Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

উদয়পুর শহর থেকে ৩০ কিমি দূরে বসছে বিজয়-রশ্মিকার বিয়ের আসর, সেই হোটেলে থাকার খরচ কত?

রবিবারই নিজেদের বিয়ের খবরে সিলমোহর দিয়েছেন তারকাযুগল। নিজেদের জন্য বেছে নিয়েছেন ‘বিরোশ’ নামটি। খবর, শহরের কোলাহল থেকে দূরে ‘মেমেন্টোস’ নামক একটি বিলাসবহুল রিসর্টে বসছে বিয়ের আসর।উদয়পুরে এখন আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মহারাণা প্রতাপ বিমানবন্দরে ব্যস্ততা তুঙ্গে। ইতিমধ্যে হায়দরাবাদ থেকে উদয়পুরে পৌঁছে গিয়েছেন বিজয় দেবরকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানা। তবে উদয়পুর সিটি প্যালেসে বিয়ের আসর বসছে না বলে খবর। মূল শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অরাবলী পাহাড়ের গায়ে সুসজ্জিত রিসর্টে হবে বিয়ে। সেখানে থাকার খরচ নেহাত কম নয়।

রবিবারই নিজেদের বিয়ের খবরে সিলমোহর দিয়েছেন তারকাযুগল। নিজেদের জন্য বেছে নিয়েছেন ‘বিরোশ’ নামটি। খবর, শহরের কোলাহল থেকে দূরে ‘মেমেন্টোস’ নামক একটি বিলাসবহুল রিসর্টে বসছে বিয়ের আসর। ২৫ তারিখ থেকে ২৮ তারিখ পর্যন্ত রিসর্টটি ভাড়া নিয়েছেন তাঁরা। প্রায় ১০০টি ভিলা রয়েছে সেখানে। অতিথি তালিকায় মাত্র ৫০ জনের নাম রয়েছে। ঘনিষ্ঠ আত্মীয় স্বজন ও বন্ধুবান্ধব উপস্থিত থাকবেন। এই রিসর্টের প্রতি রাতের ভাড়া প্রায় ৩৭ হাজার থেকে ৫৭ হাজার টাকা পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, শোনা যাচ্ছে তাঁদের বিয়েতে ক্যামেরাও নিষিদ্ধ। বিজয় ও রশ্মিকার প্রীতিভোজের অনুষ্ঠান হবে ৪ মার্চ, হায়দরাবাদে। তাঁদের প্রীতিভোজের একটি আমন্ত্রণপত্র ছড়িয়ে পড়েছিল সমাজমাধ্যমে। তাতে তেমনই উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও সেই আমন্ত্রণপত্রের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। নিজেদের বিয়ের খবরে সিলমোহর দিলেও কোথায় বিয়ে হবে বা কোন তারিখে বিয়ে হবে তা নিজেরা ঘোষণা করেননি রশ্মিকা-বিজয়।

দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রজগতের অন্যতম চর্চিত তারকা যুগল বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানার সম্পর্ক নিয়ে বহুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। অবশেষে রবিবার নিজেদের বিয়ের খবরে সিলমোহর দিয়ে সেই জল্পনার অবসান ঘটালেন তাঁরা। ভক্তমহলে এই ঘোষণার পর উচ্ছ্বাস যেমন দেখা গিয়েছে, তেমনই বিনোদন দুনিয়ায় তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল—কোথায়, কবে, কীভাবে বসছে তাঁদের বিয়ের আসর, তা ঘিরে।

শোনা যাচ্ছে, নিজেদের বিশেষ দিনটি ঘনিষ্ঠ পরিসরে উদ্‌যাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই তারকাযুগল। শহরের কোলাহল, মিডিয়ার ভিড় এবং অতিরিক্ত প্রচারের বাইরে গিয়ে তাঁরা বেছে নিয়েছেন শান্ত, নিরিবিলি এক বিলাসবহুল রিসর্ট—‘মেমেন্টোস’। প্রকৃতির কোলে অবস্থিত এই রিসর্ট ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য বিশেষভাবে জনপ্রিয়। ২৫ তারিখ থেকে ২৮ তারিখ পর্যন্ত পুরো রিসর্টই নাকি ভাড়া নিয়েছেন তাঁরা, যাতে বিয়ের প্রতিটি অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পরিসরে সম্পন্ন করা যায়।

রিসর্টটিতে প্রায় ১০০টি বিলাসবহুল ভিলা রয়েছে। প্রতিটি ভিলা আলাদা করে ডিজাইন করা, ব্যক্তিগত পুল, সবুজ প্রাঙ্গণ, প্রিমিয়াম ইন্টিরিয়র—সব মিলিয়ে রাজকীয় আয়োজনের জন্য আদর্শ। তবে চমকপ্রদ বিষয় হল, এত বড় পরিসর থাকা সত্ত্বেও অতিথি তালিকা রাখা হয়েছে অত্যন্ত সীমিত। মাত্র ৫০ জনের উপস্থিতিতে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে বলে জানা যাচ্ছে। পরিবার, ঘনিষ্ঠ আত্মীয়, অতি কাছের বন্ধু এবং ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচিত কয়েকজনই আমন্ত্রিত।

এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে তাঁদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি গুরুত্ব। দীর্ঘদিন ধরেই সম্পর্ক নিয়ে মিডিয়া জল্পনায় বিরক্ত ছিলেন দু’জনেই। ফলে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তটি তাঁরা রাখতে চেয়েছেন শুধুমাত্র আপনজনদের মধ্যে। সূত্রের খবর, বিয়ের আসরে ক্যামেরাও নিষিদ্ধ রাখা হতে পারে। অর্থাৎ মিডিয়া তো দূরের কথা, অতিথিদের ব্যক্তিগত ফটোগ্রাফিও সীমিত রাখা হবে—এমনই পরিকল্পনা।

রিসর্টের ভাড়ার অঙ্কও কম চমকপ্রদ নয়। জানা যাচ্ছে, প্রতি রাতের ভাড়া প্রায় ৩৭ হাজার টাকা থেকে ৫৭ হাজার টাকার মধ্যে। পুরো রিসর্ট চার দিনের জন্য বুক করায় মোট খরচ যে বিপুল, তা বলাই বাহুল্য। তবে তারকাযুগলের জন্য বিলাসিতা নতুন কিছু নয়—তাঁদের জীবনের বিশেষ দিনটি স্মরণীয় করে তুলতেই এই আয়োজন।

বিয়ের অনুষ্ঠান চার দিন ধরে ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথম দিন অতিথি আগমন ও ওয়েলকাম ডিনার, দ্বিতীয় দিন হালদি ও মেহেন্দি, তৃতীয় দিন সঙ্গীত ও ককটেল নাইট, এবং চতুর্থ দিন মূল বিবাহ অনুষ্ঠান—এই ফরম্যাটেই সাজানো হতে পারে অনুষ্ঠানসূচি। যদিও এই সূচির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও হয়নি, তবুও ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে এমনটাই শোনা যাচ্ছে।

বিজয় ও রশ্মিকার প্রেমকাহিনির সূত্রপাত সিনেমার সেটে। ‘গীতা গোবিন্দম’ ছবিতে তাঁদের রসায়ন দর্শকমহলে বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। পরবর্তীতে ‘ডিয়ার কমরেড’-এও তাঁদের জুটি প্রশংসিত হয়। অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রি ধীরে ধীরে অফস্ক্রিন বন্ধুত্বে, তারপর গভীর সম্পর্কে রূপ নেয়—এমনটাই মনে করেন তাঁদের অনুরাগীরা। যদিও তাঁরা কখনও প্রকাশ্যে সম্পর্ক স্বীকার করেননি, তবুও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একসঙ্গে উপস্থিতি, ভ্রমণ, সোশ্যাল মিডিয়া ইঙ্গিত—সব মিলিয়ে জল্পনা জিইয়ে ছিল।

সম্প্রতি সেই জল্পনায় আনুষ্ঠানিক সিলমোহর পড়ায় ভক্তদের মধ্যে আনন্দের ঢেউ নেমেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘বিরোশ’ নামটি ট্রেন্ড করতে শুরু করে—বিজয় ও রশ্মিকার নাম মিলিয়ে তৈরি এই জুটিনাম ভক্তদেরই দেওয়া।

বিয়ের পর প্রীতিভোজ বা রিসেপশন নিয়েও পরিকল্পনা রয়েছে। খবর, ৪ মার্চ হায়দরাবাদে অনুষ্ঠিত হবে তাঁদের প্রীতিভোজ অনুষ্ঠান। সেখানে ইন্ডাস্ট্রির বৃহত্তর অংশ, সহকর্মী, প্রযোজক, পরিচালক এবং বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। অর্থাৎ বিয়েটি যেখানে সীমিত পরিসরে, রিসেপশন সেখানে হবে তুলনামূলক বৃহৎ আয়োজনে।

সমাজমাধ্যমে ইতিমধ্যেই একটি আমন্ত্রণপত্র ভাইরাল হয়েছে, যেখানে প্রীতিভোজের উল্লেখ রয়েছে। যদিও সেই কার্ডের সত্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই হয়নি। তারকাযুগল নিজেরাও এখনও বিয়ের সুনির্দিষ্ট স্থান, তারিখ বা অনুষ্ঠানসূচি প্রকাশ্যে জানাননি। ফলে ভক্তদের কৌতূহল আরও বেড়েছে।

রশ্মিকা মন্দানা বর্তমানে প্যান-ইন্ডিয়া অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। বলিউড, টলিউড, কলিউড—সব জায়গাতেই তাঁর ব্যস্ততা। অন্যদিকে বিজয় দেবেরাকোন্ডা ‘অর্জুন রেড্ডি’ ছবির পর জাতীয় স্তরে পরিচিতি পান। দু’জনের ক্যারিয়ারই উর্ধ্বমুখী—এই সময় বিয়ের সিদ্ধান্ত তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

news image
আরও খবর

ইন্ডাস্ট্রি বিশ্লেষকদের মতে, এই বিয়ে কেবল ব্যক্তিগত নয়, ব্র্যান্ড ভ্যালুতেও প্রভাব ফেলবে। যৌথ উপস্থিতি, বিজ্ঞাপন, পাবলিক ইভেন্ট—সব ক্ষেত্রেই ‘পাওয়ার কাপল’ ইমেজ তৈরি হবে। ইতিমধ্যেই তাঁদের জুটিকে ঘিরে বাণিজ্যিক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

ব্যক্তিগত জীবনে দু’জনেই তুলনামূলক সংযত। মিডিয়া বিতর্ক, সম্পর্কের প্রচার—এসব থেকে দূরে থাকতেই পছন্দ করেন। ফলে বিয়ের আয়োজনেও সেই ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন স্পষ্ট—বিলাসিতা আছে, কিন্তু প্রচারবিমুখতা বজায় রেখেই।

ভক্তদের জন্য অবশ্য অপেক্ষা দীর্ঘ। বিয়ের আনুষ্ঠানিক ছবি বা ভিডিও কবে প্রকাশ পাবে, তা এখনও অজানা। অনেকেই আশা করছেন, অনুষ্ঠান শেষে তারকাযুগল নিজেরাই নির্বাচিত কিছু মুহূর্ত শেয়ার করবেন।

সব মিলিয়ে, দক্ষিণী চলচ্চিত্র জগতের এই বহুল প্রতীক্ষিত বিয়ে হতে চলেছে আড়ম্বর, ব্যক্তিগত আবেগ এবং গোপনীয়তার এক অনন্য মিশেল। ‘বিরোশ’ নামের এই নতুন যাত্রা এখন দেখার—রুপোলি পর্দার সাফল্যের মতোই বাস্তব জীবনেও কতটা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।

তারকাযুগলের বিয়েকে ঘিরে যে আবহ তৈরি হয়েছে, তা শুধু দক্ষিণী চলচ্চিত্র জগতেই সীমাবদ্ধ নয়—সারা দেশের বিনোদনপ্রেমীদের মধ্যেই তৈরি হয়েছে আলাদা উন্মাদনা। বিশেষ করে তাঁদের অনুরাগীরা বহুদিন ধরেই অপেক্ষা করছিলেন এই ঘোষণার জন্য। ফলে বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছাবার্তার বন্যা বয়ে যায়। ‘বিরোশ’ হ্যাশট্যাগে অসংখ্য ফ্যান আর্ট, এডিট ভিডিও, পুরনো সাক্ষাৎকারের ক্লিপ এবং অনস্ক্রিন রোম্যান্টিক দৃশ্য নতুন করে ভাইরাল হতে শুরু করে।

বিয়ের পোশাক নিয়েও জল্পনা কম নয়। শোনা যাচ্ছে, ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিশেলে সাজবেন দু’জনেই। বিজয় বেছে নিতে পারেন ক্লাসিক সাউথ ইন্ডিয়ান সিল্ক ধুতি-শেরওয়ানি লুক, অন্যদিকে রশ্মিকা পরতে পারেন কাস্টমাইজড কাঞ্জিভরম বা টেম্পল জুয়েলারি সহ ব্রাইডাল শাড়ি। আবার সঙ্গীত বা ককটেল অনুষ্ঠানের জন্য থাকতে পারে ওয়েস্টার্ন ডিজাইনার আউটফিটও। যদিও ডিজাইনারের নাম এখনও গোপন রাখা হয়েছে, তবুও ফ্যাশন মহলে আলোচনা তুঙ্গে।

খাবারের আয়োজনও হতে চলেছে রাজকীয়। দক্ষিণ ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী পদ যেমন থাকবে, তেমনই আন্তর্জাতিক কুইজিনের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে বলে খবর। অতিথিদের ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী কিউরেটেড মেনু তৈরি করা হচ্ছে। ভেগান, গ্লুটেন-ফ্রি, ডায়েট-স্পেসিফিক অপশনও নাকি রাখা হয়েছে—যা বর্তমানে বিলাসবহুল সেলিব্রিটি বিয়ের ট্রেন্ড।

বিয়ের সজ্জায় প্রকৃতি-নির্ভর থিম রাখা হতে পারে। ফুল, প্রাকৃতিক আলো, জলাধার ঘেরা মণ্ডপ—সব মিলিয়ে ‘ইন্টিমেট লাক্সারি ওয়েডিং’ কনসেপ্টে সাজানো হচ্ছে অনুষ্ঠান। সন্ধ্যার পর আলোকসজ্জা, লাইভ মিউজিক এবং ট্র্যাডিশনাল নৃত্য পরিবেশনা অতিথিদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হতে পারে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থাও থাকবে কড়া। যেহেতু দুই তারকাই অত্যন্ত জনপ্রিয়, তাই রিসর্ট চত্বরে মাল্টি-লেয়ার সিকিউরিটি মোতায়েন করা হচ্ছে। অতিথিদের এন্ট্রি হবে ডিজিটাল ইনভাইট ভেরিফিকেশন মাধ্যমে। মোবাইল ক্যামেরা ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ, ড্রোন নিষিদ্ধ—এসব ব্যবস্থাও থাকতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।

বিয়ের পর তাঁদের হানিমুন পরিকল্পনা নিয়েও কৌতূহল রয়েছে। ইউরোপ, মালদ্বীপ বা জাপান—এই তিনটি গন্তব্যের নাম ভেসে বেড়াচ্ছে। তবে শুটিং সূচি ব্যস্ত থাকায় সংক্ষিপ্ত হানিমুন করেই হয়তো কাজে ফিরবেন তাঁরা।

ক্যারিয়ার দিক থেকেও এই সময়টা গুরুত্বপূর্ণ। রশ্মিকার একাধিক প্যান-ইন্ডিয়া প্রজেক্ট মুক্তির অপেক্ষায়, অন্যদিকে বিজয়ও বড় বাজেটের ছবিতে চুক্তিবদ্ধ। ফলে বিয়ের পর যৌথ পাবলিক অ্যাপিয়ারেন্স, ব্র্যান্ড এন্ডোর্সমেন্ট এবং সম্ভবত অনস্ক্রিন রিইউনিয়নের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সব মিলিয়ে, এই বিয়ে কেবল দুই মানুষের ব্যক্তিগত বন্ধন নয়—এটি ভক্তদের আবেগ, ইন্ডাস্ট্রির নজর এবং মিডিয়ার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। নিরিবিলি রিসর্টে সীমিত উপস্থিতির মধ্যেও আয়োজনের জাঁকজমক, পরিকল্পনার সূক্ষ্মতা এবং সম্পর্কের আন্তরিকতা—সব মিলিয়ে ‘বিরোশ’ বিয়ে হতে চলেছে বছরের অন্যতম আলোচিত সেলিব্রিটি ওয়েডিং। এখন অপেক্ষা শুধু আনুষ্ঠানিক ছবি ও মুহূর্তগুলির, যা প্রকাশ্যে এলেই উচ্ছ্বাস আরও কয়েকগুণ বাড়বে।

Preview image