Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ঝড়ের গতিতে বিশ্বজয় ভারতের মোদী স্টেডিয়ামে দু’বছর পর শাপমোচন টিম ইন্ডিয়ার

বিশ্বের প্রথম দল হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ধরে রাখল ভারত। রবিবার অহমদাবাদে ফাইনালে নিউ জিল্যান্ডকে ৯৭ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল তারা। সঞ্জু স্যামসনের দুরন্ত ব্যাটিং এবং অক্ষর পটেলের কার্যকর বোলিংয়ে জয় নিশ্চিত করে টিম ইন্ডিয়া।

টানা দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতের, আহমদাবাদে ইতিহাস গড়ল টিম ইন্ডিয়া

আড়াই বছর আগে যে স্টেডিয়ামে এক লক্ষেরও বেশি দর্শকের বুক ভেঙেছিল, রবিবার সেই মাঠেই নতুন ইতিহাস লিখল ভারত। সেই একই শহর, একই স্টেডিয়াম, কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন এক আবেগের সাক্ষী থাকল ক্রিকেট বিশ্ব। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউ জিল্যান্ডকে ৯৭ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় বার ট্রফি জিতল ভারত। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ধরে রাখার নজির গড়ল টিম ইন্ডিয়া।

সব মিলিয়ে এটাই ভারতের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এর আগে ২০০৭ সালে প্রথম বার এবং ২০২৪ সালে দ্বিতীয় বার এই ট্রফি জিতেছিল ভারত। ২০২৬ সালের এই জয়ের মাধ্যমে ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায় লিখল ভারতীয় দল।

আহমদাবাদের মাঠে শাপমোচন

আহমদাবাদের এই মাঠ ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকদের কাছে এক সময় বেদনাময় স্মৃতির প্রতীক হয়ে উঠেছিল। আড়াই বছর আগে এখানেই বিশ্বকাপ ফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল। এক লক্ষেরও বেশি দর্শক তখন হতাশ হয়ে ফিরেছিলেন। সেই একই মাঠে এবার উল্টো ছবি।

রবিবার রাতে সেই ক্ষতে প্রলেপ পড়ল। উল্লাসে ফেটে পড়ল গ্যালারি। ভারতীয় ক্রিকেটারদের চোখে-মুখে ফুটে উঠল স্বস্তি ও গর্বের মিশ্র অনুভূতি।

এই জয় শুধু একটি ম্যাচ জেতা নয়, এটি ছিল আবেগের প্রতিশোধ।

সঞ্জু স্যামসনের দুরন্ত ব্যাটিং

ফাইনালের মঞ্চে ভারতের ব্যাটিংয়ের মূল ভরসা হয়ে উঠলেন সঞ্জু স্যামসন। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করেন তিনি। নিউ জিল্যান্ডের বোলারদের উপর চাপ তৈরি করে দ্রুত রান তুলতে থাকেন।

তার ইনিংস ভারতের স্কোরকে শক্ত ভিত দেয়। চাপের ম্যাচে ঠান্ডা মাথায় খেলা এবং বড় শট খেলার দক্ষতা আবারও প্রমাণ করলেন স্যামসন।

বিশেষ করে মিডল ওভারে তার ব্যাটিং ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

অক্ষর পটেলের বোলিংয়ে ধাক্কা নিউ জিল্যান্ড

ব্যাট হাতে স্যামসন ম্যাচের ভিত গড়ে দিলেও বল হাতে ম্যাচ জেতানোর কাজটি করেন অক্ষর পটেল। নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন-আপকে একের পর এক ধাক্কা দেন তিনি।

তার নিয়ন্ত্রিত বোলিং এবং গুরুত্বপূর্ণ উইকেট ভারতের জয়কে সহজ করে তোলে। মাঝের ওভারে রান আটকে দিয়ে এবং উইকেট তুলে নিয়ে নিউ জিল্যান্ডের রান তোলার গতি সম্পূর্ণ থামিয়ে দেন তিনি।

নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটিং ভেঙে পড়া

ফাইনালে বড় ম্যাচের চাপ সামলাতে পারেনি নিউ জিল্যান্ড। শুরু থেকেই নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে তারা। ভারতের পেসার এবং স্পিনারদের যৌথ আক্রমণের সামনে অসহায় দেখায় কিউই ব্যাটারদের।

বিশেষ করে মিডল অর্ডার পুরোপুরি ব্যর্থ হয়। ফলে বড় রান তাড়া করার আশা দ্রুতই শেষ হয়ে যায়।

শেষ পর্যন্ত ৯৭ রানের বড় ব্যবধানে ম্যাচ হেরে যায় তারা।

তিন বছরে তিন আইসিসি ট্রফি

২০২৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়,
২০২৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়,
এবং ২০২৬ সালে আবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।

এই তিনটি জয়ের মাধ্যমে ভারতীয় ক্রিকেট নতুন এক সোনালি যুগে প্রবেশ করেছে বলেই মনে করছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।

দীর্ঘ ১১ বছরের আইসিসি ট্রফির খরা কাটার পর মাত্র তিন বছরের মধ্যেই তিনটি বড় ট্রফি জিতে নিয়েছে ভারত।

ক্রিকেট সবার

ম্যাচ চলাকালীন সম্প্রচারকারী চ্যানেলে বারবার দেখানো হচ্ছিল কতগুলি ভাষায় বিশ্বকাপ সম্প্রচার করা হচ্ছে। ধারাভাষ্যকারেরা বলছিলেন, “Cricket is for everyone.”

এই কথাটিই যেন সত্যি প্রমাণ করল ভারতের এই দল।

সূর্যকুমার যাদব, সঞ্জু স্যামসন, অক্ষর পটেল—এই দলটি শুধু তারকাদের দল নয়। এটি এক সমষ্টিগত শক্তির দল।

১৪০ কোটির স্বপ্নপূরণ

মাঠে এক লক্ষ দর্শক থাকলেও এই ম্যাচ দেখছিল গোটা দেশ। ১৪০ কোটির বেশি মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন একত্রিত হয়েছিল এই ফাইনালে।

শেষ বল পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই গোটা দেশ আনন্দে ফেটে পড়ে।

শহর থেকে গ্রাম—সব জায়গায় শুরু হয় উদযাপন।

নতুন যুগের সূচনা

এই জয়ের মাধ্যমে ভারতীয় ক্রিকেটের একটি নতুন যুগের সূচনা হল। তরুণ ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস, অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের নেতৃত্ব এবং সঠিক দল নির্বাচন—সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এক শক্তিশালী দল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দল আগামী কয়েক বছর বিশ্ব ক্রিকেটে আধিপত্য বজায় রাখতে পারে।

তিন বছরে তিন আইসিসি ট্রফি: ভারতের ক্রিকেটে নতুন সোনালি যুগ

ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে অনেক গৌরবময় মুহূর্ত রয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক তিন বছর যেন এক নতুন অধ্যায় লিখে দিয়েছে। ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এবং ২০২৬ সালে আবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ—এই তিনটি বড় আইসিসি ট্রফি জয়ের মাধ্যমে ভারতীয় দল এমন এক ধারাবাহিক সাফল্যের নজির গড়েছে যা বিশ্ব ক্রিকেটে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

দীর্ঘ সময় ধরে আইসিসি ট্রফি জয়ের অপেক্ষায় ছিল ভারত। ২০১৩ সালের পর থেকে প্রায় এক দশকের বেশি সময় কোনও বড় আইসিসি ট্রফি জিততে পারেনি দল। এই দীর্ঘ খরা ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকদের কাছে ছিল হতাশার। বহুবার সেমিফাইনাল বা ফাইনালে পৌঁছেও শেষ মুহূর্তে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে। সমর্থকদের মনে প্রশ্ন উঠেছিল—ভারত কি আর বড় টুর্নামেন্ট জিততে পারবে না?

কিন্তু সেই সন্দেহ দূর করে দিল নতুন প্রজন্মের ভারতীয় দল। মাত্র তিন বছরের মধ্যে তিনটি বড় ট্রফি জিতে ভারত আবারও বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের আধিপত্যের ঘোষণা দিল।


দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান

২০১৩ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর দীর্ঘ সময় ধরে আইসিসি ট্রফি জয়ের অপেক্ষায় ছিল ভারত। এই সময়ে দল বহুবার ভাল ক্রিকেট খেললেও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে পিছিয়ে পড়েছে।

২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল,
২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল,
২০১৯ সালের বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল,
২০২৩ সালের বিশ্বকাপের ফাইনাল—

এই সব ম্যাচে ভারতীয় সমর্থকদের স্বপ্ন ভেঙেছে।

বিশেষ করে ২০২৩ সালের বিশ্বকাপের ফাইনাল ছিল অত্যন্ত বেদনাদায়ক। সেই ম্যাচে গোটা টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলেও শেষ ম্যাচে হারতে হয়েছিল ভারতকে। লক্ষাধিক দর্শকের সামনে সেই হার ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে এক গভীর দাগ ফেলে যায়।

কিন্তু ক্রিকেটের সৌন্দর্যই হল—এখানে প্রত্যাবর্তনের সুযোগ সব সময় থাকে।


২০২৪: প্রত্যাবর্তনের বছর

২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ছিল ভারতের প্রত্যাবর্তনের গল্প। এই টুর্নামেন্টে দল শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ক্রিকেট খেলেছিল। ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং—সব বিভাগেই ভারসাম্য দেখা গিয়েছিল।

তরুণ ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের মিশ্রণে তৈরি হয়েছিল এক শক্তিশালী দল। প্রতিটি ম্যাচে দলীয় পারফরম্যান্স ছিল ভারতের প্রধান শক্তি।

ফাইনালে জয় পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভারতীয় ক্রিকেটে যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে আসে। সমর্থকরা বিশ্বাস করতে শুরু করেন—ভারত আবার বড় ট্রফি জিততে পারে।


২০২৫: ধারাবাহিকতার প্রমাণ

২০২৪ সালের সাফল্যকে অনেকেই হয়তো একবারের ঘটনা বলে মনে করেছিলেন। কিন্তু ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি সেই ধারণা বদলে দেয়।

এই টুর্নামেন্টে ভারত আবারও প্রমাণ করে যে তাদের সাফল্য কাকতালীয় নয়। ধারাবাহিকভাবে ভাল ক্রিকেট খেলে তারা ট্রফি জিতে নেয়।

news image
আরও খবর

এই জয় ভারতীয় দলের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয়। একই সঙ্গে বিশ্ব ক্রিকেটে স্পষ্ট বার্তা যায়—ভারত আবার শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।


২০২৬: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে ভারত ইতিহাস গড়ে ফেলে। টানা দ্বিতীয় বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করে তারা।

এটি শুধু একটি ট্রফি জয় নয়, বরং ধারাবাহিক আধিপত্যের প্রমাণ।

এই জয়ের মাধ্যমে ভারতীয় ক্রিকেটের নতুন সোনালি যুগের সূচনা হয়েছে বলে মনে করছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।


ক্রিকেট সবার

ফাইনাল ম্যাচ চলাকালীন একটি দৃশ্য অনেকের নজর কেড়েছিল। সম্প্রচারকারী চ্যানেলে বারবার দেখানো হচ্ছিল কতগুলি ভাষায় বিশ্বকাপ সম্প্রচার করা হচ্ছে।

হিন্দি, ইংরেজি, বাংলা, তামিল, তেলুগু, কন্নড়, মালয়ালম—এমন অসংখ্য ভাষায় ধারাভাষ্য চলছিল।

ধারাভাষ্যকারেরা বারবার বলছিলেন একটি কথা—

“Cricket is for everyone.”

অর্থাৎ ক্রিকেট সবার জন্য।

এই কথাটি যেন সত্যি প্রমাণ করল ভারতের এই দল।


বৈচিত্র্যের শক্তি

ভারতের দলটি এক অর্থে গোটা দেশের প্রতিচ্ছবি।

দলে রয়েছেন বিভিন্ন রাজ্যের ক্রিকেটার।
বিভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি ও পটভূমি থেকে উঠে আসা খেলোয়াড়েরা একসঙ্গে লড়াই করছেন দেশের জন্য।

এই বৈচিত্র্যই ভারতের শক্তি।

একজন খেলোয়াড় ব্যর্থ হলে অন্য কেউ দায়িত্ব নেন। কখনও ব্যাটিং জেতায়, কখনও বোলিং, কখনও ফিল্ডিং।

এই দলটি কোনও একজন তারকার উপর নির্ভর করে না। এটি একটি প্রকৃত দল।


সূর্যকুমার, স্যামসন, অক্ষর—নতুন নায়কেরা

এই দলের সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রয়েছে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারের।

সূর্যকুমার যাদব তার উদ্ভাবনী ব্যাটিংয়ের জন্য বিশ্ব ক্রিকেটে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন। কঠিন পরিস্থিতিতে ম্যাচ ঘোরানোর ক্ষমতা রয়েছে তার।

সঞ্জু স্যামসন বহু বছর ধরে ভারতীয় ক্রিকেটে নিজের জায়গা তৈরি করার জন্য লড়াই করেছেন। তার প্রতিভা নিয়ে কখনও সন্দেহ ছিল না, কিন্তু ধারাবাহিক সুযোগ পাওয়া কঠিন ছিল। অবশেষে বড় মঞ্চে নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করেছেন তিনি।

অক্ষর পটেল অলরাউন্ডার হিসেবে দলের অন্যতম ভরসা। তার নিয়ন্ত্রিত স্পিন বোলিং এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্যাটিং করার ক্ষমতা দলকে ভারসাম্য দেয়।

এই তিনজনই দেখিয়ে দিয়েছেন—ভারতের শক্তি এখন তার বিস্তৃত প্রতিভার ভাণ্ডার।


১৪০ কোটির স্বপ্নপূরণ

ক্রিকেট শুধু একটি খেলা নয়, ভারতে এটি এক আবেগ।

ফাইনাল ম্যাচের দিন সেই আবেগ স্পষ্টভাবে দেখা গিয়েছিল। আহমদাবাদের স্টেডিয়ামে এক লক্ষেরও বেশি দর্শক উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু মাঠের বাইরে আরও কোটি কোটি মানুষ টেলিভিশন ও মোবাইলের পর্দায় চোখ রেখেছিলেন।

১৪০ কোটির বেশি মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন একত্রিত হয়েছিল সেই ম্যাচে।

প্রতিটি রান, প্রতিটি উইকেট, প্রতিটি ক্যাচ—সবকিছুতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছিল গোটা দেশে।


শেষ বলের পর বিস্ফোরণ

ম্যাচের শেষ বল পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই গোটা দেশ আনন্দে ফেটে পড়ে।

স্টেডিয়ামে শুরু হয় উল্লাস। খেলোয়াড়েরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন। গ্যালারিতে তেরঙ্গা পতাকা উড়তে থাকে।

দেশের বিভিন্ন শহরে মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। আতশবাজি ফাটানো হয়। গাড়ির হর্ন বাজতে থাকে। ঢাক-ঢোল বাজিয়ে উদযাপন শুরু হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শুরু হয় অভিনন্দনের বন্যা।


নতুন যুগের সূচনা

এই জয়ের মাধ্যমে ভারতীয় ক্রিকেটের একটি নতুন যুগের সূচনা হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

দলের শক্তি এখন শুধু কয়েকজন তারকার উপর নির্ভরশীল নয়। বরং একটি বড় প্রতিভার ভাণ্ডার তৈরি হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তরুণ ক্রিকেটার উঠে আসছেন। আইপিএলের মতো টুর্নামেন্ট তাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত করে দিচ্ছে।

ফলে ভারতীয় দলের বেঞ্চ স্ট্রেংথ এখন অত্যন্ত শক্তিশালী।


 


শেষ কথা

তিন বছরে তিনটি আইসিসি ট্রফি জয় ভারতীয় ক্রিকেটকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

এই সাফল্য শুধু ক্রিকেট মাঠেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি কোটি কোটি মানুষের আবেগ, আশা এবং গর্বের প্রতীক।

ক্রিকেট আবারও প্রমাণ করল—এটি শুধু একটি খেলা নয়, এটি মানুষের হৃদয়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এক অনুভূতি।

এবং সেই অনুভূতির কেন্দ্রবিন্দুতে এখন দাঁড়িয়ে রয়েছে এক নতুন, আত্মবিশ্বাসী, শক্তিশালী ভারতীয় ক্রিকেট দল।

 

Preview image