শোনা যায়, ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুর পর দেওল পরিবারের সঙ্গে হেমা মালিনীর দূরত্ব আরও বেড়েছে এমনকি মুম্বইয়ে আয়োজিত স্মরণসভাতেও নাকি তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এই পরিস্থিতিতে সৎছেলে সানি ও ববিকে নিয়ে হেমা মালিনীর ধারণা ও মন্তব্য ঘিরে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুর পর থেকেই দেওল পরিবারের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে বলিউড মহলে। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে যে পারিবারিক দূরত্ব নিয়ে চর্চা চলছিল, অভিনেতার প্রয়াণের পর তা যেন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে অনেকের দাবি। যদিও এই বিষয়ে হেমা মালিনী কিংবা ধর্মেন্দ্রের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর পরিবারের তরফ থেকে কখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করা হয়নি, তবু নানা ঘটনা ও অনুপস্থিতিই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে।
ধর্মেন্দ্র ছিলেন বলিউডের এমন এক অভিনেতা, যাঁর ব্যক্তিগত জীবন বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেছে। প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর এবং তাঁদের সন্তানদের পাশাপাশি হেমা মালিনীর সঙ্গে দ্বিতীয় বিবাহ এবং সেই সংসারের দুই কন্যা সব মিলিয়ে দেওল পরিবার বরাবরই ছিল দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে সানি দেওল, ববি দেওল এবং তাঁদের দুই বোন, অন্যদিকে হেমা মালিনী ও তাঁর দুই মেয়ে ঈশা দেওল এবং অহনা দেওল। আইনি ও সামাজিক বাস্তবতার জটিলতায় এই দুই পরিবারের সম্পর্ক কখনও প্রকাশ্যে খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেনি।
ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুর পর সেই দূরত্ব আরও প্রকট হয়েছে বলেই মনে করছেন অনেকে। বিশেষ করে মুম্বইয়ে অভিনেতার স্মরণসভায় হেমা মালিনীকে নাকি আমন্ত্রণ জানানো হয়নি এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই নতুন করে শুরু হয় আলোচনা। যদিও এই বিষয়ে কোনও পক্ষই মুখ খোলেনি, তবু প্রশ্ন উঠেছে দেওল পরিবারের ভেতরের সম্পর্ক আদৌ কতটা স্বাভাবিক?
দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সানি-ববি এবং ঈশা-অহনার মধ্যে এক ধরনের দূরত্ব বজায় ছিল বলে বলিউড সূত্রের দাবি। একই বাবার সন্তান হয়েও তাঁদের দেখা যেত আলাদা আলাদা পারিবারিক পরিসরে। সিনেমার অনুষ্ঠানে, পারিবারিক উৎসবে কিংবা ব্যক্তিগত মুহূর্তে একসঙ্গে উপস্থিতির ছবি খুব কমই প্রকাশ্যে এসেছে। এই দূরত্বই যেন দেওল পরিবারের সবচেয়ে আলোচিত দিক হয়ে উঠেছিল।
তবে এই সম্পর্কের বরফ গলেছিল একসময়। সানি দেওলের ছবি ‘গদর ২’-এর সাফল্যের সময় দেখা গিয়েছিল ভিন্ন ছবি। সেই সময় ঈশা দেওল প্রকাশ্যে বড় দাদা সানির প্রশংসা করেছিলেন। সিনেমার সাফল্যে শুভেচ্ছা জানানো থেকে শুরু করে পারিবারিক যোগাযোগ সব মিলিয়ে অনেকেই ভেবেছিলেন, হয়তো দীর্ঘ দিনের দূরত্ব এবার কমছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আবারও সেই দূরত্ব ফিরে এসেছে বলেই গুঞ্জন।
এই প্রেক্ষাপটেই নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে হেমা মালিনীর বক্তব্য। অতীতে জনপ্রিয় টেলিভিশন শোতে সিমি গারেওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী সৎছেলে সানি ও ববিকে নিয়ে নিজের মনোভাব প্রকাশ করেছিলেন। সেই সাক্ষাৎকার আজও বারবার উঠে আসে, বিশেষ করে যখন দেওল পরিবারের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
হেমা সেই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, সানি ও ববি দু’জনেই তাঁর কাছে খুব ভাল ছেলে। তাঁদের প্রতি তাঁর কোনও নেতিবাচক মনোভাব নেই। তবে তিনি অকপটে স্বীকার করেছিলেন, ধর্মেন্দ্রের ছায়া তিনি দেখতে পান কেবলমাত্র সানির মধ্যেই। হেমার মতে, সানির হাঁটাচলা, কথা বলার ভঙ্গি, মানুষকে আগলে রাখার স্বভাব সবকিছুতেই যেন ধর্মেন্দ্রের প্রতিচ্ছবি স্পষ্ট।
হেমা মালিনী বলেছিলেন, সানি আসলে বাবার মতোই দায়িত্বশীল। পরিবারের সকলকে আগলে রাখার এক অদ্ভুত ক্ষমতা রয়েছে তাঁর। ঠিক যেমন ধর্মেন্দ্র তাঁর চারপাশের মানুষদের সুরক্ষা দিতেন, তেমনই সানি পরিবারের বড় হিসেবে সকলের পাশে থাকেন। হেমার কথায়, বাইরে থেকে যতটা দূরত্ব মনে হয়, অন্দরের সমীকরণ ততটা কঠিন নয়।
এই বক্তব্যের সঙ্গে সুর মিলিয়েছিলেন ঈশা দেওলও। একাধিক সাক্ষাৎকারে তিনি বড় দাদা সানির সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা তুলে ধরেছেন। ঈশার কথায়, সানি তাঁদের প্রতি যথেষ্ট যত্নশীল। বিদেশ সফরে গেলে তিনি দাদার সঙ্গে সময় কাটান, একসঙ্গে ঘুরে বেড়ান। এমনকি মজার ছলে ঈশা জানিয়েছিলেন, নিজের বাহারি জুতো কেনার আবদারও সানি দাদা পূরণ করেন।
এই সব কথাবার্তা থেকেই বোঝা যায়, সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নতা নয়, বরং এক ধরনের নিয়ন্ত্রিত দূরত্বই ছিল দুই পরিবারের মধ্যে। তবু সেই দূরত্ব যে একেবারে ঘুচে যায়নি, তার প্রমাণও মিলেছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
হেমা মালিনী সেই সাক্ষাৎকারে আরও বলেছিলেন, ‘‘সানি আসলে একেবারে ধরমজির ছায়া। শুধু চেহারায় নয়, ব্যবহারে, মানসিকতায়ও। ও সকলকে আগলে রাখে। খুব ভাল ছেলে।’’ সানির ছবির সাফল্যের পর তাঁকে প্রকাশ্যে শুভেচ্ছাও জানিয়েছিলেন হেমা, যা অনেকের চোখে ছিল পারিবারিক সৌহার্দ্যের ইঙ্গিত।
তবে ববি দেওলকে নিয়ে হেমা মালিনীর বক্তব্য বরাবরই সংযত। তিনি কখনও প্রকাশ্যে ববিকে নিয়ে বেশি কথা বলতে চাননি। সেই সাক্ষাৎকারেও ববির প্রসঙ্গে খুব সংক্ষিপ্ত মন্তব্য করেছিলেন হেমা। তাঁর কথায়, ববি ছোট, তাই তাঁর ধ্যানধারণা, ভাবনাচিন্তা আলাদা। এই কথার মধ্যেই অনেকেই অনুভব করেন, হেমা ও ববির মধ্যে এক ধরনের অদৃশ্য দূরত্ব রয়েছে।
এই দূরত্বের কারণ নিয়ে নানা মত রয়েছে। কেউ বলেন বয়সের পার্থক্য, কেউ বলেন পারিবারিক বাস্তবতার জটিলতা, আবার কেউ বলেন বলিউডের চাপে তৈরি হওয়া মানসিক দূরত্বই এর মূল কারণ। তবে সত্যি কী, তা জানেন কেবল পরিবারই।
ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুর পর থেকেই দেওল পরিবারের অন্দরের সম্পর্ক নিয়ে পুরনো সব কথাবার্তা নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। যাঁকে ঘিরে দুই ভিন্ন সংসারের একমাত্র যোগসূত্র ছিল, সেই মানুষটি চলে যাওয়ার পর যেন সম্পর্কের জটিলতা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। স্মরণসভা, পারিবারিক উপস্থিতি, কে কাকে ডাকলেন বা ডাকলেন না এই সব খুঁটিনাটি বিষয় থেকেই তৈরি হচ্ছে নানা জল্পনা। কেউ বলছেন, দুই পরিবার এখন পুরোপুরি আলাদা পথে হাঁটছে। আবার কেউ মনে করছেন, সম্পর্ক একেবারে ছিন্ন হয়নি ঠিকই, কিন্তু তা সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে ব্যক্তিগত পরিসরের মধ্যেই।
ধর্মেন্দ্র ছিলেন বলিউডের এমন এক ব্যক্তিত্ব, যাঁর ব্যক্তিগত জীবন তাঁর অভিনয়জীবনের মতোই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল। প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরের সঙ্গে সংসার, তাঁদের সন্তান সানি দেওল, ববি দেওল এবং দুই কন্যা এরপর হেমা মালিনীর সঙ্গে সম্পর্ক ও দ্বিতীয় বিবাহ, এবং সেই সংসারে ঈশা দেওল ও অহনা দেওলের জন্ম এই পারিবারিক কাঠামো বরাবরই ছিল জটিল। সামাজিক ও আইনি নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ধর্মেন্দ্র চেষ্টা করেছিলেন দুই পরিবারের মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখতে। তবে বাস্তবে সেই ভারসাম্য কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে।
ধর্মেন্দ্রের প্রয়াণের পর সেই প্রশ্নগুলো আরও জোরালো হয়েছে। অভিনেতার স্মরণসভা ঘিরে যে আলোচনা শুরু হয়, তা ধীরে ধীরে পুরো পরিবারকেই এনে ফেলে আলোচনার কেন্দ্রে। শোনা যায়, মুম্বইয়ে আয়োজিত স্মরণসভায় হেমা মালিনীকে নাকি আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে শুরু হয় জল্পনা। যদিও এই বিষয়ে হেমা মালিনী কিংবা ধর্মেন্দ্রের প্রথম পক্ষের পরিবারের তরফ থেকে কোনও মন্তব্য করা হয়নি, তবু নীরবতাই যেন নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
দেওল পরিবারের ছয় সন্তান সানি দেওল, ববি দেওল ও তাঁদের দুই বোন এবং অন্যদিকে হেমা মালিনীর দুই মেয়ে ঈশা ও অহনা ভাইবোন হয়েও গত চার দশক ধরে নিজেদের মধ্যে এক ধরনের দূরত্ব বজায় রেখেছেন বলে বলিউড মহলের দাবি। একই বাবার সন্তান হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের একসঙ্গে খুব কমই দেখা গিয়েছে। পারিবারিক অনুষ্ঠান, উৎসব বা সামাজিক জমায়েতে তাঁদের উপস্থিতি একসঙ্গে খুব বিরল ছিল। এই দূরত্বই ধীরে ধীরে দেওল পরিবারের পরিচয়ের অংশ হয়ে উঠেছিল।
তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কিছু মুহূর্ত এমনও এসেছে, যখন মনে হয়েছে এই দূরত্ব বুঝি কমছে। বিশেষ করে সানি দেওলের ছবি ‘গদর ২’-এর সাফল্যের সময় পরিস্থিতি খানিকটা বদলাতে দেখা যায়। ছবির বিপুল সাফল্যের পর হেমা মালিনী প্রকাশ্যে সানিকে শুভেচ্ছা জানান। ঈশা দেওলও একাধিক সাক্ষাৎকারে বড় দাদার প্রশংসা করেন। তিনি জানান, সানি তাঁদের খুব যত্ন নেন, বিদেশ সফরে গেলে দাদার সঙ্গে সময় কাটান, এমনকি মজার ছলে নিজের শখের কথাও প্রকাশ করেন বাহারি জুতো কেনার আবদার নাকি সানি দাদাই পূরণ করেন।
এই সব বক্তব্য থেকেই অনেকেই ভেবেছিলেন, দীর্ঘ দিনের দূরত্ব হয়তো ধীরে ধীরে ঘুচছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আবারও শোনা যেতে শুরু করে ভিন্ন কথা। গদর ২-এর সাফল্যের পর যে সৌহার্দ্যের ছবি ফুটে উঠেছিল, তা নাকি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুর পর সেই দূরত্ব ফের স্পষ্ট হয়েছে বলেই অনেকে মনে করছেন।
এই প্রেক্ষাপটেই নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে হেমা মালিনীর অতীতের বক্তব্য। তিনি নিজে বর্তমানে কোনও মন্তব্য না করলেও, অতীতে দেওয়া সাক্ষাৎকারই বারবার উদ্ধৃত হচ্ছে। জনপ্রিয় টেলিভিশন শোতে সিমি গারেওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী সানি ও ববিকে নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেছিলেন। সেই সাক্ষাৎকার আজও দেওল পরিবারের সম্পর্ক বোঝার অন্যতম সূত্র হয়ে রয়েছে।
হেমা সেই সময় জানিয়েছিলেন, সানি ও ববি দু’জনেই তাঁর কাছে খুব ভাল ছেলে। তাঁদের নিয়ে তাঁর কোনও অভিযোগ নেই। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন, ধর্মেন্দ্রের ছায়া তিনি দেখতে পান কেবলমাত্র সানির মধ্যেই। এই মন্তব্যই আজ সবচেয়ে বেশি আলোচিত। হেমার মতে, সানির হাঁটাচলা, কথাবার্তা, ব্যবহার সবকিছুতেই যেন ধর্মেন্দ্রের প্রতিচ্ছবি স্পষ্ট।
হেমা বলেছিলেন, সানি বাবার মতোই দায়িত্বশীল। পরিবারের সকলকে আগলে রাখার এক স্বাভাবিক প্রবণতা রয়েছে তাঁর মধ্যে। ঠিক যেমন ধর্মেন্দ্র পরিবার ও কাছের মানুষদের সুরক্ষা দিতেন, তেমনই সানি বড় ছেলে হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালন করেন। বাইরে থেকে যতটা দূরত্ব মনে হয়, অন্দরের সম্পর্ক ততটা শীতল নয় এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন হেমা মালিনী।
এই বক্তব্যের সঙ্গে সুর মিলিয়েছিলেন ঈশা দেওলও। তিনি বলেছিলেন, বড় দাদা সানির সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক যথেষ্ট স্বাভাবিক। পারিবারিক যোগাযোগ রয়েছে, একসঙ্গে সময় কাটান, উপহার আদানপ্রদান হয়। এই সব কথাই দেখিয়েছিল, সম্পর্ক পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন নয়।
তবে ববি দেওলকে নিয়ে হেমা মালিনীর মন্তব্য বরাবরই সীমিত। তিনি কখনও প্রকাশ্যে ববিকে নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি। সেই সাক্ষাৎকারেও ববির প্রসঙ্গে হেমা বলেছিলেন, ববি ছোট, তাই ওর ভাবনাচিন্তা আলাদা। এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্য থেকেই অনেকেই ধরে নেন, হেমা ও ববির মধ্যে এক ধরনের অদৃশ্য দূরত্ব রয়েছে।
এই দূরত্বের কারণ নিয়ে নানা মত রয়েছে। কেউ মনে করেন, বয়সের পার্থক্য ও মানসিক পরিণতিই এর অন্যতম কারণ। আবার কেউ বলেন, দুই সংসারের বাস্তবতা এবং দীর্ঘদিনের অভ্যাসই এই দূরত্ব তৈরি করেছে। তবে সত্যি কী, তা প্রকাশ্যে কখনও আসেনি।
ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুর পর এই সমস্ত পুরনো মন্তব্যই আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে। স্মরণসভা থেকে শুরু করে পারিবারিক উপস্থিতি সবকিছুই এখন বিচার করা হচ্ছে অতীতের কথাবার্তার আলোকে। হেমা মালিনী নীরব থাকলেও, তাঁর সেই পুরনো কথাই যেন বারবার ফিরে আসছে‘‘ধর্মেন্দ্রের ছায়া আমি সানির মধ্যেই দেখতে পাই।’’
বলিউডে তারকা পরিবারে সম্পর্কের টানাপোড়েন নতুন নয়। বহু ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, জনপ্রিয়তার আড়ালে লুকিয়ে থাকে পারিবারিক জটিলতা। কিন্তু দেওল পরিবার বরাবরই আলাদা জায়গা দখল করে রেখেছে। কারণ এখানে শুধু সম্পর্কের প্রশ্ন নয়, রয়েছে এক কিংবদন্তি অভিনেতার উত্তরাধিকার এবং দুই ভিন্ন সংসারের বাস্তবতা।
আজ ধর্মেন্দ্র নেই। কিন্তু তিনি রেখে গিয়েছেন এমন এক পারিবারিক কাঠামো, যার প্রতিটি স্তরে রয়েছে আবেগ, স্মৃতি এবং জটিলতা। সানি, ববি, ঈশা ও অহনার সম্পর্ক ভবিষ্যতে কোন দিকে যাবে, তা এখনও অনিশ্চিত। সময়ই বলবে, এই দূরত্ব কমবে নাকি আরও গভীর হবে।
এই মুহূর্তে দেওল পরিবারকে ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে হেমা মালিনীর সেই একটিই মন্তব্য। ধর্মেন্দ্রের উত্তরাধিকার শুধু সিনেমায় নয়, সম্পর্কের মধ্যেও কীভাবে বহন করছেন তাঁর সন্তানরা সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই যেন বারবার ফিরে আসছে সেই কথা, ‘‘ধর্মেন্দ্রের ছায়া আমি সানির মধ্যেই দেখতে পাই।’’