Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

অন্ধ্রপ্রদেশে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে সাত মাওবাদী নিহত হিডমার পর গুলির লড়াইয়ে আরও ক্ষতি তল্লাশি চলছে

মঙ্গলবার নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে মাওবাদী শীর্ষ নেতা মাডবী হিডমা ও তার স্ত্রীর মৃত্যু ঘটে। এরপর থেকে মারেদুমিলির জঙ্গলে বাকি মাওবাদীদের খোঁজে তল্লাশি চলছিল। বুধবার নিরাপত্তাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে নতুন সংঘর্ষে আরও সাত মাওবাদী নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

মাওবাদী শীর্ষ নেতা মাডবী হিডমা ও তাঁর স্ত্রীর মৃত্যু ঘটেছে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে। এই ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার, যখন নিরাপত্তাবাহিনী এবং মাওবাদীদের মধ্যে তীব্র গুলির লড়াই হয়। মাওবাদী নেতা হিডমার মৃত্যুর পর জানা যায়, তাঁর স্ত্রীরও মৃত্যু হয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, মাওবাদী নেতার স্ত্রীও এই সংঘর্ষে নিহত হন। এর পর থেকে নিরাপত্তাবাহিনী এবং পুলিশ তাদের বাকি মাওবাদী সদস্যদের খোঁজে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করে, যা চলছিল মারেদুমিলির জঙ্গলে।

মঙ্গলবারের পর থেকে, নিরাপত্তা বাহিনী মারেদুমিলি জঙ্গলে গভীর তল্লাশি চালিয়ে আসছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল বাকি মাওবাদী সদস্যদের খুঁজে বের করা। এই তল্লাশি অভিযান পুরো এলাকায় চলছিল, এবং বাহিনী আশা করছিল যে, মাওবাদীদের অন্য সদস্যদের দ্রুত খুঁজে পাওয়া যাবে। কিন্তু, বুধবার সকাল বেলা, যখন নিরাপত্তাবাহিনী তল্লাশি চালাচ্ছিল, তখন নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। মাওবাদীরা নিরাপত্তাবাহিনীর দিকে গুলি চালাতে শুরু করে, এবং পাল্টা গুলি চালায় বাহিনীও।

এই গুলির লড়াইয়ের মধ্যে সাত মাওবাদী নিহত হন। পুলিশ ও বাহিনীর কাছে আসা খবর অনুযায়ী, মাওবাদীদের এই গ্রুপের মধ্যে তিনটি মহিলা সদস্যও ছিলেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। নিরাপত্তাবাহিনী জানিয়েছে, গুলির লড়াইয়ের পর মৃতদের মধ্যে একজনের নাম মেটুরি জোখা রাও, যিনি শ্রীকাকুলামের বাসিন্দা এবং 'টেক শঙ্কর' নামে পরিচিত ছিলেন। এই সংঘর্ষে নিহত সাত মাওবাদী সদস্যের মধ্যে বেশ কয়েকজনের পরিচয় পাওয়া গেছে, তবে কয়েকজন এখনও অজানা।

এডিজি মহেশচন্দ্র লাড্ডা জানিয়েছেন যে, নিহত মাওবাদীদের শনাক্তকরণের কাজ এখনও চলমান রয়েছে এবং পুলিশ বাকি সদস্যদের ধরার জন্য অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এই সংঘর্ষের পর, নিরাপত্তাবাহিনী আরও সতর্ক এবং সজাগ হয়ে তাদের অভিযান অব্যাহত রেখেছে। তিনি জানান, মঙ্গলবারের ছয় মাওবাদী নিহত হওয়ার পর থেকে বাকি সদস্যদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান আরও তীব্র করা হয়েছে। বাহিনী এলাকার প্রতিটি কোণায় তল্লাশি চালাচ্ছে, এবং আশেপাশের অঞ্চলে মাওবাদীদের উপস্থিতির কোনো লক্ষণ দেখতে পেলেই নিরাপত্তা বাহিনী তৎক্ষণাৎ সেখানে অভিযান চালাচ্ছে।

এডিজি আরও জানায় যে, রাতভর তল্লাশি চালানো হয়েছে, এবং প্রাথমিকভাবে বাহিনীর সদস্যরা সঠিক দিকনির্দেশনা পাওয়ার জন্য পুরো এলাকা ঘিরে তল্লাশি করে। পুলিশ বাহিনী মাওবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে যাতে তাদের কার্যকলাপকে পুরোপুরি ধ্বংস করা যায়। রাতভর সুনির্দিষ্ট অভিযান পরিচালনা করার পর, সকাল বেলা মাওবাদীরা আবার নিরাপত্তাবাহিনীর দিকে গুলি চালাতে শুরু করে। এই নতুন হামলা বাহিনীর সদস্যদের প্রস্তুত থাকা এবং পাল্টা গুলি চালানোর নির্দেশ দেয়।

এডিজি মহেশচন্দ্র লাড্ডা জানিয়েছেন যে, নিরাপত্তা বাহিনী সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে অভিযান চালাচ্ছে এবং প্রতিটি পদক্ষেপেই সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। এমনকি স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যও সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তল্লাশি অভিযান চলাকালে, মাওবাদীদের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর নজর রাখা হচ্ছে, যাতে তারা পুনরায় হামলা চালানোর সুযোগ না পায়।

বাহিনীর কাছে খবর রয়েছে যে, মাওবাদীদের আরও কিছু সদস্য জঙ্গলে লুকিয়ে আছে, এবং তাদের ধরার জন্য বড় ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে। বিশেষত, মারেদুমিলির জঙ্গলে গুলি চালানো শুরু করার পর, নিরাপত্তাবাহিনী তাদের অবস্থান নিশ্চিত করার জন্য আরও বেশি সাবধানতার সঙ্গে তল্লাশি করছে। পুরো এলাকা ঘিরে রেখেও বাহিনী তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

এছাড়া, পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নিহত মাওবাদীদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে, তবে এখনও বেশ কয়েকজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। শনাক্তকরণের কাজ চলছে, এবং পুলিশের ভাষ্যমতে, এই অভিযান শিগগিরই শেষ হবে। পুলিশের সঙ্গে মাঠে থাকা অন্যান্য বাহিনীও পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে প্রস্তুত, এবং তাদের উদ্দেশ্য মাওবাদী সংগঠনটির শক্তি ভেঙে দেওয়া।

এডিজি মহেশচন্দ্র লাড্ডা আরও জানান যে, এই অভিযানে নিহতদের মধ্যে একাধিক মহিলা সদস্য ছিল, যা মাওবাদী সংগঠনের ভেতরের স্তর এবং সদস্যদের বণ্টন সম্পর্কে নতুন তথ্য তুলে ধরছে। নিরাপত্তাবাহিনী মাওবাদী সংগঠনের নানা কার্যকলাপকে ধ্বংস করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে। তিনি বলেন, বাহিনী তাদের অভিযান অব্যাহত রাখবে যতদিন না পুরো মাওবাদী গোষ্ঠীটি ধ্বংস হয়ে যায়।

এই পরিস্থিতিতে, নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতিটি পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং দেশজুড়ে মাওবাদী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য নিরাপত্তা বাহিনী একটি সংহত ও সতর্ক পরিকল্পনা নিয়েছে।

এই অভিযান এবং সংঘর্ষের পর, মাওবাদী গোষ্ঠীটি এক নতুন পর্যায়ে চলে এসেছে, যেখানে তাদের শীর্ষ নেতা নিহত হওয়ার পর সংগঠনটি আরও দুর্বল হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে, পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই সংঘর্ষ এবং নিহতের সংখ্যা বাড়ানোর পরও তল্লাশি অভিযান চলছে, এবং মাওবাদীদের বাকি সদস্যদের খোঁজে ব্যাপক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া, মাওবাদী আন্দোলন ও সংগঠন সম্পর্কে যে বিশ্লেষণ চলছে, তা নিরাপত্তাবাহিনী এবং পুলিশের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, মাওবাদী গোষ্ঠীটির আক্রমণগুলি শুধু নিরাপত্তা বাহিনীর জন্যই নয়, বরং সাধারণ জনগণের জন্যও মারাত্মক বিপদ সৃষ্টি করছে। সরকার এবং নিরাপত্তা বাহিনী একযোগে কাজ করে এই সমস্যা সমাধানের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

 

 

 

news image
আরও খবর

 

 

পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে আলুরি সীতারামারাজু জেলার মারেদুমিলির জঙ্গলে নিরাপত্তাবাহিনী এবং মাওবাদীদের মধ্যে গুলির লড়াই শুরু হয়। এডিজি মহেশচন্দ্র লাড্ডা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ছয় মাওবাদীর মৃত্যুর পর থেকে বাকি সদস্যদের খোঁজে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছিল। এডিজি আরও জানান, রাতভর তল্লাশি চলার পর বুধবার ভোরে মাওবাদীরা বাহিনীর দিকে গুলি চালাতে শুরু করে, যার পাল্টা জবাব দেয় বাহিনীও।

দু’পক্ষের মধ্যে চলা তীব্র গুলির লড়াইয়ে সাত মাওবাদী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিনজন মহিলা মাওবাদী সদস্যও রয়েছেন, যাদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনাটি আরও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তাবাহিনী ও পুলিশের সামনে। মহেশচন্দ্র লাড্ডা জানিয়েছেন, নিহতদের শনাক্তকরণের কাজ এখনও চলছে, তবে এক জনের নাম জানা গেছে। তাঁর নাম মেটুরি জোখা রাও, যিনি ‘টেক শঙ্কর’ নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি শ্রীকাকুলামের বাসিন্দা ছিলেন।

এটি একটি বড় ধরনের অভিযান, যেখানে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তাবাহিনী একটি সমন্বিত আক্রমণ চালাচ্ছে। পুলিশ এবং বাহিনীর সদস্যরা জানাচ্ছেন, গুলি লড়াইয়ের সময় মাওবাদীরা নিজেরাই বেশ কিছু বিপজ্জনক আক্রমণ চালিয়েছে, যা বাহিনীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। অপরদিকে, বাহিনীও তাঁদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পাল্টা গুলি চালায়, যার ফলে একদিকে নিহতদের সংখ্যা বাড়ে এবং অন্যদিকে সুরক্ষার জন্য বাহিনীর পদক্ষেপ কার্যকর হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তল্লাশি অভিযান চলছে, তবে মাওবাদীদের বাকি সদস্যদের খোঁজ পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট এলাকার বিভিন্ন জায়গায় নিরাপত্তাবাহিনী মহড়া চালাচ্ছে এবং আক্রমণকারী সদস্যদের ধরার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তল্লাশি চলছে, এবং নিরাপত্তা বাহিনী আশাবাদী যে, বাকি মাওবাদীদের গ্রেফতার বা নিরস্ত্র করা সম্ভব হবে।

এডিজি মহেশচন্দ্র লাড্ডা জানিয়েছেন যে, এই সংঘর্ষ এবং তল্লাশি অভিযানের মধ্যে প্রচুর গুলির লড়াই এবং বিপজ্জনক পরিস্থিতি সত্ত্বেও নিরাপত্তাবাহিনী তাদের উদ্দেশ্য সফল করতে সক্ষম হয়েছে। ইতিমধ্যেই নিহতদের মধ্যে কয়েকটি নামও শনাক্ত করা হয়েছে।

এদিকে, নিহত মাওবাদীদের মধ্যে মহিলাদের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়টি পুলিশের জন্য এক নতুন দিক উন্মোচন করেছে। মহেশচন্দ্র লাড্ডা এ বিষয়ে জানিয়েছেন, মাওবাদী আন্দোলন বা দলগুলোর মধ্যে মহিলাদের অংশগ্রহণ অনেকটাই বেড়েছে, এবং এটি নিরাপত্তাবাহিনীর জন্য এক নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া, তল্লাশি চলছে এবং আরও জানানো হয়েছে যে, এই ঘটনায় মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পুলিশের এবং বাহিনীর পদক্ষেপ ক্রমাগত চলতে থাকবে। এই ঘটনার পর মাওবাদীদের সংগঠন সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠে এসেছে, এবং নিরাপত্তা বাহিনী আরও বেশি সতর্ক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

এদিনের ঘটনার পর, মাওবাদীদের সংগঠন এবং তাঁদের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা পুরো রাজ্য জুড়ে আলোচিত হয়েছে। পুলিশ এবং নিরাপত্তাবাহিনী এই সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সচেষ্ট থাকলেও, মাওবাদী সংগঠনগুলো নিজেদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে, যার ফলে সরকারের কাছে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।

এছাড়া, মাওবাদীদের দলগুলোর মধ্যে যে রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সমস্যা রয়েছে, তা দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসছে এবং এর ফলে পুরো পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বর্তমানে, বাহিনী এবং পুলিশের অভিযান চলছে, তবে মাওবাদী সংগঠনের সদস্যদের সংখ্যা কমানোর জন্য আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অতএব, মাওবাদীদের বিরুদ্ধে এই চলমান সংঘর্ষ, তল্লাশি অভিযান এবং নিরাপত্তাবাহিনীর সক্রিয়তা জনগণের জন্য একটি নতুন আশার প্রতীক হয়ে উঠতে পারে, কিন্তু এর সঙ্গে জড়িত ঝুঁকিও বিপজ্জনক। পুলিশ এবং নিরাপত্তাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে, এবং আগামী দিনে তাদের সফলতার বিষয়ে আরও বিশদ তথ্য প্রকাশ করা হবে।

মাওবাদীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান এবং তল্লাশি কাজ দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাওবাদী সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র অস্থিরতা সৃষ্টি করে আসছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এবং জঙ্গলে অবস্থিত এলাকায় তাদের উপস্থিতি একদিকে নিরাপত্তা বাহিনীকে চ্যালেঞ্জ করছে, অন্যদিকে স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রাকেও বিপদগ্রস্ত করছে।

এই অভিযানগুলোর উদ্দেশ্য শুধু মাওবাদীদের মূল বাহিনীকে ধ্বংস করা নয়, বরং সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিস্তার রোধ করা, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পগুলির ক্ষতি প্রতিরোধ করা এবং সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষা করা। নিরাপত্তা বাহিনীকে মাওবাদী গেরিলাদের মোকাবিলা করতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতিকূলতা ও প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তবে, দেশের সার্বিক নিরাপত্তা এবং জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই অভিযানগুলো অত্যন্ত জরুরি।

এছাড়া, মাওবাদী আন্দোলন মোকাবিলায় স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপত্তা বাহিনী এবং পুলিশ বাহিনী স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করতে পারবে। সরকার এবং নিরাপত্তা বাহিনীর একত্রিত উদ্যোগই দেশের স্থিতিশীলতা ও জনগণের নিরাপত্তা রক্ষা করতে সহায়ক হবে।

Preview image