Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

জন্মদিনে কেক কাটলেন সলমন, উদযাপনের মুহূর্ত ঘিরে উচ্ছ্বাস

নিজস্ব পরিবেশে কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করলেন বলিউড সুপারস্টার সলমন খান। পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে হাসি-আড্ডায় ভরে ওঠে এই বিশেষ মুহূর্ত। জন্মদিনের উদযাপনের ছবি ও ভিডিও সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও শুভেচ্ছার বন্যা।

বলিউডের সুপারস্টার সলমন খানের জন্মদিন মানেই ভক্তদের কাছে এক বিশেষ উৎসব। প্রতি বছরই তাঁর জন্মদিন ঘিরে অনুরাগীদের উন্মাদনা চোখে পড়ার মতো। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ঘরোয়া পরিবেশে কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করলেন সলমন খান। পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো এই মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও সামনে আসতেই তা মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। হাসিমুখে কেক কাটতে দেখা যায় বলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেতাকে, আর সেই দৃশ্য ঘিরেই শুরু হয় শুভেচ্ছার বন্যা। সলমন খান ঠিক সেই বিরল তালিকার একজন। প্রতি বছর তাঁর জন্মদিন মানেই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে সংবাদমাধ্যম—সব জায়গায় আলাদা করে নজর পড়ে। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ঘরোয়া পরিবেশে কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করলেন সলমন খান, আর সেই মুহূর্ত ঘিরেই আবারও উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠল ভক্তমহল।

সলমনের জন্মদিন উদযাপন মানেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। যদিও তিনি বরাবরই আড়ম্বরপূর্ণ পার্টির বদলে ঘরোয়া পরিবেশে জন্মদিন কাটাতে বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কাছের মানুষদের সঙ্গে নিরিবিলি ভাবে জন্মদিন কাটিয়েছেন তিনি। কেক কাটার সময় সলমনের মুখে ছিল চেনা হাসি, যা তাঁর ভক্তদের কাছে সবসময়ই বিশেষ আকর্ষণের বিষয়। তাঁর এই স্বভাব নতুন নয়। বহু বছর ধরেই তিনি আড়ম্বরের বাইরে থেকে নিজের মতো করে জন্মদিন কাটাতে পছন্দ করেন। কাজের ব্যস্ততা, ক্যামেরার ঝলকানি আর চর্চার কেন্দ্রবিন্দু থেকে কিছুটা দূরে সরে এসে নিজের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটানোই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় উপহার।

জন্মদিনের উদযাপনের মুহূর্তে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া। সলমনের জীবনে পরিবার বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছে। তাঁর মা, ভাই-বোন ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা এই বিশেষ দিনে তাঁর পাশে ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টা, গল্প আর স্মৃতিচারণার মধ্য দিয়েই কেটেছে এই বিশেষ দিন। বলিউডের ব্যস্ত জীবন থেকে কিছুটা দূরে সরে নিজের আপনজনদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগকে সলমন বরাবরই মূল্য দেন। দীর্ঘ কেরিয়ার, সাফল্য, বিতর্ক ও সংগ্রামের পরেও জীবনের এই মুহূর্তগুলোই যে তাঁর কাছে সবচেয়ে মূল্যবান, তা স্পষ্ট। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ঘিরে ছিলেন—এই দৃশ্য বহু ভক্তের মন ছুঁয়ে গেছে।

জন্মদিন উপলক্ষে ঘনিষ্ঠ বন্ধুদেরও দেখা যায় সলমনের পাশে। বলিউড ইন্ডাস্ট্রির কয়েকজন কাছের বন্ধু এই উদযাপনে যোগ দেন। তাঁরা সকলেই এই দিনটিকে সলমনের জীবনের আরেকটি স্মরণীয় অধ্যায় করে তুলতে চেয়েছিলেন। একসঙ্গে কেক কাটার সময় উপস্থিত সকলের উচ্ছ্বাস স্পষ্ট ছিল। এই মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসতেই ভক্তদের আবেগ আরও বেড়ে যায়।

সলমনের জন্মদিন মানেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছার ঢল। ভক্তরা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করেন। কেউ তাঁর পুরনো ছবি শেয়ার করেছেন, কেউ আবার তাঁর সিনেমার সংলাপ বা গান ব্যবহার করে বিশেষ পোস্ট করেছেন। অনেকেই লিখেছেন, সলমন শুধু একজন অভিনেতা নন, বরং আবেগের নাম। এই ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রতিফলনই দেখা গেছে জন্মদিনের দিনজুড়ে।

পরিবারের পাশাপাশি এই উদযাপনে উপস্থিত ছিলেন কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। বলিউডে বহু মানুষের সঙ্গে পরিচয় থাকলেও, সলমন বরাবরই সীমিত সংখ্যক মানুষের সঙ্গে গভীর বন্ধুত্ব বজায় রাখেন। এই জন্মদিনে তাঁদের উপস্থিতি সেই বন্ধনেরই প্রমাণ। একসঙ্গে কেক কাটা, ছবি তোলা আর আড্ডার মধ্য দিয়ে কেটে যায় সময়।

এই উদযাপনের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তরা সেই মুহূর্তগুলি শেয়ার করতে শুরু করেন। কেউ লিখেছেন ভালোবাসার বার্তা, কেউ আবার সলমনের পুরনো ছবি ও সিনেমার দৃশ্য পোস্ট করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ইনস্টাগ্রাম, এক্স, ফেসবুক—সব প্ল্যাটফর্মেই সলমন খান ট্রেন্ড করতে শুরু করেন।

সলমন খানের জনপ্রিয়তার পরিধি শুধু ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকা-সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অনেকেই লিখেছেন, সলমন তাঁদের শৈশব, কৈশোর বা যৌবনের অংশ। তাঁর সিনেমা দেখে বড় হওয়া প্রজন্ম আজও তাঁর প্রতি সমানভাবে আবেগপ্রবণ।

জন্মদিন মানেই সলমনের দীর্ঘ কেরিয়ার নিয়ে নতুন করে আলোচনা। নব্বইয়ের দশকে তাঁর অভিষেক থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত যাত্রাপথ বলিউডের ইতিহাসে এক আলাদা অধ্যায়। রোমান্টিক নায়ক হিসেবে যাত্রা শুরু করে পরবর্তী সময়ে অ্যাকশন হিরো এবং সর্বশেষ মানবিক চরিত্রে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি।

‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’ দিয়ে যে জনপ্রিয়তার সূচনা, তা পরবর্তী কয়েক দশক ধরে বজায় রয়েছে। ‘হাম আপকে হ্যায় কৌন’, ‘কারন অর্জুন’, ‘তেরে নাম’, ‘ওয়ান্টেড’, ‘দবাং’, ‘এক থা টাইগার’, ‘বজরঙ্গি ভাইজান’—এই ছবিগুলি শুধু বক্স অফিস সাফল্যই নয়, দর্শকের আবেগের সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে।

news image
আরও খবর

সলমন খানের জনপ্রিয়তা শুধু ভারতে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের বাইরেও তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা বিপুল। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকা—প্রায় সব জায়গা থেকেই এসেছে শুভেচ্ছা বার্তা। বিদেশে বসবাসকারী ভক্তরাও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁদের ভালোবাসা জানিয়েছেন। এই আন্তর্জাতিক জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে, সলমন খান কেবল বলিউডের নয়, বিশ্বব্যাপী এক পরিচিত নাম।

জন্মদিনের দিন সলমনের পুরনো সিনেমার কথাও উঠে আসে আলোচনায়। ‘মaine প্যায়ার কিয়া’, ‘হাম আপকে হ্যায় কৌন’, ‘তেরে নাম’, ‘দবাং’, ‘বজরঙ্গি ভাইজান’-এর মতো ছবিতে তাঁর অভিনয় আজও দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলে রেখেছে। অনেক ভক্তই এই দিনটিতে তাঁর প্রিয় সিনেমার দৃশ্য বা সংলাপ শেয়ার করে নস্টালজিয়ায় ফিরে গিয়েছেন।

শুধু অভিনেতা হিসেবেই নয়, সলমন খান একজন মানবিক মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ‘বিইং হিউম্যান’ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি বহু সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণমূলক নানা কাজে তাঁর অবদান রয়েছে। জন্মদিন উপলক্ষে অনেক ভক্তই এই মানবিক দিকটির কথা উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর কাজের প্রশংসা করেছেন।

বয়স বাড়লেও সলমনের জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আরও বিস্তৃত হয়েছে। নতুন প্রজন্মের দর্শকরাও তাঁকে আগ্রহ নিয়ে দেখছেন। জন্মদিনে তাঁর এই দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে বিনোদন মহলে।

জন্মদিনের উদযাপন ঘিরে সংবাদমাধ্যমেও ছিল বাড়তি আগ্রহ। বিনোদন জগতের প্রায় সব বড় খবরের শিরোনামে উঠে আসে সলমনের জন্মদিনের কথা। কোন কেক কাটা হল, কারা উপস্থিত ছিলেন, কীভাবে উদযাপন হল—সবকিছু নিয়েই ছিল বিস্তারিত চর্চা। যদিও সলমন নিজে এই বিষয়ে খুব বেশি প্রকাশ্যে কথা বলতে পছন্দ করেন না।

বয়স বাড়লেও সলমনের জনপ্রিয়তায় কোনও ভাটা পড়েনি। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আরও বেড়েছে। অনেকেই মনে করেন, সলমন খানের ব্যক্তিত্বই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি। তাঁর সহজ ব্যবহার, খোলামেলা মনোভাব ও ভক্তদের প্রতি ভালোবাসা তাঁকে আলাদা করে তোলে। জন্মদিনের উদযাপনেও সেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

জন্মদিন মানেই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা। ভক্তরা জানতে আগ্রহী, আগামী দিনে কোন কোন প্রজেক্টে দেখা যাবে সলমনকে। যদিও জন্মদিনের দিন তিনি এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি, তবে বলিউড সূত্রে খবর, একাধিক নতুন ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। এই খবর ভক্তদের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সলমনের জন্মদিন ঘিরে টেলিভিশন চ্যানেল ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলিতেও বিশেষ অনুষ্ঠান ও প্রতিবেদন দেখা যায়। তাঁর জীবনের নানা দিক, সিনেমার যাত্রা ও সাফল্যের গল্প তুলে ধরা হয়। অনেকেই এই দিনটিকে বলিউডের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে দেখেন।

সব মিলিয়ে, কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করা সলমন খানের এই মুহূর্ত শুধু একটি ব্যক্তিগত আনন্দের ঘটনা নয়, বরং তা ভক্তদের আবেগ, ভালোবাসা ও স্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে। ঘরোয়া পরিবেশে কাটানো এই জন্মদিন আবারও প্রমাণ করল, সলমন খান শুধু একজন সুপারস্টার নন, বরং কোটি কোটি মানুষের অনুভূতির অংশ। তাঁর জন্মদিন তাই শুধু তাঁর একার নয়, ভক্তদের কাছেও এক বিশেষ উৎসব।

Preview image