রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যের কামচাটকা উপদ্বীপে শুক্রবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে ছড়াল উদ্বেগ। ভূমিকম্পের তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে তৈরি হয়েছে কৌতূহল।
রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যের কামচাটকা উপদ্বীপে শক্তিশালী ভূমিকম্প ঘিরে ছড়িয়েছে উদ্বেগ। শুক্রবার ওই অঞ্চলে রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ভূমিকম্পের জেরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। যদিও প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর সামনে আসেনি। একই সঙ্গে এই ভূমিকম্পের পর সুনামির আশঙ্কা রয়েছে কি না, তা নিয়েও তৈরি হয় কৌতূহল। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত কামচাটকায় এমন শক্তিশালী কম্পন নতুন করে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে।
রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপ ভূতাত্ত্বিকভাবে অত্যন্ত সক্রিয় একটি অঞ্চল। প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম অংশের কাছে অবস্থিত এই উপদ্বীপে প্রায়ই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। আগ্নেয়গিরি, টেকটোনিক প্লেটের চলাচল এবং সমুদ্রতলের ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তনের কারণে এই অঞ্চলে ভূমিকম্পের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।
প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবারের ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭। এই মাত্রার ভূমিকম্প যথেষ্ট শক্তিশালী বলে বিবেচিত হয়। তবে কোনও ভূমিকম্পের প্রকৃত প্রভাব কতটা গুরুতর হবে, তা শুধু মাত্রার উপর নির্ভর করে না। ভূমিকম্পের উৎস কতটা গভীরে ছিল, জনবসতি থেকে কেন্দ্রের দূরত্ব কতটা, স্থানীয় মাটির প্রকৃতি কেমন এবং ভবনগুলির নির্মাণ কতটা মজবুত—এই সমস্ত বিষয় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভিলিউচিনস্ক শহর থেকে প্রায় ১২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে। এর উৎসস্থল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৪০ কিলোমিটার গভীরে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই স্থানাঙ্ক ও গভীরতার তথ্য সংশ্লিষ্ট ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ সংস্থার চূড়ান্ত রিপোর্টের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিভিন্ন সংস্থা প্রাথমিক পর্যায়ে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা এবং কেন্দ্র সম্পর্কে কিছুটা ভিন্ন তথ্য প্রকাশ করতে পারে।
কামচাটকা প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে থাকা বিখ্যাত ‘রিং অফ ফায়ার’-এর অংশ। এই বিস্তীর্ণ ভূতাত্ত্বিক বলয়ে পৃথিবীর বহু সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে। পাশাপাশি এখানে ঘন ঘন ভূমিকম্পও ঘটে। দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়া থেকে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত এই বলয় পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
পৃথিবীর বাইরের কঠিন স্তর কয়েকটি বিশাল টেকটোনিক প্লেটে বিভক্ত। এই প্লেটগুলি ক্রমাগত ধীরে ধীরে সরে যায়। কোনও কোনও জায়গায় একটি প্লেট অন্যটির নিচে ঢুকে যায়। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় সাবডাকশন। প্লেটের সংযোগস্থলে দীর্ঘ সময় ধরে চাপ জমতে পারে। সেই চাপ হঠাৎ মুক্তি পেলে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।
কামচাটকা অঞ্চলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেটের সঙ্গে সংলগ্ন প্লেটগুলির পারস্পরিক ক্রিয়া ভূমিকম্পের অন্যতম কারণ। এই অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পাশাপাশি আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঝুঁকিও রয়েছে। তাই ভূমিকম্পের পর স্থানীয় প্রশাসন ও বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলি সাধারণত পরিস্থিতির উপর নজর রাখে।
ভূমিকম্পের মাত্রা বলতে সাধারণত ভূমিকম্পের সময় নির্গত শক্তির পরিমাপ বোঝানো হয়। সংবাদমাধ্যমে একে প্রায়ই রিখটার স্কেলের মাত্রা বলা হলেও আধুনিক ভূকম্পনবিদ্যায় বড় ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে মোমেন্ট ম্যাগনিটিউড স্কেল (Mw) বহুল ব্যবহৃত হয়।
৭ মাত্রার ভূমিকম্প শক্তিশালী কম্পনের শ্রেণিতে পড়ে। এমন ভূমিকম্পের ফলে কাছাকাছি জনবসতিতে ভবন ও পরিকাঠামোর ক্ষতি হতে পারে। রাস্তা, সেতু, বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাও প্রভাবিত হতে পারে। তবে বাস্তবে কী ধরনের ক্ষতি হবে, তা নির্ভর করে ভূমিকম্পের অবস্থান, গভীরতা, স্থানীয় ভূপ্রকৃতি এবং নির্মাণের মানের উপর।
ভূমিকম্পের মাত্রা ও কম্পনের তীব্রতা এক বিষয় নয়। মাত্রা দিয়ে ভূমিকম্পের উৎসে নির্গত শক্তি বোঝানো হয়। অন্যদিকে, কোনও নির্দিষ্ট জায়গায় মানুষ কতটা কম্পন অনুভব করেছেন এবং সেখানে কী ধরনের ক্ষতি হয়েছে, তা কম্পনের তীব্রতার সঙ্গে সম্পর্কিত। একই ভূমিকম্পের প্রভাব এক জায়গায় বেশি এবং অন্য জায়গায় কম হতে পারে।
এ ছাড়া ভূমিকম্পের মাত্রা এক ধাপ বাড়লে নির্গত শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। ফলে ৬ মাত্রার ভূমিকম্পের তুলনায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে অনেক বেশি শক্তি নির্গত হতে পারে। এই কারণেই এমন কম্পনকে গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
শক্তিশালী ভূমিকম্পের খবর সামনে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই সুনামির সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিশেষত ভূমিকম্পের কেন্দ্র সমুদ্রের কাছে হলে সেই আশঙ্কা আরও বেশি গুরুত্ব পায়। তবে সব শক্তিশালী ভূমিকম্পের কারণে সুনামি তৈরি হয় না।
সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে বড় ধরনের উল্লম্ব স্থানচ্যুতি ঘটলে বিপুল পরিমাণ জল সরে গিয়ে সুনামির ঢেউ তৈরি হতে পারে। কিন্তু ভূমিকম্প যদি যথেষ্ট গভীরে ঘটে, অথবা সমুদ্রতলের এমন কোনও পরিবর্তন না হয় যাতে বড় পরিমাণ জল স্থানচ্যুত হয়, তাহলে সুনামির ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে।
প্রদত্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। মার্কিন ন্যাশনাল সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টারের বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই কম্পনের কারণে সুনামির আশঙ্কা নেই। তবে এই তথ্যের সর্বশেষ সরকারি আপডেট যাচাই করা জরুরি। পরিস্থিতি অনুযায়ী সতর্কবার্তা পরিবর্তিত হতে পারে।
সুনামি সতর্কতা না থাকলেও উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের সরকারি নির্দেশিকা অনুসরণ করা উচিত। সমুদ্রের জল অস্বাভাবিকভাবে পিছিয়ে যাওয়া, আচমকা সমুদ্রের গর্জন বা কর্তৃপক্ষের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশকে গুরুত্ব দিতে হবে। কোনও সতর্কতা জারি হলে দ্রুত নিরাপদ উঁচু জায়গায় চলে যাওয়া প্রয়োজন।
কামচাটকার ভূমিকম্পের খবরের পাশাপাশি জাপানের আবহাওয়া সংস্থার একটি সতর্কবার্তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ভুল করে ৯.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের সতর্কতা প্রকাশ করা হয়েছিল এবং পরে সংশোধিত তথ্য সামনে আসে। সংশোধিত রিপোর্টে ৬.৯ মাত্রার কম্পনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এই দাবির ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। ৯.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের মতো একটি অস্বাভাবিক বড় সংখ্যার সতর্কতা সত্যিই প্রকাশিত হয়েছিল কি না, তা জাপানের আবহাওয়া সংস্থা বা সংশ্লিষ্ট সরকারি সূত্র থেকে যাচাই করা দরকার। একই সঙ্গে ওই সতর্কবার্তা কামচাটকার ভূমিকম্পের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত ছিল কি না, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি।
ভূমিকম্পের প্রাথমিক সতর্কীকরণ ব্যবস্থা সাধারণত প্রথম দিকের ভূকম্পন তরঙ্গ শনাক্ত করে দ্রুত সম্ভাব্য কম্পনের খবর জানায়। এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য হল ক্ষতিকর কম্পন পৌঁছনোর আগে মানুষকে কয়েক সেকেন্ডের জন্য সতর্ক করা। প্রাথমিক তথ্য অসম্পূর্ণ থাকায় কখনও কখনও পরে মাত্রা বা অবস্থান সংশোধন করা হয়। তাই প্রাথমিক সতর্কবার্তা এবং পরবর্তী চূড়ান্ত ভূমিকম্পের রিপোর্টের মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে।
জাপানও প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অফ ফায়ার’-এর অন্তর্গত একটি ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। সেখানে নিয়মিত ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ, সতর্কবার্তা প্রচার এবং সুনামি মোকাবিলার ব্যবস্থা রাখা হয়। ফলে কোনও সতর্কতা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হলে সরকারি আপডেট অনুসরণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ।
কামচাটকা অঞ্চলে আগের শক্তিশালী ভূমিকম্পের স্মৃতি স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। প্রদত্ত প্রতিবেদনে গত বছরের জুলাই মাসে ওই অঞ্চলের উপকূলের কাছে ৮.৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেই ঘটনার পর সুনামি তৈরি হয়েছিল এবং উপকূলীয় এলাকার ক্ষয়ক্ষতির খবর সামনে এসেছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে ঘটনার সঠিক তারিখ, ভূমিকম্পের কেন্দ্র, সুনামির প্রভাব এবং কোনও গ্রামের ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ প্রকাশের আগে নির্ভরযোগ্য সংবাদসূত্র ও সরকারি তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। বড় ভূমিকম্পের ইতিহাস বোঝার জন্য এই তথ্যগুলি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অতীতের ঘটনা কোনও অঞ্চলের ভূমিকম্প ও সুনামির ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে।
একটি অঞ্চলে আগে বড় ভূমিকম্প হয়েছে বলেই পরবর্তী ভূমিকম্পের মাত্রা বা ক্ষয়ক্ষতি একই রকম হবে, এমন নয়। প্রতিটি ভূমিকম্পের ভূতাত্ত্বিক পরিস্থিতি আলাদা। তবে পূর্ববর্তী ঘটনা স্থানীয় প্রশাসনকে দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি, উপকূলীয় সতর্কীকরণ ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের পরিকল্পনা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।
শক্তিশালী ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপত্তার নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘরের মধ্যে থাকলে মজবুত টেবিল বা ডেস্কের নিচে আশ্রয় নিয়ে মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখতে হবে। জানলা, কাচ, আলমারি এবং ভারী আসবাব থেকে দূরে থাকতে হবে। কম্পন চলাকালীন সিঁড়ি দিয়ে দৌড়ে নামা বা লিফট ব্যবহার করা বিপজ্জনক হতে পারে।
বাইরে থাকলে ভবন, বিদ্যুতের খুঁটি, গাছ এবং ভেঙে পড়তে পারে এমন কাঠামো থেকে দূরে খোলা জায়গায় থাকতে হবে। গাড়িতে থাকলে নিরাপদ জায়গায় থামতে হবে এবং সেতু, উড়ালপুল বা বিদ্যুতের তারের নিচে দাঁড়ানো এড়াতে হবে।
কম্পন থেমে যাওয়ার পরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। আফটারশক বা পরবর্তী কম্পন হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে অনুমতি ছাড়া ঢোকা উচিত নয়। গ্যাসের গন্ধ, বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে যাওয়া বা কাঠামোগত ফাটল দেখা গেলে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারীদের ক্ষেত্রে সুনামি সতর্কবার্তা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। সরকারি নির্দেশ এলে দেরি না করে নির্ধারিত নিরাপদ এলাকায় চলে যেতে হবে। মোবাইল ফোনে সরকারি জরুরি বার্তা চালু রাখা এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশ অনুসরণ করা জরুরি।
কামচাটকা উপদ্বীপে শুক্রবারের ভূমিকম্পের পর এখনও পর্যন্ত বড় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে প্রদত্ত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির খবর না পাওয়া মানেই যে কোনও বিপদ নেই, তা নয়। দুর্গম এলাকায় যোগাযোগের সমস্যা বা পরিদর্শনে দেরির কারণে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সামনে আসতে সময় লাগতে পারে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত বিবৃতি, ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থার আপডেট এবং সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্যের উপর পরিস্থিতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা, পরিকাঠামোর অবস্থা এবং পরবর্তী কম্পনের সম্ভাবনার দিকেও নজর রাখা প্রয়োজন।
প্রকৃতির এই শক্তিশালী ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল, ভূমিকম্প পুরোপুরি ঠেকানো সম্ভব না হলেও আগাম প্রস্তুতি, বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ এবং সচেতনতার মাধ্যমে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি কমানো যায়। কামচাটকার পরিস্থিতি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য সরকারি ঘোষণা ও স্বীকৃত সংবাদমাধ্যমের আপডেট অনুসরণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।