Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

সোমবার সকালেই ঘূর্ণিঝড় তৈরির আশঙ্কা! কোন উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে? দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

সোমবার সকালের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ঘিরে আবহাওয়া নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। কোন উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়? দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার দাপটের আশঙ্কা। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনে কোন কোন এলাকা বেশি প্রভাবিত হতে পারে, জেনে নিন বিস্তারিত।

সোমবার সকালেই ঘূর্ণিঝড় তৈরির আশঙ্কা! কোন উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে? দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা
Environment & Nature

পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাসকে ঘিরে। সোমবার সকালের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে পারে বলে যে খবর সামনে এসেছে, তাতে উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—কোন উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়? কোন কোন জেলায় বৃষ্টির প্রভাব বেশি পড়তে পারে? ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা কতটা? আর এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে?

ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা তৈরি হলে তার প্রভাব কেবল উপকূলবর্তী এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকে না। সমুদ্রের পরিস্থিতি, বাতাসের গতি, বৃষ্টির পরিমাণ এবং নিম্নচাপের গতিপথের উপর নির্ভর করে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী অঞ্চল, নদীঘেরা এলাকা এবং নিচু জমিতে বসবাসকারী মানুষের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসের দিকে নজর রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তবে মনে রাখতে হবে, ঘূর্ণিঝড় তৈরির সম্ভাবনা, ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি, তার গতিপথ এবং কোথায় স্থলভাগে প্রবেশ করবে—এই বিষয়গুলি আলাদা। আবহাওয়াবিদদের পর্যবেক্ষণ ও সরকারি আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ বুলেটিনের ভিত্তিতেই এই বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য জানা সম্ভব। তাই সম্ভাবনার খবরকে চূড়ান্ত পূর্বাভাস হিসেবে ধরে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।

সোমবার সকালের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড় তৈরির সম্ভাবনা, কী জানা দরকার?

সমুদ্রের উপর বায়ুচাপ কমে গেলে এবং অনুকূল আবহাওয়াগত পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রথমে নিম্নচাপ, পরে তা আরও শক্তিশালী হয়ে গভীর নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে সমুদ্রের তাপমাত্রা, বাতাসের প্রবাহ, বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা এবং অন্যান্য আবহাওয়াগত উপাদানের উপর।

ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে কোনও পূর্বাভাস সামনে এলে প্রথমেই জানতে হয়, সেটি কোন সমুদ্রাঞ্চলে তৈরি হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া কোনও নিম্নচাপ পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, বাংলাদেশ কিংবা অন্য উপকূলীয় অঞ্চলের আবহাওয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু শুধু নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে বলেই নির্দিষ্ট কোনও উপকূলে ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়বে, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।

সোমবার সকালে ঘূর্ণিঝড় তৈরির যে সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে, তার ক্ষেত্রে আবহাওয়ার পরবর্তী আপডেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিম্নচাপের অবস্থান, সেটি কোন দিকে এগোচ্ছে, কত দ্রুত শক্তি বাড়াচ্ছে এবং বাতাসের গতিবেগ কতটা বাড়ছে—এই সমস্ত বিষয় পর্যবেক্ষণ করে সম্ভাব্য পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাসে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন আসতে পারে। কখনও নিম্নচাপ শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়, আবার কখনও অনুকূল পরিবেশ না থাকলে তার শক্তি বৃদ্ধির প্রক্রিয়া থেমে যেতে পারে। সেই কারণে নির্দিষ্ট সময়ে প্রকাশিত পূর্বাভাসের পাশাপাশি পরবর্তী সরকারি বুলেটিনও দেখা প্রয়োজন।

কোন উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়?

ঘূর্ণিঝড় সংক্রান্ত খবর সামনে এলেই সবচেয়ে বেশি আগ্রহ তৈরি হয় সম্ভাব্য স্থলভাগে প্রবেশের স্থান নিয়ে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর, সাগরদ্বীপ এবং সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকাগুলি নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ বাড়তে পারে। তবে কোনও ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য গতিপথ নির্দিষ্ট করে বলতে হলে সংশ্লিষ্ট আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস প্রয়োজন।

ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ নির্ধারণে একাধিক বিষয় কাজ করে। বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরে বাতাসের প্রবাহ, সমুদ্রের উপর বায়ুচাপের বিন্যাস এবং ঘূর্ণিঝড়ের নিজস্ব শক্তির পরিবর্তন তার চলার দিককে প্রভাবিত করতে পারে। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে যে সম্ভাব্য গতিপথের কথা বলা হয়, পরবর্তী পর্যবেক্ষণে তা বদলেও যেতে পারে।

উপকূলবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সরকারি সতর্কবার্তা অনুসরণ করা। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি হলে তা মেনে চলতে হবে। সমুদ্র উত্তাল হওয়ার পূর্বাভাস থাকলে সমুদ্রসৈকতে নামা, গভীর জলে যাওয়া বা ছোট নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে যাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে।

বিশেষ করে দিঘা, সুন্দরবন ও অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে যাত্রার আগে স্থানীয় প্রশাসন, আবহাওয়া দপ্তর এবং পর্যটন সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশিকা দেখে নেওয়া উচিত। কোনও নির্দিষ্ট উপকূলে ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়বে বলে নিশ্চিত তথ্য না থাকলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মানচিত্র বা বার্তাকে চূড়ান্ত বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, কীভাবে বাড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি?

ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের ২৩ অক্টোবরের উপকূলীয় আবহাওয়া বুলেটিন অনুযায়ী, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছিল। সেই নিম্নচাপ ২৪ অক্টোবরের মধ্যে গভীরতর হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার এবং ২৫ অক্টোবর আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা জানানো হয়েছিল। পূর্বাভাস অনুযায়ী, অনুকূল পরিস্থিতি থাকলে ২৬ অক্টোবর সকালের মধ্যে সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।

India Meteorological Department

+1

এই আবহাওয়াগত পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন আবহাওয়াবিদরা। সমুদ্রের উপর তাপমাত্রা বেশি থাকলে এবং বায়ুমণ্ডলের পরিস্থিতি অনুকূল হলে নিম্নচাপ শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া এই ধরনের ব্যবস্থা কখনও কখনও দ্রুত শক্তিশালী হয়ে ওঠে। আবার অনুকূল পরিস্থিতি না থাকলে শক্তি বৃদ্ধির গতি কমেও যেতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় তৈরির জন্য কেবল সমুদ্রের তাপমাত্রা বেশি থাকাই যথেষ্ট নয়। বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরে বাতাসের গতিবেগ ও দিকের পার্থক্য, জলীয় বাষ্পের পরিমাণ এবং নিম্নচাপের চারপাশে বাতাসের ঘূর্ণনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এই কারণেই আবহাওয়ার পূর্বাভাসে ‘সম্ভাবনা’, ‘অতি সম্ভাবনা’ এবং ‘নিশ্চিত’—এই শব্দগুলির মধ্যে পার্থক্য বোঝা জরুরি। কোনও আবহাওয়া ব্যবস্থা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তার চূড়ান্ত শক্তি বা স্থলভাগে প্রবেশের স্থান আগেভাগে নিশ্চিতভাবে বলা সব সময় সম্ভব হয় না।

অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোতে পারে ঘূর্ণিঝড়

বর্তমান পূর্বাভাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও সংলগ্ন দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে যেতে পারে। পরবর্তী পর্যায়ে এটি আরও শক্তিশালী হতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

Telegraph India

+2

এর অর্থ, ঘূর্ণিঝড় তৈরির সম্ভাবনা থাকলেও সেটি সরাসরি পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে আছড়ে পড়বে—এমন কোনও নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই। বরং প্রাথমিক পূর্বাভাসে অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে।

তবে ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ পরিবর্তিত হলে তার প্রভাবও বদলে যেতে পারে। সেই কারণে উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সরকারি সতর্কবার্তার দিকে নজর রাখতে হবে। বিশেষ করে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া মানুষ, পর্যটক, ছোট নৌকার চালক এবং উপকূলের নিচু এলাকায় বসবাসকারী মানুষের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘অর্ণব’ হতে পারে বলেও সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নামকরণ ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি বা সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নির্ধারণ করে না। নামের পরিবর্তে আবহাওয়া দপ্তরের ঘোষিত বাতাসের গতিবেগ, সতর্কতার স্তর এবং সম্ভাব্য গতিপথকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

Telegraph India

+1

দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা

ঘূর্ণিঝড়টি সরাসরি পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে আছড়ে না পড়লেও তার প্রভাবে রাজ্যের আবহাওয়ায় পরিবর্তন হতে পারে। বঙ্গোপসাগরে শক্তিশালী নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার চারপাশের বায়ুপ্রবাহ এবং জলীয় বাষ্পের পরিবহণের কারণে দূরবর্তী এলাকাতেও বৃষ্টি হতে পারে।

প্রকাশিত পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ২৮ অক্টোবর থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যে ছয়টি জেলার নাম বিশেষভাবে উঠে এসেছে, সেগুলি হল:

  • দক্ষিণ ২৪ পরগনা: উপকূলবর্তী অঞ্চলে বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার প্রভাব পড়তে পারে।

  • পূর্ব মেদিনীপুর: উপকূল সংলগ্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টি এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

  • পশ্চিম মেদিনীপুর: বৃষ্টির কারণে নিচু এলাকায় জল জমার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

  • ঝাড়গ্রাম: ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনার দিকে নজর রাখতে হবে।

  • পুরুলিয়া: পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টির প্রভাবে স্বাভাবিক জনজীবন ও যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

  • বাঁকুড়া: ভারী বৃষ্টি হলে কৃষিকাজ, সড়ক যোগাযোগ এবং নিচু এলাকার বাসিন্দারা সমস্যায় পড়তে পারেন।

এই ছয় জেলার তালিকা প্রকাশিত আবহাওয়ার পূর্বাভাসের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে। তবে কোন দিনে কতটা বৃষ্টি হবে, কোন এলাকায় সতর্কতার মাত্রা বেশি থাকবে এবং কতক্ষণ বৃষ্টি চলবে, তা সর্বশেষ জেলা-ভিত্তিক বুলেটিন দেখে নিশ্চিত করা উচিত।

Etemaad Daily

+2

দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে কেন বাড়তি সতর্কতা জরুরি?

দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ অংশ উপকূল ও নদীঘেরা অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত। ফলে ভারী বৃষ্টি, সমুদ্রের উত্তাল পরিস্থিতি এবং দমকা হাওয়া একসঙ্গে দেখা দিলে স্থানীয় মানুষের অসুবিধা বাড়তে পারে।

উপকূলবর্তী এলাকায় সমুদ্রের পরিস্থিতি খারাপ হলে মাছ ধরার নৌকা চলাচল, পর্যটকদের সমুদ্রসৈকতে যাতায়াত এবং ছোট ব্যবসার উপর প্রভাব পড়তে পারে। ভারী বৃষ্টির ফলে নিচু এলাকায় জল জমলে স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থাও বিঘ্নিত হতে পারে।

তবে প্রতিটি এলাকায় একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হবে, এমন নয়। বৃষ্টির তীব্রতা, স্থানীয় ভূপ্রকৃতি, নদী ও খালের জলস্তর এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থার উপর প্রকৃত প্রভাব নির্ভর করবে।

পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় কী প্রভাব পড়তে পারে?

পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ার মতো পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলাগুলিতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলগুলিতে কৃষিকাজ, গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ এবং দৈনন্দিন যাতায়াত আবহাওয়ার পরিবর্তনে প্রভাবিত হতে পারে।

দীর্ঘ সময় ধরে ভারী বৃষ্টি হলে জমিতে জল জমা, মাটির নরম হয়ে যাওয়া, ছোট নদী বা নালার জল বৃদ্ধি এবং কোথাও কোথাও যাতায়াতে সমস্যা তৈরি হতে পারে। গ্রামীণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষদের বাড়ির আশপাশের নিকাশি ব্যবস্থা পরিষ্কার রাখা এবং জরুরি জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে রাখা উপকারী।

তবে বৃষ্টির কারণে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হবেই, এমন কোনও পূর্বাভাস নেই। সতর্ক থাকার অর্থ আতঙ্কিত হওয়া নয়; বরং সম্ভাব্য পরিস্থিতি সম্পর্কে আগে থেকে প্রস্তুত থাকা।

কলকাতার আবহাওয়ায় কি বড় পরিবর্তন আসবে?

সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব নিয়ে কলকাতার বাসিন্দাদের মধ্যেও আগ্রহ রয়েছে। প্রকাশিত পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৮ ও ২৯ অক্টোবর কলকাতায় মাঝারি বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ এবং দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টির প্রকৃত পরিমাণ ও সময় আবহাওয়া ব্যবস্থার গতিপথের উপর নির্ভর করবে।

news image
আরও খবর

Uni India

+1

কলকাতায় বৃষ্টি হলে যানজট, জল জমা, গণপরিবহণের গতি কমে যাওয়া এবং খোলা জায়গায় চলাচলে অসুবিধা দেখা দিতে পারে। অফিসযাত্রী, স্কুল-কলেজের পড়ুয়া এবং ব্যবসার কাজে বাইরে বেরোনো মানুষদের আবহাওয়ার আপডেট দেখে পরিকল্পনা করা উচিত।

বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হলে খোলা মাঠ, উঁচু গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি এবং বড় বিজ্ঞাপনী হোর্ডিংয়ের কাছাকাছি দাঁড়িয়ে থাকা এড়িয়ে চলা উচিত। রাস্তায় জল জমলে বিদ্যুতের তার বা বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের সংস্পর্শে আসার ঝুঁকিও মাথায় রাখতে হবে।

কলকাতায় বৃষ্টি হলেই শহরের সব অংশে সমান জল জমবে, এমন নয়। এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা, বৃষ্টির স্থায়িত্ব এবং বৃষ্টির তীব্রতার উপর পরিস্থিতি নির্ভর করবে।

ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ কত হতে পারে?

বঙ্গোপসাগরের এই আবহাওয়া ব্যবস্থার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। প্রকাশিত পূর্বাভাসে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঘণ্টায় প্রায় ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা হাওয়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ রয়েছে। নির্দিষ্ট উপকূলীয় অঞ্চলে হাওয়ার গতিবেগের পূর্বাভাস আরও বদলাতে পারে।

Etemaad Daily

+1

দমকা হাওয়ার সময় বাড়ির বারান্দা বা ছাদে রাখা হালকা জিনিসপত্র উড়ে যেতে পারে। দুর্বল গাছের ডাল ভেঙে পড়া, অস্থায়ী ছাউনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং খোলা জায়গায় থাকা বিজ্ঞাপনী বোর্ডের মতো বস্তু থেকে বিপদ তৈরি হতে পারে।

তাই ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলে বাড়ির জানলা-দরজা বন্ধ রাখা, ছাদে থাকা হালকা জিনিস নিরাপদে রাখা এবং দুর্বল গাছের নিচে গাড়ি পার্ক না করাই ভালো। হাওয়া বাড়লে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাইরে বেরোনো এড়িয়ে চলা উচিত।

একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ বাতাসের গতিবেগ এবং পশ্চিমবঙ্গে সম্ভাব্য দমকা হাওয়ার গতিবেগ এক বিষয় নয়। কোনও ঘূর্ণিঝড় দূরে থাকলেও তার প্রভাবে কিছু এলাকায় ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। তাই স্থানীয় পূর্বাভাসকে গুরুত্ব দেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

২৬ অক্টোবর থেকে মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কবার্তা

সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সমুদ্রের পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকায় মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কবার্তা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। প্রকাশিত পূর্বাভাসে ২৬ অক্টোবর থেকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শের কথা জানানো হয়েছে। সমুদ্রে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা বা বিশেষ নির্দেশ জারি হলে তা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

Etemaad Daily

+1

সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার আগে আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ বুলেটিন পরীক্ষা করা জরুরি। ইতিমধ্যে সমুদ্রে থাকা নৌকাগুলির ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুসরণ করতে হবে।

সমুদ্রের পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখালেও গভীর সমুদ্রে হঠাৎ বাতাসের গতি বেড়ে যেতে পারে বা ঢেউ উত্তাল হয়ে উঠতে পারে। তাই শুধু আকাশের অবস্থা দেখে সমুদ্রে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া বিপজ্জনক।

মৎস্যজীবীদের পাশাপাশি সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদেরও সতর্ক থাকতে হবে। প্রশাসনের নির্দেশ থাকলে সমুদ্রে নামা বা নির্দিষ্ট এলাকায় প্রবেশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

কৃষিকাজে কী প্রভাব পড়তে পারে?

দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত মানুষের কাছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলে জমিতে জল জমা, ফসলের ক্ষতি এবং কৃষিপণ্য পরিবহণে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের মতো জেলায় কৃষকেরা আবহাওয়ার পরিস্থিতি অনুযায়ী মাঠের কাজের পরিকল্পনা করতে পারেন। ভারী বৃষ্টির আগে জমির নিকাশি ব্যবস্থা পরীক্ষা করা, জমিতে জল বেরোনোর পথ পরিষ্কার রাখা এবং কাটা ফসল থাকলে নিরাপদে রাখার ব্যবস্থা করা উপকারী।

যেসব জমিতে ইতিমধ্যে ফসল রয়েছে, সেখানে জল জমার সম্ভাবনা থাকলে স্থানীয় কৃষি দপ্তরের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। বৃষ্টির পূর্বাভাসের ভিত্তিতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে কীটনাশক বা সার প্রয়োগ না করাই ভালো, কারণ বৃষ্টিতে সেগুলি ধুয়ে যেতে পারে।

তবে সব ফসলের জন্য একই ব্যবস্থা প্রযোজ্য নয়। জমির ধরন, ফসলের পর্যায় এবং স্থানীয় আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে।

সাধারণ মানুষ কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন?

ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা এবং ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলে আগে থেকে কিছু সাধারণ প্রস্তুতি নেওয়া যায়। এতে আতঙ্ক না ছড়িয়েও সম্ভাব্য বিপদের মোকাবিলা করা সহজ হয়।

১. আবহাওয়ার সরকারি আপডেট দেখুন: ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের ওয়েবসাইটে জেলা-ভিত্তিক সতর্কবার্তা পরীক্ষা করুন। পুরনো খবরের পরিবর্তে সর্বশেষ প্রকাশিত বুলেটিনকে গুরুত্ব দিন।

২. জরুরি জিনিসপত্র প্রস্তুত রাখুন: প্রয়োজনীয় ওষুধ, পানীয় জল, টর্চ, চার্জ করা মোবাইল ফোন এবং পাওয়ার ব্যাঙ্ক হাতের কাছে রাখুন।

৩. বাড়ির নিকাশি ব্যবস্থা পরিষ্কার রাখুন: বাড়ির আশপাশের নালা বা জল বেরোনোর পথ আটকে থাকলে তা পরিষ্কার করার ব্যবস্থা করুন। তবে প্রবল ঝড়বৃষ্টির সময় বাইরে বেরিয়ে ঝুঁকি নেবেন না।

৪. বিদ্যুতের তার থেকে দূরে থাকুন: ঝড়ের সময় কোনও তার ছিঁড়ে পড়ে থাকতে দেখলে সেটিকে স্পর্শ করবেন না। দ্রুত বিদ্যুৎ দপ্তর বা স্থানীয় প্রশাসনকে খবর দিন।

৫. গাছ ও দুর্বল কাঠামো থেকে দূরে থাকুন: ঝোড়ো হাওয়ার সময় বড় গাছ, দুর্বল দেওয়াল, অস্থায়ী ছাউনি ও বিজ্ঞাপনী হোর্ডিংয়ের নিচে আশ্রয় নেবেন না।

৬. সরকারি নির্দেশ মেনে চলুন: কোনও এলাকা থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলে প্রশাসনের পরামর্শ অনুসরণ করুন। বিশেষত নদী, সমুদ্র বা নিচু এলাকায় বসবাসকারী মানুষদের সতর্ক থাকতে হবে।

ভারী বৃষ্টিতে জল জমার আশঙ্কা কতটা?

ভারী বৃষ্টির সময় শহর ও গ্রাম—দুই এলাকাতেই জল জমার সমস্যা দেখা দিতে পারে। শহরে নিকাশি ব্যবস্থা পর্যাপ্ত না হলে রাস্তায় জল জমে যান চলাচল ব্যাহত হতে পারে। গ্রামীণ এলাকায় নিচু জমি, ছোট নদী এবং নালার জলস্তর বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায় ভারী বৃষ্টি হলে স্থানীয় পরিস্থিতি অনুযায়ী নদী ও খালের জলস্তর পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। তবে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা থাকলেই সব নদীতে বন্যা হবে বা সব এলাকায় জল জমবে, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।

বৃষ্টির সময় রাস্তা দিয়ে যাওয়ার আগে স্থানীয় পরিস্থিতি সম্পর্কে জেনে নেওয়া ভালো। জলমগ্ন রাস্তা বা স্রোতযুক্ত নালা পার হওয়ার চেষ্টা করবেন না। বাড়ির ভিতরে জল ঢুকতে শুরু করলে বিদ্যুতের মেইন সুইচ বন্ধ করার প্রয়োজন হতে পারে; নিরাপদে তা করা সম্ভব না হলে বিদ্যুৎ দপ্তরের সাহায্য নিন।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে কেন বারবার পরিবর্তন হয়?

অনেক সময় দেখা যায়, কয়েক দিন আগে যে এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়, পরে সেই পূর্বাভাসে পরিবর্তন আসে। এর কারণ হল আবহাওয়া একটি গতিশীল প্রক্রিয়া। সমুদ্র ও বায়ুমণ্ডলের পরিস্থিতি ক্রমাগত বদলাতে থাকে।

আবহাওয়াবিদরা স্যাটেলাইটের ছবি, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য, বায়ুচাপের পরিমাপ এবং কম্পিউটার মডেলের সাহায্যে সম্ভাব্য গতিপথ নির্ধারণ করেন। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে সেই অনুযায়ী পূর্বাভাসও সংশোধিত হয়।

তাই ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষেত্রে প্রথম পূর্বাভাসকে শেষ কথা বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়। সম্ভাব্য স্থলভাগে প্রবেশের স্থান, বাতাসের গতিবেগ, বৃষ্টির পরিমাণ এবং সতর্কতার স্তর সম্পর্কে নতুন তথ্য প্রকাশিত হতে পারে।

সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে খবর পাওয়া। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া যাচাই না করা ছবি, পুরনো ঘূর্ণিঝড়ের ভিডিও বা অতিরঞ্জিত বার্তা দেখে আতঙ্কিত হওয়া ঠিক নয়।

কোথা থেকে আবহাওয়ার নির্ভরযোগ্য খবর পাবেন?

ঘূর্ণিঝড় এবং ভারী বৃষ্টির আপডেট জানতে ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের সরকারি ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারেন।

এই সূত্রগুলিতে আবহাওয়ার সতর্কবার্তা, সম্ভাব্য বৃষ্টির পরিস্থিতি এবং উপকূলীয় এলাকার পূর্বাভাস সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। কোনও জেলায় সতর্কতার মাত্রা বদলালে সংশ্লিষ্ট সরকারি বুলেটিন দেখে নেওয়া উচিত।

শেষ কথা: ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা, নজরে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে বলে আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৬ অক্টোবরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং সেটি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোতে পারে। অন্যদিকে, ২৮ অক্টোবর থেকে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি এবং কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

India Meteorological Department

+2

দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ার আবহাওয়ার দিকে বিশেষ নজর রাখা দরকার। কলকাতাতেও বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে প্রকাশিত পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে ঘূর্ণিঝড় কোথায় স্থলভাগে প্রবেশ করবে, তার চূড়ান্ত শক্তি কত হবে এবং কোন জেলায় কতটা বৃষ্টি হবে, তা সর্বশেষ আবহাওয়া বুলেটিনের উপর নির্ভর করবে। তাই এখনই আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন, আবহাওয়ার সরকারি আপডেট অনুসরণ করুন এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলুন।

Preview image