Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

সচেতনতা বাড়াতে স্বয়ংসিদ্ধা ও সাইবার ক্রাইম নিয়ে বিশেষ কর্মসূচি নেহেরু বিদ্যামন্দির হাই স্কুলে

বর্তমান সময়ে নারী সুরক্ষা ও সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের মহিলা থানার উদ্যোগে এবং বর্ধমান সহযোদ্ধার সহযোগিতায় নেহেরু বিদ্যামন্দির হাই স্কুলে স্বয়ংসিদ্ধা ও সাইবার ক্রাইম বিষয়ক এক বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ের ছাত্র ও ছাত্রীরা উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করে।অনুষ্ঠানে মহিলা থানার পুলিশ আধিকারিকরা ছাত্র-ছাত্রীদের বোঝান, কীভাবে তারা নিজেদের দৈনন্দিন জীবনে নিরাপদ থাকবে এবং কোনও বিপদের পরিস্থিতিতে কীভাবে দ্রুত সঠিক পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি ‘না’ বলতে শেখা, অপরিচিত আচরণ সম্পর্কে সতর্ক থাকা এবং সমস্যায় পড়লে কোথায় যোগাযোগ করতে হবে এই বিষয়গুলিও তুলে ধরা হয়। সাইবার ক্রাইম বিভাগ ছাত্র ছাত্রীদের মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহারের ভালো ও খারাপ দিক সম্পর্কে সচেতন করে। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিরাপদ থাকা, অনলাইন প্রতারণা এড়ানো এবং ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।কর্মসূচির শেষ অংশে ছাত্র ছাত্রীদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করা হয় এবং তাঁদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়। এই উদ্যোগ ছাত্র ছাত্রীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

জননিরাপত্তা

ভবিষ্যতের সুরক্ষাকবচ: নেহেরু বিদ্যামন্দির হাই স্কুলে ‘স্বয়ংসিদ্ধা’ ও সাইবার ক্রাইম নিয়ে পূর্ব বর্ধমান পুলিশের বিশেষ সচেতনতামূলক মহাযজ্ঞ 

বর্তমান সময়ে সমাজে নারী সুরক্ষাসাইবার অপরাধ সংক্রান্ত সচেতনতা গড়ে তোলা আর কেবল একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়, এটি হয়ে উঠেছে এক অপরিহার্য জাতীয় প্রয়োজন। প্রযুক্তির দ্রুত ও অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে মানবজীবনে যেমন নতুন দিগন্তের উন্মোচন হয়েছে, তেমনই পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নানা ধরনের অপরাধের ঝুঁকি এবং ডিজিটাল ফাঁদ। বিশেষ করে স্কুলপড়ুয়া কিশোর-কিশোরী এবং তরুণ ছাত্র-ছাত্রীরা আজ মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত, যা তাদের একদিকে যেমন তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা দিচ্ছে, তেমনই অন্যদিকে তাদের অজান্তেই করে তুলছে সাইবার অপরাধের সহজ শিকার। এই পরিস্থিতিতে তাদের সঠিক দিশা দেখানো, আত্মরক্ষার মন্ত্রে দীক্ষিত করা এবং সচেতন করে তোলার লক্ষ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের মহিলা থানার উদ্যোগে এবং স্থানীয় সামাজিক সংস্থা বর্ধমান সহযোদ্ধার সহযোগিতায় বর্ধমান শহরের ঐতিহ্যবাহী নেহেরু বিদ্যামন্দির হাই স্কুলে আয়োজিত হল এক বিশেষ ও বিস্তারিত সচেতনতামূলক কর্মসূচি, যার মূল লক্ষ্য ছিল 'স্বয়ংসিদ্ধা' (আত্মনির্ভরতা) এবং সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ। এই কর্মসূচি কেবল একটি প্রথাগত সভা ছিল না, বরং এটি ছিল ভবিষ্যত প্রজন্মকে বর্তমান সমাজের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করার এক সুচিন্তিত শিক্ষামূলক উদ্যোগ


 ছাত্রদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ: ভবিষ্যতের নাগরিকের কৌতূহল

এই দিন নেহেরু বিদ্যামন্দির হাই স্কুলের প্রেক্ষাগৃহে ছিল এক অভূতপূর্ব সমাবেশ। বিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক ছাত্র ও ছাত্রী এই বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। কর্মসূচির শুরু থেকেই তাদের মধ্যে একটি গভীর আগ্রহ ও কৌতূহল চোখে পড়ার মতো ছিল। আধুনিক সমাজে নিজেদের নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষা, এবং প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার সম্পর্কে তারা যে অত্যন্ত সচেতন হতে চাইছে, তাদের এই বিপুল উপস্থিতিই ছিল তার জীবন্ত প্রমাণ। অনুষ্ঠানের শুরুতেই আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হল ছাত্র-ছাত্রীদের আত্মরক্ষার কৌশল সম্পর্কে সচেতন করা এবং ডিজিটাল অপরাধের ফাঁদ থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখার পথ দেখানো। এই অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, নতুন প্রজন্ম তাদের সামাজিক এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে কোনোভাবেই উদাসীন নয়।


 ‘স্বয়ংসিদ্ধা’ কর্মসূচির দার্শনিক গুরুত্ব: আত্মবিশ্বাস ও প্রতিবাদের মন্ত্র

‘স্বয়ংসিদ্ধা’ শব্দটির অর্থই হলো আত্মনির্ভরতা, আত্মবিশ্বাস এবং নিজস্ব ক্ষমতায় বিশ্বাসী হওয়া। পূর্ব বর্ধমান জেলা মহিলা থানার পক্ষ থেকে পুলিশ আধিকারিকরা বিশেষ করে কিশোরী ও ছাত্রীদের মধ্যে দৃঢ় আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

মূল বার্তা ও শিক্ষা:

  • অধিকার সচেতনতা: ছাত্রীরা যেন নিজেদের সাংবিধানিক ও সামাজিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয় এবং কোনো ধরনের অন্যায় বা বৈষম্যের শিকার না হয়।

  • ‘না’ বলার শক্তি: পুলিশ আধিকারিকরা বোঝান, দৈনন্দিন জীবনে কোনও পরিস্থিতিতে অস্বস্তি বা নিরাপত্তাহীনতা বোধ করলে কীভাবে দ্বিধাহীনভাবে ‘না’ বলতে হবে।

  • আত্মরক্ষার প্রথম ধাপ: ‘না’ বলা যে কোনোভাবেই দুর্বলতা নয়, বরং নিজের সুরক্ষার প্রথম ও শক্তিশালী ধাপ—এই বিষয়টি বিশেষভাবে জোর দিয়ে তুলে ধরা হয়।

  • প্রতিবাদের সাহস: তারা যেন কোনো ধরনের অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ভয় পেয়ে চুপ না থেকে দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিবাদ করতে পারে—এই বার্তাই ছিল ‘স্বয়ংসিদ্ধা’ কর্মসূচির মূল ভিত্তি।

কর্মসূচিতে উপস্থিত পুলিশ আধিকারিকরা বাস্তবিক উদাহরণ ও কেস স্টাডির মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে দৈনন্দিন কথোপকথনে, সামাজিক অনুষ্ঠানে এবং গণপরিবহণে তারা নিজেদের সীমানা ও সম্মান রক্ষা করতে পারে। এটি ছিল কিশোরী-ছাত্রীদের কেবল শারীরিক সুরক্ষা নয়, বরং মানসিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন (Empowerment)-এর দিকে নিয়ে যাওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।


 বিপদের সময় করণীয়: জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তার পথ

কর্মসূচিতে উপস্থিত অভিজ্ঞ পুলিশ অফিসাররা বাস্তবিক এবং সংবেদনশীল উদাহরণের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের বোঝান, যদি কখনও তারা বিপদের মুখে পড়ে, তাহলে প্রথম করণীয় কী হওয়া উচিত।


 সাইবার ক্রাইম: ডিজিটাল যুগের অদৃশ্য হুমকি এবং সুরক্ষা কৌশল

অনুষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয় সাইবার ক্রাইম বিষয়ক অংশে। সাইবার ক্রাইম বিভাগের আধিকারিকরা অত্যন্ত সহজ ভাষায় ছাত্র-ছাত্রীদের বোঝান, ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুবিধার পাশাপাশি কী ধরনের সুদূরপ্রসারী ঝুঁকি রয়েছে।

প্রধান সাইবার অপরাধ এবং প্রতিরোধের উপায়:

সাইবার অপরাধের ধরণ ঝুঁকির ক্ষেত্র প্রতিরোধের উপায়
পরিচয় চুরি (Identity Theft) সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি প্রকাশ ব্যক্তিগত প্রোফাইল ‘প্রাইভেট’ রাখা; জন্মতারিখ, ঠিকানা শেয়ার না করা।
সাইবার বুলিং ও ট্রোলিং মানসিকভাবে ভেঙে পড়া, আত্মহত্যা প্রবণতা স্ক্রিনশট রাখা; দ্রুত বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তিকে জানানো; ব্লক করা।
ফিশিং ও ম্যালওয়্যার অজানা বা সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক করা অচেনা লিঙ্কে ক্লিক না করা; অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা।
অনলাইন প্রতারণা (Online Fraud) ভুয়ো লটারি বা চাকরির মেসেজ অর্থ চাওয়ার মেসেজ বা অফারে সাড়া না দেওয়া; যাচাই করে নেওয়া।
অপরিচিতের সঙ্গে বন্ধুত্ব ব্যক্তিগত ছবি বা তথ্য শেয়ার করা অনলাইনে অপরিচিত ব্যক্তির অনুরোধ গ্রহণ না করা; ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান এড়িয়ে চলা।

সাইবার ক্রাইম আধিকারিক প্রশান্ত দে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন যে, অনলাইনে কীভাবে এই অপরাধগুলো সংঘটিত হয় এবং সেগুলি থেকে বাঁচতে কী কী কার্যকরী ও দৈনন্দিন সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। তারা মনে করিয়ে দেন, ‘ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট’ একবার তৈরি হলে তা মুছে ফেলা কঠিন।


মোবাইল ফোন ব্যবহারের নৈতিকতা ও সতর্কতা

পুলিশ আধিকারিকরা ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করেন।

  • সুবিধা ও ঝুঁকি: মোবাইল ফোন যেমন শিক্ষামূলক তথ্যে প্রবেশাধিকার দিয়ে পড়াশোনায় সাহায্য করতে পারে, তেমনই এর অতিরিক্ত ব্যবহার মানসিক চাপ, আসক্তি এবং বিপদের কারণ হতে পারে—এই দ্বিমুখী বিষয়টি বোঝানো হয়।

  • ব্যবহারের বিধি: বিশেষ করে রাতে দীর্ঘক্ষণ মোবাইল ব্যবহার না করা, অচেনা বা সন্দেহজনক অ্যাপ ডাউনলোড না করা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অবস্থান (Location) বা ব্যক্তিগত তথ্য (Privacy Settings) প্রকাশ না করার জোরালো পরামর্শ দেওয়া হয়। তারা বোঝান, ভার্চুয়াল জগতের কোনো কিছুই সম্পূর্ণভাবে ব্যক্তিগত নয়।


 বিশিষ্টজনদের উপস্থিতি ও প্রতিক্রিয়া

এই সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা মহিলা থানার সাব-ইন্সপেক্টর আত্রেয়ী মুখার্জি ও মধুমিতা কুন্ডু, সাইবার ক্রাইম বিভাগের পক্ষ থেকে ছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর ফাল্গুনী পাল এবং সাইবার ক্রাইম আধিকারিক প্রশান্ত দে। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নেহেরু বিদ্যামন্দির হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক গণেশ রাজদেব এবং বর্ধমান সহযোদ্ধার সম্পাদক প্রীতিলতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতামত: প্রধান শিক্ষক গণেশ রাজদেব এই উদ্যোগকে ‘অত্যন্ত সময়োপযোগী’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “আজকের দিনে পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের সামাজিক ও মানসিক সুরক্ষা সম্পর্কে সচেতন করা আমাদের প্রাথমিক কর্তব্য। এই ধরনের কর্মসূচি তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাহায্য করবে।”

বর্ধমান সহযোদ্ধার ভূমিকা: সম্পাদক প্রীতিলতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সমাজে সচেতনতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ যারা স্কুলে পড়ছে, তারাই আগামী দিনের সমাজ গড়বে। তাই তাদের ছোটবেলা থেকেই সঠিক শিক্ষা ও সচেতনতা দেওয়া প্রয়োজন।”


 খোলামেলা প্রশ্নোত্তর পর্ব: সংযোগ স্থাপন

কর্মসূচির শেষ অংশে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে একটি খোলামেলা ও আন্তরিক প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এই পর্বে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের মনের কথা, ব্যক্তিগত সমস্যা (যদি থাকে) এবং সাইবার জগৎ সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্ন নির্দ্বিধায় তুলে ধরে। পুলিশ আধিকারিকরা অত্যন্ত আন্তরিকতা ও সংবেদনশীলতার সঙ্গে তাদের প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দেন এবং আশ্বাস দেন যে, কোনো সমস্যায় পড়লে তারা কখনোই একা নয়, কারণ প্রশাসন তাদের পাশে রয়েছে। এই প্রশ্নোত্তর পর্বটি ছাত্র-ছাত্রী ও পুলিশের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপনে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।


 উপসংহার: সচেতনতার মাধ্যমে নিরাপদ ও আত্মবিশ্বাসী ভবিষ্যৎ

স্বয়ংসিদ্ধা ও সাইবার ক্রাইম বিষয়ক এই বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচি শুধু একটি একক অনুষ্ঠান ছিল না, এটি ছিল নেহেরু বিদ্যামন্দির হাই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এক গভীর শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা। বর্তমান সমাজে যেখানে নানা ধরনের অদৃশ্য ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেখানে এই ধরনের সুসংগঠিত উদ্যোগ তাদের নিরাপদ, সচেতন, আত্মবিশ্বাসী এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এক সুদূরপ্রসারী ভূমিকা পালন করবে। নারী সুরক্ষা এবং সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে এই ধরনের উদ্যোগকে জাতীয় স্তরে আরও ব্যাপক হারে বাড়ানো দরকার বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। নেহেরু বিদ্যামন্দির হাই স্কুলে আয়োজিত এই মহাযজ্ঞ ছাত্র-ছাত্রীদের মনে দীর্ঘদিন প্রভাব ফেলবে এবং তাদের ভবিষ্যতের সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে বলেই আশাবাদী সংশ্লিষ্ট মহল। এই সচেতনতার বীজই একদিন একটি নিরাপদ ও আত্মনির্ভরশীল সমাজ গঠনে সহায়ক হবে।

Preview image