Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

অজান্তে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধের আগে যেসব ভুল করলে বিপদ

অনেকেই বিভিন্ন কারণে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন—হোক তা অপ্রয়োজনীয় চার্জ, একাধিক অ্যাকাউন্ট ব্যবস্থাপনায় ঝামেলা, বা ব্যাংক বদলানোর ইচ্ছা। কিন্তু সমস্যা হলো, বেশিরভাগ মানুষ না জেনে বা যথেষ্ট তথ্য ছাড়া তাড়াহুড়ো করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে ফেলেন, যার ফলে পরে নানা ধরনের আর্থিক জটিলতা তৈরি হয়। তাই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা অত্যন্ত জরুরি। প্রথমত, অনেকেই ভাবেন যে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করলেই সব দায়দায়িত্ব শেষ। কিন্তু বাস্তবে অজানা কিছু বকেয়া চার্জ, স্ট্যান্ডিং ইনস্ট্রাকশন, EMI, সাবস্ক্রিপশন কিংবা অটো-ডেবিট সুবিধা চালু থাকলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার পরেও ঝামেলা তৈরি হতে পারে। এই পরিষেবাগুলো বন্ধ না করলে পরে লেট ফি, জরিমানা বা সার্ভিস বিচ্ছিন্ন হওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই অ্যাকাউন্ট ক্লোজ করার আগে সমস্ত সক্রিয় পরিষেবা বন্ধ করা এবং প্রয়োজনীয় টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয়ত, অনেকেই অ্যাকাউন্টে থাকা অবশিষ্ট টাকা দাবি না করেই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে ফেলেন। ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, অ্যাকাউন্ট বন্ধের সময় অবশিষ্ট টাকা তুলে নিতে হয় বা অন্য অ্যাকাউন্টে পাঠাতে হয়। তা না হলে পরে টাকা ফেরত পেতে অতিরিক্ত কাগজপত্র ও সময় ব্যয় করতে হয়। তৃতীয়ত, কেওয়াইসি ডকুমেন্ট বা অ্যাকাউন্ট বন্ধের আনুষ্ঠানিক কাগজপত্র জমা না দিলে অ্যাকাউন্ট পুরোপুরি বন্ধ নাও হতে পারে। ফলে দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকার পর এমন অ্যাকাউন্টে চার্জ কেটে ব্যালেন্স নেগেটিভ হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। তাই ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক চিঠি বা SMS এর মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট বন্ধের নিশ্চয়তা নেওয়া জরুরি। চতুর্থত, অনেকেই পুরোনো পাসবুক, চেকবই এবং ডেবিট কার্ড ফেরত দেন না বা নষ্ট করে ফেলেন না। এগুলো ভুল হাতে গেলে প্রতারণার ঝুঁকি থাকে। তাই এগুলো সুরক্ষিতভাবে জমা দেওয়া বা ধ্বংস করা প্রয়োজন। সবশেষে, অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার আগে ভবিষ্যতে আপনার প্রয়োজন হতে পারে এমন লেনদেনের ইতিহাস বা স্টেটমেন্ট সংগ্রহ করে রাখা উচিত। বিশেষ করে ট্যাক্স ফাইলিং, লোন প্রসেসিং বা ব্যাংক যাচাইকরণের জন্য এগুলো প্রয়োজন হতে পারে।

আধুনিক জীবনযাত্রায় ব্যাংক একটি অপরিহার্য প্রতিষ্ঠান। আমরা জন্মের পর থেকে জীবনের নানা পর্যায়ে ব্যাংকের ওপর নির্ভর করি বেতন গ্রহণ, বিল পরিশোধ, লোন নেওয়া, ব্যবসায়িক লেনদেন, সঞ্চয় রাখা, এমনকি পরিচয় যাচাই পর্যন্ত অনেক ক্ষেত্রেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে জীবনে এমন সময় আসে যখন কোনো কারণে আমরা পুরোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার কথা ভাবি। কেউ ব্যাংকের সেবায় অসন্তুষ্ট হয়ে, কেউ বা অন্য ব্যাংকে আরও ভালো সুবিধা পেয়ে, কেউ বা একাধিক অ্যাকাউন্ট ব্যবস্থাপনার ঝামেলা কমাতে চায় এই পদক্ষেপ নিতে। আবার অনেকেই অজান্তে বহু বছর ধরে ব্যবহার না করা অ্যাকাউন্টকে অবহেলিত অবস্থায় ফেলে রাখেন এবং হঠাৎ একদিন ব্যবহার করতে গিয়ে বুঝতে পারেন অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় হয়ে আছে। এভাবে বিভিন্ন কারণেই মানুষ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে চায়।

কিন্তু সমস্যা হয় তখনই, যখন প্রয়োজনীয় জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা ছাড়াই তাড়াহুড়ো করে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অনেকেই মনে করেন অ্যাকাউন্ট বন্ধ মানে ব্যাংকে গিয়ে বললেই কাজ শেষ; কিন্তু বাস্তবতা এত সহজ নয়। একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে নানা আর্থিক দায়িত্ব, নিয়ম, শর্ত, পরিষেবা এবং নিরাপত্তার বিষয়। এগুলো পরিষ্কারভাবে না জানলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা অনেক সময়েই হয় ঝামেলার, আবার কখনও তা আর্থিক বিপদের কারণও হয়ে দাঁড়ায়।

অনেক গ্রাহকই অভিযোগ করেন যে তারা অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার পরেও কোনো ব্যালেন্স বকেয়া থেকে গেছে, কোনো অটো ডেবিট ব্যর্থ হয়েছে, কোনো EMI বন্ধ হয়ে গেছে অথবা ব্যাংকের পক্ষ থেকে হঠাৎ করে একটি জরিমানার নোটিশ এসেছে। অনেকে আবার জানান যে তারা ভেবেছিলেন অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে গেছে, কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি এবং অনেক বছর ধরে চার্জ কাটতে কাটতে অ্যাকাউন্ট নেগেটিভ ব্যালেন্সে চলে গেছে। আরেকদল মানুষ জানান যে পুরোনো চেকবই বা ডেবিট কার্ড নষ্ট করে না রাখায় প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

এই ভুলগুলো ঘটে মূলত অজ্ঞতা, তথ্যের অভাব, তাড়াহুড়ো এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন না করার কারণে। কিন্তু যদি জানতে পারতেন যে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার আগে কোন কোন বিষয় খেয়াল করা দরকার, তাহলে এই সমস্যাগুলোর কোনোটি আপনার জীবনে ঘটত না।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার আগে সবচেয়ে বড় ভুল হলো মানুষ অ্যাকাউন্টটিকে একটি সাধারণ জিনিস ভাবেন। কিন্তু আসলে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হলো আপনার আর্থিক পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কোনও প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে গেলে, লোন নিতে হলে, পরিচয় যাচাই করতে হলে কিংবা কর ফাইলিংয়ের সময় আপনার পুরোনো অ্যাকাউন্টের লেনদেন ইতিহাস প্রয়োজন হতে পারে। অনেকেই এই বিষয়টি বুঝতে না পেরে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করলেও স্টেটমেন্ট বা লেনদেন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহ করে রাখেন না। ফলে পরবর্তীতে যেকোনো আর্থিক যাচাইপ্রক্রিয়ার সময় সমস্যায় পড়তে হয়।

আরেকটি বড় ভুল হলো অ্যাকাউন্টে সক্রিয় থাকা অটো ডেবিট  সম্পর্কে সচেতন না থাকা। আজকের দিনে আমরা অনেক বিল মোবাইল, ইন্টারনেট, বিদ্যুৎ, ইনস্যুরেন্স, EMI, সাবস্ক্রিপশন সার্ভিস এসবের স্বয়ংক্রিয় কেটে নেওয়ার ব্যবস্থা করে রাখি। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার আগে যদি এই সুবিধাগুলো বন্ধ না করা হয়, তাহলে পেমেন্ট ব্যর্থ হবে। আর পেমেন্ট ব্যর্থ হলে জরিমানা, লেট পেমেন্ট ফি, সার্ভিস বন্ধ হওয়া, এমনকি ক্রেডিট স্কোর নষ্ট হওয়া পর্যন্ত ঘটতে পারে।

অ্যাকাউন্টে যদি কোনো লোন সংযুক্ত থাকে, তাহলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ আরও জটিল হয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রেই ব্যাংক লোন চলাকালীন অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে দেয় না, কারণ লেনদেনের স্বচ্ছতা, EMI প্রসেসিং এবং যাচাইয়ের জন্য সেই অ্যাকাউন্টটি প্রয়োজন। কেউ যদি লোন সম্পর্কিত বিষয় না জেনে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার চেষ্টা করেন, তাহলে তাকে ব্যাংকের কাছ থেকে লোন একটিভ বা সার্ভিস ইনকমপ্লিট  বার্তা দেওয়া হয়। আরও খারাপ হয় তখনই, যখন মানুষ ভুলে যায় যে ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া পেমেন্ট ওই অ্যাকাউন্টের ওপর নির্ভর করে। অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে গেলে ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ সময়মতো হয় না এবং জরিমানা যুক্ত হয়।

ব্যালেন্স নিয়ে আরেকটি সমস্যা প্রায়ই দেখা যায়। কেউ কেউ ভাবেন যে ব্যালেন্স না তুললেও সমস্যা নেই, ব্যাংক পরে সেটা তাদের হাতে তুলে দেবে। কিন্তু বাস্তবে ব্যাংক অনেক সময় ব্যালেন্সের ওপর চার্জ কেটে নিতে থাকে এবং নেগেটিভ ব্যালেন্সেও চলে যেতে পারে অ্যাকাউন্ট। তারপর সেই টাকা ফেরত পেতে ব্যাংকের একাধিক কাগজপত্র, আবেদনপত্র ও যাচাইয়ের সম্মুখীন হতে হয়।

কেওইসি  সংক্রান্ত একটি ভুলও অনেক মানুষ করেন। অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে গেলে সাধারণত ব্যাংক গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করতে চায়। জাতীয় পরিচয়পত্র, স্বাক্ষর যাচাই, ছবি, ঠিকানার প্রমাণ এসবের মধ্যে কিছু যদি অসম্পূর্ণ থাকে, তাহলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে দেরি করে এবং অনেক সময় গ্রাহককে একাধিকবার ব্যাংকে যেতে হয়। যারা মনে করেন ব্যাংকের কর্মচারী মুখ দেখে চিনবে তাদের জন্য এটি বড় ভ্রান্তি। নিয়ম অনুযায়ী সবকিছু কাগজে কলমে নিশ্চিত করতেই হয়।

news image

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়েছে কিনা তার প্রমাণ সংগ্রহ করা। অনেকেই ব্যাংকে আবেদন জমা দিয়ে চলে যান কিন্তু বন্ধ হওয়ার চূড়ান্ত SMS বা ইমেল সংগ্রহ করেন না। তারা মনে করেন কর্মচারীর মৌখিক আশ্বাসই যথেষ্ট। কিন্তু ব্যাংকিং জগতে মৌখিক কথার মূল্য খুবই কম। কোনো লেনদেন বা সিদ্ধান্তের প্রমাণ কেবল লিখিত নথি বা সিস্টেম জেনারেটেড বার্তাই। তাই কেউ যদি অ্যাকাউন্ট বন্ধের প্রমাণ না রাখেন, তাহলে ভবিষ্যতে কোনো জটিলতার মুখোমুখি হলে প্রমাণ দেখাতে পারবেন না।

যৌথ অ্যাকাউন্ট হলে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল। একটি অ্যাকাউন্টে যদি দুই বা ততোধিক মালিক থাকে, তাহলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার জন্য সবার সম্মতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। অনেক সময় দম্পতি বা ব্যবসায়িক পার্টনাররা ভুল বোঝাবুঝির কারণে একে অপরের অনুমতি ছাড়াই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার চেষ্টা করেন এবং ব্যাংকে সমস্যায় পড়েন। এই পরিস্থিতিতে অ্যাকাউন্ট বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম স্থগিত থাকে এবং অন্য কোনো লেনদেনও করা যায় না।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার আগে যে জিনিসগুলো অনেকেই গুরুত্ব দেন না তা হলো পাসবুক, চেকবই, ডেবিট কার্ড বা এটিএম কার্ড জমা দেওয়া বা নিরাপদে ধ্বংস করা। এগুলো অবহেলায় রেখে দেওয়া হলে সেগুলো অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রতারণার ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে চেকবই একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল নথি। চেকের সিরিয়াল নম্বর ও সই মিলিয়ে প্রতারকরা অনেক সময় নকল লেনদেন তৈরি করে থাকে। তাই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার আগে এগুলো জমা দেওয়া বা কেটে নষ্ট করা অত্যন্ত জরুরি।

এ ছাড়া মানুষ ভুলেও ভেবে নেয় যে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করলে পূর্বের লেনদেনের রেকর্ড আর প্রয়োজন হবে না। কিন্তু বাস্তবে বড় লেনদেন বা ট্যাক্স সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন উঠলে সেই রেকর্ডের প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষ করে ব্যবসায়িক বা উচ্চমূল্যের লেনদেন থাকলে সেগুলো প্রমাণ করতে লেনদেনের ইতিহাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে গেলে বহু ব্যাংকে পুরোনো রেকর্ড বের করা কঠিন হয়, আবার কখনও সম্পূর্ণ অসম্ভব।

এভাবে প্রতিটি অনুচ্ছেদ একটি বাস্তব সমস্যার প্রতিফলন। ব্যাংকিং জগৎ অত্যন্ত নিয়ম-নিষ্ঠ; এখানে একটি ছোট ভুলও ভবিষ্যতে বড় আর্থিক সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই সচেতনতা ছাড়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। একজন সচেতন গ্রাহক হিসেবে নিজের অর্থ, পরিচয়, লেনদেন ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখা আপনার দায়িত্ব।

অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার সঠিক প্রক্রিয়া জানলে এসব সমস্যা এড়ানো যায়। প্রথমে নিশ্চিত হতে হয় যে অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত সব পরিষেবা বন্ধ আছে। তারপর ব্যালেন্স শূন্য করে নিতে হয়। এরপর প্রয়োজনীয় ফরম পূরণ করে কেওয়াইসি জমা দিতে হয়। চেকবই, ডেবিট কার্ড জমা দিতে হয় অথবা ধ্বংস করতে হয়। শেষে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়েছে এমন প্রমাণ সংগ্রহ করতে হয়।

যারা এভাবে নিয়ম মেনে কাজ করেন তারা কখনোই কোনো ধরনের জটিলতার সম্মুখীন হন না। বরং তাদের আর্থিক যাত্রা আরও সুশৃঙ্খল হয়। যেকোনো নতুন ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলার সময়ও তারা আগের অভিজ্ঞতার আলোকে ভালোভাবে প্রস্তুত হন।

সবশেষে বলা যায় অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা একটি গুরুতর আর্থিক সিদ্ধান্ত। এটি কখনোই হঠাৎ করে বা ধারণা ছাড়াই নেওয়া উচিত নয়। বরং আগে তথ্য সংগ্রহ করুন, নিয়ম জানুন, ঝুঁকি বুঝুন এবং তারপর সিদ্ধান্ত নিন। আর যদি সঠিকভাবে প্রক্রিয়া অনুসরণ করেন, তবে আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধের পুরো যাত্রাই হবে নিরাপদ, নিশ্চিত এবং ঝামেলামুক্ত।

Preview image