Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

টিকা নেওয়ার পরেও ছড়াচ্ছে হাম ভয় কতটা আর কীভাবে থাকবেন সুরক্ষিত

টিকা নেওয়ার পরেও Measles ছড়ানোর ঘটনা বাড়ছে তাই সচেতন থাকা জরুরি সময়মতো টিকা নেওয়া পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং দ্রুত চিকিৎসা নিলে ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব

টিকা নেওয়ার পরেও ছড়াচ্ছে হাম ভয় কতটা আর কীভাবে থাকবেন সুরক্ষিত
International News

টিকা নেওয়ার পরেও Measles বা হাম ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা আজকাল অনেক জায়গায় নজরে আসছে যা সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি করছে। বহু মানুষ মনে করেন একবার টিকা নেওয়া হয়ে গেলে এই রোগ আর হওয়ার কোনও সম্ভাবনা থাকে না কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন। টিকা অত্যন্ত কার্যকর হলেও শতভাগ সুরক্ষা সব ক্ষেত্রে নিশ্চিত করে না এবং সেই কারণেই কিছু কিছু ক্ষেত্রে টিকা নেওয়ার পরেও সংক্রমণ দেখা যেতে পারে। তবে এর মানে এই নয় যে টিকা অকার্যকর বরং টিকা নেওয়া থাকলে রোগের তীব্রতা অনেকটাই কম থাকে এবং জটিলতার সম্ভাবনাও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।

হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ যা মূলত বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তি যখন কাশি বা হাঁচি দেয় তখন ভাইরাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে এবং আশেপাশের মানুষ খুব সহজেই সংক্রমিত হতে পারে। এই ভাইরাস এতটাই সংক্রামক যে একজন আক্রান্ত ব্যক্তি একসঙ্গে বহু মানুষকে সংক্রমিত করতে সক্ষম। বিশেষ করে যেখানে অনেক মানুষের ভিড় সেখানে এই সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাই স্কুল বাজার গণপরিবহন বা জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় সংক্রমণের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি থাকে।

টিকা নেওয়ার পরেও হাম হওয়ার অন্যতম কারণ হল টিকার সম্পূর্ণ ডোজ না নেওয়া। সাধারণত হাম প্রতিরোধের জন্য দুই ডোজ টিকা দেওয়া প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় কেউ একজন একটি ডোজ নিয়েই নিশ্চিন্ত হয়ে যান বা দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দেন না। ফলে শরীরে পূর্ণ সুরক্ষা তৈরি হয় না এবং সংক্রমণের সম্ভাবনা থেকেই যায়। এছাড়াও কিছু মানুষের শরীর টিকার প্রতি প্রত্যাশিতভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে না অর্থাৎ যথেষ্ট অ্যান্টিবডি তৈরি হয় না। এই ধরনের ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সংক্রমণের ঝুঁকি কিছুটা বেশি থাকে যদিও এমন ঘটনা তুলনামূলকভাবে বিরল।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল কমিউনিটি বা সামাজিক স্তরে টিকার কভারেজ কমে যাওয়া। যখন কোনও এলাকায় অনেক মানুষ টিকা নেয় না তখন সেখানে ভাইরাস সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং এমনকি যারা টিকা নিয়েছেন তারাও কিছুটা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যান। এই পরিস্থিতিকে হার্ড ইমিউনিটি বা গোষ্ঠীগত সুরক্ষার অভাব বলা হয়। একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষ টিকা নেওয়ার মাধ্যমে একটি সমাজকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হয় কিন্তু যখন সেই সংখ্যা কমে যায় তখন রোগের পুনরুত্থান ঘটে।

হামের লক্ষণ সাধারণত কয়েকটি ধাপে প্রকাশ পায়। প্রথমে জ্বর সর্দি কাশি চোখ লাল হওয়া ইত্যাদি উপসর্গ দেখা যায় যা অনেক সময় সাধারণ সর্দি জ্বর বলে ভুল হতে পারে। এরপর কয়েক দিনের মধ্যে শরীরে লাল ফুসকুড়ি বের হতে শুরু করে যা ধীরে ধীরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ দেখা যায় যা হাম রোগের একটি বিশেষ লক্ষণ। এই সময় রোগী খুব দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সঠিক চিকিৎসা না হলে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

হামকে অনেকেই সাধারণ রোগ বলে ভাবলেও এটি কখনও কখনও গুরুতর রূপ নিতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগ নিউমোনিয়া ডায়রিয়া বা মস্তিষ্কে সংক্রমণের মতো জটিলতা তৈরি করতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এই জটিলতা জীবনহানির কারণও হতে পারে। অপুষ্টিতে ভোগা শিশু বা যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি। তাই এই রোগকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয় এবং যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি।

টিকা নেওয়ার পরেও সংক্রমণ হলে সাধারণত রোগের তীব্রতা কম থাকে এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব হয়। এটি টিকার সবচেয়ে বড় সুবিধা। টিকা শরীরকে ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা দেয় যার ফলে গুরুতর পরিস্থিতি এড়ানো যায়। তাই টিকা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি কখনও এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়।

এখন প্রশ্ন হল কীভাবে আগে থেকেই সতর্ক থাকা যায়। প্রথমত শিশুদের সময়মতো টিকা দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী টিকা সম্পূর্ণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয়ত কোনও এলাকায় হাম ছড়িয়ে পড়লে অপ্রয়োজনীয় ভিড় এড়িয়ে চলা উচিত এবং অসুস্থ ব্যক্তির সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকা প্রয়োজন। তৃতীয়ত ব্যক্তিগত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত হাত ধোয়া পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করা এবং বাসস্থান পরিচ্ছন্ন রাখা সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

খাবারের দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। পুষ্টিকর খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। বিশেষ করে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার যেমন গাজর পেঁপে শাকসবজি ইত্যাদি শরীরকে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত জল পান এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামও সুস্থ থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

যদি কারও মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা যায় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। নিজে নিজে ওষুধ খাওয়া বা অবহেলা করা ঠিক নয়। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা নিলে জটিলতা অনেকটাই এড়ানো সম্ভব। এছাড়াও আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা রাখা উচিত যাতে অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে।

বর্তমান সময়ে বিভিন্ন দেশে আবার হাম রোগের সংক্রমণ বাড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে যা আমাদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করা উচিত। এটি প্রমাণ করে যে টিকা নেওয়ার পরেও সম্পূর্ণ নিশ্চিন্ত হয়ে বসে থাকা ঠিক নয় বরং নিয়মিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং সচেতন থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি আরও বেশি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত কারণ তারাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে থাকে।

 হাম একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ এবং সঠিক পদক্ষেপ নিলে এটি থেকে সহজেই সুরক্ষিত থাকা সম্ভব। টিকা নেওয়া সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এই তিনটি বিষয়ই আমাদের সুরক্ষার মূল চাবিকাঠি। ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই কিন্তু অবহেলা করারও কোনও সুযোগ নেই। নিজের এবং পরিবারের সুরক্ষার জন্য এখন থেকেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে কোনও বড় ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়।

news image
আরও খবর

টিকা নেওয়ার পরেও Measles বা হাম ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি বর্তমানে জনস্বাস্থ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই অবাক হচ্ছেন কেন টিকা নেওয়ার পরেও এই রোগ দেখা যাচ্ছে। এই প্রশ্নের উত্তর বুঝতে গেলে প্রথমেই জানতে হবে টিকা কীভাবে কাজ করে এবং কেন শতভাগ সুরক্ষা সবসময় সম্ভব হয় না। টিকা শরীরকে আগে থেকেই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত করে দেয়। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রত্যাশিত মাত্রায় কাজ না করলে সংক্রমণ ঘটতে পারে। তবে সেই সংক্রমণ সাধারণত অনেক হালকা হয় এবং গুরুতর জটিলতার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।

হাম এমন একটি রোগ যা খুব দ্রুত ছড়াতে পারে এবং এটি বাতাসে ভাসমান কণার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি বা হাঁচি দিলে ভাইরাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে এবং আশেপাশের মানুষ সহজেই সংক্রমিত হতে পারে। এই কারণেই এটি বিশ্বের অন্যতম সংক্রামক রোগ হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এই রোগ দ্রুত ছড়ায় কারণ তারা প্রায়ই একসঙ্গে থাকে এবং তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে।

অনেক সময় দেখা যায় কোনও এলাকায় টিকা গ্রহণের হার কমে গেলে সেখানে হাম আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। কারণ সমাজের একটি বড় অংশ টিকা না নিলে ভাইরাস সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং সেই প্রভাব টিকা নেওয়া মানুষদের উপরেও পড়তে পারে। এই পরিস্থিতিকে গোষ্ঠীগত সুরক্ষার অভাব বলা হয়। তাই শুধুমাত্র নিজের নয় বরং সমাজের সবার সুরক্ষার জন্য টিকা নেওয়া জরুরি।

হামের উপসর্গ সাধারণত প্রথমে সাধারণ জ্বর সর্দি কাশি দিয়ে শুরু হয়। এরপর চোখ লাল হয়ে যাওয়া আলো সহ্য করতে না পারা এবং কয়েক দিনের মধ্যে শরীরে ফুসকুড়ি দেখা যায়। এই ফুসকুড়ি প্রথমে মুখে দেখা যায় এবং ধীরে ধীরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সময় মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ দেখা যায় যা এই রোগের একটি বিশেষ লক্ষণ। এই সময় রোগী খুব দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সঠিক যত্ন না নিলে পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে।

হাম শুধুমাত্র একটি সাধারণ সংক্রমণ নয় এটি অনেক সময় মারাত্মক জটিলতার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া ডায়রিয়া বা মস্তিষ্কে সংক্রমণ দেখা দিতে পারে যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। কিছু ক্ষেত্রে এই জটিলতা দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার কারণও হতে পারে। তাই এই রোগকে কখনওই অবহেলা করা উচিত নয়।

টিকা নেওয়ার পরেও যদি কেউ হাম আক্রান্ত হন তাহলে সাধারণত তার লক্ষণ তুলনামূলকভাবে কম গুরুতর হয়। এটি টিকার একটি বড় সুবিধা। টিকা শরীরকে এমনভাবে প্রস্তুত করে যে ভাইরাসের আক্রমণ হলেও শরীর দ্রুত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। ফলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন কম হয় এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব হয়।

সতর্কতার দিক থেকে কয়েকটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত সময়মতো টিকা নেওয়া এবং টিকার সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করা। দ্বিতীয়ত যদি আশেপাশে কেউ অসুস্থ থাকে তাহলে তার সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা উচিত। তৃতীয়ত নিয়মিত হাত ধোয়া পরিষ্কার পরিবেশে থাকা এবং ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়াও শিশুদের ক্ষেত্রে স্কুল বা ডে কেয়ারে সংক্রমণ দেখা দিলে কিছুদিন বাড়িতে রাখা ভালো।

পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার বিশেষভাবে উপকারী কারণ এটি শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত ঘুম এবং বিশ্রামও খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এতে শরীর দ্রুত সুস্থ হতে পারে।

যদি কোনও ব্যক্তির মধ্যে হামের লক্ষণ দেখা যায় তাহলে তাকে আলাদা রাখা উচিত এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। নিজে নিজে ওষুধ খাওয়া বা দেরি করা বিপজ্জনক হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চললে জটিলতা অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।

বর্তমান সময়ে বিশ্বজুড়ে আবার হাম সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে যা আমাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে টিকা নেওয়ার পাশাপাশি সচেতনতা বজায় রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা কতটা জরুরি। শুধুমাত্র টিকার উপর নির্ভর করে নিশ্চিন্ত হয়ে বসে থাকা উচিত নয় বরং প্রতিদিনের জীবনে কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললেই আমরা নিজেদের অনেকটাই সুরক্ষিত রাখতে পারি।

সবশেষে বলা যায় ভয় পাওয়ার কিছু নেই তবে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি। টিকা নেওয়া পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া এই তিনটি বিষয় মেনে চললে হাম থেকে সহজেই সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব। নিজের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদেরও সচেতন করা প্রয়োজন যাতে সবাই মিলে এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করা যায় এবং একটি সুস্থ সমাজ গড়ে তোলা যায়।

Preview image