Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

শীতের শুরুতেই ফ্লু ভ্যাকসিন? সংক্রমণ রুখতে কী বলছেন চিকিৎসকেরা

নিয়মিত ফ্লু ভ্যাকসিন নিলে শীতের মরশুমে ইনফ্লুয়েঞ্জার সংক্রমণ ও জটিলতার ঝুঁকি অনেকটাই কমতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

শীতের মরশুম শুরু হলেই সর্দি, কাশি, জ্বর, গলা ব্যথা এবং বিভিন্ন ধরনের শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের প্রবণতা বাড়তে দেখা যায়। বিশেষ করে ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু শীতকালে অনেকের দৈনন্দিন জীবনকে সমস্যায় ফেলে। তবে শুধুমাত্র শীতের সময়ই যে ইনফ্লুয়েঞ্জার সংক্রমণ হতে পারে, এমনটা নয়। ভারতে বর্ষা-পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন respiratory virus-এর সংক্রমণ নিয়ে নজরদারি চালানো হয়। ২০২৬ সালের WHO surveillance data-তেও ভারতে influenza A(H1N1)pdm09-এর উপস্থিতি নথিভুক্ত হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে শীতের আগে ফ্লু ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশু, প্রবীণ নাগরিক, গর্ভবতী মহিলা এবং যাঁদের আগে থেকেই অ্যাজ়মা, ডায়াবিটিস, হৃদরোগ বা অন্য কোনও দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে influenza infection তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ফলে কারা আগে ফ্লু ভ্যাকসিন নেবেন, কখন নেওয়া ভালো এবং ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কী কী বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে—এই প্রশ্নগুলিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

H1N1 কি নতুন কোনও ভাইরাস?

H1N1 নামটি শুনলেই অনেকের মনে আতঙ্ক তৈরি হয়। কিন্তু H1N1 influenza A ভাইরাসের একটি subtype। বর্তমানে মানুষের মধ্যে circulating seasonal influenza-এর অংশ হিসেবেও A(H1N1)pdm09 ভাইরাস শনাক্ত হয়। অর্থাৎ H1N1 নামটি শুনলেই নতুন কোনও মহামারির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে—এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

ভারতে influenza surveillance-এর জন্য ICMR-NIV Pune এবং বিভিন্ন Virus Research and Diagnostic Laboratory-এর মাধ্যমে নিয়মিত নজরদারি চালানো হয়। NCDC-এর প্রকাশিত তথ্যেও বলা হয়েছে, দেশে influenza virus-এর বিভিন্ন subtype-এর ওপর নিয়মিত surveillance করা হয়।

WHO-র ২০২৬ সালের surveillance data-তে ভারতের পরীক্ষিত influenza-positive নমুনার মধ্যে A(H1N1)pdm09-এর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি দেখা গিয়েছে। ১৫ জুন ২০২৬ পর্যন্ত প্রকাশিত একটি WHO South-East Asia bulletin-এ ভারতের influenza-positive নমুনার ৬৭ শতাংশ A(H1N1)pdm09 হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ হয়েছিল।

তাই H1N1 নিয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন হলেও অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ফ্লু ভ্যাকসিন কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ফ্লু ভ্যাকসিন মূলত influenza virus-এর বিরুদ্ধে শরীরকে আগে থেকেই প্রস্তুত করতে সাহায্য করে। ভ্যাকসিন নেওয়ার পর শরীর নির্দিষ্ট ভাইরাসের বিরুদ্ধে immune response তৈরি করে। ফলে পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট influenza virus-এর সংক্রমণ হলে গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

NCDC-এর influenza vaccine সংক্রান্ত নথিতে seasonal influenza vaccine-এর composition এবং নিয়মিত surveillance-এর বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। WHO-র সুপারিশ অনুযায়ী vaccine composition সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে, কারণ circulating influenza strains-ও পরিবর্তিত হয়।

তবে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে মনে রাখা দরকার—ফ্লু ভ্যাকসিন নিলে কোনও ব্যক্তির সব ধরনের সর্দি-কাশি বা respiratory infection বন্ধ হয়ে যাবে না। কারণ সর্দি-কাশির জন্য influenza ছাড়াও একাধিক virus দায়ী হতে পারে।

অর্থাৎ ফ্লু ভ্যাকসিনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো influenza-এর বিরুদ্ধে সুরক্ষা তৈরি করা।

কারা ফ্লু ভ্যাকসিন নেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন?

ছয় মাস বা তার বেশি বয়সি অনেক সুস্থ মানুষই influenza vaccination-এর জন্য উপযুক্ত হতে পারেন। তবে কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে influenza infection গুরুতর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি হওয়ায় তাঁদের vaccination নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

১. ছোট শিশু

পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুদের influenza infection হলে জটিলতার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি হতে পারে। বিশেষ করে খুব ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, খাওয়ার সমস্যা বা dehydration-এর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তাই শিশুর বয়স অনুযায়ী vaccination প্রয়োজন কি না, কোন vaccine formulation উপযুক্ত এবং কত dose প্রয়োজন—এসব বিষয়ে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

২. ৬৫ বছরের বেশি বয়সি প্রবীণ

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের immune response কিছুটা দুর্বল হতে পারে। ফলে influenza infection থেকে pneumonia বা অন্য জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

এই কারণে প্রবীণদের ক্ষেত্রে seasonal influenza vaccination নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

৩. গর্ভবতী মহিলা

গর্ভাবস্থায় শরীরে বিভিন্ন physiological পরিবর্তন ঘটে। ফলে respiratory infection হলে কিছু ক্ষেত্রে জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

গর্ভবতী মহিলাদের জন্য influenza vaccination নিয়ে গাইনি বা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। বিশেষ করে কোন trimester-এ কী ধরনের vaccine নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত চিকিৎসকই দেবেন।

নিজে থেকে কোনও vaccine বা ওষুধ নেওয়া উচিত নয়।

৪. অ্যাজ়মা, ডায়াবিটিস ও হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তি

যাঁদের আগে থেকেই chronic respiratory disease, asthma, diabetes, cardiovascular disease বা immune system দুর্বল করার মতো সমস্যা রয়েছে, তাঁদের influenza infection হলে জটিলতা বেশি হতে পারে।

এই ধরনের রোগীদের ক্ষেত্রে influenza vaccination প্রয়োজন কি না, তা treating physician-এর সঙ্গে আলোচনা করা উচিত।

৫. স্বাস্থ্যকর্মী ও caregivers

ডাক্তার, নার্স, হাসপাতালের কর্মী, caregiver এবং নিয়মিত রোগীদের সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তিদের influenza virus-এর exposure হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

এই কারণে healthcare workers-এর influenza vaccination নিয়ে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়। ভারতের সরকারি guidance-এও healthcare workers এবং higher-risk groups-এর vaccination-এর বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।

প্রথমবার ফ্লু ভ্যাকসিন নেওয়ার ক্ষেত্রে কী জানা জরুরি?

প্রথমবার influenza vaccine নেওয়ার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজের বয়স, শারীরিক অবস্থা, আগের vaccination history এবং কোনও allergy বা medical condition আছে কি না, তা চিকিৎসককে জানানো।

শিশুদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বয়স এবং পূর্বে influenza vaccine নেওয়া হয়েছে কি না, তার ওপর dose schedule নির্ভর করতে পারে।

আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো vaccine নেওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণ immunity তৈরি হয় না। ভারতের সরকারি seasonal influenza vaccination guidance অনুযায়ী immunity তৈরি হতে প্রায় ২-৩ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

news image
আরও খবর

তাই influenza season শুরু হওয়ার আগেই vaccination নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করা সুবিধাজনক হতে পারে।

ফ্লু ভ্যাকসিন কি ১০০ শতাংশ সুরক্ষা দেয়?

না। কোনও seasonal influenza vaccine-ই ১০০ শতাংশ সুরক্ষা নিশ্চিত করে না।

এর অন্যতম কারণ হলো influenza virus-এর strain এবং circulating virus-এর বৈশিষ্ট্য সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। WHO নিয়মিত surveillance-এর ভিত্তিতে vaccine composition-এর সুপারিশ করে। NCDC-এর ২০২৫-২৬ season-এর নথিতেও H1N1pdm09, H3N2 এবং B/Victoria lineage-এর মতো influenza strains-এর vaccine composition উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতের সরকারি guidance-এও বলা হয়েছে যে vaccine effectiveness circulating virus এবং vaccine strain-এর matching-এর ওপর নির্ভর করে। তাই vaccine নেওয়ার পাশাপাশি হাত পরিষ্কার রাখা, respiratory etiquette মেনে চলা এবং অসুস্থ ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়ানোর মতো সাধারণ preventive measures গুরুত্বপূর্ণ।

দূষণ ও ফ্লু—দুটির সম্পর্ক কোথায়?

শীতের সময়ে দিল্লি-NCR, কলকাতা-সহ বিভিন্ন বড় শহরে বায়ুদূষণ বাড়তে পারে। বাতাসে PM2.5 এবং অন্যান্য pollutant-এর মাত্রা বাড়লে respiratory system-এর ওপর চাপ তৈরি হতে পারে।

কিন্তু এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বুঝতে হবে—ফ্লু ভ্যাকসিন বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে vaccine নয়।

অর্থাৎ দূষণের কারণে চোখ জ্বালা, গলা জ্বালা, কাশি বা pollution-induced breathing difficulty হলে influenza vaccine সেই সমস্যাগুলি সরাসরি বন্ধ করবে না।

ফ্লু ভ্যাকসিন influenza virus-এর বিরুদ্ধে immune protection তৈরি করতে সাহায্য করে।

তবে কোনও ব্যক্তির যদি আগে থেকেই asthma বা chronic lung disease থাকে এবং একই সময়ে influenza infection ও severe air pollution-এর exposure হয়, তাহলে respiratory symptoms বেশি গুরুতর হতে পারে। তাই শীতের সময়ে এমন ব্যক্তিদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

ফ্লু হলে কী কী উপসর্গ দেখা দিতে পারে?

Influenza-এর সাধারণ উপসর্গগুলির মধ্যে থাকতে পারে—

  • জ্বর
  • কাশি
  • গলা ব্যথা
  • মাথাব্যথা
  • শরীর ব্যথা
  • প্রচণ্ড দুর্বলতা
  • নাক দিয়ে জল পড়া বা নাক বন্ধ
  • ঠান্ডা লাগা
  • কিছু ক্ষেত্রে বমি বা পেটের সমস্যা, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে

তবে প্রত্যেক ব্যক্তির ক্ষেত্রে উপসর্গ একই রকম হবে না।

কেউ হালকা উপসর্গ নিয়ে সুস্থ হয়ে যেতে পারেন, আবার উচ্চঝুঁকির কোনও ব্যক্তির ক্ষেত্রে respiratory complications তৈরি হতে পারে।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি?

ফ্লু বা respiratory infection-এর সঙ্গে যদি শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, অতিরিক্ত দুর্বলতা, দীর্ঘস্থায়ী বা খুব বেশি জ্বর, ঠোঁট বা মুখ নীলচে হয়ে যাওয়া, confusion বা dehydration-এর মতো গুরুতর লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।

বিশেষ করে শিশু, প্রবীণ, গর্ভবতী এবং chronic disease-এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে symptoms অবহেলা করা ঠিক নয়।

নিজে থেকে antibiotic খাওয়া উচিত নয়। কারণ influenza একটি viral infection এবং antibiotic সাধারণত influenza virus-এর বিরুদ্ধে কাজ করে না।

ফ্লু ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কী হতে পারে?

ভ্যাকসিন নেওয়ার পরে injection site-এ সামান্য ব্যথা, লালচে ভাব বা অস্বস্তি হতে পারে। কারও কারও হালকা জ্বর বা শরীর খারাপ লাগতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই ধরনের সমস্যা সাময়িক হয়।

তবে vaccine নেওয়ার পর গুরুতর allergic reaction-এর মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সাহায্য নিতে হবে।

যাঁদের আগে কোনও vaccine-এর পর severe allergic reaction হয়েছিল, তাঁদের vaccination-এর আগে অবশ্যই চিকিৎসককে বিষয়টি জানানো উচিত।

শীতের আগে ফ্লু থেকে বাঁচতে আর কী করবেন?

শুধু vaccine-এর ওপর নির্ভর না করে কয়েকটি সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাও গুরুত্বপূর্ণ।

অসুস্থ ব্যক্তির খুব কাছাকাছি থাকা এড়িয়ে চলা, নিয়মিত হাত ধোয়া, কাশি বা হাঁচির সময় মুখ-নাক ঢেকে রাখা এবং অসুস্থ হলে প্রয়োজন অনুযায়ী বিশ্রাম নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

অসুস্থ অবস্থায় অন্যদের মধ্যে infection ছড়িয়ে না দেওয়ার জন্য ভিড়ের জায়গায় যাওয়ার ক্ষেত্রেও সতর্ক হওয়া দরকার।

বিশেষ করে হাসপাতাল, স্কুল, অফিস বা crowded public transport-এর মতো জায়গায় respiratory infection ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি হতে পারে।

ফ্লু ভ্যাকসিনের সঠিক সময় কখন?

Influenza vaccination-এর সঠিক সময় দেশ, অঞ্চল, circulating virus এবং ব্যক্তির risk profile-এর ওপর নির্ভর করতে পারে। তাই vaccination-এর আগে চিকিৎসক বা vaccination centre-এর সঙ্গে আলোচনা করা ভালো।

সরকারি guidance-এ বলা হয়েছে, influenza vaccine নেওয়ার পর immunity তৈরি হতে প্রায় ২-৩ সপ্তাহ সময় লাগে।

তাই influenza season-এর একেবারে মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত অপেক্ষা না করে আগে থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উপকারী হতে পারে।

H1N1 নিয়ে আতঙ্ক নয়, সচেতনতা জরুরি

H1N1 নামটি শুনে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। এটি influenza A-এর একটি subtype এবং seasonal influenza surveillance-এর অংশ হিসেবে এটি নিয়মিত নজরদারিতে থাকে।

WHO এবং ভারতের স্বাস্থ্য সংস্থাগুলি influenza virus-এর বিভিন্ন strain-এর ওপর নিয়মিত নজরদারি চালায়। ২০২৬ সালের WHO data-তেও ভারতে A(H1N1)pdm09 শনাক্ত হওয়ার তথ্য রয়েছে।

অতএব শীতের আগে মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত আতঙ্ক নয়, বরং সঠিক সময়ে vaccination সম্পর্কে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া, high-risk ব্যক্তিদের বিশেষভাবে সুরক্ষিত রাখা এবং respiratory hygiene মেনে চলা।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ফ্লু ভ্যাকসিন নেওয়ার সিদ্ধান্ত বয়স, স্বাস্থ্য পরিস্থিতি, পূর্বের vaccination history এবং স্থানীয় পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করতে পারে। তাই বিশেষ করে শিশু, প্রবীণ, গর্ভবতী মহিলা এবং chronic disease-এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের vaccination নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

এই প্রতিবেদনটি সাধারণ স্বাস্থ্য-তথ্যের উদ্দেশ্যে। কোনও vaccine, ওষুধ বা চিকিৎসা শুরু করার আগে যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Preview image