শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ খরলে অভিভাবকেরা সাধারণত ছোটদের রাস্তার ধারের খাবার খাওয়ার অভ্যাস, ঘন ঘন সর্দি-কাশি বা সংক্রমণে ভোগা, ওজন বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলি চিহ্নিত করেন। তবে খুব কম মানুষই আছেন, যাঁরা শিশুদের অত্যধিক স্ক্রিন টাইমের প্রসঙ্গ টেনে আনেন।হার্টের সমস্যা শুধু বড়দের নয়, শিশুদেরও হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে হৃদ্‌পিণ্ডের সমস্যা দু'প্রকারের হয়ে থাকে। প্রথমটি হল জন্মগত। আর দ্বিতীয়টি জন্মের পরে হওয়া সমস্যা।
জন্মগত বা সায়ানোটিক সমস্যায় শুরু থেকেই চিকিৎসা হওয়া উচিত। আর নন সায়ানোটিকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, শিশুর ওজন বাড়ছে না। খাওয়া কমে যাচ্ছে। খাওয়ার সময় শিশু ঘেমে যাচ্ছে। এমন লক্ষণ দেখা দিলে সতর্ক হতে হবে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে আবার উল্টোটাও হয়। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শিশুর ওজন যদি বেড়ে যায়, স্থূলত্ব দেখা দেয় ছোট থেকেই, তা হলে তার হাত ধরেই ডায়াবিটিস, হার্টের রোগ দেখা দেয়। খাওয়াদাওয়ায় অত্যধিক অনিয়ম, সুষম খাবার না খাওয়া, খেলাধুলা না করার কারণে অনেক শিশুরই পেট-কোমরে মেদ জমতে থাকে ছোট থেকেই। খাবার খেলেও তা ঠিকমতো হজম হয় না। গ্যাস-অম্বলের সমস্যাও দেখা দেয়। একে বলে ‘মেটাবলিক সিনড্রোম’। এই সমস্যা দেখা দিলে পরবর্তী সময়ে হৃদ্রোগের আশঙ্কা অনেকটাই বেড়ে যায়। এর পাশাপাশি আরও একটি অভ্যাসও কিন্তু অজান্তে শিশুর হৃদ্যন্ত্রের অনেক ক্ষতি করে দিচ্ছে, বাবা-মায়েরা এখন থেকেই সতর্ক না হলে বাড়তে পারে বিপদ।
জন্মগত বা সায়ানোটিক হৃদ্রোগ থেকে শুরু করে নন সায়ানোটিক সমস্যা, স্থূলত্ব, ডায়াবিটিস, মেটাবলিক সিনড্রোম—শিশুদের হৃদ্স্বাস্থ্যের ঝুঁকি আজ বহুমাত্রিক। আগে যেখানে হৃদ্রোগকে মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের অসুখ হিসেবে ধরা হত, এখন চিকিৎসকেরা সতর্ক করছেন—শিশুরাও সমান ঝুঁকির মুখে। জীবনযাত্রার বদল, খাদ্যাভ্যাসের অবনতি, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এবং জন্মগত ত্রুটি—সব মিলিয়ে শিশুদের হৃদ্যন্ত্র ক্রমশ চাপে পড়ছে। তাই শুরু থেকেই সচেতনতা, লক্ষণ চেনা এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা—এই তিনটি বিষয় অত্যন্ত জরুরি।
জন্মগত হৃদ্রোগ (Congenital Heart Disease) বলতে বোঝায়, শিশুর জন্মের সময়ই হৃদ্যন্ত্রের গঠনগত ত্রুটি থাকা। এর মধ্যে সায়ানোটিক ও নন সায়ানোটিক—দুই ধরনের সমস্যা দেখা যায়। সায়ানোটিক ক্ষেত্রে শিশুর শরীরে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত ঠিকমতো পৌঁছায় না। ফলে ঠোঁট, নখ, ত্বক নীলচে হয়ে যায়—যাকে চিকিৎসা পরিভাষায় “সায়ানোসিস” বলা হয়।
এই ধরনের সমস্যা জন্মের পরপরই ধরা পড়তে পারে, আবার কখনও কয়েক সপ্তাহ বা মাস পরে লক্ষণ স্পষ্ট হয়। প্রধান লক্ষণগুলো হলো—
শ্বাস নিতে কষ্ট
বুক ধড়ফড়
শিশুর নীলচে হয়ে যাওয়া
কান্না করলে বা দুধ খাওয়ার সময় বেশি কষ্ট হওয়া
দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়া
চিকিৎসকেরা বলছেন, সায়ানোটিক সমস্যা থাকলে দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। অনেক ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারই একমাত্র সমাধান। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতিতে এখন নবজাতকের জটিল হার্ট সার্জারিও সফলভাবে করা সম্ভব। তবে দেরি হলে জটিলতা বাড়ে, মৃত্যুঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়।
নন সায়ানোটিক হৃদ্রোগে শিশুর শরীর নীলচে না হলেও হৃদ্যন্ত্রে গঠনগত ত্রুটি থাকে। যেমন—হার্টে ছিদ্র (ASD, VSD), ভালভের সমস্যা ইত্যাদি। এই ক্ষেত্রে লক্ষণগুলো ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়।
চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হওয়া উচিত—
শিশুর ওজন না বাড়া
খিদে কমে যাওয়া
দুধ খেতে অনীহা
খাওয়ার সময় ঘেমে যাওয়া
বারবার শ্বাসকষ্ট
দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়া
অনেক বাবা-মা ভাবেন, “খাচ্ছে কম, পরে ঠিক হয়ে যাবে”—কিন্তু এই অবহেলাই বিপজ্জনক। কারণ ওজন না বাড়া অনেক সময় হৃদ্যন্ত্রের কর্মক্ষমতা কম থাকার ইঙ্গিত দেয়।
আবার অনেক ক্ষেত্রে ঠিক উল্টো চিত্র দেখা যায়। শিশুর ওজন অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে। ছোট থেকেই পেট ও কোমরে মেদ জমে। বাবা-মা অনেক সময় এটাকে “স্বাস্থ্য ভালো” বলে ভুল করেন। কিন্তু চিকিৎসকেরা সতর্ক করছেন—শিশুদের স্থূলত্ব ভবিষ্যতের হৃদ্রোগের বড় ঝুঁকি।
স্থূলত্বের ফলে যে সমস্যাগুলো দেখা দেয়—
ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স
টাইপ ২ ডায়াবিটিস
উচ্চ রক্তচাপ
কোলেস্টেরল বৃদ্ধি
ফ্যাটি লিভার
হৃদ্যন্ত্রে অতিরিক্ত চাপ
অর্থাৎ ছোটবেলার অতিরিক্ত ওজন ভবিষ্যতের হার্ট অ্যাটাকের বীজ বপন করে দেয়।
বর্তমান প্রজন্মের শিশুদের খাদ্যতালিকায় বড় পরিবর্তন এসেছে। ঘরের সুষম খাবারের বদলে জায়গা নিয়েছে—
ফাস্ট ফুড
প্যাকেটজাত স্ন্যাক্স
সফট ড্রিঙ্কস
অতিরিক্ত চিনি
ভাজাভুজি
এই খাবারগুলোতে ট্রান্স ফ্যাট, অতিরিক্ত লবণ ও চিনি থাকে—যা হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
সুষম খাবারের অভাবে শিশুদের শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবারের ঘাটতি হয়। ফলে—
হজমশক্তি কমে
গ্যাস-অম্বল বাড়ে
বিপাকক্রিয়া ব্যাহত হয়
শিশুদের মধ্যে এখন ক্রমশ বাড়ছে “মেটাবলিক সিনড্রোম”—যা একাধিক বিপজ্জনক অবস্থার সমষ্টি।
এর প্রধান উপাদানগুলো—
পেটের মেদ
উচ্চ রক্তচাপ
রক্তে শর্করা বৃদ্ধি
ট্রাইগ্লিসারাইড বেশি
HDL (ভালো কোলেস্টেরল) কম
এই সিনড্রোম থাকলে ভবিষ্যতে হৃদ্রোগের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। অল্প বয়সেই ধমনীতে চর্বি জমতে শুরু করে—যাকে অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস বলা হয়।
আগে শিশুদের দৈনন্দিন জীবনে খেলাধুলা ছিল স্বাভাবিক অংশ। এখন সেই জায়গা দখল করেছে—
মোবাইল
ভিডিও গেম
ট্যাব
টেলিভিশন
শারীরিক নড়াচড়া কমে যাওয়ায়—
ক্যালোরি বার্ন হয় না
মেদ জমে
হৃদ্যন্ত্র দুর্বল হয়
স্ট্যামিনা কমে
চিকিৎসকেরা বলছেন, প্রতিদিন অন্তত ৬০ মিনিট আউটডোর ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি প্রয়োজন।
শিশুর হৃদ্স্বাস্থ্যের ক্ষতির পেছনে আরও একটি বড় কারণ—প্যাসিভ স্মোকিং (পরোক্ষ ধূমপান)। বাড়িতে কেউ ধূমপান করলে শিশুরাও সেই ধোঁয়ার সংস্পর্শে আসে।
এর ফলে—
ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়
অক্সিজেন গ্রহণ কমে
হৃদ্যন্ত্রে চাপ বাড়ে
ভবিষ্যতে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি বাড়ে
অনেক বাবা-মা ভাবেন, “শিশুর সামনে ধূমপান করছি না”—কিন্তু ঘরের ভেতরের ধোঁয়া দীর্ঘসময় বাতাসে থেকে যায়।
নিম্নলিখিত লক্ষণ দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন—
শিশু দ্রুত হাঁপিয়ে যায়
বুক ধড়ফড় করে
ঘনঘন অসুস্থ হয়
অতিরিক্ত মোটা বা অস্বাভাবিক রোগা
খাওয়ার সময় ঘামে
ঠোঁট নীলচে
শিশুর হৃদ্স্বাস্থ্য রক্ষায় কিছু অভ্যাস জরুরি—
ডাল, সবজি, ফল
ডিম, চিকেন
সম্পূর্ণ শস্য
কম তেল
সপ্তাহে ১ দিন “ট্রিট ডে” রাখা যেতে পারে।
সাইক্লিং
দৌড়
ফুটবল
সাঁতার
২ ঘণ্টার বেশি নয়।
ওজন, BMI, BP, ব্লাড সুগার মনিটরিং।
বর্তমানে—
ফিটাল ইকোকার্ডিওগ্রাফি
নিওনেটাল হার্ট সার্জারি
ক্যাথল্যাব ইন্টারভেনশন
এর মাধ্যমে জন্মের আগেই হৃদ্ত্রুটি ধরা পড়ছে এবং জন্মের পর দ্রুত চিকিৎসা সম্ভব হচ্ছে।
লক্ষণ অবহেলা না করা
“মোটা মানেই সুস্থ” ধারণা ভাঙা
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়া
নিজেরাও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করা
কারণ শিশুরা অনুকরণ করেই শেখে।
শিশুর হৃদ্রোগ আজ আর বিরল নয়। জন্মগত ত্রুটি, অপুষ্টি, স্থূলত্ব, মেটাবলিক সিনড্রোম, নিষ্ক্রিয় জীবনযাপন—সব মিলিয়ে ঝুঁকি বাড়ছে দ্রুত। কিন্তু সুখবর হলো—সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসা থাকলে অধিকাংশ সমস্যাই নিয়ন্ত্রণযোগ্য।
তাই এখনই সতর্ক হওয়া জরুরি।
শিশুর খাওয়া, ওজন, শ্বাসপ্রশ্বাস, খেলাধুলা—সবকিছু নজরে রাখুন। প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
কারণ সুস্থ হৃদ্যন্ত্র মানেই সুস্থ ভবিষ্যৎ। আর সেই ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব আজকের বাবা-মায়ের হাতেই।
শিশুদের হৃদ্স্বাস্থ্যের ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করতে গেলে পারিবারিক ইতিহাসের কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয়। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, পরিবারে যদি আগে থেকে হৃদ্রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস বা কোলেস্টেরলের সমস্যা থেকে থাকে, তা হলে শিশুর ক্ষেত্রেও ঝুঁকি কিছুটা বেশি থাকে। একে বলে জেনেটিক বা বংশগত প্রভাব। তাই এমন পরিবারে জন্মানো শিশুদের ছোট থেকেই নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষার আওতায় রাখা উচিত। অনেক সময় বাইরে থেকে সুস্থ দেখালেও শরীরের ভেতরে বিপাকীয় বা হৃদ্সংক্রান্ত পরিবর্তন শুরু হয়ে যেতে পারে।
এছাড়া বর্তমানে আরেকটি বড় সমস্যা হল ঘুমের অভাব। পড়াশোনা, কোচিং, স্ক্রিন টাইম—সব মিলিয়ে অনেক শিশুই পর্যাপ্ত ঘুম পায় না। অথচ পর্যাপ্ত ঘুম হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। ঘুম কম হলে শরীরে স্ট্রেস হরমোন (কর্টিসল) বেড়ে যায়, যা রক্তচাপ বাড়ায়, বিপাকক্রিয়া ব্যাহত করে এবং ধীরে ধীরে হৃদ্যন্ত্রের উপর চাপ সৃষ্টি করে। চিকিৎসকেরা বলছেন, বয়সভেদে প্রতিদিন অন্তত ৮–১০ ঘণ্টা ঘুম শিশুদের প্রয়োজন।
মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গেও হৃদ্স্বাস্থ্যের গভীর যোগ রয়েছে। বর্তমানে প্রতিযোগিতার চাপ, পরীক্ষার ভয়, পারিবারিক প্রত্যাশা—এসব কারণে অনেক শিশুই মানসিক চাপে ভোগে। দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ হৃদ্স্পন্দনের তারতম্য, রক্তচাপ বৃদ্ধি এবং হরমোনাল ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। ফলে ভবিষ্যতে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই শিশুদের শুধু শারীরিক নয়, মানসিক সুস্থতাও সমান জরুরি।
শিশুদের মধ্যে এনার্জি ড্রিঙ্ক ও অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণের প্রবণতাও বাড়ছে। অনেক কিশোর-কিশোরী পড়াশোনা বা গেম খেলার সময় এনার্জি ড্রিঙ্ক পান করে। এতে উচ্চমাত্রার ক্যাফেইন ও চিনি থাকে, যা হৃদ্স্পন্দন বাড়ায়, রক্তচাপ বৃদ্ধি করে এবং দীর্ঘমেয়াদে হৃদ্যন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে। চিকিৎসকেরা শিশুদের ক্ষেত্রে এ ধরনের পানীয় সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন।
স্কুলের ভূমিকাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। স্কুল পর্যায়ে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ফিটনেস প্রোগ্রাম, স্পোর্টস বাধ্যতামূলক করা—এসব উদ্যোগ শিশুদের হৃদ্স্বাস্থ্য রক্ষায় কার্যকর হতে পারে। অনেক উন্নত দেশে স্কুল কারিকুলামের মধ্যেই “হার্ট হেলথ এডুকেশন” অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে ছোট থেকেই শিশুরা স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে ওঠে।
সরকারি ও বেসরকারি স্তরেও সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। গণমাধ্যম, স্বাস্থ্য শিবির, প্যারেন্টাল ওয়ার্কশপ—এসবের মাধ্যমে বাবা-মায়েদের বোঝাতে হবে যে শিশুর হৃদ্রোগ শুধু জন্মগত সমস্যায় সীমাবদ্ধ নয়; জীবনযাত্রাও বড় কারণ।
সবশেষে মনে রাখতে হবে—শিশুরা নিজেরা স্বাস্থ্যঝুঁকি বোঝে না। তাদের জীবনযাত্রা, খাদ্যাভ্যাস, রুটিন—সবই নির্ভর করে পরিবারের উপর। তাই বাবা-মা যদি এখন থেকেই সঠিক সিদ্ধান্ত নেন—সুষম খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ, ধূমপানমুক্ত পরিবেশ—তা হলে ভবিষ্যতে অসংখ্য হৃদ্রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
শিশুর সুস্থ হৃদ্যন্ত্র মানে শুধু একটি সুস্থ দেহ নয়—একটি সুস্থ প্রজন্ম, সুস্থ সমাজ এবং সুস্থ ভবিষ্যৎ।