Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

SBI HDFC ছাড়াও অক্টোবরে ১১ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক এখানে রইল পুরো ছুটির লিস্ট

অক্টোবর মাসে উৎসব রবিবার এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবার মিলিয়ে SBI HDFC সহ বিভিন্ন ব্যাঙ্কের শাখা সর্বোচ্চ ১১ দিন বন্ধ থাকতে পারে তবে ছুটির দিন রাজ্য ও শহরভেদে আলাদা তাই ব্যাঙ্কে যাওয়ার আগে সম্পূর্ণ তালিকা দেখে নিন

অক্টোবর মাসে ব্যাঙ্কে কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজ থাকলে আগে থেকেই পরিকল্পনা করে রাখা জরুরি। উৎসব, জাতীয় ছুটি, আঞ্চলিক অনুষ্ঠান, রবিবার এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবার মিলিয়ে দেশের বিভিন্ন অংশে SBI, HDFC Bank সহ সরকারি ও বেসরকারি ব্যাঙ্কের শাখা সর্বোচ্চ ১১ দিন বন্ধ থাকতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে ভারতের প্রতিটি রাজ্যে একই ১১ দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। ছুটির তালিকা রাজ্য, শহর এবং স্থানীয় উৎসবের ভিত্তিতে পরিবর্তিত হবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, অক্টোবর মাসে জাতীয় ছুটির পাশাপাশি দুর্গাপুজো, দশেরা, বিজয়া দশমী, লক্ষ্মীপুজো, করবা চৌথ এবং অন্যান্য আঞ্চলিক উৎসবের কারণে বিভিন্ন শহরে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। এর সঙ্গে নিয়মিত রবিবার এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবারের ছুটিও যুক্ত হবে।

২ অক্টোবর মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিন উপলক্ষে দেশের সমস্ত ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। এটি সর্বভারতীয় ছুটি হওয়ায় সরকারি ও বেসরকারি সব ধরনের ব্যাঙ্কের শাখায় স্বাভাবিক পরিষেবা পাওয়া যাবে না। ১০ অক্টোবর মহালয়া অমাবস্যা উপলক্ষে বেঙ্গালুরু ও কলকাতায় ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দিনটি আবার মাসের দ্বিতীয় শনিবার হওয়ায় দেশের অন্যান্য অংশেও নিয়মিত সাপ্তাহিক নিয়ম অনুযায়ী ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। ১৭ অক্টোবর মহাসপ্তমী উপলক্ষে আগরতলায় ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। এই ছুটি সর্বভারতীয় নয়; নির্দিষ্ট অঞ্চলের উৎসবের ভিত্তিতে প্রযোজ্য হবে। ১৯ অক্টোবর দুর্গাপুজো, মহাষ্টমী, মহানবমী, আয়ুধপুজো এবং দশেরা উপলক্ষে আগরতলা, আইজল, ভুবনেশ্বর, চেন্নাই, গুয়াহাটি, ইম্ফল, ইটানগর, কোহিমা, কলকাতা, পাটনা, রাঁচি ও শিলংয়ের ব্যাঙ্ক শাখা বন্ধ থাকবে। ২০ অক্টোবর দশেরা বিজয়া দশমী, মহানবমী, আয়ুধপুজো এবং দুর্গাপুজো উপলক্ষে দেশের অধিকাংশ শহরে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রকাশিত RBI-ভিত্তিক তালিকা অনুযায়ী, গ্যাংটক ও ইম্ফল ছাড়া অধিকাংশ শহরে এই ছুটি কার্যকর হতে পারে। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী দুর্গাপুজো কিংবা দশাইনের কারণে আগরতলা, বেঙ্গালুরু, গ্যাংটক, গুয়াহাটি, কোচি, কলকাতা ও তিরুবনন্তপুরমে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। ২২ ও ২৩ অক্টোবর দুর্গাপুজো বা দশাইন উপলক্ষে গ্যাংটকে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। এই দুটি ছুটি সিকিমের নির্দিষ্ট আঞ্চলিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী প্রযোজ্য হবে। ২৬ অক্টোবর লক্ষ্মীপুজো, অ্যাকসেশন ডে এবং মহর্ষি বাল্মীকির জন্মদিন উপলক্ষে আগরতলা, চণ্ডীগড়, জম্মু, শিমলা ও শ্রীনগরের ব্যাঙ্ক শাখা বন্ধ থাকবে। ২৯ অক্টোবর করবা চৌথের জন্য শিমলায় ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। ৩১ অক্টোবর সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মদিন উপলক্ষে আহমেদাবাদের ব্যাঙ্ক শাখায় ছুটি থাকবে।

উৎসবের ছুটির পাশাপাশি অক্টোবর মাসের চারটি রবিবার ৪, ১১, ১৮ ও ২৫ অক্টোবর ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। এছাড়া ১০ অক্টোবর দ্বিতীয় শনিবার এবং ২৪ অক্টোবর চতুর্থ শনিবার হওয়ায় দেশের সমস্ত নির্ধারিত ও অনির্ধারিত ব্যাঙ্কে নিয়মিত ছুটি থাকবে। ১০ অক্টোবর ইতিমধ্যেই মহালয়া উপলক্ষে কয়েকটি শহরের ছুটির তালিকায় রয়েছে তাই ছুটির মোট সংখ্যা গণনা করার সময় একই তারিখ দু’বার ধরা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গের গ্রাহকদের ক্ষেত্রে কলকাতার জন্য প্রযোজ্য ছুটিগুলির দিকে বিশেষভাবে নজর রাখা প্রয়োজন। গান্ধী জয়ন্তী, মহালয়া দুর্গাপুজো দশেরা বা বিজয়া দশমীর পাশাপাশি রবিবার এবং নির্ধারিত শনিবারের কারণে একাধিক দিন ব্যাঙ্কের শাখা বন্ধ থাকতে পারে। তবে পশ্চিমবঙ্গের সব জেলা বা প্রত্যেকটি শাখায় একই সময়সূচি কার্যকর হবে কি না, তা সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের স্থানীয় বিজ্ঞপ্তি থেকে নিশ্চিত হওয়া উচিত।

ব্যাঙ্কের শাখা বন্ধ থাকলেও সাধারণত UPI মোবাইল ব্যাঙ্কিং ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং এবং ATM পরিষেবা চালু থাকে। গ্রাহকেরা ডিজিটাল মাধ্যমে টাকা পাঠানো, বিল পরিশোধ, ব্যালান্স দেখা এবং অন্যান্য সাধারণ লেনদেন করতে পারবেন। তবে ATM এ নগদের জোগান, চেক ক্লিয়ারিং কিংবা প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে কোনও কোনও পরিষেবায় সাময়িক প্রভাব পড়তে পারে। নগদ জমা বা তোলা বড় অঙ্কের লেনদেন চেক ক্লিয়ারিং ডিমান্ড ড্রাফট KYC আপডেট পাসবুক সংশোধন ঋণসংক্রান্ত নথি জমা এবং লকার ব্যবহারের মতো শাখানির্ভর কাজ থাকলে ছুটির আগেই তা সম্পন্ন করা ভালো। টানা কয়েক দিন ছুটি থাকলে চেক ক্লিয়ারিং এবং অন্যান্য অফলাইন পরিষেবায় অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। গ্রাহকদের মনে রাখতে হবে সর্বোচ্চ ১১ দিনের ছুটি কোনও একটি সর্বভারতীয় তালিকা নয়। একটি রাজ্যে যে উৎসবের জন্য ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে অন্য রাজ্যে সেদিন ব্যাঙ্ক স্বাভাবিকভাবে খোলা থাকতে পারে। তাই ব্যাঙ্কে যাওয়ার আগে RBI এর রাজ্যভিত্তিক ক্যালেন্ডার সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের ওয়েবসাইট অথবা স্থানীয় শাখার বিজ্ঞপ্তি দেখে নেওয়াই নিরাপদ। অক্টোবরে দুর্গাপুজো ও দশেরার কারণে একাধিক আঞ্চলিক ছুটি থাকায় শাখাভিত্তিক ব্যাঙ্কিং পরিষেবায় প্রভাব পড়তে পারে। জরুরি কাজ শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ফেলে না রেখে আগেভাগে সম্পন্ন করলে অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি এড়ানো সম্ভব।

ব্যাঙ্কের শাখা বন্ধ থাকলেও গ্রাহকদের সমস্ত ধরনের আর্থিক লেনদেন বন্ধ হয়ে যায় না। বর্তমানে বেশিরভাগ সাধারণ ব্যাঙ্কিং কাজ ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন করা সম্ভব। তাই ছুটির দিনেও UPI, মোবাইল ব্যাঙ্কিং, ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং এবং ATM পরিষেবা সাধারণত চালু থাকে। গ্রাহকেরা ঘরে বসেই টাকা পাঠানো, বিল পরিশোধ, মোবাইল রিচার্জ, ব্যালান্স পরীক্ষা এবং লেনদেনের ইতিহাস দেখার মতো কাজ করতে পারেন। UPI পরিষেবার মাধ্যমে ব্যাঙ্কের ছুটির দিনেও এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে দ্রুত টাকা পাঠানো যায়। দোকানে QR কোড স্ক্যান করে পেমেন্ট করা, অনলাইনে কেনাকাটা এবং বিভিন্ন পরিষেবার বিল পরিশোধও করা সম্ভব। একইভাবে মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট পরিচালনা, ফান্ড ট্রান্সফার, ফিক্সড ডিপোজিট খোলা কিংবা অন্যান্য অনলাইন সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।

news image
আরও খবর

ATM থেকে নগদ তোলা, ব্যালান্স দেখা এবং কিছু ক্ষেত্রে নগদ জমা দেওয়ার সুবিধাও ছুটির দিনে চালু থাকে। তবে টানা কয়েক দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকলে কোনও কোনও ATM-এ নগদের জোগান কমে যেতে পারে। বিশেষ করে উৎসবের সময় নগদ টাকার চাহিদা বেশি থাকায় নির্দিষ্ট এলাকায় ATM সাময়িকভাবে খালি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই প্রয়োজনীয় নগদ অর্থ ছুটির আগেই তুলে রাখা সুবিধাজনক। ডিজিটাল পরিষেবা সচল থাকলেও প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে কোনও কোনও সময়ে লেনদেন ব্যাহত হতে পারে। সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণ, নেটওয়ার্কের সমস্যা কিংবা অতিরিক্ত লেনদেনের চাপের ফলে UPI বা মোবাইল ব্যাঙ্কিংয়ে সাময়িক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কোনও লেনদেন ব্যর্থ হলে সঙ্গে সঙ্গে বারবার চেষ্টা না করে প্রথমে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কাটা হয়েছে কি না পরীক্ষা করা উচিত। ছুটির দিনেও NEFT, RTGS কিংবা IMPS-এর মাধ্যমে টাকা পাঠানোর সুবিধা সাধারণত পাওয়া যায়। তবে নির্দিষ্ট ব্যাঙ্কের প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা, রক্ষণাবেক্ষণ অথবা পরিষেবা-সংক্রান্ত নিয়মের কারণে কোনও কোনও লেনদেন সম্পন্ন হতে বেশি সময় লাগতে পারে। বড় অঙ্কের জরুরি লেনদেন থাকলে ছুটির আগে তা সম্পন্ন করাই নিরাপদ। সব কাজ অবশ্য ডিজিটাল মাধ্যমে করা সম্ভব নয়। নগদ জমা বা তোলা, বড় অঙ্কের বিশেষ লেনদেন, চেক জমা ও ক্লিয়ারিং, ডিমান্ড ড্রাফট তৈরি, KYC আপডেট, পাসবুক সংশোধন এবং ঋণসংক্রান্ত নথি জমা দেওয়ার মতো কাজের জন্য ব্যাঙ্কের শাখায় যেতে হতে পারে। লকার ব্যবহার এবং কিছু অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও গ্রাহকের সরাসরি উপস্থিতির প্রয়োজন হতে পারে।

যাঁদের চেকের মাধ্যমে পেমেন্ট গ্রহণ বা প্রদান করতে হয়, তাঁদের ব্যাঙ্কের ছুটির তালিকার দিকে বিশেষভাবে নজর রাখা উচিত। টানা কয়েক দিন শাখা বন্ধ থাকলে চেক জমা, যাচাই এবং ক্লিয়ারিং প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। এর ফলে ব্যবসায়িক পেমেন্ট, ঋণের কিস্তি কিংবা অন্য কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমার লেনদেন বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। একইভাবে ডিমান্ড ড্রাফট, পে অর্ডার অথবা ব্যাঙ্কের সত্যায়িত নথি প্রয়োজন হলে ছুটির আগে আবেদন করা উচিত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফি, সরকারি আবেদন, টেন্ডার কিংবা অন্য কোনও জরুরি কাজে এই নথিগুলি লাগলে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করলে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। KYC আপডেট, স্বাক্ষর পরিবর্তন, নমিনি সংযোজন, ঠিকানা সংশোধন কিংবা নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট পুনরায় চালু করার মতো কাজও সাধারণত শাখানির্ভর। কোনও গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা থাকলে ব্যাঙ্ক বন্ধ হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র ও নথি নিয়ে শাখায় যোগাযোগ করা ভালো। ঋণসংক্রান্ত নথি জমা, ঋণের অনুমোদন, সম্পত্তির কাগজপত্র যাচাই এবং চুক্তিতে স্বাক্ষরের মতো কাজও ছুটির কারণে পিছিয়ে যেতে পারে। হোম লোন, ব্যবসায়িক ঋণ কিংবা গাড়ির ঋণের আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক কর্মকর্তার সঙ্গে আগেই যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সময়সূচি জেনে নেওয়া উচিত।

গ্রাহকদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি মনে রাখতে হবে, তা হলো অক্টোবর মাসে সর্বোচ্চ ১১ দিনের ব্যাঙ্ক ছুটি কোনও একক সর্বভারতীয় তালিকা নয়। একটি রাজ্যে নির্দিষ্ট উৎসবের জন্য ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকলেও অন্য রাজ্যে একই দিনে ব্যাঙ্ক স্বাভাবিকভাবে খোলা থাকতে পারে। জাতীয় ছুটি, রবিবার এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবারের পাশাপাশি বিভিন্ন আঞ্চলিক উৎসবের জন্য ছুটির দিন পরিবর্তিত হয়। পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজো, মহালয়া, দশেরা বা বিজয়া দশমীর মতো উৎসবের কারণে একাধিক দিন ব্যাঙ্কের শাখা বন্ধ থাকতে পারে। আবার অন্য কোনও রাজ্যে স্থানীয় উৎসব কিংবা বিশেষ দিবসের কারণে সম্পূর্ণ আলাদা দিনে ছুটি থাকবে। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সাধারণ তালিকার ওপর নির্ভর না করে নিজের শহর বা রাজ্যের নির্দিষ্ট তালিকা পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

ব্যাঙ্কে যাওয়ার আগে RBI-এর রাজ্যভিত্তিক ছুটির ক্যালেন্ডার, সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট কিংবা মোবাইল অ্যাপ পরীক্ষা করা যেতে পারে। প্রয়োজন হলে স্থানীয় শাখা বা কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করেও ছুটির দিন নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। এতে অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এবং সময় নষ্ট হওয়া এড়ানো যাবে। উৎসবের সময়ে অনলাইন প্রতারণার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে প্রতারকেরা ভুয়ো কাস্টমার কেয়ার নম্বর  লিঙ্ক কিংবা KYC আপডেটের বার্তা পাঠাতে পারে। কোনও অবস্থাতেই OTP, ATM PIN, UPI PIN, CVV অথবা ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিংয়ের পাসওয়ার্ড অন্য কারও সঙ্গে শেয়ার করা উচিত নয়। অক্টোবরের ছুটিতে ব্যাঙ্কিং সমস্যায় পড়তে না চাইলে প্রয়োজনীয় নগদ অর্থ আগে থেকে রাখা, শাখানির্ভর কাজ সময়মতো সম্পন্ন করা এবং ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং পরিষেবা সক্রিয় আছে কি না পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো। জরুরি কাজ শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ফেলে না রেখে আগে থেকেই পরিকল্পনা করলে উৎসবের সময় অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি এড়িয়ে নির্বিঘ্নে আর্থিক লেনদেন পরিচালনা করা সম্ভব।

Preview image