Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

আশাকে হাসপাতালে দেখতে যান মুমতাজ় শেষ অবস্থায় কেমন দেখেছিলেন অভিনেত্রী

আশা ও মুমতাজ়ের যুগলবন্দিতে একাধিক হিট গানের দৃশ্য পেয়েছেন দর্শক। হাসপাতালে গিয়ে আশাকে কেমন দেখেছিলেন মুমতাজ়?

এটি একটি বিশেষ ও হৃদয়বিদারক ঘটনা, যেখানে আমাদের প্রিয় গায়িকা আশা ভোসলে, যিনি সংগীত জগতের এক অমূল্য রত্ন, তাঁর জীবন শেষ হয়ে যায় শ্বাসকষ্ট ও ফুসফুসের সমস্যার কারণে। শনিবার রাতে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে তিনি মারা যান। এই বিপর্যয়জনক খবরটি পৌঁছানোর পর তাঁর দীর্ঘদিনের বান্ধবী, অভিনেত্রী মুমতাজ় হাসপাতাল ছুটে যান তাঁকে শেষবারের মতো দেখতে। রবিবার সকালে, মুমতাজ় যখন আশা ভোসলেকে দেখতে যান, তখন গায়িকার কথা বলার মতো ক্ষমতা ছিল না।

এই ঘটনাটি, যার মধ্যে এক দীর্ঘ বন্ধুত্বের সম্পর্ক, দর্শকদের মনে অনেক গভীর ছাপ রেখে গেছে। আশা ভোসলে ও মুমতাজ়ের যুগলবন্দির একাধিক হিট গানের দৃশ্য মনোমুগ্ধকর। তাঁদের অনবদ্য গানের মধ্যে অন্যতম ছিল ‘কোই শহেরি বাবু’, ‘দুনিয়া মে লোগো কো’। গানের চিত্রনাট্যে তাঁরা একসাথে শিখর ছুঁয়েছিলেন। তাঁদের বন্ধুত্ব কখনোই সময়ের পেছনে না পড়ে, যদিও তারা নিজেদের বয়স বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে একে অপরের কাছাকাছি থেকেছে। একসময় শাবানা আজ়মীর বাড়িতে আড্ডা দেওয়ার সময় তাঁদেরকে একসঙ্গে ‘শহেরি বাবু’ গানে পা মেলাতে দেখা গিয়েছিল।

মুমতাজ় বলেছিলেন, "দিন কয়েক আগেই শচীন তেন্ডুলকরের ছেলের বিয়েতে আশা ভোসলের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। তবে তখন তাঁর শরীর ভাল ছিল না।" মুমতাজ় জানাচ্ছেন, রবিবার হাসপাতাল যাওয়ার পর গায়িকার কথা বলার ক্ষমতা ছিল না, তবে তার মুখে একটি ঔজ্জ্বল্য ছিল। মুমতাজ় যখন হাসপাতাল থেকে বের হন, তখনই খবর পান যে আশা আর বেঁচে নেই।

এটি একটি মর্মান্তিক মুহূর্ত, যেখান থেকে আমরা দেখতে পাই যে, একজন শিল্পীর জীবন শুধু সংগীতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তাঁর বন্ধুত্ব এবং মানুষের প্রতি ভালবাসা তাঁকে চিরকাল স্মরণীয় করে রেখেছে। আশা ভোসলের মৃত্যুর খবর প্রকাশের পর তাঁর শেষকৃত্যে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্মান জানানো হয়, যা দেশের জন্য একটি শ্রদ্ধা প্রদর্শন। ১৩ এপ্রিল মুম্বইয়ে তাঁর সৎকার সম্পন্ন হয়।

এটি শুধুমাত্র আশা ভোসলের সংগীত জীবনের শেষ নয়, বরং তাঁর বন্ধুত্ব, তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক, তাঁর কর্মজীবনের সফলতা এবং তাঁর বিশ্বব্যাপী শ্রদ্ধার্ঘ্যেরও এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। আশা ভোসলে যেমন সংগীত জগতকে আলোকিত করেছেন, তেমনি তাঁর জীবনের অন্তিম মুহূর্তেও তাঁর বন্ধু, সহকর্মী এবং সকল মানুষের হৃদয়ে একটি বিরাট শূন্যতার সৃষ্টি করেছে।

অবশ্যই, তাঁকে ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়, কারণ তাঁর গান এবং শিল্পীজীবন আমাদের সকলকে অনুপ্রাণিত করেছে। তাঁর অন্তিম যাত্রা শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, বরং দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য একটি বিরাট ক্ষতি। 

আশা ভোসলে, বাংলা ও হিন্দি সিনেমার এক কিংবদন্তি গায়িকা, যিনি সঙ্গীত জগতে এক আলাদা স্থান অধিকার করে নিয়েছেন, তিনি সম্প্রতি শ্বাসকষ্ট ও ফুসফুসের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর অসুস্থতার খবরটি শোনার পর, দীর্ঘদিনের বান্ধবী মুমতাজ় তাঁকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে গায়িকার মৃত্যু হয়, যা পুরো বলিউড এবং সঙ্গীতপ্রেমী সমাজকে শোকাহত করে তোলে।

আশা ও মুমতাজ়ের বন্ধুত্বের একটি বিশেষ অধ্যায় ছিল। তাঁরা একসাথে একাধিক হিট গানে পারফর্ম করেছিলেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল ‘কোই শহেরি বাবু’ এবং ‘দুনিয়া মে লোগো কো’। দুই তারকার যুগলবন্দি সঙ্গীতের দর্শকদের মনে আজও জীবন্ত। এই বন্ধুত্ব শুধু তাঁদের ক্যারিয়ারেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তারা জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত একে অপরের পাশে ছিলেন। আশার সঙ্গে মুমতাজ়ের সম্পর্ক ছিল বন্ধুত্বের এক নিদর্শন, যা বয়সের সঙ্গে আরও গভীর হয়ে উঠেছিল।

রবিবার সকালে যখন মুমতাজ় হাসপাতাল যান, তখন আশার কথা বলার ক্ষমতা ছিল না। মুমতাজ় তাঁর সঙ্গীকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। হাসপাতালে যাওয়া এবং আশাকে শেষবারের মতো দেখা মুমতাজ়ের জন্য অত্যন্ত কঠিন মুহূর্ত ছিল। তাঁর কথায়, "যখন ওকে দেখতে যাই কথার বলার ক্ষমতা ছিল না। কিন্তু যে মুহূর্তে হাসপাতাল থেকে বেরোলাম, শুনলাম ও আর নেই।" তবে, এক দিন আগে মুমতাজ় আশার বাড়িতে গিয়েছিলেন, তখন তিনি আশার মুখে একটি ঔজ্জ্বল্য দেখতে পেয়েছিলেন, যা মুমতাজ়ের মনে হয়েছিল আশার সুস্থতার চিহ্ন।

এটা একটা সত্যি কথা যে, সঙ্গীত জগতে আশার মতো একজন মহান গায়িকা আজ আর আমাদের মধ্যে নেই, তবে তাঁর গানগুলি, তাঁর সঙ্গীত, এবং তাঁর স্মৃতি চিরকাল জীবন্ত থাকবে। তার কণ্ঠের মাধুর্য এখনও আমাদের মধ্যে রয়ে যাবে, আর তার সঙ্গীতের প্রতিটি নোট আমাদের হৃদয়ে গেঁথে থাকবে।

১৩ এপ্রিল মুম্বইয়ে আশার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়, এবং তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্মাননা জানানো হয়। এই দিনটি শুধু আশার জন্য একটি শেষ বিদায় ছিল না, বরং তার সঙ্গীতের প্রতিভাকে সম্মান জানানো ছিল, যা সঙ্গীতপ্রেমীদের জন্য এক বিরল উপহার ছিল।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য:
এই দিনটি শুধু একটি শেষ বিদায় নয়, বরং আশার সঙ্গীতের উজ্জ্বল ভবিষ্যতেরও সম্মাননা ছিল। তার সঙ্গীতের প্রতি দেশের প্রতি ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা দেখানোর জন্য রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আশার সঙ্গীতের এক মহামূল্য যুগ শেষ হয়ে গেল, তবে তার গানগুলির প্রতি ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা চিরকাল থাকবে।

বন্ধুত্বের গাথা:
আশা ভোসলে ও মুমতাজ়ের বন্ধুত্ব একটি অতুলনীয় সম্পর্কের নিদর্শন হয়ে থাকবে। তাঁদের সম্পর্ক শুধু পেশাদারী ছিল না, বরং তা ছিল হৃদয়ের এক গভীর বন্ধুত্ব। আশার সঙ্গীতের প্রতি মুমতাজ়ের শ্রদ্ধা এবং ভালবাসা আজও অটুট। তারা একে অপরকে সাহায্য করতেন, একে অপরকে ভালবাসতেন, এবং একে অপরের সাথে কাটানো সময়গুলি এক চিরকালীন স্মৃতি হয়ে থাকবে।

শেষকৃত্য এবং সমাধি:
আশার শেষকৃত্য ছিল এক অত্যন্ত আবেগপ্রবণ মুহূর্ত। তাঁর প্রয়াণের পর পুরো বলিউড শোকাহত হয়ে পড়েছিল। তাঁর মৃত্যুর পর তার সঙ্গীত এবং গানের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো ছিল অপরিসীম। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষকৃত্য সমাপ্ত করার মাধ্যমে দেশের প্রতি তার অবদানকে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছিল। তাঁর গানগুলি, যা হাজার হাজার মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে, তা চিরকাল জীবন্ত থাকবে।

আশার অবদান:
আশা ভোসলে একজন গায়িকা হিসেবে শুধু বলিউডের গানে অবদান রাখেননি, বরং তিনি ভারতীয় সঙ্গীতের অমূল্য রত্ন হয়ে উঠেছেন। তাঁর কণ্ঠের মাধুর্য, ভরাট অনুভূতি এবং সঙ্গীতের প্রতি তাঁর ভালোবাসা আজও সঙ্গীতপ্রেমীদের হৃদয়ে বেঁচে আছে। আশার সঙ্গীতের যুগ একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিল, যা ভবিষ্যতে বহু প্রজন্মকে প্রভাবিত করবে।

আশার প্রয়াণ আমাদের সকলের জন্য এক গভীর শোকের বিষয়। তবে, তাঁর গানগুলি এবং সঙ্গীতের প্রতি তার অবদান চিরকাল বেঁচে থাকবে। 

news image
আরও খবর

গানজগতের এক অসামান্য রত্ন ছিলেন আশা ভোসলে। তাঁর কণ্ঠে মিশে ছিল সুরের জাদু, আর তাঁর গাওয়া গানের মধ্যে প্রতিটি শব্দ যেন জীবন্ত হয়ে উঠত। অনেকটা সময় ধরে চলচ্চিত্র জগতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এই প্রখ্যাত গায়িকা, এবং তাঁর গান এখনও মানুষের হৃদয়ে বাজে। তবে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের এক রাত, তার ভক্তদের জন্য শোকের খবর নিয়ে আসে—শনিবার রাতে শ্বাসকষ্ট এবং ফুসফুসের সমস্যায় হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। আর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে পৃথিবী ছেড়ে চলে যান তিনি।

মুমতাজ়ের শেষ সাক্ষাৎ এবং সম্পর্ক

এদিনের পর, ভক্তরা আশার মৃত্যুর খবর পেয়ে শোকাহত হন। তাঁর একমাত্র সঙ্গী ও দীর্ঘদিনের বন্ধু, অভিনেত্রী মুমতাজ়, আশার অসুস্থতার খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যান। মুমতাজ় এবং আশা ভোসলে ছিলেন একে অপরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু, এবং তাঁদের সম্পর্কটি ছিল অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ। একাধিক হিট গান যেমন 'কোই শহেরি বাবু', 'দুনিয়া মে লোগো কো', এসব গান তাদের যুগলবন্দি দিয়ে দর্শকদের কাছে অমর হয়ে গেছে।

মুমতাজ় জানিয়েছেন, কয়েক দিন আগে শচীন তেন্ডুলকরের ছেলের বিয়েতে তিনি আশার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তখনই তাঁর শরীর ভালো অনুভূত হয়নি। রবিবার সকালে, মুমতাজ় যখন হাসপাতাল পৌঁছান, তখন আশা কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন। তবে, মুমতাজ় বলেছেন, "যখন আমি আশ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Preview image