Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

চীনে ক্ষেপণাস্ত্র কেলেঙ্কারি সেনাবিক্ষোভের আশঙ্কায় শি জিনপিংয়ের সাফাই অভিযান

মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুসারে, চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) জলভরা ক্ষেপণাস্ত্রগুলির ব্যবহার দেশের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতির একটি বড় উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এটির সঙ্গে জড়িত সেনা অভ্যুত্থানের চেষ্টার বিষয়েও খবর প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ সদস্যরা উল্লিখিত।

চীনে ক্ষেপণাস্ত্র কেলেঙ্কারি সেনাবিক্ষোভের আশঙ্কায় শি জিনপিংয়ের সাফাই অভিযান
International Affairs

চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) অভ্যন্তরীণ দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র উন্মোচন হয়েছে, যা শি জিনপিং প্রশাসনের ‘সাফাই অভিযান’কে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে। মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুসারে, চিনের সশস্ত্র বাহিনীতে এমন দুর্নীতির শিকড় গেঁড়ে বসেছে, যার কারণে দেশটির পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বিপদজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। প্রমাণ হিসেবে, পশ্চিম চিনের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো ক্ষেত্রগুলোতে ত্রুটিপূর্ণ ঢাকনা পাওয়া গেছে, যা ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণের সময় বাধা সৃষ্টি করেছে।

সর্বাধিক বিস্ফোরক তথ্য হল, চিনের ক্ষেপণাস্ত্রগুলিতে জ্বালানির পরিবর্তে জল ভরে রাখা হত, যা বিপদকালে ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে অকার্যকর করে ফেলতো। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, চিনের ক্ষেপণাস্ত্র সাইলোয় তরল জ্বালানি না রেখে, তার জায়গায় জল ভরে দেওয়া হত, যা প্রকৃতপক্ষে এক ধরনের নাশকতা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ব্লুমবার্গের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এর ফলে শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের অপসারণ করা হয়েছে, এবং এই ঘটনায় চিনের পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণকারী পিএলএ রকেট ফোর্সের নেতৃত্বকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই দুর্নীতি বিষয়ক তদন্তে আরও জানা যায় যে, চীনের সশস্ত্র বাহিনীর দুই শীর্ষ আধিকারিক ঝাং ইউশিয়াও এবং লিউ ঝেনলি তথ্যপাচারের গুরুতর অভিযোগে আমেরিকায় গ্রেফতার হয়েছেন। এগুলোর মাধ্যমে, শি জিনপিং প্রশাসন তার বাহিনীতে  ভুত ছড়িয়ে পড়া দুর্নীতির চিত্র প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে, এবং এখন তদন্ত চলছে, যাতে চিনের সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অপরাধী প্রমাণ পাওয়া যায়।

এই ঘটনা চিনের পারমাণবিক নিরাপত্তা এবং সামরিক শক্তির ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শি জিনপিংয়ের শাসনে পিপলস লিবারেশন আর্মি একটি বড় দুর্নীতির জাল ছড়িয়ে পড়া থেকে ফিরে আসার চেষ্টা করছে, এবং শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। এই তদন্তের মাধ্যমে, চিনের সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ দুর্নীতির খোলস বেরিয়ে আসছে এবং এর ফলশ্রুতিতে দেশের পারমাণবিক শক্তির নিরাপত্তাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ছে।

এটা স্পষ্ট যে, চীনে পারমাণবিক অস্ত্রের নিরাপত্তা এবং সেনা বাহিনীর গোপনীয়তা এখন আরও বড় সংকটের মুখে। শি জিনপিং প্রশাসনের জন্য এটি একটি কঠিন পরিস্থিতি, যেখানে দেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং তার শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযোগ উঠেছে এবং এই ঘটনা আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং সামরিক বিশ্লেষকদের মধ্যে বড় ধরনের আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

এই কেলেঙ্কারি পৃথিবীর অন্য দেশগুলোরও নজর কেড়েছে, বিশেষ করে আমেরিকান গোয়েন্দা কর্মকর্তারা যে তথ্য সরবরাহ করেছেন তা চিনের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় ধরনের শঙ্কার জন্ম দিয়েছে। 

চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের বিশ্বস্ত সহচর হিসেবে পরিচিত ঝ্যাঙ ইউশিয়াও এখন এক গুরুতর বিতর্কের মুখোমুখি। তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়েছে চিনের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির সংবেদনশীল তথ্য ফাঁস করার জন্য, যা পেন্টাগনের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। এ অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি শৃঙ্খলা এবং রাষ্ট্রীয় আইন ভাঙার গুরুতর দিক উঠে এসেছে। ৭৫ বছর বয়সী ঝ্যাঙ চিনের কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য এবং তাঁর দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক শি জিনপিঙের পরিবারের সঙ্গে। ঝ্যাঙ ও জিনপিঙের পিতামাতারা একসাথে মাও সে তুংয়ের নেতৃত্বে যুদ্ধ করেছিলেন, তবে বর্তমান সময়ে ঝ্যাঙের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও চক্রান্তের অভিযোগ চিনের সামরিক ও রাজনৈতিক পরিসরে বড় ধরনের শক সৃষ্টি করেছে। 

চিনের রাজনৈতিক ও সামরিক পরিসরে এখন এক বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যার মূল কারণ একাধিক গুরুতর অভিযোগ। ঝ্যাঙ ইউশিয়াও, যিনি চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের বিশ্বস্ত সহচর এবং দীর্ঘদিনের বন্ধু, তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ছাড়াও রাজনৈতিক চক্র তৈরি এবং সেনা অভ্যুত্থানের পরিকল্পনার অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ শুধুমাত্র ব্যক্তিগত স্বার্থে দুর্নীতি করার সীমা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি শি জিনপিঙের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রও করেছিলেন, এমন ধারণাও প্রকাশিত হয়েছে কিছু রিপোর্টে। এই পরিস্থিতির পর, চিনের সরকার ও সেনাবাহিনী এক নতুন শুদ্ধিকরণ অভিযান-এ নেমেছে, যার লক্ষ্য হচ্ছে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি এবং শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালানো।

বিশেষত, সেনাবাহিনীর পারমাণবিক নিরাপত্তা বিষয়ক দুর্নীতির অভিযোগ গুরুতর হয়ে উঠেছে। মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট এবং বিভিন্ন তদন্তে উঠে এসেছে যে, চিনের পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো এবং অন্য গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সম্পদে ত্রুটিপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল, যা সশস্ত্র বাহিনীর পারমাণবিক অস্ত্রের নিরাপত্তাকে বিপদে ফেলতে পারে। এ ছাড়া, ঝ্যাঙের বিরুদ্ধে আরও একটি গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, যার মধ্যে আমেরিকার কাছে পারমাণবিক অস্ত্রের প্রযুক্তিগত তথ্য পাচারের বিষয়টি রয়েছে। এ ধরনের অভিযোগ চিনের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেহেতু এটি শুধু দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নয়, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও গভীর প্রভাব ফেলবে।

২০২৩ সাল থেকেই শি জিনপিঙ দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছেন। সরকারের শাসনব্যবস্থা দুর্বল ও কলঙ্কিত হওয়ার প্রবণতা রুখে দেওয়ার জন্য তিনি বেশ কিছু উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অপসারণ করেছেন। বিশেষভাবে, বিদেশে বসবাসকারী ২০ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, কারণ তাদের কাছ থেকে সরকারি তথ্য পাচারের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। ২০২৪ সালে, চিন সরকারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে অপসারণ করা হয়েছে, যারা নিরাপত্তা ত্রুটির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

এই চ্যালেঞ্জের মুখে, শি জিনপিঙের সরকার এখন কঠিন সময় পার করছে। সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থানের আশঙ্কা এবং অভ্যন্তরীণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে এই শুদ্ধিকরণ অভিযান চিনের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের পরীক্ষা হতে চলেছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়, যেখানে চিনের রাজনৈতিক এবং সামরিক শক্তির অটুটতা প্রশ্নের সম্মুখীন। দেশের গোপন তথ্য পাচার ও নিরাপত্তার শঙ্কা, বিশেষ করে পারমাণবিক নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। 

news image
আরও খবর

চিনের শি জিনপিঙ প্রশাসন বর্তমানে এক ক্রমবর্ধমান সংকটের মধ্যে রয়েছে, যেখানে রাজনৈতিক এবং সামরিক ক্ষমতার প্রশ্ন এখন ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থান এবং অভ্যন্তরীণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে চলমান ‘শুদ্ধিকরণ অভিযান’ চিনের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় ধরনের পরীক্ষা হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতি শি জিনপিঙের সরকারের জন্য একটি বিরাট চ্যালেঞ্জের কারণ, কারণ দেশের গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ এবং পারমাণবিক নিরাপত্তার শঙ্কা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।

২০২৩ সালের পর থেকে, শি জিনপিঙের প্রশাসন সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠে আসছে, যার মধ্যে অন্যতম হল পারমাণবিক নিরাপত্তা ত্রুটি এবং গোপন তথ্য পাচারের ঘটনা। এতে চিনের পারমাণবিক অস্ত্রের নিরাপত্তা বিষয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, যা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে চিনের শক্তির অটুটতা এবং বিশ্ব নিরাপত্তা নিয়ে এক গভীর প্রশ্ন উঠিয়েছে।

ঝ্যাঙ ইউশিয়াও, যিনি শি জিনপিঙের বিশ্বস্ত সহচর হিসেবে পরিচিত, তার বিরুদ্ধে গোপন তথ্য পাচারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুসারে, ঝ্যাঙ শি জিনপিঙের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক চক্র তৈরি করার চেষ্টা করছেন এবং সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থানের পরিকল্পনাও করছেন। এর ফলস্বরূপ, চিনের সরকার এবং সেনাবাহিনী এক নতুন ‘শুদ্ধিকরণ অভিযান’-এ নেমেছে, যা মূলত সরকারের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে দুর্নীতির শিকড় উৎখাত করার জন্য একটি প্রক্রিয়া হিসেবে কাজ করছে।

এদিকে, সেনাবাহিনীর পারমাণবিক অস্ত্র সুরক্ষা বিষয়ক ত্রুটির তদন্তের ফলস্বরূপ আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। পশ্চিম চিনের ক্ষেপণাস্ত্র সাইলোয় যে ত্রুটিপূর্ণ ঢাকনা ব্যবহার করা হয়েছিল, তা দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক অস্ত্রের নিরাপত্তায় বড় ধরনের বিপদ তৈরি করেছে। এমনকি, কিছু ক্ষেপণাস্ত্র সাইলোতে জল ভরে রাখা হয়েছে, যাতে বিপদকালে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কার্যকর হতে না পারে। এই ধরনের ঘটনা দেশের পারমাণবিক নিরাপত্তা এবং সেনাবাহিনীর দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। এর ফলে, চিনের সামরিক বাহিনীর নীতি এবং রণনীতি এখন সন্দেহের মধ্যে পড়েছে।

চিনের সরকার এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে ক্রমাগত পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে শুদ্ধিকরণের জন্য আরও একধাপ এগিয়ে যাচ্ছে। শি জিনপিঙের নেতৃত্বে, ২০২৩ সাল থেকে দুর্নীতিতে অভিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তাদের অপসারণের অভিযান শুরু হয়েছে। সরকারি পদে বিদেশে বসবাসকারী ২০ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অপসারণ করা হয়েছে, যাতে দেশের গোপন তথ্য পাচার না হয়। এই পদক্ষেপগুলি সরকারের শক্তি এবং পারমাণবিক অস্ত্রের নিরাপত্তার প্রতি সচেতনতার উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এখন প্রশ্ন উঠেছে যে, এই ‘শুদ্ধিকরণ অভিযান’ এবং নিরাপত্তা ত্রুটির তদন্তের মধ্য দিয়ে চিনের সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা কতটা অটুট থাকবে। চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের জন্য এটি একটি কঠিন সময়, কারণ এই ধরনের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি এবং সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ চাপের মধ্যে তার সরকারকে পরিচালনা করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। দেশের পারমাণবিক অস্ত্র এবং সেনাবাহিনীর উপর উচ্চ ঝুঁকির কারণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে চিনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এই পরিস্থিতি শুধু চিনের জন্য নয়, গোটা বিশ্বের জন্য একটি সতর্ক সংকেত। পারমাণবিক নিরাপত্তা এবং গোপন তথ্য পাচারের মতো বিষয়গুলি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ত্রুটির দিকে পরিচালিত করতে পারে, যা বৈশ্বিক শান্তি এবং স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হতে পারে। এই মুহূর্তে, শি জিনপিঙের প্রশাসনকে শুধু দেশীয় সমস্যা মোকাবেলা করা নয়, বরং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং নিরাপত্তার দিক থেকেও দক্ষতা দেখাতে হবে।

বিশ্বে পারমাণবিক শক্তির শক্তিশালী দেশ হিসেবে চিনের নেতৃত্বের উপর আন্তর্জাতিকভাবে নজর রাখা হচ্ছে, এবং এই ‘শুদ্ধিকরণ অভিযান’ চিনের সামরিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি বিশ্ববাসীর বিশ্বাসকে পুনঃস্থাপন করতে হবে। যদি চিন এই সংকটের মুখোমুখি গিয়ে তার নীতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্গঠন করতে না পারে, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে তার সামরিক শক্তি এবং আন্তর্জাতিক অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

এই পরিস্থিতি চিনের সরকার এবং শি জিনপিঙের জন্য একটি বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে তাকে রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে দেশের ভবিষ্যত রক্ষা করতে হবে।

 

Preview image