Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ল্যাবে টেস্ট টিউব ভেঙে প্লেগ আতঙ্ক ভয়ঙ্কর সংক্রমণের আশঙ্কা রাশিয়ায় গবেষকের মৃত্যু শতাধিক কোয়ারেন্টাইনে

রাশিয়ার একটি গবেষণাগারে টেস্ট টিউব ভাঙার ঘটনায় প্লেগ সংক্রমণের আশঙ্কার খবর সামনে এসেছে প্রতিবেদনে এক গবেষকের মৃত্যু এবং শতাধিক মানুষকে কোয়ারেন্টাইনে রাখার দাবি করা হয়েছে তবে মৃত্যুর কারণ সংক্রমণের উপস্থিতি ও কোয়ারেন্টাইনের সংখ্যা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন

রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলে একটি প্লেগ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কর্মীর মৃত্যু ঘিরে সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, গবেষণাগারে টেস্ট টিউব ভাঙার মাধ্যমে তিনি বিপজ্জনক জীবাণুর সংস্পর্শে এসে থাকতে পারেন। তবে রুশ জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ মৃত্যুর কারণ হিসেবে অজানা উৎসের নিউমোনিয়ার কথা জানিয়েছে। ফলে ঘটনাটিকে নিশ্চিত প্লেগজনিত মৃত্যু বা প্রমাণিত ল্যাব দুর্ঘটনা হিসেবে তুলে ধরার মতো অবস্থান পাওয়া যাচ্ছে না। সংবাদে মৃত কর্মীর নাম দারিয়া শিপিলোভা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি ইরকুটস্কের অ্যান্টি-প্লেগ গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। তাঁর অসুস্থতা ও মৃত্যুর পরে সম্ভাব্য সংস্পর্শে আসা প্রায় ২০০ জনকে চিকিৎসাগত পর্যবেক্ষণে রাখার খবর প্রকাশিত হয়েছে। এই পদক্ষেপ সংক্রমণের সম্ভাবনা পরীক্ষা করার সঙ্গে যুক্ত পর্যবেক্ষণে থাকা প্রত্যেকেই আক্রান্ত হয়েছেন, এমন তথ্য প্রকাশিত হয়নি। টেস্ট টিউব ভাঙার ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে যে বিবরণ এসেছে, তা উদ্বেগের একটি প্রধান কারণ। সেই বিবরণ অনুযায়ী, জীবন্ত জীবাণু নিয়ে কাজ করার সময়ে দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। কিন্তু রাশিয়ার জনস্বাস্থ্য সংস্থা রসপোত্রেবনাদজরের বক্তব্য ভিন্ন। ইউরোনিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংস্থাটি জানিয়েছে যে মৃত কর্মীর নমুনায় তাঁর পেশাগত কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত অণুজীব পাওয়া যায়নি এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রোগসৃষ্টিকারী জীবাণু নিয়ে দুর্ঘটনার রেকর্ডও নেই।

ইরকুটস্ক অঞ্চলের গভর্নর ইগর কোবজেভও অজানা উৎসের নিউমোনিয়ার কথা বলেছেন। এনডিটিভির প্রতিবেদনে উদ্ধৃত তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করে পরীক্ষা ও দৈনিক পরীক্ষাগার পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, আগের দশ দিনে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মধ্যে সংক্রামক রোগসংক্রান্ত কোনো ঘটনা রিপোর্ট হয়নি। এই তথ্যগুলির মধ্যে পার্থক্য বজায় রাখা জরুরি। একটি গুরুতর অসুস্থতা, সম্ভাব্য জীবাণু সংস্পর্শ এবং নির্দিষ্ট রোগের নিশ্চিত শনাক্তকরণ আলাদা বিষয়। সংবাদে প্লেগের আশঙ্কা উঠে এসেছে বলে সেটিকে পরীক্ষায় প্রমাণিত সংক্রমণ ধরে নেওয়া যায় না। আবার কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের পাশাপাশি পরীক্ষার ফল ও পর্যবেক্ষণের অগ্রগতিও গুরুত্বপূর্ণ। এই ঘটনায় কোন দাবি কার বক্তব্যের ওপর নির্ভর করছে, তা স্পষ্টভাবে জানানো প্রয়োজন। কয়েকটি চিকিৎসাকেন্দ্রে কোয়ারেন্টাইন বা কার্যক্রমে বিধিনিষেধের খবরও সংবাদমাধ্যমে এসেছে। তবে এসব ব্যবস্থা থেকে আক্রান্তের সংখ্যা নির্ধারণ করা যায় না। সম্ভাব্য সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের পর্যবেক্ষণ অসুস্থ ব্যক্তিকে আলাদা রাখা এবং কোনো প্রতিষ্ঠানে সতর্কতামূলক বিধিনিষেধ এসবের উদ্দেশ্য ও প্রয়োগ ভিন্ন হতে পারে। তাই শতাধিক আক্রান্ত এবং শতাধিক পর্যবেক্ষণে এই দুটি বক্তব্যকে এক করে দেখা ঠিক হবে না। প্লেগ সম্পর্কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যও এই আলোচনায় প্রাসঙ্গিক। রোগটি Yersinia pestis নামের ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। তাই প্লেগকে অজানা ভাইরাস বলা বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। সংক্রমণ ফুসফুসে পৌঁছালে তাকে নিউমোনিক প্লেগ বলা হয়। এই ধরন আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাসতন্ত্রের সংক্রামক ড্রপলেটের মাধ্যমে অন্য মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে।

WHO জানিয়েছে, প্লেগ গুরুতর রোগ হলেও দ্রুত শনাক্তকরণ ও উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা জীবন বাঁচাতে পারে। এই সাধারণ চিকিৎসাগত তথ্য রাশিয়ার ঘটনাটির রোগনির্ণয় নিশ্চিত করে না। সংশ্লিষ্ট কর্মীর মৃত্যু কী কারণে হয়েছে, তা বোঝার জন্য তাঁর নমুনার পরীক্ষার ফল এবং তদন্তের তথ্য প্রয়োজন। রোগের সাধারণ বৈশিষ্ট্য দিয়ে কোনো নির্দিষ্ট মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করা যায় না। গবেষণাগারের নিরাপত্তা নিয়েও ঘটনাটি প্রশ্ন সামনে আনছে। বিপজ্জনক জীবাণু নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে নিরাপত্তাব্যবস্থা, দুর্ঘটনা রিপোর্ট করার পদ্ধতি এবং সম্ভাব্য সংস্পর্শের পরে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার গুরুত্ব রয়েছে। তবে এই প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট কোনো নিরাপত্তা ঘাটতি ছিল কি না সে বিষয়ে যাচাই করা প্রমাণ ছাড়া সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত নয়। আপাতত বিষয়টির কেন্দ্র হলো একজন ল্যাবকর্মীর মৃত্যু প্লেগ ও সম্ভাব্য ল্যাব দুর্ঘটনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের দাবি এবং সেই দাবির সঙ্গে পুরোপুরি না-মেলা সরকারি ব্যাখ্যা। নতুন পরীক্ষার ফল, পর্যবেক্ষণে থাকা ব্যক্তিদের অবস্থা ও তদন্তের তথ্য প্রকাশিত হলে ঘটনাটি আরও পরিষ্কার হবে। তার আগে নিশ্চিত মৃত্যু, সন্দেহভাজন সংক্রমণ এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থা প্রতিটি তথ্য তার নিজস্ব সীমার মধ্যে উল্লেখ করাই পাঠকের কাছে সবচেয়ে নির্ভুল ছবি পৌঁছে দেবে। রাশিয়ার একটি প্লেগ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কর্মীর মৃত্যু ঘিরে তৈরি হওয়া উদ্বেগের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, তাঁর অসুস্থতার প্রকৃত কারণ কী ছিল। সংবাদমাধ্যমে প্লেগ সংক্রমণ এবং সম্ভাব্য গবেষণাগার দুর্ঘটনার দাবি উঠে এসেছে। অন্যদিকে রুশ জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ মৃত্যুর কারণ হিসেবে অজানা উৎসের নিউমোনিয়ার কথা বলেছে। এই দুই বিবরণের মধ্যে পার্থক্য থাকায় পরীক্ষার ফল এবং তদন্তের তথ্য বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

news image
আরও খবর

কোনো রোগ কতটা গুরুতর বা কীভাবে ছড়াতে পারে, সেই সাধারণ তথ্য দিয়ে নির্দিষ্ট একজন রোগীর অসুস্থতার কারণ নির্ধারণ করা যায় না। রোগীর উপসর্গ, চিকিৎসার নথি, নমুনার পরীক্ষার ফল এবং সম্ভাব্য সংস্পর্শের ইতিহাস একসঙ্গে বিবেচনা করতে হয়। তাই প্লেগের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে কোনো অসুস্থতার মিল পাওয়া এবং পরীক্ষায় প্লেগ শনাক্ত হওয়া আলাদা বিষয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্লেগ একটি গুরুতর ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। এর জন্য দায়ী জীবাণুর নাম Yersinia pestis। সংক্রমণ ফুসফুসে হলে তাকে নিউমোনিক প্লেগ বলা হয়। এই ধরনের সংক্রমণ আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাসতন্ত্রের ড্রপলেটের মাধ্যমে অন্য মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে। দ্রুত শনাক্তকরণ এবং উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা জীবন বাঁচাতে পারে বলেও WHO জানিয়েছে। তবে এই তথ্য রাশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্মীর প্লেগ হয়েছিল বলে নিশ্চিত করে না। ঘটনাটি বোঝার জন্য সংবাদমাধ্যমের দাবি এবং কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাশাপাশি দেখা প্রয়োজন। স্থানীয় কিছু প্রতিবেদনে গবেষণাগারে জীবাণুযুক্ত টেস্ট টিউব ভাঙার সম্ভাবনার কথা এসেছে। কিন্তু রসপোত্রেবনাদজরের বক্তব্য অনুযায়ী, মৃত কর্মীর নমুনায় তাঁর পেশাগত কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত অণুজীব পাওয়া যায়নি। সংস্থাটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রোগসৃষ্টিকারী জীবাণু নিয়ে দুর্ঘটনার রেকর্ড না-থাকার কথাও জানিয়েছে। ফলে ল্যাব দুর্ঘটনা এবং মৃত্যুর মধ্যে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্ত এখনই দেওয়া যায় না। এই পরিস্থিতিতে তদন্তের বিভিন্ন তথ্য একে অন্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা গুরুত্বপূর্ণ। কর্মী কখন অসুস্থ হয়েছেন, কোথায় কাজ করেছেন, কাদের সংস্পর্শে এসেছেন এবং চিকিৎসার সময়ে কী তথ্য পাওয়া গেছে এসব প্রশ্নের উত্তর ঘটনাটির ধারাবাহিকতা বুঝতে সাহায্য করতে পারে। তবে কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা ঘটনাকে সংক্রমণের নিশ্চিত উৎস বলতে হলে তার পক্ষে প্রমাণ প্রয়োজন। সম্ভাব্য ঘটনাক্রম একটি ব্যাখ্যার পথ দেখাতে পারে কিন্তু সেটিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। গবেষণাগারের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনাও এই ঘটনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। বিপজ্জনক জীবাণু নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে কর্মীর নিরাপত্তা, নমুনা ব্যবস্থাপনা এবং কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটলে দ্রুত যোগাযোগের ব্যবস্থা প্রয়োজন। সাধারণভাবে, দুর্ঘটনার তথ্য যথাসময়ে জানানো হলে সম্ভাব্য সংস্পর্শের মূল্যায়ন ও পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়। তবে এই নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কোন নিরাপত্তাপদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছিল কিংবা কোথাও ঘাটতি ছিল কি না, তা যাচাই করা তথ্য ছাড়া বলা যাবে না। দুর্ঘটনার খবর প্রকাশিত হওয়া মাত্রই নিরাপত্তাব্যবস্থা ব্যর্থ হয়েছিল বলে ধরে নেওয়াও ঠিক নয়। একইভাবে, একটি প্রতিষ্ঠান বিপজ্জনক জীবাণু নিয়ে গবেষণা করে বলেই সেখানে কর্মরত কারও অসুস্থতা সেই জীবাণু থেকে হয়েছে এমন সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না। কাজের পরিবেশ একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য, কিন্তু রোগের কারণ নির্ধারণের জন্য পরীক্ষার ফল ও তদন্তের সঙ্গে তার যোগ দেখাতে হবে।

সম্ভাব্য সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের পর্যবেক্ষণের বিষয়টিও সঠিকভাবে বোঝা জরুরি। পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্য হলো তাঁদের অবস্থার পরিবর্তন বা সম্ভাব্য অসুস্থতার লক্ষণ সম্পর্কে তথ্য পাওয়া। চিকিৎসাগত পর্যবেক্ষণে থাকা ব্যক্তিদের সংখ্যাকে নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা হিসেবে উল্লেখ করলে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরীক্ষার ফল ও স্বাস্থ্যগত অবস্থার তথ্য প্রকাশিত হলে বোঝা যাবে, সংক্রমণের কোনো প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না। জনস্বাস্থ্যসংক্রান্ত ঘটনায় স্পষ্ট যোগাযোগ মানুষের উদ্বেগ সামলাতে সাহায্য করে। কোন তথ্য নিশ্চিত, কোনটি এখনও যাচাই করা হচ্ছে এবং পরবর্তী সময়ে কী তথ্য জানানো হবে এসব পরিষ্কার থাকলে পাঠক পরিস্থিতি বুঝতে পারেন। অস্পষ্ট ভাষা বা সূত্রহীন দাবি ছড়ালে একই ঘটনা নিয়ে একাধিক বিপরীত ধারণা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে সংক্রমণের আশঙ্কা রোগ শনাক্ত এবং রোগে মৃত্যু এই শব্দগুলির অর্থ আলাদা। সংবাদ পরিবেশনের সময় সেই পার্থক্য বজায় রাখা প্রয়োজন। কোনো সূত্র প্লেগের দাবি করলে সেটি ওই সূত্রের দাবি হিসেবেই উল্লেখ করতে হবে। সরকারি ব্যাখ্যা থাকলে সেটিও স্পষ্টভাবে জানাতে হবে। দুই বক্তব্যের মধ্যে মিল না থাকলে সেই অমিল তুলে ধরা যায়, কিন্তু তার কারণ হিসেবে গোপনীয়তা, অবহেলা বা তথ্য চাপা দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণ ছাড়া যোগ করা উচিত নয়। নতুন তথ্য প্রকাশিত হলে আগের বিবরণ সংশোধনের প্রয়োজনও হতে পারে। তদন্তে কোনো দাবি সমর্থন পেতে পারে, আবার কোনো সম্ভাবনা খারিজও হতে পারে। ফলে পরবর্তী পরীক্ষার ফল, কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য এবং পর্যবেক্ষণে থাকা ব্যক্তিদের অবস্থা এই ঘটনার মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ হবে। আপাতত পাঠকের কাছে সবচেয়ে পরিষ্কারভাবে যে বিষয়টি তুলে ধরা যায়, তা হলো একজন ল্যাবকর্মীর মৃত্যু ঘিরে পরস্পরবিরোধী ব্যাখ্যা সামনে এসেছে। প্লেগ ও সম্ভাব্য ল্যাব দুর্ঘটনার দাবি রয়েছে, কিন্তু রোগনির্ণয় এবং দুর্ঘটনার সঙ্গে মৃত্যুর সম্পর্ক নিশ্চিত করার প্রশ্ন এখনও গুরুত্বপূর্ণ। যাচাই করা তথ্য অনুযায়ী বিবরণ এগিয়ে নেওয়াই ঘটনাটির বাস্তব অবস্থা বুঝতে সাহায্য করবে।

Preview image