Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

সোনার লড়াইয়ে ভারতের সামনে পাকিস্তান সেমিতে ১২৪ রানে শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে দিলেন বৈভব শ্রেয়সরা

সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ১২৪ রানে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছল ভারত বৈভব ও শ্রেয়সদের দুরন্ত পারফরম্যান্সে এবার সোনার পদকের লড়াইয়ে ভারতের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান বড় ব্যবধানে জয়ের পর আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় দল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশের মুখোমুখি লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে এখন লক্ষ্য পাকিস্তানকে হারিয়ে সোনা জয়

সোনার লক্ষ্যে ভারতের সামনে পাকিস্তান শ্রীলঙ্কাকে ১২৪ রানে হারিয়ে ফাইনালে শ্রেয়সরা এশিয়ান গেমসের পুরুষদের ক্রিকেটে সোনার পদক জয়ের আরও এক ধাপ কাছে পৌঁছে গেল ভারত। বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর, জাপানের নিশিনে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ১২৪ রানে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে শ্রেয়স আয়ারের দল। এবার সোনার পদকের লড়াইয়ে ভারতের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। ব্যাটিং ও বোলিংয়ে দাপট দেখিয়ে শেষ ম্যাচের আগে নিজেদের প্রস্তুতির পরিচয় দিল ভারতীয় দল। ভারতের এই জয়ের অন্যতম প্রধান কারিগর ঈশান কিশন। তাঁর অপরাজিত ৮০ রানের ইনিংস দলের বড় স্কোরের ভিত তৈরি করে। শুরুতে বৈভব সূর্যবংশীর দ্রুত রানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এরপর ভারতীয় বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি শ্রীলঙ্কার ব্যাটারেরা। ফলে সেমিফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে একতরফা জয় তুলে নিয়ে সোনার পদকের লড়াইয়ে পৌঁছে গেল ভারত।

 ভারতের ইনিংসের শুরুতে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন বৈভব সূর্যবংশী। ২১ বলে ৩৮ রান করে তিনি দলের রান তোলার গতি বাড়িয়ে দেন। অভিষেক শর্মা ও সঞ্জু স্যামসন দু’জনেই ৭ রান করে আউট হয়ে যাওয়ায় শুরুতেই কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে বৈভবের ইনিংস ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। তবে বৈভব আউট হওয়ার পরও ভারতের ব্যাটিংয়ের সমস্যা পুরোপুরি কাটেনি। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার ১৩ রান করে ফিরে যান। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারানোর ফলে ভারতের সামনে প্রয়োজন ছিল এমন একটি ইনিংস, যা একদিকে দলকে স্থিরতা দেবে, অন্যদিকে শেষ পর্যন্ত রান তোলার সুযোগও তৈরি করবে। সেই দায়িত্বই পালন করেন ঈশান কিশন  উইকেট পড়তে থাকলেও নিজের ব্যাটিংয়ে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন ঈশান। ৪৬ বলে অপরাজিত ৮০ রান করেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল চারটি চার ও পাঁচটি ছক্কা। দলের প্রয়োজন বুঝে ব্যাটিং করে শেষ পর্যন্ত ক্রিজে থাকেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। তাঁর অবদানেই ভারত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান তোলে। এই ইনিংসের গুরুত্ব শুধু ব্যক্তিগত রানসংখ্যায় সীমাবদ্ধ ছিল না। একের পর এক উইকেট হারানোর সময় একজন ব্যাটারের শেষ পর্যন্ত থাকা দলের জন্য কতটা প্রয়োজনীয়, তা আবারও স্পষ্ট হয়েছে। বৈভব শুরুতে যে গতি এনে দিয়েছিলেন, ঈশান সেই ভিতের উপর দাঁড়িয়ে ভারতের স্কোর এগিয়ে নিয়ে যান। তাঁদের ভিন্ন ধরনের দুই ইনিংস মিলিয়ে শ্রীলঙ্কার সামনে ১৭০ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায়। স্কোরের বিচারে ভারতের ইনিংসকে সর্বাঙ্গীণ ব্যাটিং সাফল্য বলা যাবে না। কিন্তু প্রতিকূল পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাটার পাওয়া গিয়েছে। ফাইনালের আগে এই দিকটি ভারতের জন্য ইতিবাচক হলেও ব্যাটিংয়ে আরও ধারাবাহিকতার প্রয়োজন রয়েছে।

১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শ্রীলঙ্কা ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেনি। ভারতীয় বোলারদের আক্রমণে তাদের ইনিংস মাত্র ৪৫ রানে শেষ হয়। দশ ওভার পূর্ণ হওয়ার আগেই শ্রীলঙ্কার সব উইকেট পড়ে যায়। ভারতের ১৬৯ রানের জবাবে এই অল্প রানে থেমে যাওয়ায় জয়ের ব্যবধান দাঁড়ায় ১২৪ রান। জসপ্রীত বুমরা, অক্ষর পটেল ও অভিষেক শর্মা দু’টি করে উইকেট নেন। বোলিংয়ে একাধিক ক্রিকেটারের অবদান ভারতের জয়কে আরও সহজ করে দেয়। কোনও একজন বোলারের উপর পুরো দায়িত্ব নির্ভর করেনি; বিভিন্ন পর্যায়ে উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে চাপের মধ্যে রাখে ভারত। এই ফলাফলের ভিত্তিতে বলা যায়, ভারতের বোলিংই ম্যাচটিকে পুরোপুরি একতরফা করে দিয়েছে। রান তাড়ার সময় শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন ছিল শুরুতে উইকেট ধরে রেখে একটি কার্যকর জুটি গড়ে তোলা। কিন্তু তাদের ইনিংসের শেষ স্কোর দেখাচ্ছে, সেই প্রতিরোধ তৈরি হয়নি। ভারতের ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও সাফল্য আসায় সেমিফাইনালের ফল নিয়ে কোনও অনিশ্চয়তা থাকেনি। শ্রীলঙ্কাকে হারানোর পর ভারতের সামনে এবার পাকিস্তান। শনিবার, ৩ অক্টোবর, এশিয়ান গেমসের পুরুষদের ক্রিকেটের ফাইনালে মুখোমুখি হবে দুই দল। ভারত গতবারের সোনাজয়ী দল হিসেবে এবারও শিরোপা ধরে রাখার সুযোগ পেয়েছে। অন্য সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে ছয় উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে পাকিস্তান। ফলে দু’টি দলই নিজেদের সেমিফাইনাল জিতে পদক নির্ধারণের শেষ ম্যাচে পৌঁছেছে। ভারতের বড় ব্যবধানের জয় নজর কাড়লেও ফাইনালে নতুন করে লড়াই শুরু হবে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আকর্ষণের সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে এশিয়ান গেমসের সোনার পদক। দুই দলের কাছেই তাই ম্যাচটির গুরুত্ব বিশেষ। তবে সেমিফাইনালের ফল দিয়ে ফাইনালের বিজয়ী নির্ধারণ করা যায় না। শেষ ম্যাচে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, সুযোগ কাজে লাগানো এবং চাপের মধ্যে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ হবে।

 

news image
আরও খবর

সেমিফাইনালের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করলে ভারতের সামনে দু’টি দিক স্পষ্ট হয়। প্রথমত, ব্যাটিংয়ে বৈভব ও ঈশানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান দলকে লড়াই করার মতো স্কোর দিয়েছে। দ্বিতীয়ত, বোলাররা সেই স্কোর রক্ষার দায়িত্ব অত্যন্ত সফলভাবে পালন করেছেন। এই সমন্বয় ফাইনালেও ধরে রাখতে পারলে ভারতের জয়ের সম্ভাবনা শক্তিশালী হবে। ব্যাটিংয়ে অবশ্য আরও বড় জুটি গড়ার সুযোগ রয়েছে। শুরুর দিকে উইকেট হারালে পরের ব্যাটারদের উপর চাপ বাড়ে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাই রান তোলার গতি বজায় রাখার পাশাপাশি উইকেট ধরে রাখাও প্রয়োজন হবে। ঈশানের মতো একজন ব্যাটার ইনিংসের শেষ পর্যন্ত থাকতে পারলে অন্যদেরও নিজেদের শট খেলার সুযোগ বাড়ে। বোলিংয়ে ভারতের লক্ষ্য হবে সেমিফাইনালের কার্যকারিতা বজায় রাখা। শুরুতে উইকেট পাওয়া গেলে প্রতিপক্ষের পরিকল্পনা বদলে যায়। আবার মাঝের ওভারগুলিতে রান নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে শেষদিকে চাপ তৈরি করা সম্ভব। তবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কী কৌশল নেওয়া হবে, তা ম্যাচের পরিস্থিতি ও দল নির্বাচনের উপর নির্ভর করবে। ফাইনালে ওঠার মাধ্যমে ভারত অন্তত রুপোর পদক নিশ্চিত করেছে। কিন্তু সেমিফাইনালের দাপুটে পারফরম্যান্সের পর দলের সামনে এখন সোনার পদক জয়ের সুযোগ। বৈভবের দ্রুত রান, ঈশানের দায়িত্বশীল ইনিংস এবং বোলারদের সম্মিলিত সাফল্য সেই লক্ষ্যে এগোনোর শক্তি জুগিয়েছে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ১২৪ রানের জয় ভারতের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। এবার সেই সাফল্যকে ফাইনালেও ধরে রাখার পরীক্ষা। পাকিস্তানকে হারিয়ে সোনা জিততে পারলে এশিয়ান গেমসের অভিযান পূর্ণতা পাবে শ্রেয়স আয়ারের দলের। 

১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শ্রীলঙ্কা ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেনি। ভারতীয় বোলারদের আক্রমণে তাদের ইনিংস মাত্র ৪৫ রানে শেষ হয়। দশ ওভার পূর্ণ হওয়ার আগেই শ্রীলঙ্কার সব উইকেট পড়ে যায়। ভারতের ১৬৯ রানের জবাবে এই অল্প রানে থেমে যাওয়ায় জয়ের ব্যবধান দাঁড়ায় ১২৪ রান। জসপ্রীত বুমরা, অক্ষর পটেল ও অভিষেক শর্মা দু’টি করে উইকেট নেন। বোলিংয়ে একাধিক ক্রিকেটারের অবদান ভারতের জয়কে আরও সহজ করে দেয়। কোনও একজন বোলারের উপর পুরো দায়িত্ব নির্ভর করেনি; বিভিন্ন পর্যায়ে উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে চাপের মধ্যে রাখে ভারত। এই ফলাফলের ভিত্তিতে বলা যায়, ভারতের বোলিংই ম্যাচটিকে পুরোপুরি একতরফা করে দিয়েছে। রান তাড়ার সময় শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন ছিল শুরুতে উইকেট ধরে রেখে একটি কার্যকর জুটি গড়ে তোলা। কিন্তু তাদের ইনিংসের শেষ স্কোর দেখাচ্ছে, সেই প্রতিরোধ তৈরি হয়নি। ভারতের ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও সাফল্য আসায় সেমিফাইনালের ফল নিয়ে কোনও অনিশ্চয়তা থাকেনি।শ্রীলঙ্কাকে হারানোর পর ভারতের সামনে এবার পাকিস্তান। শনিবার, ৩ অক্টোবর, এশিয়ান গেমসের পুরুষদের ক্রিকেটের ফাইনালে মুখোমুখি হবে দুই দল। ভারত গতবারের সোনাজয়ী দল হিসেবে এবারও শিরোপা ধরে রাখার সুযোগ পেয়েছে। অন্য সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে ছয় উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে পাকিস্তান। ফলে দু’টি দলই নিজেদের সেমিফাইনাল জিতে পদক নির্ধারণের শেষ ম্যাচে পৌঁছেছে। ভারতের বড় ব্যবধানের জয় নজর কাড়লেও ফাইনালে নতুন করে লড়াই শুরু হবে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আকর্ষণের সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে এশিয়ান গেমসের সোনার পদক। দুই দলের কাছেই তাই ম্যাচটির গুরুত্ব বিশেষ। তবে সেমিফাইনালের ফল দিয়ে ফাইনালের বিজয়ী নির্ধারণ করা যায় না। শেষ ম্যাচে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, সুযোগ কাজে লাগানো এবং চাপের মধ্যে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ হবে।

 

Preview image