Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

লুচি পরোটার সঙ্গে রাজস্থানি আলুর দম মশলা মাখানো ঝালঝাল স্বাদে এক নতুন রোমাঞ্চ

বাঙালি কৌশলে আলুর দম অনেক রান্না করেছেন। এবার বানিয়ে দেখুন শুকনো, ঝালঝাল রাজস্থানি আলুর দম। স্বাদ মুখে লেগে থাকবে।

লুচি বা পরোটার সঙ্গে বাঙালি হেঁশেলে সবচেয়ে জনপ্রিয় বোধ হয় সাদা ঝোল ঝোল আলুর চচ্চড়ি। লুচি-পরোটার সঙ্গে আলুর দমও জমে ভাল। কাশ্মীরি আলুর দম, নিরামিষ আলুর দম খেয়েছেন। এবার স্বাদ বদলে বানিয়ে ফেলুন রাজস্থানি আলুর দম। জোগাড়যন্ত্র থাকলে রান্না হবে ৫ মিনিটে। লাল লাল গা-মাখা ঝাল আলুর দম অরুচির মুখে স্বাদও ফেরাবে। উপকরণ ৫-৬টি বড় আলু রং হবে কৃষ্ণবর্ণ, মুরগির মাংস আর কালো তিলের মিলমিশে বানিয়ে নিন কষা মাংস ১ টেবিল চামচ গোটা জিরে ১চা-চামচ মৌরি আধ চা-চামচ হিং ১ টেবিল চামচ আমচুর পাউডার ১ টেবিল চামচ লঙ্কার গুঁড়ো ২ টেবিল চামচ কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো ১ চা-চামচ হলুদগুঁড়ো স্বাদমতো নুন ১ টেবিল চামচ চিলি ফ্লেক্স আধ আঁটি ধনেপাতা কুচি স্বাদমতো নুন-চিনি প্রয়োজনমতো সর্ষের তেল প্রণালী: আলু খোসা-সহ অল্প জল দিয়ে প্রেশার কুকারে ৯০ শতাংশ সেদ্ধ করে নিন। খোসা ছাড়িয়ে চার টুকরো করে কেটে নিন। শুকনো আলুর দমটি রান্না করতে গেলে তেল নিয়ে কার্পণ্য করলে চলবে না। সর্ষের তেলে দিন একটু বেশি করে, অন্তত ৪ টেবিল চামচ। তেল গরম হলে জিরে ফোড়ন দিন। যোগ করুন মৌরি এবং হিং। ফোড়নের গন্ধ বার হলে দিয়ে দিন আলুর টুকরো। স্বাদমতো নুন-হলুদ দিয়ে আলু ভেজে নিন ৩-৪ মিনিট। যোগ করুন লঙ্কার গুঁড়ো, চিলি ফ্লেক্স, আমচুর পাউডার। দিয়ে দিন সামান্য একটু গরম জল। আঁচ কমিয়ে খুব ভাল করে আলু কষিয়ে নিন। একদম শেষে মিহি করে ধনেপাতা কুচিয়ে যোগ করুন। মিনিট ৪-৫ রান্না হয়ে গেলে নামিয়ে নিন কষা লাল রঙের ঝালঝাল আলুর দম। লুচির সঙ্গে দারুণ জমবে। পরে 

রাজস্থানি আলুর দম: রাজস্থানী রেসিপির এক অনন্য স্বাদ

লুচি বা পরোটার সঙ্গে সাদা ঝোল ঝোল আলুর চচ্চড়ি বাঙালি হেঁশেলে এক অতি পরিচিত ও জনপ্রিয় খাবার। তবে বাঙালির কিচেনে যখন বিশেষ কিছু রান্না করার কথা আসে, তখন লুচি বা পরোটার সঙ্গে আলুর দমের প্রাধান্য কিন্তু অস্বীকার করা সম্ভব নয়। এটি এমন একটি মজাদার, সুস্বাদু খাবার যা সাধারণত পরিবারের বড়দের কাছ থেকে ছোটদের কাছে পৌঁছাতে থাকে।

অনেকেই কাশ্মীরি আলুর দম বা নিরামিষ আলুর দম উপভোগ করেন, তবে যদি আপনি একটু স্বাদ বদলাতে চান, তবে রাজস্থানি আলুর দমের স্বাদ নিতে ভুলবেন না। এই বিশেষ রেসিপিটি এমন কিছু মশলা দিয়ে তৈরি করা হয় যা মাংসের মতো স্বাদ এনে দেয়, তবে এতে কোনো মাংস ব্যবহৃত হয় না। লাল লাল গা-মাখা ঝাল আলুর দম, যেটি খাবার প্রেমিকদের এক নতুন স্বাদ দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

এটি একেবারে সহজেই তৈরি করা যায় এবং প্রায় পাঁচ মিনিটেই রান্না হয়ে যায়। এর প্রস্তুতির জন্য তেমন কোনো জটিলতা নেই, তবে এটি সত্যিই এক অনন্য স্বাদের খাবার তৈরি করতে সক্ষম।

এবার আসুন, এই সুস্বাদু রাজস্থানি আলুর দমটি কীভাবে তৈরি করা যায়, তা বিস্তারিতভাবে দেখি।


উপকরণ

এই রেসিপিটি তৈরি করতে প্রয়োজনীয় উপকরণগুলি হলো:

  1. ৫-৬টি বড় আলু (যেগুলোর রং কৃষ্ণবর্ণ হবে)
  2. ১ টেবিল চামচ গোটা জিরে
  3. ১ চা-চামচ মৌরি
  4. আধ চা-চামচ হিং
  5. ১ টেবিল চামচ আমচুর পাউডার
  6. ১ টেবিল চামচ লঙ্কার গুঁড়ো
  7. ২ টেবিল চামচ কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো
  8. ১ চা-চামচ হলুদগুঁড়ো
  9. স্বাদমতো নুন
  10. ১ টেবিল চামচ চিলি ফ্লেক্স
  11. আধ আঁটি ধনেপাতা কুচি
  12. প্রয়োজনমতো সর্ষের তেল
  13. স্বাদমতো নুন-চিনি

প্রণালী

১. প্রথম ধাপ: আলু সেদ্ধ করা
প্রথমে, আলু গুলি খোসাসহ অল্প জল দিয়ে প্রেশার কুকারে সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ করার পর, আলুর খোসা ছাড়িয়ে চারটি টুকরো করে কাটুন। সেদ্ধ আলু যদি ভালোভাবে রান্না করা না হয়, তাহলে এটি একটি মিষ্টি স্বাদের হয়ে দাঁড়াতে পারে না, তাই আলু ভালোভাবে সেদ্ধ করে নিন।

২. তেল গরম করা
আলুর দম তৈরি করতে হলে তেলের ব্যবহার কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। সর্ষের তেলে একটু বেশি করে, অন্তত ৪ টেবিল চামচ তেল নিতে হবে। তেল গরম হলে প্রথমে জিরে ফোড়ন দিন। এরপর মৌরি এবং হিং যোগ করুন। ফোড়নের গন্ধ বের হলে, সেদ্ধ আলুর টুকরোগুলি তেলে দিয়ে দিন।

৩. মশলা যোগ করা
এর পর স্বাদমতো নুন এবং হলুদ গুঁড়ো দিয়ে আলু ভালোভাবে ভেজে নিন ৩-৪ মিনিট। এরপর লঙ্কার গুঁড়ো, চিলি ফ্লেক্স, এবং আমচুর পাউডার যোগ করুন। আপনি যদি আরও ঝাল পছন্দ করেন, তবে চিলি ফ্লেক্স বাড়িয়ে দিতে পারেন।

৪. তাড়াতাড়ি রান্না করা
এই পর্যায়ে সামান্য গরম জল যোগ করুন এবং আঁচ কমিয়ে, খুব ভালোভাবে আলুকে কষিয়ে নিন। একটি সুগন্ধি পরিবেশ তৈরির জন্য ধনেপাতা কুচি দিয়ে দিন এবং ৪-৫ মিনিট রান্না করুন।

৫. সম্পূর্ণ প্রস্তুত
খুবই ঝাল, লাল রঙের ঝোল ঝোল আলুর দম প্রস্তুত হয়ে যাবে। এটি লুচি বা পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন। এই মজাদার খাবারটি দারুণ জমে উঠবে। তবে মনে রাখবেন, এর স্বাদ যেন চূড়ান্ত রূপে পৌঁছায়, তাতে কোনো রকম কার্পণ্য করবেন না।


রাজস্থানি আলুর দমের বৈশিষ্ট্য

রাজস্থানি আলুর দম প্রাচীন রাজস্থানি রান্নার একটি অন্যতম আকর্ষণীয় খাদ্য। এই রান্নার মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর মশলাদার এবং তীব্র ঝাল স্বাদ। মশলা ব্যবহারেও থাকে ভিন্নতা, যেমন মিষ্টি সুতির মতো লাল ঝাল মশলা যা খাবারের মধ্যে একটি গা-মাখা সুবাস এবং জমাট রান্নার স্বাদ আনতে সাহায্য করে।

news image
আরও খবর

রাজস্থানি আলুর দমের ইতিহাস আরও গভীরে গিয়ে যদি দেখি, তবে এটি রাজস্থানের প্রাচীন রাজার দুনিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। সেখানে বিভিন্ন ধরনের মশলা ব্যবহার করার ধরণ থেকে তৈরি হয়েছে এই সুস্বাদু খাবার। মাংসের মধ্যে কোনো এক ধরনের মিশ্রণ ঘটিয়ে রাজস্থানি আলুর দম একটি অপরিহার্য খাদ্য হয়ে উঠেছে।


উপসংহার

এই রাজস্থানি আলুর দম খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি এটি তৈরি করতেও সহজ। আপনি যদি কখনো বাঙালি হেঁশেল থেকে একটু ভিন্ন স্বাদের কিছু তৈরি করতে চান, তবে রাজস্থানি আলুর দম আপনার প্রথম পছন্দ হতে পারে। এই ঝাল মিষ্টি খাবারটি লুচি বা পরোটার সঙ্গে নিখুঁতভাবে জমে ওঠে এবং সকলকে মুগ্ধ 

লুচি বা পরোটার সঙ্গে বাঙালি হেঁশেলে সবচেয়ে জনপ্রিয় বোধ হয় সাদা ঝোল ঝোল আলুর চচ্চড়ি। লুচি-পরোটার সঙ্গে আলুর দমও জমে ভালো। কাশ্মীরি আলুর দম, নিরামিষ আলুর দম খেয়েছেন। এবার স্বাদ বদলে বানিয়ে ফেলুন রাজস্থানি আলুর দম। এই রেসিপিটি একেবারে ভিন্ন ধরনের এবং রাজস্থানি রান্নার স্বাদ আপনাকে নতুন করে চমকে দিবে। জোগাড়যন্ত্র থাকলে রান্না হবে মাত্র ৫ মিনিটে। আর লাল লাল গা-মাখা ঝাল আলুর দম অরুচির মুখে স্বাদও ফিরিয়ে নিয়ে আসবে।

উপকরণ:

  1. ৫-৬টি বড় আলু
  2. আলুর রং হবে কৃষ্ণবর্ণ, এবং মুরগির মাংস আর কালো তিলের মিশ্রণে বানিয়ে নিন কষা মাংস (ঐচ্ছিক, তবে স্বাদ বাড়ানোর জন্য একদম কম পরিমাণে যোগ করা যেতে পারে)
  3. ১ টেবিল চামচ গোটা জিরে
  4. ১ চা-চামচ মৌরি
  5. আধ চা-চামচ হিং
  6. ১ টেবিল চামচ আমচুর পাউডার
  7. ১ টেবিল চামচ লঙ্কার গুঁড়ো
  8. ২ টেবিল চামচ কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো
  9. ১ চা-চামচ হলুদগুঁড়ো
  10. স্বাদমতো নুন
  11. ১ টেবিল চামচ চিলি ফ্লেক্স
  12. আধ আঁটি ধনেপাতা কুচি
  13. স্বাদমতো নুন-চিনি
  14. প্রয়োজনমতো সর্ষের তেল

প্রণালী:

প্রথমে আলু খোসা-সহ অল্প জল দিয়ে প্রেশার কুকারে ৯০ শতাংশ সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ আলু খোসা ছাড়িয়ে চার টুকরো করে কেটে নিন। এরপর, শুকনো আলুর দমটি রান্না করতে গেলে তেল নিয়ে কার্পণ্য করলে চলবে না। সর্ষের তেলে দিন একটু বেশি করে, অন্তত ৪ টেবিল চা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Preview image