Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ব্যাক্টেরিয়া শরীরে ঢুকে ছিঁড়েখুঁড়ে দেবে টিউমার কোষ, ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন পন্থা আবিষ্কারের দাবি

ব্যাক্টেরিয়ার নাম শুনলেই সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয় মনে হয় কোনও মারাত্মক রোগ হানা দেবে তাই জীবাণু থেকে দূরে থাকার চেষ্টা সবাই করে কিন্তু বিজ্ঞানীরা এই বিপজ্জনক ব্যাক্টেরিয়াকে এমনভাবে ব্যবহার করছেন যাতে তা ক্যান্সারের টিউমার কোষগুলো ধ্বংস করতে পারে মারাত্মক সংক্রামক এই ব্যাক্টেরিয়াকে মানুষের শরীরের জন্য নিরাপদ করে তৈরি করা হয়েছে যাতে এটি শুধুমাত্র টিউমার কোষের দিকে যায় এবং সুস্থ কোষের দিকে ফিরে না আসে গবেষকরা এই ব্যাক্টেরিয়াকে এমনভাবে পরিবর্তন করেছেন যাতে এটি টিউমার কোষে ঢুকে একে একে ধ্বংস করতে থাকে ব্যাক্টেরিয়ার নাম শুনলেই সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয় মনে হয় যে কোনও মারাত্মক রোগ হানা দেবে তাই মানুষ সাধারণত রোগজীবাণু থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করে কিন্তু বিজ্ঞানীরা এই বিপজ্জনক ব্যাক্টেরিয়াকে এমনভাবে ব্যবহার করছেন যাতে তা শুধুমাত্র ক্যান্সারের টিউমার কোষকে লক্ষ্য করে এবং সুস্থ কোষের দিকে ফিরে না আসে মারাত্মক সংক্রামক এই ব্যাক্টেরিয়াকে মানুষের শরীরের জন্য নিরাপদ করে তৈরি করা হয়েছে যাতে এটি টিউমার কোষে প্রবেশ করে এবং একে একে ধ্বংস করতে থাকে কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াটারলু এবং হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে এই গবেষণা চালাচ্ছেন গবেষণার মূল লক্ষ্য হলো এমন এক ব্যাক্টেরিয়া তৈরি করা যা ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর হয় এবং শরীরের অন্যান্য কোষকে কোনো ক্ষতি না করে শুধুমাত্র টিউমার কোষকে শনাক্ত ও ধ্বংস করতে পারে এই পদ্ধতিতে ব্যাক্টেরিয়া নিজেই টিউমার কোষের মধ্যে ঢুকে গিয়ে তাদের ধ্বংস করে ফলশ্রুতিতে শরীরের সুস্থ কোষ অক্ষত থাকে গবেষণায় নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা যাচাই করার জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে বিজ্ঞানীরা আশা প্রকাশ করেছেন এই পদ্ধতি ভবিষ্যতে ক্যান্সার চিকিৎসায় এক নতুন বিপ্লব সৃষ্টি করবে এবং রোগীর জীবনমান উন্নত করবে মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে ব্যাক্টেরিয়ার ব্যবহার কেবল চিকিৎসার নতুন সুযোগই তৈরি করছে না বরং জৈবপ্রযুক্তি এবং মেডিকেল গবেষণার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে এই গবেষণা কেবল ক্যান্সারের চিকিৎসায় নয় বরং জীবাণু ব্যবহার করে চিকিৎসা পদ্ধতি উন্নয়নের ক্ষেত্রেও নতুন পথ উন্মুক্ত করছে গবেষকরা বলছেন ভবিষ্যতে আরও উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা সম্ভব হবে যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য বিপ্লব ঘটাবে এবং মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে লড়াইকে আরও কার্যকর করবে এই পদ্ধতি রোগ নিরাময়ে নতুন আশার আলো জ্বালাচ্ছে বৈজ্ঞানিকরা ব্যাখ্যা করছেন যে এই পদ্ধতিতে ব্যাক্টেরিয়ার বিশেষ ধরনের পরিবর্তন ঘটিয়ে তাকে মানুষের রোগনিরোধী ক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে যাতে এটি টিউমার কোষের প্রতি নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করে কাজ করে এবং সুস্থ কোষকে কোনোরকম ক্ষতি না করে কার্যকরীভাবে ধ্বংস করতে পারে এইভাবে মারাত্মক ব্যাক্টেরিয়াকে মানবদেহের সহায়ক হিসেবে রূপান্তরিত করা হয়েছে যা ভবিষ্যতে ক্যান্সার চিকিৎসায় এক নতুন যুগের সূচনা করবে

কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াটারলু এবং হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে এই গবেষণা চালাচ্ছেন গবেষণার মূল লক্ষ্য হচ্ছে এমন এক প্রাণঘাতী সংক্রমণকে মানবদেহে নিয়ন্ত্রণযোগ্য করা যাতে ক্যান্সারের মতো জটিল রোগ মোকাবেলায় নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবন করা সম্ভব হয় এই পদ্ধতিতে ব্যাক্টেরিয়া নিজে টিউমার কোষের মধ্যে ঢুকে গিয়ে তাদের ধ্বংস করে ফলে শরীরের অন্যান্য সুস্থ কোষের ওপর কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না

গবেষণার ক্ষেত্রে ব্যাক্টেরিয়ার নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা যাচাই করা হচ্ছে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে যাতে তা মানুষের চিকিৎসায় ব্যবহারযোগ্য হয় বিজ্ঞানীরা আশাবাদী এই পদ্ধতি ভবিষ্যতে ক্যান্সারের চিকিত্সা ক্ষেত্রে এক নতুন বিপ্লব তৈরি করবে এবং রোগীদের জীবনমান উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে ব্যাক্টেরিয়ার ব্যবহার কেবল চিকিৎসার নতুন দিগন্তই খুলছে বরং এটি জৈবপ্রযুক্তি এবং মেডিকেল গবেষণার জন্যও এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে

ব্যাক্টেরিয়ার নাম শুনলেই সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয় মনে হয় কোনও মারাত্মক রোগ হানা দেবে তাই জীবাণু থেকে দূরে থাকার চেষ্টা সবাই করে কিন্তু বিজ্ঞানীরা এই বিপজ্জনক ব্যাক্টেরিয়াকে এমনভাবে ব্যবহার করছেন যাতে তা ক্যান্সারের টিউমার কোষগুলো ধ্বংস করতে পারে মারাত্মক সংক্রামক এই ব্যাক্টেরিয়াকে মানুষের শরীরের জন্য নিরাপদ করে তৈরি করা হয়েছে যাতে এটি শুধুমাত্র টিউমার কোষের দিকে যায় এবং সুস্থ কোষের দিকে ফিরে না আসে গবেষকরা এই ব্যাক্টেরিয়াকে এমনভাবে পরিবর্তন করেছেন যাতে এটি টিউমার কোষে ঢুকে একে একে ধ্বংস করতে থাকে

কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াটারলু এবং হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে এই গবেষণা চালাচ্ছেন গবেষণার মূল লক্ষ্য হচ্ছে এমন এক প্রাণঘাতী সংক্রমণকে মানবদেহে নিয়ন্ত্রণযোগ্য করা যাতে ক্যান্সারের মতো জটিল রোগ মোকাবেলায় নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবন করা সম্ভব হয় এই পদ্ধতিতে ব্যাক্টেরিয়া নিজে টিউমার কোষের মধ্যে ঢুকে গিয়ে তাদের ধ্বংস করে ফলে শরীরের অন্যান্য সুস্থ কোষের ওপর কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না

গবেষণার ক্ষেত্রে ব্যাক্টেরিয়ার নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা যাচাই করা হচ্ছে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে যাতে তা মানুষের চিকিৎসায় ব্যবহারযোগ্য হয় বিজ্ঞানীরা আশাবাদী এই পদ্ধতি ভবিষ্যতে ক্যান্সারের চিকিত্সা ক্ষেত্রে এক নতুন বিপ্লব তৈরি করবে এবং রোগীদের জীবনমান উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে ব্যাক্টেরিয়ার ব্যবহার কেবল চিকিৎসার নতুন দিগন্তই খুলছে বরং এটি জৈবপ্রযুক্তি এবং মেডিকেল গবেষণার জন্যও এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে

ব্যাক্টেরিয়ার নাম শুনলেই সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয় মনে হয় যে কোনও মারাত্মক রোগ হানা দেবে তাই মানুষ সাধারণত রোগজীবাণু থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করে কিন্তু বিজ্ঞানীরা এই বিপজ্জনক ব্যাক্টেরিয়াকে এমনভাবে ব্যবহার করছেন যাতে তা শুধুমাত্র ক্যান্সারের টিউমার কোষকে লক্ষ্য করে এবং সুস্থ কোষের দিকে ফিরে না আসে মারাত্মক সংক্রামক এই ব্যাক্টেরিয়াকে মানুষের শরীরের জন্য নিরাপদ করে তৈরি করা হয়েছে যাতে এটি টিউমার কোষে প্রবেশ করে এবং একে একে ধ্বংস করতে থাকে

কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াটারলু এবং হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে এই গবেষণা চালাচ্ছেন গবেষণার মূল লক্ষ্য হলো এমন এক ব্যাক্টেরিয়া তৈরি করা যা ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর হয় এবং শরীরের অন্যান্য কোষকে কোনো ক্ষতি না করে শুধুমাত্র টিউমার কোষকে শনাক্ত ও ধ্বংস করতে পারে এই পদ্ধতিতে ব্যাক্টেরিয়া নিজেই টিউমার কোষের মধ্যে ঢুকে গিয়ে তাদের ধ্বংস করে ফলশ্রুতিতে শরীরের সুস্থ কোষ অক্ষত থাকে

গবেষণায় নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা যাচাই করার জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে বিজ্ঞানীরা আশা প্রকাশ করেছেন এই পদ্ধতি ভবিষ্যতে ক্যান্সার চিকিৎসায় এক নতুন বিপ্লব সৃষ্টি করবে এবং রোগীর জীবনমান উন্নত করবে মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে ব্যাক্টেরিয়ার ব্যবহার কেবল চিকিৎসার নতুন সুযোগই তৈরি করছে না বরং জৈবপ্রযুক্তি এবং মেডিকেল গবেষণার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে

এই গবেষণা কেবল ক্যান্সারের চিকিৎসায় নয় বরং জীবাণু ব্যবহার করে চিকিৎসা পদ্ধতি উন্নয়নের ক্ষেত্রেও নতুন পথ উন্মুক্ত করছে গবেষকরা বলছেন ভবিষ্যতে আরও উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা সম্ভব হবে যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য বিপ্লব ঘটাবে এবং মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে লড়াইকে আরও কার্যকর করবে এই পদ্ধতি রোগ নিরাময়ে নতুন আশার আলো জ্বালাচ্ছে

বৈজ্ঞানিকরা ব্যাখ্যা করছেন যে এই পদ্ধতিতে ব্যাক্টেরিয়ার বিশেষ ধরনের পরিবর্তন ঘটিয়ে তাকে মানুষের রোগনিরোধী ক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে যাতে এটি টিউমার কোষের প্রতি নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করে কাজ করে এবং সুস্থ কোষকে কোনোরকম ক্ষতি না করে কার্যকরীভাবে ধ্বংস করতে পারে এইভাবে মারাত্মক ব্যাক্টেরিয়াকে মানবদেহের সহায়ক হিসেবে রূপান্তরিত করা হয়েছে যা ভবিষ্যতে ক্যান্সার চিকিৎসায় এক নতুন যুগের সূচনা করবে

ব্যাক্টেরিয়ার নাম শুনলেই সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয় মনে হয় যে কোনও মারাত্মক রোগ হানা দেবে তাই মানুষ সাধারণত রোগজীবাণু থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করে কিন্তু বিজ্ঞানীরা এই বিপজ্জনক ব্যাক্টেরিয়াকে এমনভাবে ব্যবহার করছেন যাতে তা কেবল ক্যান্সারের টিউমার কোষকে লক্ষ্য করে এবং সুস্থ কোষকে অক্ষত রাখে মারাত্মক সংক্রামক এই ব্যাক্টেরিয়াকে মানুষের শরীরের জন্য নিরাপদ করে তৈরি করা হয়েছে যাতে এটি টিউমার কোষে প্রবেশ করে এবং একে একে ধ্বংস করতে থাকে

কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াটারলু এবং হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে এই গবেষণা চালাচ্ছেন গবেষণার মূল লক্ষ্য হলো এমন এক ব্যাক্টেরিয়া তৈরি করা যা ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর হয় এবং শরীরের অন্যান্য কোষকে কোনো ক্ষতি না করে শুধুমাত্র টিউমার কোষকে শনাক্ত ও ধ্বংস করতে পারে এই পদ্ধতিতে ব্যাক্টেরিয়া নিজেই টিউমার কোষের মধ্যে ঢুকে গিয়ে তাদের ধ্বংস করে ফলে শরীরের সুস্থ কোষ অক্ষত থাকে

news image
আরও খবর

গবেষণায় নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা যাচাই করার জন্য বিস্তৃত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে বিজ্ঞানীরা আশা প্রকাশ করেছেন এই পদ্ধতি ভবিষ্যতে ক্যান্সার চিকিৎসায় এক নতুন বিপ্লব সৃষ্টি করবে এবং রোগীর জীবনমান উন্নত করবে মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে ব্যাক্টেরিয়ার ব্যবহার কেবল চিকিৎসার নতুন সুযোগই তৈরি করছে না বরং জৈবপ্রযুক্তি এবং মেডিকেল গবেষণার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে

এই গবেষণা কেবল ক্যান্সারের চিকিৎসায় নয় বরং জীবাণু ব্যবহার করে চিকিৎসা পদ্ধতি উন্নয়নের ক্ষেত্রেও নতুন পথ উন্মুক্ত করছে গবেষকরা বলছেন ভবিষ্যতে আরও উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা সম্ভব হবে যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য বিপ্লব ঘটাবে এবং মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে লড়াইকে আরও কার্যকর করবে এই পদ্ধতি রোগ নিরাময়ে নতুন আশার আলো জ্বালাচ্ছে

বৈজ্ঞানিকরা ব্যাখ্যা করছেন যে এই পদ্ধতিতে ব্যাক্টেরিয়ার বিশেষ ধরনের পরিবর্তন ঘটিয়ে তাকে মানুষের রোগনিরোধী ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে যাতে এটি টিউমার কোষের প্রতি নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করে কাজ করে এবং সুস্থ কোষকে কোনো ধরনের ক্ষতি না করে কার্যকরভাবে ধ্বংস করতে পারে এইভাবে মারাত্মক ব্যাক্টেরিয়াকে মানবদেহের সহায়ক হিসেবে রূপান্তরিত করা হয়েছে যা ভবিষ্যতে ক্যান্সার চিকিৎসায় এক নতুন যুগের সূচনা করবে

গবেষকরা আরও জানাচ্ছেন যে এই পদ্ধতিতে ব্যাক্টেরিয়াকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে যাতে এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে টিউমার কোষকে ধ্বংস করে এবং শরীরের অন্যান্য কোষকে নিরাপদ রাখে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকরী চিকিৎসা করা সম্ভব হবে যা বর্তমানে প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতির তুলনায় অনেক বেশি সুরক্ষিত এবং লক্ষ্যভিত্তিক

ব্যাক্টেরিয়ার নাম শুনলেই সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয় মনে হয় কোনও মারাত্মক রোগ হানা দেবে তাই মানুষ সাধারণত রোগজীবাণু থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করে কিন্তু বিজ্ঞানীরা এই বিপজ্জনক ব্যাক্টেরিয়াকে এমনভাবে ব্যবহার করছেন যাতে তা শুধুমাত্র ক্যান্সারের টিউমার কোষকে লক্ষ্য করে এবং সুস্থ কোষকে অক্ষত রাখে মারাত্মক সংক্রামক এই ব্যাক্টেরিয়াকে মানুষের শরীরের জন্য নিরাপদ করে তৈরি করা হয়েছে যাতে এটি টিউমার কোষে প্রবেশ করে এবং একে একে ধ্বংস করতে থাকে

কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াটারলু এবং হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে এই গবেষণা চালাচ্ছেন গবেষণার মূল লক্ষ্য হলো এমন এক ব্যাক্টেরিয়া তৈরি করা যা ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর হয় এবং শরীরের অন্যান্য কোষকে কোনো ক্ষতি না করে শুধুমাত্র টিউমার কোষকে শনাক্ত ও ধ্বংস করতে পারে এই পদ্ধতিতে ব্যাক্টেরিয়া নিজেই টিউমার কোষের মধ্যে ঢুকে গিয়ে তাদের ধ্বংস করে ফলে শরীরের সুস্থ কোষ অক্ষত থাকে

গবেষণায় নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা যাচাই করার জন্য বিস্তৃত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে বিজ্ঞানীরা আশা প্রকাশ করেছেন এই পদ্ধতি ভবিষ্যতে ক্যান্সার চিকিৎসায় এক নতুন বিপ্লব সৃষ্টি করবে এবং রোগীর জীবনমান উন্নত করবে মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে ব্যাক্টেরিয়ার ব্যবহার কেবল চিকিৎসার নতুন সুযোগই তৈরি করছে না বরং জৈবপ্রযুক্তি এবং মেডিকেল গবেষণার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ স্থাপন করছে

এই গবেষণা কেবল ক্যান্সারের চিকিৎসায় নয় বরং জীবাণু ব্যবহার করে চিকিৎসা পদ্ধতি উন্নয়নের ক্ষেত্রেও নতুন পথ উন্মুক্ত করছে গবেষকরা বলছেন ভবিষ্যতে আরও উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা সম্ভব হবে যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য বিপ্লব ঘটাবে এবং মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে লড়াইকে আরও কার্যকর করবে এই পদ্ধতি রোগ নিরাময়ে নতুন আশার আলো জ্বালাচ্ছে

বৈজ্ঞানিকরা ব্যাখ্যা করেছেন যে এই পদ্ধতিতে ব্যাক্টেরিয়ার বিশেষ ধরনের পরিবর্তন ঘটিয়ে তাকে মানুষের রোগনিরোধী ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে যাতে এটি টিউমার কোষের প্রতি নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করে কাজ করে এবং সুস্থ কোষকে কোনো ক্ষতি না করে কার্যকরভাবে ধ্বংস করতে পারে এইভাবে মারাত্মক ব্যাক্টেরিয়াকে মানবদেহের সহায়ক হিসেবে রূপান্তরিত করা হয়েছে যা ভবিষ্যতে ক্যান্সার চিকিৎসায় এক নতুন যুগের সূচনা করবে

গবেষকরা আরও জানাচ্ছেন যে এই পদ্ধতিতে ব্যাক্টেরিয়াকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে যাতে এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে টিউমার কোষকে ধ্বংস করে এবং শরীরের অন্যান্য কোষকে নিরাপদ রাখে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকরী চিকিৎসা করা সম্ভব হবে যা বর্তমান প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতির তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ এবং লক্ষ্যভিত্তিক

বিজ্ঞানীরা বলছেন ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি আরও উন্নত করে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসায় প্রয়োগ করা সম্ভব হবে গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী ব্যাক্টেরিয়া ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি টিউমার কোষকে নির্দিষ্টভাবে শনাক্ত ও ধ্বংস করতে সক্ষম হবে এবং এটি মানুষের শরীরের অন্যান্য কোষকে কোনোরকম ক্ষতি না করার কারণে প্রচলিত চিকিৎসার তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ হবে এই গবেষণা ক্যান্সারের চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত উন্মোচনের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ

 

Preview image