পুজোর ঠিক মুখে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে নতুন নিম্নচাপ। তবে এর প্রভাবে বাংলায় ঝড়বৃষ্টির আশঙ্কা তুলনামূলক কম বলেই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর।
পুজোর ঠিক মুখে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে চলেছে একটি নিম্নচাপ। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের দীর্ঘকালীন পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ১২ থেকে ১৩ অক্টোবর নাগাদ উত্তর আন্দামান সাগর থেকে নিম্নচাপটি দক্ষিণ ও সংলগ্ন মধ্য বঙ্গোপসাগরের দিকে এগিয়ে আসতে পারে। ফলে পুজোর আগে বঙ্গোপসাগরের আবহাওয়ার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে নজর রাখছেন আবহাওয়াবিদরা।
তবে এই নিম্নচাপ নিয়ে এখনই পশ্চিমবঙ্গের জন্য বড় কোনও আশঙ্কার কারণ নেই বলেই প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের অনুমান, নিম্নচাপটি প্রাথমিক পর্যায়ে দক্ষিণ ভারতের দিকে অগ্রসর হতে পারে। আবহাওয়া দপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, বছরের এই সময় দক্ষিণ ভারতের দিকে নিম্নচাপ তৈরির প্রবণতা তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। এর অন্যতম কারণ, উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ওই অঞ্চলে দ্বিতীয় পর্যায়ের বর্ষার মরশুম শুরু হয়।
কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১২-১৩ অক্টোবর নাগাদ নিম্নচাপটি উত্তর আন্দামান সাগরের দিক থেকে দক্ষিণ এবং সংলগ্ন মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থান করতে পারে। এই এলাকা পশ্চিমবঙ্গের উপকূল থেকে যথেষ্ট দূরে। তাই প্রাথমিক অবস্থায় এই নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাব বাংলার উপকূল বা দক্ষিণবঙ্গে পড়বে কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা হয়নি।
নিম্নচাপটি পরবর্তী সময়ে কোন দিকে অগ্রসর হবে এবং তার শক্তি কতটা বাড়বে, সেই বিষয়েও এখনই নির্দিষ্ট পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি। তবে আবহাওয়াবিদদের মতে, সিস্টেমটি আরও শক্তিশালী হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী কয়েক দিনে নিম্নচাপের অবস্থান, গতিপথ এবং শক্তি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যাবে। তখনই পুজোর দিনগুলিতে পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হবে।
এদিকে বেশ কয়েকদিন তুলনামূলকভাবে পরিষ্কার আকাশ থাকার পর বৃহস্পতিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আবহাওয়ার পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। অনেক জায়গায় আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিও হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের বক্তব্য অনুযায়ী, বায়ুমণ্ডলের নীচের স্তরে বর্তমানে যথেষ্ট পরিমাণে জলীয়বাষ্প রয়েছে। তার সঙ্গে বিহারের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। এই দুইয়ের প্রভাবে বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয়ভাবে মেঘ তৈরি হচ্ছে এবং বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনাও থাকছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্ষা বিদায় নেওয়ার সময় এ ধরনের আবহাওয়ার পরিবর্তন অস্বাভাবিক নয়। আপাতত পশ্চিমবঙ্গের কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। ফলে পুজোর প্রস্তুতির ক্ষেত্রে এখনই বড় ধরনের আবহাওয়াজনিত উদ্বেগের কারণ দেখা যাচ্ছে না। তবে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে চলা নিম্নচাপের গতিপথের উপর আগামী দিনে নজর রাখতে হবে।
অন্যদিকে, দেশ থেকে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়াও শুরু হতে চলেছে। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শনিবারের মধ্যে উত্তর, মধ্য ও পশ্চিম ভারতের কয়েকটি রাজ্যের পাশাপাশি পূর্ব ভারতের ঝাড়খণ্ড এবং বিহারের কিছু অংশ থেকেও বর্ষা বিদায় নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে বর্ষা ঠিক কবে বিদায় নেওয়া শুরু করবে, সে বিষয়ে এখনও নির্দিষ্ট কোনও ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি।
আবহাওয়া দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ থেকে বর্ষা বিদায় নেওয়ার স্বাভাবিক সময় ১০ অক্টোবরের কাছাকাছি। পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে পুজোর আগেই রাজ্য থেকে বর্ষা বিদায় নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে একই সময়ে বঙ্গোপসাগরে নতুন নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় পুজোর আবহাওয়ার চূড়ান্ত ছবি এখনও স্পষ্ট নয়।
ফলে দুর্গাপুজোর আগে বাংলার আবহাওয়ার দিকে নজর রাখছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে পুজো উদ্যোক্তা সকলেই। নিম্নচাপটি শেষ পর্যন্ত কোন দিকে যায়, কতটা শক্তিশালী হয় এবং তার গতিপথ পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের দিকে ঘোরে কি না—এই বিষয়গুলিই আগামী দিনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। আবহাওয়া দপ্তরের পরবর্তী পূর্বাভাসে পুজোর দিনগুলিতে বৃষ্টি বা মেঘলা আকাশের সম্ভাবনা সম্পর্কে আরও নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।
সব মিলিয়ে, পুজোর আগে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার খবর সামনে এলেও এখনই বাংলার পুজোর আবহাওয়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। নিম্নচাপের অবস্থান এবং গতিপথের সামান্য পরিবর্তনও পরবর্তী সময়ে আবহাওয়ার ছবিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই আগামী কয়েক দিনের আবহাওয়া দপ্তরের আপডেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ করে ১২ ও ১৩ অক্টোবরের দিকে নিম্নচাপটি যখন বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থান করবে, তখন সেটির শক্তি, গতিবিধি এবং কোন দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, সে বিষয়ে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। সেই সময় নিম্নচাপটি দক্ষিণ ভারতের দিকে এগিয়ে গেলে বাংলায় এর প্রভাব সীমিত থাকার সম্ভাবনা থাকবে। আবার গতিপথে পরিবর্তন হলে পরিস্থিতিও বদলাতে পারে। তাই এখনই পুজোর দিনগুলিতে বৃষ্টি হবে বা হবে না—এমন কোনও নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত দেওয়া হচ্ছে না।
আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্ষা বিদায়ের সময় বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন অঞ্চলের আবহাওয়ায় দ্রুত পরিবর্তন দেখা যায়। একদিকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ধীরে ধীরে সরে যায়, অন্যদিকে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দক্ষিণ ভারতের দিকে নতুন করে বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে শুরু করে। এই পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল বর্ষা বিদায়ের সময়। স্বাভাবিক সময় অনুযায়ী ১০ অক্টোবরের আশপাশে রাজ্য থেকে বর্ষা বিদায় নিতে শুরু করে। যদি সেই প্রক্রিয়া সময়মতো এগোয়, তাহলে দুর্গাপুজোর আগেই বাংলায় বর্ষার প্রভাব অনেকটাই কমে যেতে পারে। তবে নিম্নচাপের প্রভাবে পরবর্তী সময়ে বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বাড়লে স্থানীয়ভাবে মেঘ তৈরি এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এই মুহূর্তে তাই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দাদের জন্য মূল বার্তা হল—আবহাওয়ার উপর নজর রাখা। আপাতত ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হলেও তা বিস্তীর্ণ এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে নিম্নচাপের গতিপথ সম্পর্কে নতুন তথ্য সামনে এলে পরিস্থিতির পূর্বাভাসও পরিবর্তিত হতে পারে।
পুজোর কেনাকাটা, মণ্ডপ তৈরি এবং বিভিন্ন প্রস্তুতি যখন পুরোদমে চলছে, তখন আবহাওয়ার এই পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই নজর কেড়েছে। বিশেষ করে পুজোর সময় বৃষ্টি হবে কি না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহও তুঙ্গে। তবে আবহাওয়া দপ্তরের তরফে এখনই কোনও চূড়ান্ত পূর্বাভাস না দেওয়ায় আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করতেই হবে।
আগামী দিনে নিম্নচাপটি কতটা শক্তিশালী হয় এবং তার গতিপথ কোন দিকে থাকে, তার উপরই অনেকটা নির্ভর করবে বাংলার পুজোর আবহাওয়া। আবহাওয়া দপ্তর পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে পুজোর দিনগুলির আবহাওয়া সম্পর্কে আরও নির্দিষ্ট পূর্বাভাস দেওয়া হবে। আপাতত তাই নিম্নচাপ নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার পরামর্শই দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।
তবে আবহাওয়ার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে পারে। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরে কোনও নিম্নচাপ তৈরি হলে তার গতিপথ, অবস্থান এবং শক্তি প্রতিদিনই পরিবর্তিত হতে পারে। তাই এখনকার দীর্ঘকালীন পূর্বাভাসকে পুজোর দিনগুলির চূড়ান্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাস হিসেবে দেখছেন না আবহাওয়াবিদরা। নিম্নচাপটি স্থলভাগ থেকে কতটা দূরে থাকে এবং পরবর্তী সময়ে কোন দিকে অগ্রসর হয়, তার উপরই এর প্রভাব নির্ভর করবে।
বর্তমানে যে পূর্বাভাস সামনে এসেছে, তাতে বাংলার জন্য বড় কোনও দুর্যোগের ইঙ্গিত নেই। নিম্নচাপের সম্ভাব্য অবস্থানও পশ্চিমবঙ্গ উপকূল থেকে বেশ দূরে। ফলে এই মুহূর্তে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলা বা দক্ষিণবঙ্গের জন্য ভারী বৃষ্টির মতো কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সতর্কতার মাত্রাও পরিবর্তিত হতে পারে।
কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আগামী কয়েকদিন আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘলা থাকতে পারে। জলীয়বাষ্পের উপস্থিতির কারণে স্থানীয়ভাবে মেঘ তৈরি হলে বিচ্ছিন্নভাবে হালকা বৃষ্টিও হতে পারে। তবে আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা না থাকায় বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা করছেন না আবহাওয়াবিদরা।
এদিকে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রাতেও ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসতে পারে। বর্ষার প্রভাব কমলে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণও কমতে শুরু করবে। ফলে দিনের বেলায় গরমের অনুভূতি থাকলেও রাতের দিকে আবহাওয়ায় তুলনামূলক স্বস্তি ফিরতে পারে। পুজোর আগে বাংলার আবহাওয়ায় এই পরিবর্তন কতটা স্পষ্ট হয়, সেদিকেও নজর থাকবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পুজোর আবহাওয়া সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য পূর্বাভাস সাধারণত সংশ্লিষ্ট সময় যত এগিয়ে আসে, ততই পরিষ্কার হয়। তাই এখন থেকে কয়েকদিন পর পরিস্থিতির একটি অনেক বেশি নির্দিষ্ট ছবি পাওয়া যাবে। বিশেষ করে নিম্নচাপের গতিপথ সম্পর্কে নতুন তথ্য প্রকাশিত হলে বাংলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কি না, তা আরও স্পষ্ট হবে।
পুজোর সময় সাধারণ মানুষের অন্যতম বড় উদ্বেগ থাকে বৃষ্টি। কারণ কয়েক মাসের প্রস্তুতির পর দুর্গাপুজোর কয়েকটি দিনেই মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় সবচেয়ে বেশি হয়। শহর থেকে জেলা—সর্বত্রই পুজোকে ঘিরে নানা অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি এবং রাতভর ঠাকুর দেখার পরিকল্পনা থাকে। ফলে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তনও সাধারণ মানুষের পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে এই মুহূর্তে পুজো নিয়ে কোনও নেতিবাচক পূর্বাভাস নেই। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা থাকলেও তার প্রাথমিক গতিপথ দক্ষিণ ভারতের দিকে বলেই অনুমান করা হচ্ছে। তাই এখনই বাংলায় বৃষ্টির আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। বরং পরবর্তী আবহাওয়া বুলেটিনগুলিতে নিম্নচাপের গতিপথ কীভাবে বদলায়, সেটাই দেখার বিষয়।
সব মিলিয়ে পুজোর আগে বাংলার আবহাওয়ার ছবিতে একাধিক পরিবর্তন একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। একদিকে বিদায়ের পথে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু, অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে নতুন নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা। এরই মধ্যে স্থানীয়ভাবে মেঘ এবং বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায়। ফলে পুজোর দিনগুলিতে আকাশ পরিষ্কার থাকবে, নাকি কোথাও কোথাও বৃষ্টির দেখা মিলবে—তার উত্তর পেতে আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে।
আবহাওয়া দপ্তরের পরবর্তী পূর্বাভাসে নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই পুজোর আগে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার চূড়ান্ত চিত্র অনেকটা স্পষ্ট হবে। আপাতত তাই ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস না থাকলেও আবহাওয়ার পরিবর্তনের দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।