Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক থেকে ১৪ কোটি টাকা উধাও গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট থেকেও কি সব টাকা গায়েব কী জানাল ব্যাঙ্ক

সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার প্রায় ১৩.৯৭ কোটি টাকার অননুমোদিত লেনদেনের খবর ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে ব্যাঙ্ক জানিয়েছে কোনও গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি এবং কোর ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা সুরক্ষিত রয়েছে। ব্যাঙ্কের ব্যাখ্যা অনুযায়ী সমস্যাটি স্থানীয় RTGS সার্ভারের ইন্টারফেসে সীমাবদ্ধ ছিল। ফলে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট থেকেও সব টাকা উধাও হয়েছে এমন দাবির ভিত্তি নেই

সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার প্রায় ১৩.৯৭ কোটি টাকার অননুমোদিত লেনদেনের খবর সামনে এসেছে। তবে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাঙ্কের বক্তব্য স্পষ্ট এই ঘটনায় কোনও গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। ব্যাঙ্ক আরও জানিয়েছে, তাদের কোর ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা সুরক্ষিত রয়েছে। ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে এই ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগে কী বলা হয়েছে এনডিটিভি প্রফিটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে থাকা সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ সরানোর অভিযোগ উঠেছে। ব্যাঙ্কের অভিযোগে ১৫ থেকে ১৭ অক্টোবরের মধ্যে মোট ১৮৭টি অননুমোদিত ট্রান্সফারের কথা বলা হয়েছে। মোট অর্থের পরিমাণ প্রায় ১৩.৯৭ কোটি টাকা। এই অভিযোগের ভিত্তিতে মুম্বইয়ের নোডাল সাইবার থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। কীভাবে লেনদেনগুলি সম্পন্ন হয়েছিল এবং কারা এর সঙ্গে যুক্ত, তা তদন্তের বিষয়। অভিযোগে বর্ণিত ঘটনাকে তদন্তে প্রতিষ্ঠিত চূড়ান্ত ফল হিসেবে দেখা উচিত নয়। গ্রাহকদের টাকা নিয়ে ব্যাঙ্কের বক্তব্য ব্যাঙ্কের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তাদের স্থানীয় RTGS সার্ভারের ইন্টারফেস পরিবেশে একটি প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা গিয়েছিল। তবে গ্রাহকদের হিসাব পরিচালনার কোর ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা বা CBS সুরক্ষিত রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই বক্তব্যের ভিত্তিতে গ্রাহকদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকেও সব টাকা উধাও হয়েছে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর কারণ নেই। ব্যাঙ্কের সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্ট নিয়ে ওঠা অভিযোগ এবং গ্রাহকের নিজস্ব অ্যাকাউন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি পৃথকভাবে বিচার করতে হবে। সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্টের প্রসঙ্গ কেন গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশিত অভিযোগে যে অর্থ সরানোর কথা বলা হয়েছে, সেটি ব্যাঙ্কের রিজার্ভ ব্যাঙ্কে থাকা সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই খবরটিকে সরাসরি সাধারণ গ্রাহকদের সঞ্চয়ী অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়ার ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করলে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে।

এনডিটিভি প্রফিটের প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যাঙ্কের অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট লেনদেনগুলির স্বাভাবিক রেকর্ড খুঁজে পেতে সমস্যা হয়েছিল। অভিযোগে আর্থিক বার্তা আদানপ্রদানের ব্যবস্থায় অননুমোদিত প্রবেশের কথাও বলা হয়েছে। তবে সমস্যার সুনির্দিষ্ট উৎস ও দায় নির্ধারণের জন্য তদন্তের ফল প্রয়োজন। প্রযুক্তিগত সমস্যার পর কী ব্যবস্থা প্রযুক্তিগত ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর প্রভাবিত ব্যবস্থা বন্ধ করে আলাদা করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তী ব্যাখ্যায় RTGS পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ার কথাও জানানো হয়। এই তথ্যগুলি ব্যাঙ্কের প্রকাশিত বক্তব্যের ভিত্তিতে সংবাদমাধ্যমে এসেছে। ঘটনাটি সম্পর্কে দুটি বিষয় পাশাপাশি মনে রাখা প্রয়োজন। একদিকে রয়েছে বড় অঙ্কের অননুমোদিত লেনদেনের অভিযোগ ও তার তদন্ত। অন্যদিকে, গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে প্রভাব পড়েনি বলে ব্যাঙ্কের আশ্বাস। একটি তথ্য দিয়ে অন্যটিকে আড়াল না করে দুটিই যথাযথভাবে তুলে ধরা জরুরি। গ্রাহকের নিজের হিসাবে অসঙ্গতি দেখলে কী করবেন এই খবরের ভিত্তিতে নিজের অ্যাকাউন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ধরে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে ব্যক্তিগত স্টেটমেন্টে অচেনা লেনদেন বা ব্যালান্সে অসঙ্গতি দেখা গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের শাখা অথবা যাচাইকৃত অভিযোগ জানানোর মাধ্যমে যোগাযোগ করুন। ঘটনার পরবর্তী অগ্রগতি জানতে ব্যাঙ্কের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি ও তদন্তসংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য অনুসরণ করা প্রয়োজন। অর্থ উদ্ধারের পরিমাণ, ঘটনার সম্পূর্ণ পদ্ধতি বা দায়ী ব্যক্তিদের বিষয়ে নিশ্চিত ঘোষণা ছাড়া চূড়ান্ত দাবি করা যথাযথ হবে না।

সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার প্রায় ১৩.৯৭ কোটি টাকার অননুমোদিত লেনদেনের অভিযোগে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে লেনদেনের রেকর্ড নিয়ে। এনডিটিভি প্রফিটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যাঙ্কের অভিযোগে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট ১৮৭টি লেনদেনের স্বাভাবিক রেকর্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি। শাখা, ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং ও মোবাইল ব্যাঙ্কিংয়ের মতো পরিচিত মাধ্যমেও সেগুলির হদিশ মেলেনি বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে অর্থ স্থানান্তরের নির্দেশ তৈরি হয়েছিল এবং কোন ব্যবস্থার মাধ্যমে তা কার্যকর হয়েছিল, তা নির্ধারণ করা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রেকর্ড খুঁজে না পাওয়ার অভিযোগ থেকে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায় নিশ্চিত করা যায় না। আর্থিক বার্তা আদানপ্রদানের ব্যবস্থায় প্রবেশের অভিযোগ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যাঙ্কের অভিযোগে আর্থিক বার্তা আদানপ্রদানের ব্যবস্থায় অননুমোদিত প্রবেশের কথা বলা হয়েছে। এই ব্যবস্থার সঙ্গে অর্থ স্থানান্তরের নির্দেশ পাঠানোর প্রক্রিয়া যুক্ত।

news image
আরও খবর

তবে অভিযোগে উল্লেখিত সম্ভাব্য পদ্ধতি এবং তদন্তে প্রমাণিত ঘটনার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। কোথায় সমস্যা তৈরি হয়েছিল, কীভাবে নিরাপত্তা অতিক্রম করা হয়েছিল এবং কারা যুক্ত ছিল এসব প্রশ্নের নির্ভরযোগ্য উত্তর পেতে তদন্তের ফল প্রয়োজন। ব্যাঙ্কের বক্তব্য বা প্রাথমিক অভিযোগকে সম্পূর্ণ ঘটনার চূড়ান্ত ব্যাখ্যা হিসেবে ধরে নেওয়া যথাযথ হবে না। ত্রুটি শনাক্তের পর প্রভাবিত ব্যবস্থা আলাদা করা হয় প্রযুক্তিগত সমস্যা শনাক্ত হওয়ার পর ব্যাঙ্ক প্রভাবিত ব্যবস্থা বন্ধ করে আলাদা করার পদক্ষেপ নিয়েছিল বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তী ব্যাখ্যায় RTGS পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ার কথাও জানানো হয়। পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়া এবং ঘটনার তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়া পৃথক বিষয়। স্বাভাবিক পরিষেবা ফিরে এলেও সমস্যার উৎস, অননুমোদিত লেনদেনের পদ্ধতি এবং দায় নির্ধারণের প্রশ্নগুলি তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হয়। তাই পরিষেবা চালু হওয়ার খবর থেকেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গিয়েছে বলে ধরে নেওয়া যাবে না। গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে কী জানিয়েছে ব্যাঙ্ক ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে উদ্ধৃত ব্যাঙ্কের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, স্থানীয় RTGS সার্ভারের ইন্টারফেস পরিবেশে সমস্যা দেখা গিয়েছিল। ব্যাঙ্ক জানিয়েছে কোনও গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি এবং তাদের কোর ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা সুরক্ষিত রয়েছে। এই আশ্বাসকে ব্যাঙ্কের বক্তব্য হিসেবেই উপস্থাপন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বড় অঙ্কের অননুমোদিত লেনদেনের অভিযোগের গুরুত্বও রয়েছে। অভিযোগের তদন্ত এবং গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা সম্পর্কে প্রকাশিত ব্যাখ্যা দুটি তথ্য একসঙ্গে বিবেচনা করলে ঘটনার অবস্থান পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়। নিজের হিসাবে অসঙ্গতি দেখলে কী করবেন এই ঘটনার খবর দেখেই নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চলে গিয়েছে বলে ধরে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে কোনও সমস্যা হয়েছে কি না, তা বুঝতে নিজের স্টেটমেন্ট ও লেনদেনের তথ্য দেখুন। অপরিচিত লেনদেন, অস্বাভাবিক ডেবিট বা ব্যালান্সে অসঙ্গতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের শাখা অথবা ব্যাঙ্কের যাচাইকৃত অভিযোগ জানানোর মাধ্যমে যোগাযোগ করুন। অভিযোগের সময় লেনদেনের তারিখ, পরিমাণ ও রেফারেন্স নম্বর কাছে রাখলে বিষয়টি জানাতে সুবিধা হবে। অভিযোগ জমা দেওয়ার পর তার স্বীকৃতি বা রেফারেন্স নম্বরও সংরক্ষণ করুন। পরবর্তী ঘোষণায় কোন তথ্যগুলি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সম্পূর্ণ চিত্র জানতে তদন্তের অগ্রগতি, অর্থ উদ্ধারের নিশ্চিত তথ্য এবং ব্যাঙ্কের পরবর্তী আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কত অর্থ উদ্ধার হয়েছে, কীভাবে লেনদেনগুলি হয়েছিল এবং দায় নির্ধারণ হয়েছে কি না এই বিষয়গুলিতে যাচাই করা তথ্য প্রয়োজন। আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়া অর্থ সম্পূর্ণ উদ্ধার হয়েছে, সমস্ত সমস্যা মিটে গিয়েছে অথবা নির্দিষ্ট কেউ দায়ী এমন দাবি করা উচিত নয়। পাঠকদেরও ঘটনার প্রাথমিক অভিযোগ, ব্যাঙ্কের আশ্বাস এবং তদন্তে প্রতিষ্ঠিত তথ্য আলাদা করে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার প্রায় ১৩.৯৭ কোটি টাকার অননুমোদিত লেনদেনের অভিযোগে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে লেনদেনের রেকর্ড নিয়ে। এনডিটিভি প্রফিটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যাঙ্কের অভিযোগে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট ১৮৭টি লেনদেনের স্বাভাবিক রেকর্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি। শাখা, ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং ও মোবাইল ব্যাঙ্কিংয়ের মতো পরিচিত মাধ্যমেও সেগুলির হদিশ মেলেনি বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে অর্থ স্থানান্তরের নির্দেশ তৈরি হয়েছিল এবং কোন ব্যবস্থার মাধ্যমে তা কার্যকর হয়েছিল, তা নির্ধারণ করা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রেকর্ড খুঁজে না পাওয়ার অভিযোগ থেকে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায় নিশ্চিত করা যায় না। আর্থিক বার্তা আদানপ্রদানের ব্যবস্থায় প্রবেশের অভিযোগ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যাঙ্কের অভিযোগে আর্থিক বার্তা আদানপ্রদানের ব্যবস্থায় অননুমোদিত প্রবেশের কথা বলা হয়েছে। এই ব্যবস্থার সঙ্গে অর্থ স্থানান্তরের নির্দেশ পাঠানোর প্রক্রিয়া যুক্ত। তবে অভিযোগে উল্লেখিত সম্ভাব্য পদ্ধতি এবং তদন্তে প্রমাণিত ঘটনার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। কোথায় সমস্যা তৈরি হয়েছিল, কীভাবে নিরাপত্তা অতিক্রম করা হয়েছিল এবং কারা যুক্ত ছিল এসব প্রশ্নের নির্ভরযোগ্য উত্তর পেতে তদন্তের ফল প্রয়োজন। ব্যাঙ্কের বক্তব্য বা প্রাথমিক অভিযোগকে সম্পূর্ণ ঘটনার চূড়ান্ত ব্যাখ্যা হিসেবে ধরে নেওয়া যথাযথ হবে না।

Preview image