Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

‘সিআইডি’-এর দয়া অশ্লীল সম্পর্ক! মনাঙ্কার সঙ্গে দয়ানন্দ শেটটির অবৈধ প্রেমের গুঞ্জন

দীর্ঘদিনের জনপ্রিয় সিরিজ ‘সিআইডি’-এর দয়া অর্থাৎ দয়ানন্দ শেট্টিকে ঘিরে তোলপাড় বিনোদন দুনিয়া। সহ–অভিনেত্রী মনাঙ্কার সঙ্গে তাঁর নাকি অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা ছিল—এমন গুঞ্জনেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ভারতীয় টেলিভিশনের ইতিহাসে ‘সিআইডি’ নামটি এক আলাদা জায়গা দখল করে রেখেছে। দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এই সিরিজ শুধু বিনোদনের দুনিয়াতেই নয়, মানুষের মনে স্থায়ী আসন পেয়েছে। দয়া, অভিজিৎ, ACP প্রদ্যুম্ন—এই চরিত্রগুলি কোটি দর্শকের কাছে পরিবারের সদস্যের মতো হয়ে গিয়েছিল। তাদের অ্যাকশন, সংলাপ, দৃঢ়তা—সবই দর্শকের আবেগের সঙ্গে মিশে গেছে। সেই দলের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ দয়ানন্দ শেট্টি, যাকে সবাই ‘দয়া’ নামে চিনে। তাঁর সংলাপ ‘দয়া, দরজা তোড়!’ ভারতীয় টিভি ইতিহাসে এক কিংবদন্তি জায়গা দখল করেছে। কিন্তু এবার এই প্রিয় অভিনেতাকে ঘিরেই উঠেছে নতুন বিতর্ক।

বিনোদনজগতে হঠাৎই ছড়িয়েছে খবর—দয়ানন্দ শেট্টির নাকি সহ–অভিনেত্রী মনাঙ্কার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল। শুধু পেশাগত সম্পর্ক নয়, তাঁদের মধ্যে নাকি অতিরিক্ত বন্ধুত্বের ছাপ দেখা গিয়েছে বিভিন্ন সময়ে। আর সেই সূত্রেই শুরু হয়েছে গুঞ্জন—দয়া কি অতিরিক্ত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন? যদিও দয়ানন্দ শেট্টি বা মনাঙ্কা কেউই এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খোলেননি, তবুও সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের ছবির উল্লেখ, শুটিং–সেটে তাঁদের বন্ধুত্ব, সিরিয়ালের বাইরে তাঁদের একাধিক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা যাওয়া—এসব নিয়ে মানুষের আলোচনা তুঙ্গে।

দয়ানন্দ শেট্টির ব্যক্তিগত জীবন বরাবরই খুব শান্ত ও সরল ছিল। মুম্বইয়ে তাঁর পরিবার, স্ত্রী এবং মেয়ে নিয়ে তিনি সুখেই জীবন কাটাচ্ছিলেন—এমনটাই জানা দর্শক–অনুরাগীদের। তাই হঠাৎ করে তাঁর বিরুদ্ধে এ ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ায় অনেকে হতবাক। দয়া চরিত্রটি যেমন সৎ, নিষ্ঠাবান ও সংবেদনশীল—মানুষ তাঁর বাস্তব জীবনকেও সেই দৃষ্টিতে দেখেন। দর্শকদের সেই আবেগই এখন আঘাত পেয়েছে।

অনেকে মনে করছেন, এ সবই সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরঞ্জন। বর্তমান ডিজিটাল দুনিয়ায় যে–কেউ ছবি, ভিডিও বা ছোট ক্লিপকে ঘিরে নানা রকম ব্যাখ্যা বানাতে পারে। দয়া ও মনাঙ্কার মধ্যে বন্ধুত্ব ছিল, একসঙ্গে কাজ করার কারণে তাঁদের মধ্যে স্বাভাবিক বন্ধন তৈরি হয়েছিল—এটাই বাস্তব হতে পারে। কিন্তু কিছু মানুষ সেটিকেই বাড়িয়ে গুজব ছড়াতে শুরু করেছেন। প্রায়ই দেখা যায়, কোনও জনপ্রিয় তারকার সম্পর্কে ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে খবর ছড়ালে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। কারণ মানুষ সেলেব্রিটিদের ব্যক্তিগত জীবনের প্রতি অদ্ভুত কৌতূহল দেখায়। সেই কারণেই হয়তো দয়া ও মনাঙ্কাকে ঘিরে এই বিতর্ক মুহূর্তেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

‘সিআইডি’ পরিবার বরাবরই একটি শক্তিশালী টিম হিসেবে কাজ করেছে। দীর্ঘ ২০ বছরের বেশি সময় ধরে একই অভিনয়শিল্পীরা একে অপরের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। সময়ের সঙ্গে তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্ব তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। দয়া এবং মনাঙ্কার ক্ষেত্রেও সেটাই হতে পারে। শুটিং–সেটের দীর্ঘ সময়, একসঙ্গে দৃশ্য শুট করা, চ্যালেঞ্জিং অ্যাকশন দৃশ্য প্রস্তুতি—এই সব মিলিয়ে শিল্পীদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

কিন্তু গুজব বলে—তাদের মধ্যে নাকি শুধু বন্ধুত্ব ছিল না, তার চেয়ে একটু বেশি। কিছু অনলাইনে শেয়ার হওয়া ছবিতে যেভাবে তাঁরা একসঙ্গে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছেন, সেটাকেই ভিত্তি করে এই আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই ছবি যে কোনও সহ–অভিনেতা যুগলেরই হতে পারে, তবুও আলোচনা থামছে না।

মনাঙ্কার দিক থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল। কারণ তিনি টেলিভিশন দুনিয়ায় খুব বেশি পরিচিত না হলেও, তাঁর নাম দয়ানন্দ শেট্টির মতো একজন শক্তিশালী অভিনেতার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ায় অনেকে বিষয়টিকে অন্য দৃষ্টিতে দেখতে শুরু করেছেন। মিডিয়া বারবার তাঁকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করেছে, কিন্তু তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। নীরবতা কখনও কখনও আরও বেশি গুঞ্জনের জন্ম দেয়—এখানেও তেমনটাই হয়েছে।

দয়া নিজে বরাবরই ইন্ডাস্ট্রিতে ভদ্র, শান্ত, দায়িত্ববান মানুষ হিসেবে পরিচিত। তিনি কখনও কোনও বিতর্কে জড়াননি। তাছাড়া তাঁর পারিবারিক সম্পর্কও দৃঢ়। তাই তাঁর বিরুদ্ধে হঠাৎ এ ধরনের অভিযোগ ওঠা অনেকের চোখেই অবিশ্বাস্য। দয়ার বহু ভক্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখছেন—এ সব মিথ্যে, দয়া এমন হতে পারেন না। তাঁরা অভিনেতার সুরক্ষা চান এবং অনুরোধ করছেন কেউ যেন তাঁর নাম নিয়ে অযথা বিতর্ক সৃষ্টি না করেন।

বাস্তবতা হল, বিনোদন দুনিয়ায় কোনও খবর ছড়ালে তার সত্যতা যাচাই না করেই বহু মানুষ তা বিশ্বাস করে ফেলে। বিশেষ করে ‘অতিরিক্ত সম্পর্ক’ সংক্রান্ত খবর হলে তা আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ নাটকীয় বিষয় পছন্দ করে—সেটাই মিডিয়ার বড় হাতিয়ার। তাই যে–কোনো সাধারণ সম্পর্ককেও অতিরিক্ত রঙিন করে দেখানো হয়। এই ঘটনায়ও সেই সম্ভাবনা প্রবল।

সমাজে সেলেব্রিটি–সংক্রান্ত খবরের প্রতি মানুষের যে উন্মাদনা আছে, তা কখনও কখনও তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনকে অস্থির করে তুলতে পারে। দয়া এবং মনাঙ্কার ক্ষেত্রেও এমনই হয়েছে। একজন অভিনেতার ব্যক্তিগত সম্পর্ক, তাঁর পারিবারিক জীবন—এই সব কিছুই অনেক সময় তাঁর চরিত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও দয়া এখনও এই বিষয়ে নীরব, তবে তাঁর কাছের লোকজন বলছেন—এই ধরনের সংবাদ অভিনেতাকে মানসিক চাপের মধ্যে ফেলে দেয়।

গল্পের আর একটি দিকও থাকতে পারে—মানুষের বিকৃত কৌতূহল এবং ভিউ পাওয়ার লোভে অনেকেই মিথ্যে খবর তৈরি করে। অনেক ইউটিউব চ্যানেল এবং সোশ্যাল মিডিয়া পাতায় সেলেবদের নিয়ে ভুয়ো কন্টেন্ট তৈরি হচ্ছে। দয়ার ক্ষেত্রেও এমন হতে পারে। ভক্তরা চাইছেন যেন তিনি বা তাঁর পরিবার সামনে এসে সত্যিটা স্পষ্ট করেন।

news image
আরও খবর

যাই হোক, দয়ানন্দ শেট্টির দক্ষতা, তাঁর অভিনয় দক্ষতা এবং তাঁর সৎ চরিত্র আজও মানুষের মনে অমলিন। একটিমাত্র গুজব তাঁর জনপ্রিয়তাকে নষ্ট করতে পারবে না। ‘সিআইডি’-র দয়া চরিত্রটি ভারতীয় টেলিভিশনের ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় থাকবে। তিনি দরজা ভাঙুন আর না ভাঙুন, মানুষের হৃদয়ে তাঁর জায়গা স্থায়ী।

মনাঙ্কার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। কাউকে তার পেশাগত পরিচয়ের বাইরে বিচার করা উচিত নয়। তিনি একজন পরিশ্রমী অভিনেত্রী এবং তাঁর কাজ তাঁকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। গুজব না মানলে গুজবই থেমে যাবে—এটাই দর্শকের বোঝা উচিত।

শেষমেশ বলা যায়, দয়া এবং মনাঙ্কাকে ঘিরে যে বিতর্ক চলছে তা বাস্তবে কতটা সত্য, তা সময়ই বলবে। তবে দর্শকদের উচিত এই ধরনের গুঞ্জনকে বেশি গুরুত্ব না দিয়ে তাঁদের পছন্দের অভিনেতাদের সম্মান করা। সেলেব্রিটিরাও মানুষ—তাঁদেরও ব্যক্তিগত জীবন আছে, অনুভূতি আছে, সম্মান আছে। গুজবই তাঁদের সম্পর্কে মানুষের মত বদলে দিক—তা কোনও ভাবেই কাম্য নয় এই বিতর্ককে কেন্দ্র করে মানুষের যে মানসিকতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে, তা সমাজের একটি বড় বাস্তবতাকেই চোখে আঙুল দিয়ে দেখায়। সাধারণ মানুষ তাঁর পছন্দের তারকার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রতিটি সম্পর্ক, প্রতিটি ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে যেমন আগ্রহী থাকে, তেমনই অনেকে আবার সেই আগ্রহকে অতি উৎসাহে রূপান্তরিত করে ফেলে। বিনোদন জগতের মানুষেরা আলোয় থাকেন, তাঁদের প্রতিটি পদক্ষেপ প্রকাশ্যে থাকে। তাই তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনে সামান্য ফাটল দেখা দিলেই তা মানুষের আলোচনার মূল বিষয়ে পরিণত হয়। দয়া ও মনাঙ্কাকে ঘিরে এই অতিরিক্ত সম্পর্কের গুঞ্জনও সেই আগ্রহেরই সম্প্রসারণ। কেউ সত্যটা জানে না, অথচ সবারই মতামত আছে—এটাই বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়া–নির্ভর সমাজের বাস্তব।

তবে এক দিক থেকে দেখলে বোঝা যায়, গুজবের প্রসার হওয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রয়েছে কিছু অসাধু অনলাইন প্ল্যাটফর্মের। তারা জানে, দয়ানন্দ শেট্টির মতো জনপ্রিয় সেলেব্রিটিকে ঘিরে কোনও বিতর্ক তৈরি হলে সেটি মুহূর্তেই ভাইরাল হবে। ফলে তাঁরা ক্লিকবেট শিরোনাম বানিয়ে পাঠকের মনোযোগ আকর্ষণ করে। সেই ধরনের অসত্য তথ্য যখন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, তখন সত্য-মিথ্যার সীমানা মুছে যায়। অনেকেই যাচাই না করেই তথ্য শেয়ার করেন। এভাবেই একটি নিরীহ সম্পর্কের ওপর সন্দেহের কালো ছায়া পড়ে যায়। দয়া ও মনাঙ্কার ক্ষেত্রে এই প্রবণতাই ঘটেছে। দু'জন মানুষ, যারা একসঙ্গে কাজ করেছেন এবং স্বাভাবিক কারণেই তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে—সেটিকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে অভিনেতা–অভিনেত্রীদের মানসিক চাপের কথাও ভাবা জরুরি। চিরকালীন জনপ্রিয় দয়া চরিত্রের স্রষ্টা দয়ানন্দ শেট্টি খুব শান্ত, বিনয়ী এবং সংযত মানুষ হিসেবে পরিচিত। তিনি কোনদিন এমন আচরণ করেননি যা তাঁকে বিতর্কে জড়াবে। আর সেই মানুষটিকেই এখন ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কটাক্ষ, প্রশ্নবাণের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এতদিন তাঁর নাম শুনলে মানুষ প্রশংসা করত, এখন তাঁকে দেখতে হচ্ছে সন্দেহের দৃষ্টিতে। এই পরিবর্তন একজন সেলেব্রিটির জন্য অত্যন্ত কষ্টকর।

মনাঙ্কার অবস্থাও কম কঠিন নয়। তিনি বহু বছর ধরে অভিনয় করছেন, পরিশ্রম করে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন। হঠাৎ করে তাঁর নাম একটি বিতর্কে জড়িয়ে পড়ায় তাঁর কাজ, তাঁর পরিচয় এবং তাঁর ভাবমূর্তি বড় ধরনের প্রভাবের মুখে পড়েছে। নারী শিল্পীদের ক্ষেত্রে এমন অভিযোগ আরও দ্রুত ছড়ায়, আরও বেশি সমালোচনা হয়, যা অত্যন্ত অন্যায়। মানুষ সাধারণত নারী অভিনেত্রীকেই সহজে দোষারোপ করতে ভালোবাসে। গুজব যদি সত্যি না হয়, তবে এই সব মন্তব্য তাঁর জীবনে গভীর আঘাত হিসেবে ফিরে আসতে পারে।

এই ঘটনায় ‘সিআইডি’ সিরিজের অভিনেতারা মুখ খোলেননি। কেউ কিছু বলেনি, যেটাকে অনেকেই শ্রদ্ধার সঙ্গেই দেখছেন। কারণ পুরনো প্রেমের মতোই, পুরনো টিম–স্পিরিটও আজ বিরল। তাঁরা জানেন, কোনো গুজবে প্রতিক্রিয়া দেওয়া মানে সেই গুজবকে আরও বাড়িয়ে তোলা। তাই সবাই নীরব থেকেছেন, যা অনেক পরিণত আচরণের পরিচয়।

অন্যদিকে, দর্শকেরও উচিত তাঁদের মনোভাব পুনর্বিবেচনা করা। কোনো সেলেব্রিটির ব্যক্তিগত জীবনের ওপর অতিরিক্ত নজর দেওয়া শুধু অস্বস্তিকর নয়, অন্যায়ও। মানুষ যতই বড় তারকা হোন না কেন, তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার তাঁর আছে। সেই জায়গায় আঘাত করা উচিত নয়।

শেষ পর্যন্ত সত্যিই দয়ানন্দ শেট্টি ও মনাঙ্কার মধ্যে কোনও অতিরিক্ত সম্পর্ক ছিল কি না—তা শুধুই তাঁদের ব্যক্তিগত বিষয়। জনগণের বিচার নয়, তাঁদের জীবনের সিদ্ধান্তই বিষয়টি পরিষ্কার করবে। এখন সবচেয়ে জরুরি হল—অযাচিত মন্তব্য, ভুয়ো তথ্য এবং গুজব ছড়ানো বন্ধ করা। দয়া ও মনাঙ্কা যুগলের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উঠছে, তার প্রমাণ কোনও সূত্রই দিতে পারেনি। তাই বিষয়টি অনেকটাই গুজবের পর্যায়েই রয়ে যায়।

তারপরও, দয়া এবং মনাঙ্কাকে ঘিরে মানুষের কৌতূহল দেখিয়ে দেয়—তাঁদের প্রতি মানুষের কতটা আবেগ। এই আবেগই তাঁদের জনপ্রিয় করেছে, আবার এই আবেগই কখনও কখনও তাঁদের জীবনকে জটিল করে দেয়। তবে সময়ই বলবে এই বিতর্কের পর্দার আড়ালে আসল সত্য কী। বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—দুজনেই যেন মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকেন এবং তাঁদের পেশাগত জীবন আগের মতোই সুস্থভাবে চলত

Preview image