থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে খাবারের তালিকায় নজর দেওয়া জরুরি। ভেটকি, ট্যাংরাসহ কোন ৫ ধরনের মাছ পাতে রাখলে থাইরয়েডের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে, জেনে নিন এই প্রতিবেদনে।
থাইরয়েডের সমস্যা ধরা পড়লে শুধু ওষুধ খেলেই দায়িত্ব শেষ নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিনের খাবারের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। কারণ শরীরের সামগ্রিক পুষ্টি, ওজন, বিপাকক্রিয়া এবং হরমোনের স্বাভাবিক কার্যকারিতার সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসের সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে থাইরয়েড হরমোন তৈরির ক্ষেত্রে আয়োডিন ও সেলেনিয়ামের মতো খনিজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাছের মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার তাই সুষম ডায়েটের অংশ হতে পারে।
থাইরয়েড গ্রন্থি শরীরের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এই গ্রন্থি থেকে তৈরি হয় মূলত টি৩ (T3) ও টি৪ (T4) হরমোন। শরীরে এই হরমোনের মাত্রা কমে গেলে দেখা দিতে পারে ক্লান্তি, অবসাদ, ঠান্ডা লাগার প্রবণতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, ওজন বেড়ে যাওয়া, ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া কিংবা চুল পড়ার মতো সমস্যা। আবার হরমোন অতিরিক্ত তৈরি হলে ওজন কমে যাওয়া, বুক ধড়ফড়, অস্থিরতা, অতিরিক্ত ঘাম কিংবা ঘুমের সমস্যাও হতে পারে।
তাই থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে খাবারের তালিকা তৈরি করার সময় শুধু ‘কী খাব না’, সেই প্রশ্নে আটকে না থেকে কী কী পুষ্টিকর খাবার খাওয়া যায়, সেদিকেও নজর দেওয়া দরকার।
বাঙালির খাদ্যতালিকায় মাছের গুরুত্ব আলাদা। ভাতের সঙ্গে মাছ না হলে অনেকেরই খাওয়াটা যেন সম্পূর্ণ হয় না। সেই মাছের মধ্যেই রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন, বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ। কিছু মাছ আবার ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডেরও ভালো উৎস। তাই পরিমিত পরিমাণে মাছ খাওয়া সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।
তবে মনে রাখতে হবে, কোনও মাছই থাইরয়েডের ওষুধের বিকল্প নয়। হাইপোথাইরয়েডিজম বা অন্য কোনও থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ নিজের ইচ্ছায় বন্ধ করা বা ডোজ কমানো উচিত নয়। খাবার শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি দিতে পারে, কিন্তু থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা আলাদা বিষয়।
থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে আয়োডিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরীর খাবার থেকে আয়োডিন সংগ্রহ করে এবং থাইরয়েড গ্রন্থি সেই আয়োডিন ব্যবহার করে হরমোন তৈরির প্রক্রিয়ায়। অন্য দিকে, সেলেনিয়াম থাইরয়েড হরমোনের বিপাক এবং থাইরয়েড গ্রন্থির অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট প্রতিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এ ছাড়াও মাছ থেকে পাওয়া প্রোটিন শরীরের পেশি ও অন্যান্য টিস্যুর জন্য প্রয়োজনীয়। কিছু মাছের মধ্যে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডও হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে।
তাই থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে এমন মাছ বেছে নেওয়া যেতে পারে, যেগুলি সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে শরীরকে প্রোটিন, সেলেনিয়াম, ওমেগা-৩-সহ প্রয়োজনীয় পুষ্টি দিতে পারে।
বাঙালির অত্যন্ত জনপ্রিয় মাছগুলির মধ্যে ভেটকি অন্যতম। পাতুরি থেকে শুরু করে ঝোল—বিভিন্ন ভাবে এই মাছ রান্না করা হয়। পুষ্টির দিক থেকেও ভেটকি খাদ্যতালিকায় জায়গা করে নিতে পারে।
ভেটকিতে রয়েছে প্রোটিন এবং সেলেনিয়াম। সেলেনিয়াম থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক কার্যকারিতার সঙ্গে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ। শরীরে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাতেও সেলেনিয়ামের ভূমিকা রয়েছে।
তবে রান্নার ধরন এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভেটকিকে অতিরিক্ত তেলে ভেজে বা মশলা-তেলে ডুবিয়ে খাওয়ার বদলে পাতলা ঝোল, ভাপা কিংবা কম তেলে রান্না করলে তা দৈনন্দিন সুষম খাদ্যতালিকার সঙ্গে সহজে মানিয়ে যায়।
ভেটকিকে ‘থাইরয়েড সারানোর মাছ’ হিসেবে দেখার কোনও কারণ নেই। বরং অন্যান্য পুষ্টিকর খাবারের সঙ্গে পরিমিত পরিমাণে এই মাছ খেলে শরীর প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও বিভিন্ন পুষ্টি পেতে পারে।
পাবদা বাঙালির অত্যন্ত পরিচিত মিষ্টি জলের মাছ। নরম ও তুলনামূলকভাবে সহজপাচ্য হওয়ায় অনেকের খাদ্যতালিকাতেই পাবদার জায়গা রয়েছে।
পাবদায় রয়েছে প্রোটিন এবং বিভিন্ন মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট। মাছকে সামগ্রিকভাবে সুষম ডায়েটের অংশ হিসেবে রাখা যায়। থাইরয়েডের সমস্যা থাকলেও মাছ সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার প্রয়োজন সাধারণত হয় না, যদি না চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদ কোনও নির্দিষ্ট কারণে তা করতে বলেন।
পাবদা রান্নার ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত তেল, লবণ ও ঝাল এড়িয়ে চলা ভালো। হালকা ঝোল বা কম তেলে রান্না করা পাবদা প্রতিদিনের খাবারে তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে।
এখানে আরও একটি বিষয় মনে রাখা দরকার—শুধু কোনও একটি খাবারে আয়োডিন বা সেলেনিয়াম আছে বলেই সেটি বেশি বেশি খাওয়া উচিত নয়। সুষম খাদ্যতালিকাই আসল।
বাটা মাছও বাঙালির পরিচিত মাছ। থাইরয়েডের ক্ষেত্রে আয়োডিনের গুরুত্ব থাকায় মাছের মতো সামুদ্রিক বা জলজ খাবার নিয়ে অনেকের আগ্রহ থাকে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—সব মাছের আয়োডিনের পরিমাণ এক রকম নয় এবং মাছের আয়োডিনের মাত্রাও তার প্রজাতি, পরিবেশ ও অন্যান্য বিষয়ের উপর নির্ভর করতে পারে।
শরীরে পর্যাপ্ত আয়োডিন থাকা থাইরয়েড হরমোন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয়। তবে অতিরিক্ত আয়োডিনও সবসময় ভালো নয়। বিশেষ করে কিছু নির্দিষ্ট থাইরয়েড রোগে অতিরিক্ত আয়োডিন সমস্যা বাড়াতে পারে। তাই থাইরয়েডের রোগীকে নিজের মতো করে আয়োডিন সাপ্লিমেন্ট শুরু করা উচিত নয়।
বাটা মাছকে তাই আয়োডিনের ‘ওষুধ’ হিসেবে না দেখে একটি পুষ্টিকর মাছ হিসেবে খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।
ট্যাংরা মাছও বাঙালির অন্যতম পছন্দের মাছ। ঝাল-ঝোল, কালিয়া কিংবা পাতলা তরকারি—বিভিন্ন ভাবে রান্না করা যায় এই মাছ।
ট্যাংরার মতো মাছ থেকে প্রোটিনের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়া যেতে পারে। থাইরয়েড হরমোন তৈরির ক্ষেত্রে আয়োডিন ও সেলেনিয়ামের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এই খনিজসমৃদ্ধ খাবার সুষম ডায়েটের অংশ হতে পারে।
ট্যাংরায় ভিটামিন ডি-ও পাওয়া যেতে পারে, যদিও এর পরিমাণ মাছের ধরন ও অন্যান্য বিষয়ের উপর নির্ভর করে। ভিটামিন ডি হাড়ের স্বাস্থ্য এবং শরীরের নানা স্বাভাবিক কার্যপ্রক্রিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
তবে শুধুমাত্র ট্যাংরা খেলেই থাইরয়েডের কারণে হওয়া ক্লান্তি বা অন্য উপসর্গ দূর হয়ে যাবে—এমন দাবি করা ঠিক নয়। ক্লান্তি দীর্ঘদিন থাকলে বা থাইরয়েডের উপসর্গ বাড়লে রক্তপরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই জরুরি।
ইলিশ ছাড়া বাঙালির মাছের তালিকা যেন অসম্পূর্ণ। স্বাদে অনন্য হওয়ার পাশাপাশি ইলিশে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান।
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক ধরনের পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট। এটি হৃদ্স্বাস্থ্যসহ সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ইলিশে সেলেনিয়ামও পাওয়া যায়, যা থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক কার্যকারিতার সঙ্গে যুক্ত।
তবে ইলিশ তুলনামূলকভাবে চর্বিযুক্ত মাছ। তাই স্বাস্থ্যকর হলেও পরিমাণের দিকে নজর রাখা জরুরি। বিশেষ করে যাঁরা ওজন নিয়ন্ত্রণ করছেন বা মোট ক্যালোরি কমিয়ে খাচ্ছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে পরিমাণ মেনে খাওয়াই ভালো।
ইলিশের পুষ্টিগুণ পাওয়ার জন্য খুব বেশি তেল দিয়ে ভাজার প্রয়োজন নেই। সর্ষে দিয়ে হালকা ঝোল বা ভাপা রান্না তুলনামূলক ভালো বিকল্প হতে পারে।
থাইরয়েডের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে মাছ খাদ্যতালিকার একটি অংশ হতে পারে। কিন্তু শুধুমাত্র মাছের উপর নির্ভর করলে চলবে না। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফল, ডাল, সম্পূর্ণ শস্য, প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের ভারসাম্য থাকা দরকার।
বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েডিজম থাকলে অনেকের ওজন বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। সেই কারণে অতিরিক্ত তেল, ভাজাভুজি, মিষ্টি ও অতিরিক্ত ক্যালোরিযুক্ত খাবার কমানো প্রয়োজন হতে পারে।
একই সঙ্গে পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ওষুধ খাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
একেবারেই নয়।
থাইরয়েডের ওষুধ, বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েডিজমে ব্যবহৃত হরমোন রিপ্লেসমেন্ট ওষুধ, চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী খেতে হয়। মাছ, শাকসবজি বা অন্য কোনও খাবার সেই ওষুধের বিকল্প নয়।
থাইরয়েডের রোগী যদি নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার পরও ক্লান্তি, ওজনের পরিবর্তন, চুল পড়া, কোষ্ঠকাঠিন্য বা অন্য উপসর্গ অনুভব করেন, তাহলে নিজের মতো করে ওষুধের ডোজ বদলানো উচিত নয়। প্রয়োজন হলে চিকিৎসক TSH, T3, T4-সহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা দেখে ওষুধের মাত্রা ঠিক করতে পারেন।
অর্থাৎ, খাবার হবে চিকিৎসার সহায়ক অংশ—চিকিৎসার বিকল্প নয়।
হাইপোথাইরয়েডিজমের জন্য ব্যবহৃত লেভোথাইরক্সিন-এর মতো ওষুধের শোষণে খাবার ও কিছু ওষুধ-সাপ্লিমেন্ট প্রভাব ফেলতে পারে। তাই চিকিৎসক যে ভাবে ওষুধ খেতে বলেছেন, সেই নিয়ম মেনে চলা জরুরি।
অনেক ক্ষেত্রে খালি পেটে ওষুধ খাওয়ার পর নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করে খাবার খেতে বলা হয়। আবার ক্যালসিয়াম বা আয়রনের মতো কিছু সাপ্লিমেন্টের সঙ্গে ওষুধের ব্যবধান রাখার প্রয়োজন হতে পারে।
তাই শুধু কী মাছ খাচ্ছেন তা নয়, কখন ওষুধ খাচ্ছেন এবং কখন খাবার খাচ্ছেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
এখানেই রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুল ধারণা।
আয়োডিন থাইরয়েড হরমোন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ঠিকই, কিন্তু তাই বলে বেশি বেশি আয়োডিন খাওয়া উচিত নয়। অতিরিক্ত আয়োডিন কিছু মানুষের ক্ষেত্রে থাইরয়েডের সমস্যা তৈরি বা বাড়িয়ে দিতে পারে।
ভারতে সাধারণভাবে আয়োডিনযুক্ত লবণ আয়োডিনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। তবে কোনও ব্যক্তির বিশেষ রোগ বা চিকিৎসাজনিত কারণে আলাদা খাদ্যনির্দেশ প্রয়োজন হতে পারে।
তাই থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে নিজের মতো করে আয়োডিন ট্যাবলেট, সাপ্লিমেন্ট বা অতিরিক্ত আয়োডিনযুক্ত খাবার শুরু করা ঠিক নয়।
একই মাছ কী ভাবে রান্না করা হচ্ছে, তার উপর খাবারের সামগ্রিক স্বাস্থ্যকর দিক অনেকটাই নির্ভর করে। মাছকে অতিরিক্ত তেলে ভাজা হলে তার সঙ্গে অতিরিক্ত ক্যালোরি যোগ হয়। অন্য দিকে কম তেলে রান্না, ঝোল, ভাপা বা গ্রিল করা মাছ তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর হতে পারে।
তাই ভেটকি, পাবদা, বাটা, ট্যাংরা কিংবা ইলিশ—যে মাছই খান না কেন, রান্নায় তেল ও লবণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা ভালো।
থাইরয়েডের সমস্যা মানেই পছন্দের সব খাবার জীবন থেকে বাদ দিতে হবে—এমনটা নয়। বরং প্রয়োজন সুষম ও পরিমিত খাদ্যাভ্যাস। ভেটকি, পাবদা, বাটা, ট্যাংরা এবং ইলিশের মতো মাছ প্রোটিন, সেলেনিয়াম, ওমেগা-৩-সহ বিভিন্ন পুষ্টি দিতে পারে এবং স্বাস্থ্যকর ডায়েটের অংশ হতে পারে।
তবে কোনও মাছই থাইরয়েডের ওষুধের বিকল্প নয়। থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা ঠিক রাখতে চিকিৎসকের পরামর্শ, প্রয়োজনীয় রক্তপরীক্ষা এবং নির্ধারিত ওষুধ নিয়মিত খাওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। খাবারের তালিকায় মাছ রাখুন, কিন্তু ‘মাছ খেলেই থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে’—এই ধারণায় ওষুধ বন্ধ করবেন না।
সঠিক চিকিৎসা + সুষম খাবার + নিয়মিত জীবনযাপন—থাইরয়েড ম্যানেজমেন্টে এই তিনটির সমন্বয়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ