছিল তুলনামূলকভাবে হালকা নখর ছিল ধারালো পায়ের জোড়ে ছিল অধিকাংশ চাপ সামলানোর ক্ষমতা এবং দেহের অস্থি কাঠামো ইঙ্গিত দেয় ভারসাম্য রেখে উঁচুতে ওঠার উপযুক্ত রূপান্তর তাদের মেরুদণ্ডের গঠন এবং হাড়ের ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় দোল খাওয়া ডাল ধরেও তারা নিজেদের স্থির রাখতে পারত

news image
আরও খবর

এই প্রাগৈতিহাসিক কুমিরেরা গাছে ওঠার সময় শিকারকে খুব কাছ থেকে লক্ষ্য করত এবং নিজের শক্তি ব্যবহার করে হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়ত এই শিকার কৌশল ছিল অনেকটা আধুনিক দিনের বৃক্ষচারী শিকারিদের মতো বিজ্ঞানীরা বলছেন গাছ থেকে ঝাঁপ দেওয়ার জন্য যেসব দেহগত বৈশিষ্ট্য প্রয়োজন যেমন দৃঢ় নখর হালকা দেহ দ্রুত গতি এবং স্থিতিস্থাপক মেরুদণ্ড সেই সবই ছিল এই কুমিরদের মধ্যে ফলে তারা আশপাশের জঙ্গলজুড়ে ছিল ভয়ঙ্কর শিকারি

এই আবিষ্কার দেখায় যে কুমির পরিবার প্রকৃতপক্ষে কতটা বৈচিত্র্যময় ছিল একদিকে আজকের নদীর কুমিররা ধীরে ধীরে পানিনির্ভর জীবনযাত্রাকে আঁকড়ে ধরেছে অন্যদিকে অতীতের মেকোসুচিন কুমিরেরা গাছবাড়ানো জায়গায় নিজেদের জন্য তৈরি করেছিল এক ভিন্ন রাজ্য ফলে বোঝা যায় কুমিরদের বিবর্তন কোনও সরলরৈখিক পথ ধরে হয়নি বরং পরিবেশগত চাপ খাদ্যের প্রাপ্যতা এবং প্রতিযোগিতার নিয়ম মেনে তারা নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন বৈশিষ্ট্য তৈরি করেছে

প্রাগৈতিহাসিক অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশ ছিল আজকের চেয়ে অনেক আলাদা তখনকার জঙ্গলগুলো ছিল ঘন গাছপালায় ভরা চারদিকে ছায়াঢাকা জঙ্গলপথে থাকত নানা ছোট বড় প্রাণী মেকোসুচিন কুমিরেরা এই পরিবেশে নিজেদের এমনভাবে মানিয়ে নিয়েছিল যে তারা জলের ধারার বদলে গাছের ডালকে করেছিল তাদের শিকারের আস্তানা এই বৈশিষ্ট্য তাদের শুধু প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রাখেনি বরং খাদ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রেও দিয়েছে বিশেষ সুবিধা মাটিতে চলাফেরা করা প্রাণীদের অজান্তেই তারা আক্রমণ করত ফলে শিকারীর পক্ষে রক্ষা পাওয়া ছিল কঠিন

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে মেকোসুচিন কুমিরেরা অন্তত পাঁচ মিটার পর্যন্ত লম্বা হত এমন বড় দেহ নিয়ে গাছে চড়া নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর কিন্তু তাদের শারীরিক গঠন পরীক্ষা করলেই বোঝা যায় ভারসাম্য বজায় রেখে ওঠা নেমা এবং ঝাঁপানো তাদের জন্য খুবই স্বাভাবিক ছিল গাছ থেকে নামার সময় তারা পা ও লেজের সমন্বয়ে নিচের ডাল বা মাটিতে অবতরণ করত তাদের লেজ ছিল শুধু দিক নির্দেশনা নয় বরং ভারসাম্যেরও বড় উৎস

এই বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার সামনে এনেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্য তা হল প্রাচীন কুমিররা পরিবেশভেদে নানা রূপ নিয়েছিল আজকের কুমিররা যে পানিতে বাস করে তার মানে এই নয় যে তারা সবসময় এমন ছিল বরং অতীতের বহু প্রজাতি ছিল ভূমিচর বা বৃক্ষচারী মেকোসুচিন কুমিরের আবিষ্কার সেই বিস্ময়েরই আরেক প্রমাণ যা পৃথিবীর জীবনধারার সমৃদ্ধ ইতিহাসকে আরও গভীরভাবে জানতে সাহায্য করে

এই গবেষণা আরও জানায় যে পরিবেশগত পরিবর্তন বিবর্তন এবং বাস্তুসংস্থান কতটা সুনির্দিষ্টভাবে একটি প্রজাতির জীবনব্যবস্থাকে বদলে দিতে পারে জলবায়ু পরিবর্তন আশেপাশের জীববৈচিত্র্যের রূপান্তর এবং খাদ্য সংকট অতীতের বহু প্রাণীকে বাধ্য করেছে নিজেকে পুনর্গঠন করতে আবার কেউ কেউ এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে উঠতে পারেনি ফলে বিলুপ্তির পথে চলে গেছে মেকোসুচিন কুমির সম্ভবত এমনই এক উদাহরণ যারা বহুদিন ধরে নিজের পরিবেশে টিকে থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে গেছে পৃথিবীর দৃশ্যপটে

তবে তাদের রেখে যাওয়া জীবাশ্ম আজও কথা বলে প্রতিটি খোসা প্রতিটি হাড় প্রতিটি চিহ্ন আমাদের জানায় পৃথিবীর অতীতের অজানা গল্প গাছে চড়া শিকার করা ঝাঁপিয়ে পড়া কুমিরদের এই অনন্য ইতিহাস ভবিষ্যতের গবেষণাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং পৃথিবীর বিবর্তন সম্পর্কে আরও বিস্তৃত ধারণা দেবে এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা

এই আবিষ্কার আরও প্রমাণ করে যে পৃথিবীর ইতিহাসে এতদিন ধরে যে অসংখ্য প্রজাতি বাস করেছে তাদের বহু ক্ষমতা আজ আর দেখা যায় না সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশ পাল্টেছে জলবায়ু পরিবর্তন হয়েছে শিকার ও খাদ্যের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে এবং তার সঙ্গে বিবর্তন ধীরে ধীরে বহু পুরনো বৈশিষ্ট্যকে সরিয়ে নতুন রূপ দিয়েছে তাই এই ডিমের খোসার সন্ধান শুধু এক প্রজাতির কাহিনি নয় বরং পৃথিবীর দীর্ঘ বিবর্তন ইতিহাসকে আরও গভীরভাবে বোঝার এক অনন্য সুযোগ

আবিষ্কারের পর থেকে বিজ্ঞানীরা আরও খোঁজ শুরু করেছেন মেকোসুচিন কুমিরের অস্থি দাঁত চামড়ার ছাপ বা অন্য কোনও অবশিষ্টাংশ পাওয়া যায় কি না কারণ এই বিশেষ প্রজাতির যদি আরও নমুনা মেলে তবে তাদের জীবনধারা সম্পর্কে আরও বিস্তারভিত্তিক গবেষণা করা সম্ভব হবে বিশেষ করে জানা যাবে কীভাবে তারা গাছে উঠত কোন ধরনের শিকার করত দিনের কোন সময়ে সক্রিয় থাকত এবং তাদের আবাসস্থল কীরকম ছিল

এই ধরনের আবিষ্কার শুধু অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসই নয় সমগ্র পৃথিবীর প্রাগৈতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে সমৃদ্ধ করে মানুষের জ্ঞানভাণ্ডারকে আরও প্রসারিত করে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরে প্রকৃতির বিস্ময়কর বৈচিত্র্য পৃথিবীর অতীতের প্রতিটি অধ্যায় আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে গেলেও এই প্রাণীদের অস্তিত্ব আজও অম্লান হয়ে রয়েছে মাটির গভীরে লুকিয়ে থাকা জীবাশ্মের মধ্যে যা একদিন উঠে আসে গবেষকদের হাতে এবং নতুন গল্প বলে যায়

Preview image