বেঙ্গালুরুতে অসুস্থ হয়ে পড়লেও এখন অনেকটাই সুস্থ সুস্মিতা দে। কলকাতায় ফিরে বিশ্রামের মধ্যেই কাজে ফেরার প্রস্তুতি শুরু করেছেন কথা খ্যাত অভিনেত্রী।
দর্শকদের আবেগ, ভালোবাসা আর নিয়মিত খোঁজখবর—সব মিলিয়ে টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ সুস্মিতা দে মানেই বাঙালি দর্শকের কাছে আলাদা এক অনুভূতি। বিশেষ করে ধারাবাহিক ‘কথা’-তে তাঁর অভিনয় তাঁকে ঘরের মেয়ে করে তুলেছে। তাই হঠাৎ করেই তাঁর অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই উদ্বেগে পড়েছিলেন অনুরাগীরা। বছরের একেবারে শেষ লগ্নে এই খবরে খানিকটা দুশ্চিন্তা তৈরি হয় টেলিপাড়ায়ও।
আসলে কাজের সূত্রেই কলকাতার বাইরে বেঙ্গালুরুতে ছিলেন সুস্মিতা। দক্ষিণ ভারতের এই শহরে আবহাওয়ার আচমকা পরিবর্তনই তাঁর শরীর খারাপের মূল কারণ বলে জানা গিয়েছে। প্রথমে হালকা জ্বর ও সর্দি-কাশি দিয়ে শুরু হলেও ধীরে ধীরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয় যে, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনও কাজ তো দূরের কথা, কলকাতায় ফেরার মতো অবস্থাতেও ছিলেন না অভিনেত্রী।
ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিনের মধ্যেই জ্বরের মাত্রা বেড়ে যায় এবং শরীর ভেঙে পড়ে। একাধিক শুটিং, অনুষ্ঠান এবং পেশাগত প্রতিশ্রুতি থাকলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে সেগুলি বাতিল করতে বাধ্য হন সুস্মিতা। নিজের কাজ নিয়ে বরাবরই অত্যন্ত দায়িত্বশীল এই অভিনেত্রীর কাছে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ ছিল না। তবে শরীরের কথা ভেবেই আপাতত সমস্ত কাজ থেকে বিরতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
এই সময়ে পরিবারের পাশাপাশি সহকর্মী ও বন্ধুদের সমর্থনও পেয়েছেন সুস্মিতা। নিয়মিত চিকিৎসা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং মানসিক প্রশান্তিই যে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার প্রধান চাবিকাঠি—তা তিনি নিজেও উপলব্ধি করেছিলেন। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলার পাশাপাশি কাজের চাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখেন অভিনেত্রী।
অসুস্থতার এই সময়ে অনুরাগীদের উদ্বেগ ছিল চোখে পড়ার মতো। সামাজিক মাধ্যমে একের পর এক শুভেচ্ছাবার্তা, দ্রুত আরোগ্য কামনা করে পোস্টে ভরে উঠেছিল সুস্মিতা দের নাম। অনেকেই জানতে চাইছিলেন তাঁর বর্তমান শারীরিক অবস্থা, আবার কেউ কেউ ধারাবাহিক ‘কথা’-র শুটিং নিয়েও প্রশ্ন তুলছিলেন। তবে প্রযোজনা সংস্থা ও অভিনেত্রীর তরফে স্পষ্ট জানানো হয়, সুস্মিতার সুস্থতাই এখন সবার আগে।
ধীরে ধীরে বিশ্রাম ও চিকিৎসায় কাজ করতে শুরু করে। কয়েক দিনের মধ্যেই জ্বর কমে আসে, শারীরিক দুর্বলতাও ধীরে ধীরে কাটতে থাকে। আনন্দবাজার ডট কমকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় সুস্মিতা জানান, তিনি আগের তুলনায় অনেকটাই ভালো আছেন। যদিও এখনও সম্পূর্ণ সুস্থ হতে কিছুটা সময় লাগবে, তবুও মানসিকভাবে তিনি অনেকটাই শক্ত।
সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত বেঙ্গালুরুতেই কিছুদিন থাকার পর অবশেষে কলকাতায় ফেরেন অভিনেত্রী। শহরে ফিরে আসার খবর প্রকাশ্যে আসতেই অনুরাগীদের মধ্যে স্বস্তির নিঃশ্বাস পড়ে। আপাতত বাড়িতেই বিশ্রামে রয়েছেন তিনি। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ধীরে ধীরে দৈনন্দিন রুটিনে ফিরছেন, তবে শরীরের উপর অতিরিক্ত চাপ দিচ্ছেন না।
কলকাতায় ফিরে সুস্মিতা এখন কাজের প্রস্তুতিও শুরু করেছেন। যদিও এখনই পুরো দমে শুটিংয়ে ফেরার মতো পরিস্থিতি নয়, তবুও স্ক্রিপ্ট পড়া, চরিত্র নিয়ে ভাবনাচিন্তা এবং মানসিক প্রস্তুতির কাজ শুরু করেছেন তিনি। ‘কথা’ ধারাবাহিকের সঙ্গে তাঁর আবেগ জড়িয়ে আছে, তাই যত দ্রুত সম্ভব সুস্থ হয়ে দর্শকদের সামনে ফিরতে চান অভিনেত্রী।
এই প্রসঙ্গে টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই জানিয়েছেন, সুস্মিতা দে শুধু একজন দক্ষ অভিনেত্রীই নন, বরং একজন অত্যন্ত পরিশ্রমী ও পেশাদার শিল্পী। অসুস্থ অবস্থাতেও তিনি কাজ নিয়ে নিয়মিত খোঁজখবর রেখেছেন। তবে সকলেই একবাক্যে মত দিয়েছেন—শরীর সুস্থ না হলে কাজে ফেরা উচিত নয়, আর সেই সিদ্ধান্তই নিয়েছেন সুস্মিতা।
কাজের সূত্রেই কলকাতার বাইরে বেঙ্গালুরুতে গিয়েছিলেন সুস্মিতা দে। শুটিং ও অন্যান্য পেশাগত দায়িত্ব সামলাতে গিয়েই সেখানে কিছুদিন থাকতে হয় তাঁকে। তবে বেঙ্গালুরুর আবহাওয়ার হঠাৎ পরিবর্তনই কাল হয়ে দাঁড়ায় অভিনেত্রীর জন্য। আচমকা ঠান্ডা-গরমের তারতম্যে জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হন তিনি। প্রথমদিকে বিষয়টিকে সাধারণ ভাইরাল ভেবে খুব একটা গুরুত্ব না দিলেও, কয়েক দিনের মধ্যেই শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে।
ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা যায়, জ্বরের তীব্রতা ক্রমশ বাড়তে থাকে, সঙ্গে ছিল প্রবল দুর্বলতা। শরীর এতটাই ভেঙে পড়ে যে, দৈনন্দিন কাজকর্ম তো দূরের কথা, বিছানা ছেড়ে ওঠাও কষ্টকর হয়ে পড়ে। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পর তাঁকে সম্পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ দেওয়া হয়। সেই সময়ে কলকাতায় ফেরার পরিকল্পনা থাকলেও, শারীরিক পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি।
এই অসুস্থতার জেরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজের অনুষ্ঠান বাতিল করতে হয় সুস্মিতাকে। শুটিংয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ইভেন্ট, সাক্ষাৎকার এবং ব্যক্তিগত প্রতিশ্রুতি—সবকিছুই আপাতত স্থগিত রাখতে বাধ্য হন তিনি। যিনি নিজের কাজ নিয়ে বরাবরই ভীষণ দায়িত্বশীল, তাঁর কাছে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া যে মানসিকভাবে সহজ ছিল না, তা তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলও স্বীকার করেছে। তবে নিজের শরীরের কথা ভেবেই আপাতত সমস্ত কাজ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন অভিনেত্রী।
এই সময়ে সুস্মিতার পাশে ছিলেন তাঁর পরিবার, বন্ধু এবং সহকর্মীরা। নিয়মিত ফোনকল, বার্তা এবং খোঁজখবরে ভরিয়ে দিয়েছিলেন তাঁকে। পাশাপাশি অনুরাগীদের উদ্বেগও ছিল চোখে পড়ার মতো। সামাজিক মাধ্যমে একের পর এক পোস্টে দ্রুত আরোগ্য কামনা করতে থাকেন দর্শকেরা। অনেকেই জানতে চাইছিলেন, কেমন আছেন তাঁদের প্রিয় ‘কথা’। কেউ কেউ আবার ধারাবাহিকের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তুলছিলেন।
প্রযোজনা সংস্থার তরফ থেকেও স্পষ্ট করে জানানো হয়, সুস্মিতার স্বাস্থ্যের দিকেই এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার পরেই কাজে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই ঘোষণায় অনেকটাই স্বস্তি পান অনুরাগীরা।
নিয়মিত চিকিৎসা, ওষুধ এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামের ফল ধীরে ধীরে মিলতে শুরু করে। কয়েক দিনের মধ্যেই জ্বর কমে আসে, শারীরিক দুর্বলতাও কিছুটা কাটে। যদিও পুরোপুরি সুস্থ হতে এখনও সময় লাগছিল, তবুও অবস্থার উন্নতি হওয়ায় মানসিকভাবে অনেকটাই চাঙা হয়ে ওঠেন সুস্মিতা। আনন্দবাজার ডট কমকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি নিজেই জানান, আগের তুলনায় এখন অনেকটাই ভালো আছেন তিনি।
বেঙ্গালুরুতেই চিকিৎসা চলাকালীন কিছুদিন কাটানোর পর চিকিৎসকের অনুমতি মিলতেই কলকাতায় ফেরার প্রস্তুতি নেন অভিনেত্রী। অবশেষে শহরে ফিরে আসেন তিনি। কলকাতায় ফেরার খবর প্রকাশ্যে আসতেই অনুরাগীদের মধ্যে স্বস্তির হাওয়া বইতে শুরু করে। সোশ্যাল মিডিয়ায় আবারও শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভরে ওঠে সুস্মিতার নাম।
বর্তমানে কলকাতায় নিজের বাড়িতেই বিশ্রামে রয়েছেন তিনি। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ধীরে ধীরে স্বাভাবিক রুটিনে ফিরছেন। তবে এখনই অতিরিক্ত কাজের চাপ নিচ্ছেন না। শরীর পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত শুটিং ফ্লোরে ফেরা নিয়ে তাড়াহুড়ো করতে নারাজ অভিনেত্রী।
তবে কাজ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্নও থাকছেন না তিনি। শারীরিক বিশ্রামের পাশাপাশি মানসিকভাবে কাজে ফেরার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছেন সুস্মিতা। স্ক্রিপ্ট পড়া, চরিত্র নিয়ে ভাবনাচিন্তা, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা—সবকিছুই ধীরে ধীরে গুছিয়ে নিচ্ছেন তিনি। ‘কথা’ ধারাবাহিকের সঙ্গে তাঁর আবেগ যে কতটা জড়িয়ে, তা তাঁর কাছের মানুষদের কাছে অজানা নয়।
টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, সুস্মিতা দে শুধুমাত্র একজন প্রতিভাবান অভিনেত্রী নন, তিনি অত্যন্ত পেশাদারও। অসুস্থ অবস্থাতেও তিনি কাজের খোঁজখবর নিয়েছেন, সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। তবে সকলেই একবাক্যে মত দিয়েছেন, শরীরের সুস্থতাই সবার আগে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ‘কথা’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে সুস্মিতা দে যে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন, তা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই। তাঁর অভিনয়ের স্বাভাবিকতা, চোখের ভাষায় আবেগ প্রকাশের ক্ষমতা এবং সংলাপ বলার সহজাত ভঙ্গি দর্শকের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। ফলে তাঁর সাময়িক অনুপস্থিতি যে দর্শকদের কাছে অনুভূত হয়েছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
এই অসুস্থতার সময়টাই হয়তো তাঁকে নিজের জীবন ও কাজ নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ দিয়েছে। কাজের ব্যস্ততার মাঝে নিজের শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেওয়া কতটা জরুরি, তা আরও একবার উপলব্ধি করেছেন অভিনেত্রী। শোনা যাচ্ছে, ভবিষ্যতে কাজের পাশাপাশি নিজের যত্ন নেওয়ার দিকেও সমান গুরুত্ব দিতে চান তিনি।
সব মিলিয়ে আপাতত সুস্মিতা দে সুস্থতার পথেই রয়েছেন। কলকাতায় ফিরে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন তিনি। দর্শকদের ভালোবাসা, শুভেচ্ছা আর প্রার্থনাই তাঁর দ্রুত আরোগ্যের সবচেয়ে বড় শক্তি। খুব শীঘ্রই আবারও ছোট পর্দায় ‘কথা’ হয়ে দর্শকদের সামনে ফিরবেন—এই আশাতেই দিন গুনছেন অনুরাগীরা।
উল্লেখ্য, ‘কথা’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে সুস্মিতা দে যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন, তা সাম্প্রতিক সময়ে বিরল। তাঁর অভিনয়ের স্বাভাবিকতা, সংলাপ বলার ভঙ্গি এবং চরিত্রের সঙ্গে একাত্ম হয়ে যাওয়ার ক্ষমতা দর্শকের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে। ফলে তাঁর অনুপস্থিতি ধারাবাহিকের দর্শকদের কাছেও অনুভূত হয়েছে।
অসুস্থতার পর এই বিরতি তাঁকে মানসিকভাবে আরও পরিণত করেছে বলেই মনে করছেন অনেকে। নিজের শরীর ও স্বাস্থ্যের গুরুত্ব নতুন করে উপলব্ধি করেছেন অভিনেত্রী। ভবিষ্যতে কাজের পাশাপাশি বিশ্রাম এবং নিজের যত্ন নেওয়ার দিকেও সমান গুরুত্ব দেবেন বলেই ইঙ্গিত মিলেছে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, আপাতত সুস্মিতা দে সুস্থতার পথেই রয়েছেন। কলকাতায় ফিরে তিনি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন। দর্শকদের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছাই তাঁর দ্রুত আরোগ্যের সবচেয়ে বড় শক্তি। খুব শীঘ্রই আবারও পর্দায় ‘কথা’ হয়ে ফিরবেন তিনি—এই আশাতেই দিন গুনছেন অনুরাগীরা।