Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

প্রিয়ঙ্কার জোড়া চমক পরিচালক আর নায়ক দুই ভূমিকাই পরমব্রতর কাঁধে আসছে একগুচ্ছ নতুন গল্প

প্রিয়ঙ্কার জোড়া চমক এবং পরিচালক ও অভিনেতা হিসেবে পরমব্রতর উপস্থিতি ঘিরে নতুন গল্পের আকর্ষণ অভিনয় ও পরিচালনার দুই দায়িত্বই সামলাবেন পরমব্রত প্রিয়ঙ্কার দুই চমক কী আর নতুন গল্পগুলিতে দর্শকদের জন্য কী অপেক্ষা করছে সেই আভাস নিয়েই এই প্রতিবেদন

বাংলা বিনোদনে আসছে নতুন গল্পের আয়োজন। প্রিয়ঙ্কা সরকারের দুটি কাজ এবং পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয় ও পরিচালনার খবর রয়েছে এই আয়োজনের কেন্দ্রে। এবিপি আনন্দের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হইচইয়ের পর্দায় প্রিয়ঙ্কাকে একটি সিক্যুয়াল এবং একটি নতুন গল্পে দেখা যাবে। তবে ওই প্রতিবেদনে তাঁর দুই কাজের নাম ও চরিত্রের বিস্তারিত পরিচয় দেওয়া হয়নি। সিক্যুয়াল এবং নতুন গল্প অভিনেতার সামনে দুই ধরনের সুযোগ তৈরি করে। সিক্যুয়ালে পরিচিত চরিত্রকে নতুন পরিস্থিতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অন্যদিকে সম্পূর্ণ নতুন গল্পে চরিত্রের পরিচয়, সম্পর্ক ও আচরণ শুরু থেকে গড়ে তুলতে হয়। প্রিয়ঙ্কার আসন্ন কাজগুলির পূর্ণ বিবরণ প্রকাশিত হলে বোঝা যাবে, এই দুই গল্পে তাঁর অভিনয়ের ক্ষেত্র কতটা আলাদা। পরমব্রতকে দেখা যাবে ছদ্মবেশী ২ এ। পরিচালনার পাশাপাশি মুখ্য চরিত্রেও থাকছেন তিনি। গোয়েন্দা আদিত্য মজুমদার হিসেবে ফিরবেন অভিনেতা। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অপরাধের তদন্তের সঙ্গে গল্পে মজার উপাদানও থাকবে। প্রতিবেদনে নতুন সিজনের মুক্তির তারিখ জানানো হয়নি। একই কাজে পরিচালক ও প্রধান অভিনেতার দায়িত্ব সামলানো সৃজনশীলভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পরিচালক হিসেবে পুরো গল্পের গতি, দৃশ্যের বিন্যাস এবং অন্য চরিত্রগুলির উপস্থিতি দেখতে হয়। অভিনেতা হিসেবে নিজের চরিত্রকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার দায়িত্ব থাকে। এই দুই দিকের সমন্বয় পর্দায় কীভাবে ফুটে উঠবে, তা সিরিজটি দেখার একটি আকর্ষণ হতে পারে।

এই আয়োজনের আরও দুটি গল্প হলো হইচই টিভি প্লাসের শলাকা রহস্য এবং কথা-অমৃত। প্রথমটিতে তৃণা সাহা মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন। একটি প্রভাবশালী পরিবারের দুর্গাপুজোয় ঘটে যাওয়া খুনকে কেন্দ্র করে তার কাহিনি এগোবে। অন্যদিকে কথা অমৃত তে জুটি বাঁধছেন অর্জুন চক্রবর্তী ও মধুমিতা সরকার। বিয়ের রাতে স্বামীর মৃত্যুর পরে কথার জীবনের পরিবর্তন এই গল্পের প্রেক্ষাপট। এই প্রেক্ষাপটগুলিতে রহস্যের পাশাপাশি সম্পর্ক ও ব্যক্তিগত সংকটের জায়গা রয়েছে। তদন্তভিত্তিক গল্পে দর্শক সূত্র মিলিয়ে ঘটনার সমাধান খুঁজতে পারেন। জীবন বদলে দেওয়ার মতো ঘটনার গল্পে চরিত্র কীভাবে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়, সেটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তবে ঘোষিত প্রেক্ষাপট থেকে গল্পের পরিণতি বা অপ্রকাশিত মোড় অনুমান করা যায় না। আপাতত সামনে এসেছে কয়েকটি কাজের প্রাথমিক পরিচয়। প্রিয়ঙ্কার দুই প্রকল্পের বিস্তারিত ঘোষণা এবং পরমব্রতের নতুন সিজনের মুক্তির তথ্য প্রকাশিত হলে এই আয়োজনের ছবি আরও পরিষ্কার হবে। তখন দর্শকেরাও নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী কোন গল্প দেখবেন, তা বেছে নিতে পারবেন।

হইচই টিভি প্লাসের নতুন আয়োজনের মধ্যে ‘শলাকা রহস্য’ এবং ‘কথা-অমৃত’ দুটি আলাদা ধরনের গল্পের আভাস দিচ্ছে। একটির কেন্দ্রে রয়েছে দুর্গাপুজোর আবহে ঘটে যাওয়া একটি খুন, অন্যটি শুরু হচ্ছে বিয়ের রাতে স্বামীর মৃত্যুর পরে এক নারীর জীবনের পরিবর্তন দিয়ে। এই দুটি প্রেক্ষাপটেই চরিত্রদের পরিচিত জীবনে আকস্মিক বিপর্যয় নেমে আসে। তবে সেই বিপর্যয় থেকে গল্প কোন পথে এগোবে, তা জানার জন্য পূর্ণ কাহিনির অপেক্ষা প্রয়োজন। শলাকা রহস্য এ মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন তৃণা সাহা। প্রকাশিত পরিচয় অনুযায়ী, একটি প্রভাবশালী পরিবারের দুর্গাপুজোয় ঘটে যাওয়া খুনকে কেন্দ্র করে কাহিনি এগোবে। অন্যদিকে কথা-অমৃত তে জুটি বাঁধছেন অর্জুন চক্রবর্তী ও মধুমিতা সরকার। বিয়ের রাতে স্বামীর মৃত্যুর পরে কথার জীবন বদলে যাওয়াই এই গল্পের সূচনাপর্ব। দুর্গাপুজোর প্রেক্ষাপট একটি রহস্যকাহিনির জন্য বিশেষ আবহ তৈরি করতে পারে। উৎসবের সময়ে মানুষের সমাগম, পারিবারিক যোগাযোগ এবং একসঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ থাকে। এমন পরিবেশে অপরাধের ঘটনা ঘটলে তদন্তের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কও দর্শকের আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠতে পারে। তবে শলাকা রহস্য এ কোন সম্পর্ক কতটা গুরুত্বপূর্ণ হবে কিংবা খুনের সঙ্গে কার কী যোগ রয়েছে, তা ঘোষিত সংক্ষিপ্ত পরিচয় থেকে জানা যায় না। রহস্যের গল্পে একটি ঘটনার উত্তর খোঁজার সঙ্গে আরও অনেক প্রশ্ন সামনে আসে। ঘটনাটি কখন ঘটল, কে কী দেখেছে, কার বক্তব্যের সঙ্গে অন্যের বক্তব্য মিলছে এই ধরনের সূত্র দর্শককে কাহিনির মধ্যে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করে। ভালো রহস্যকাহিনির আকর্ষণ হলো, দর্শকও নিজের মতো করে সম্ভাবনা বিচার করতে পারেন। পরবর্তী দৃশ্যে নতুন তথ্য এলে সেই ধারণা বদলে যেতে পারে। শলাকা রহস্য এর ক্ষেত্রে এই অনুসন্ধান কীভাবে সাজানো হবে, সেটি দেখার বিষয়।

news image
আরও খবর

তৃণার চরিত্রের পূর্ণ পরিচয় এখনও এই সংক্ষিপ্ত বিবরণে নেই। ফলে তাঁকে তদন্তকারী, পরিবারের সদস্য বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট ভূমিকায় ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। মুখ্য চরিত্র হিসেবে ঘটনার সঙ্গে তাঁর অবস্থান এবং কাহিনিতে তাঁর ভূমিকা বিস্তারিত ঘোষণায় পরিষ্কার হবে। দর্শকের কাছে চরিত্রটির বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি হবে তার সিদ্ধান্ত, আচরণ এবং অন্যদের সঙ্গে সম্পর্কের মাধ্যমে। কথা-অমৃত এর প্রেক্ষাপটে ব্যক্তিগত বিপর্যয়ের গুরুত্ব বেশি। বিয়ে একটি নতুন জীবনের সূচনা হিসেবে দেখা হয়। সেই রাতেই স্বামীর মৃত্যু ঘটলে কথার সামনে যে পরিবর্তিত পরিস্থিতি তৈরি হয়, তা গল্পের আবেগগত ভিত্তি। নতুন সম্পর্ককে ঘিরে তৈরি হওয়া প্রত্যাশা এবং আকস্মিক ক্ষতির মধ্যে তাঁর জীবন কীভাবে এগোবে ঘোষিত প্রেক্ষাপট এই প্রশ্নটিই সামনে আনে। এ ধরনের গল্পে একটি বড় ঘটনার পরে চরিত্রের ছোট ছোট সিদ্ধান্তও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। পরিচিত মানুষদের সঙ্গে কথা বলা, পরিবারের প্রত্যাশার মুখোমুখি হওয়া কিংবা নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবা এসবের মাধ্যমে ব্যক্তিগত সংকটকে পর্দায় তুলে ধরা সম্ভব। এগুলি এই ধরনের কাহিনি নির্মাণের সাধারণ সম্ভাবনা কথা-অমৃত এর নিশ্চিত ঘটনা হিসেবে এগুলিকে ধরা যাবে না। অর্জুন চক্রবর্তী ও মধুমিতা সরকারের উপস্থিতি এই গল্পের আরেকটি আকর্ষণ। তবে তাঁদের চরিত্রের নাম, পারস্পরিক সম্পর্কের বিস্তারিত ধরন এবং কাহিনিতে প্রত্যেকের অবস্থান সম্পর্কে পূর্ণ তথ্য প্রয়োজন। শুধু জুটির ঘোষণা থেকে গল্পের পরবর্তী সম্পর্ক বা পরিণতি নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। অভিনয়, সংলাপ এবং দৃশ্যের মাধ্যমে চরিত্রগুলির আবেগ কীভাবে প্রকাশ পাবে, সেটিই শেষ পর্যন্ত দর্শকের অভিজ্ঞতা তৈরি করবে।

দুটি গল্পকে পাশাপাশি রাখলে ভিন্ন ধরনের দেখার অভিজ্ঞতার সম্ভাবনা বোঝা যায়। রহস্যকাহিনিতে দর্শকের মনোযোগ থাকে সূত্র, সন্দেহ এবং ঘটনার ব্যাখ্যার দিকে। ব্যক্তিগত সংকটের গল্পে চরিত্রের অনুভূতি ও সিদ্ধান্ত বেশি গুরুত্ব পেতে পারে। আবার একই কাহিনিতে এই উপাদানগুলি একসঙ্গেও থাকতে পারে। তাই প্রাথমিক পরিচয় গল্পের প্রবেশদ্বার তৈরি করলেও তার সম্পূর্ণ স্বর বোঝার জন্য আরও তথ্য দরকার। এই আয়োজনের প্রসঙ্গে প্রিয়ঙ্কা সরকারের দুটি কাজ এবং পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মবেশী ২ এর কথাও সামনে এসেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রিয়ঙ্কার দুই প্রকল্পের নাম ও বিস্তারিত পরিচয় দেওয়া হয়নি। সেখানে পরমব্রতের নতুন সিজনের মুক্তির তারিখও উল্লেখ করা হয়নি। পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত ঘোষণা ট্রেলার এবং মুক্তির তথ্য সামনে এলে দর্শক প্রতিটি কাজ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাবেন। ট্রেলার থেকে গল্পের আবহ ও উপস্থাপনার কিছুটা পরিচয় পাওয়া যায়, যদিও তা পূর্ণ কাহিনির বিকল্প নয়। আপাতত শলাকা রহস্য ও কথা-অমৃত এর ঘোষিত প্রেক্ষাপট দুটি স্বতন্ত্র প্রশ্ন রেখে যাচ্ছে একটি অপরাধের সত্য কীভাবে প্রকাশ পাবে, আর একটি আকস্মিক বিপর্যয়ের পরে কথার জীবন কোন পথে এগোবে।তৃণার চরিত্রের পূর্ণ পরিচয় এখনও এই সংক্ষিপ্ত বিবরণে নেই। ফলে তাঁকে তদন্তকারী, পরিবারের সদস্য বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট ভূমিকায় ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। মুখ্য চরিত্র হিসেবে ঘটনার সঙ্গে তাঁর অবস্থান এবং কাহিনিতে তাঁর ভূমিকা বিস্তারিত ঘোষণায় পরিষ্কার হবে। দর্শকের কাছে চরিত্রটির বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি হবে তার সিদ্ধান্ত, আচরণ এবং অন্যদের সঙ্গে সম্পর্কের মাধ্যমে। কথা-অমৃত এর প্রেক্ষাপটে ব্যক্তিগত বিপর্যয়ের গুরুত্ব বেশি। বিয়ে একটি নতুন জীবনের সূচনা হিসেবে দেখা হয়। সেই রাতেই স্বামীর মৃত্যু ঘটলে কথার সামনে যে পরিবর্তিত পরিস্থিতি তৈরি হয়, তা গল্পের আবেগগত ভিত্তি। নতুন সম্পর্ককে ঘিরে তৈরি হওয়া প্রত্যাশা এবং আকস্মিক ক্ষতির মধ্যে তাঁর জীবন কীভাবে এগোবে ঘোষিত প্রেক্ষাপট এই প্রশ্নটিই সামনে আনে। এ ধরনের গল্পে একটি বড় ঘটনার পরে চরিত্রের ছোট ছোট সিদ্ধান্তও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। পরিচিত মানুষদের সঙ্গে কথা বলা, পরিবারের প্রত্যাশার মুখোমুখি হওয়া কিংবা নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবা এসবের মাধ্যমে ব্যক্তিগত সংকটকে পর্দায় তুলে ধরা সম্ভব।

Preview image