Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন বিরাট নিজেই জানিয়ে দিলেন দিনক্ষণ

বিরাট কোহলি জানিয়েছেন ২০২৭ সালের একদিনের বিশ্বকাপই হবে ভারতের হয়ে তাঁর শেষ বিশ্বকাপ ট্রফি জিততে নিজের সেরাটা দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি তবে বিশ্বকাপের পর ঠিক কোন দিনে ক্রিকেট থেকে অবসর নেবেন তা ঘোষণা করেননি শিরোনামে দিনক্ষণ জানিয়ে দিলেন বলা তাই বিভ্রান্তিকর হতে পারে

ভারতের হয়ে আর কত দিন খেলবেন বিরাট কোহলি? ক্রিকেটপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের সেই প্রশ্নে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক স্পষ্ট করেছেন তিনি। সেই প্রতিযোগিতায় নিজের সবটুকু দিতে চান তিনি। লক্ষ্য একটাই ভারতকে বিশ্বকাপ জেতানো। তবে তাঁর বক্তব্যের অর্থ এই নয় যে বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ঠিক কোন দিনে ক্রিকেট থেকে অবসর নেবেন, সেই তারিখও তিনি ঘোষণা করেছেন। শেষ বিশ্বকাপের কথা বলেছেন বিরাট অবসরের নির্দিষ্ট দিন জানাননি। সম্প্রচারকারী সংস্থা জিয়োস্টারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিরাট তাঁর বিশ্বকাপ পরিকল্পনার কথা বলেন। ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক টি টোয়েন্টি এবং টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন তিনি। ভারতের হয়ে এখন তাঁর খেলার ক্ষেত্র একদিনের ক্রিকেট। ফলে ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ নিয়ে তাঁর মন্তব্য স্বাভাবিকভাবেই বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। প্রতিযোগিতাটি দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। বিরাট খেললে সেটি হবে তাঁর পঞ্চম একদিনের বিশ্বকাপ। এর আগে ২০১১ সালে বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন তিনি।

বিরাটের কথায় শেষবার বিশ্বকাপে নামার বিষয়টিই তাঁর কাছে বড় প্রেরণা। তিনি প্রতিযোগিতাটি জিততে চান এবং সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় চেষ্টা করতে প্রস্তুত। এই বক্তব্যে বিদায়ের আবেগের পাশাপাশি রয়েছে একজন প্রতিযোগীর লক্ষ্য। কেবল শেষ বিশ্বকাপ খেলতে নামা নয়, দলের জয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখাই তাঁর পরিকল্পনার কেন্দ্রে। তিনি চান গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলিতে তাঁর ব্যাট ভারতের কাজে লাগুক। বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে বিরাট আরও একটি ব্যক্তিগত ইচ্ছার কথা বলেছেন। ফাইনালে রান তাড়া করার সময় ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলতে পারলে সেটি তাঁর কাছে আদর্শ সমাপ্তি হবে। তবে নিজের ইনিংসের চেয়েও দলের জয়কে তিনি এগিয়ে রেখেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ফাইনালে ব্যক্তিগতভাবে সেই ভূমিকা না পেলেও ভারত ট্রফি জিতলে তিনি খুশি হবেন। এই ভাবনা তাঁর লক্ষ্যটি পরিষ্কার করে শেষ বিশ্বকাপে স্মরণীয় ব্যক্তিগত মুহূর্ত চান, কিন্তু বিশ্বকাপ জয়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

২০২৩ সালের বিশ্বকাপ বিরাটের জন্য ব্যক্তিগত সাফল্য এবং দলগত আক্ষেপের স্মৃতি হয়ে রয়েছে। সেই প্রতিযোগিতায় তিনি ৭৬৫ রান করেছিলেন, যা একটি বিশ্বকাপ আসরে সর্বাধিক রানের নজির। ভারত ফাইনালে উঠলেও অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যায়। তাই ২০২৭ সালের প্রতিযোগিতা তাঁর সামনে আবার বিশ্বকাপ ট্রফি জেতার সুযোগ এনে দিতে পারে। তবে সুযোগ পাওয়া, প্রতিযোগিতায় ভালো খেলা এবং শেষ পর্যন্ত ট্রফি জেতা প্রতিটি ধাপই আলাদা চ্যালেঞ্জ। এখনই কোনও ফল নিশ্চিত ধরে নেওয়ার কারণ নেই। একদিনের বিশ্বকাপকে কঠিন প্রতিযোগিতা হিসেবেও বর্ণনা করেছেন বিরাট। তাঁর মতে, একটি পঞ্চাশ ওভারের ম্যাচে দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ মাত্রার মনোযোগ ও পরিশ্রম বজায় রাখতে হয়। বিশ্বকাপজুড়ে বিভিন্ন প্রতিপক্ষ এবং ভিন্ন পরিবেশে সেই তীব্রতা ধরে রাখা আরও বড় পরীক্ষা। ২০২৭ সালের আসর ভারতের বাইরে হবে। সে কারণে প্রস্তুতি শারীরিক সক্ষমতা এবং ম্যাচের পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ হবে। বিরাটের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট শেষ বিশ্বকাপের কথা বললেও তিনি প্রতিযোগিতাটিকে কেবল আবেগের জায়গা থেকে দেখছেন না মাঠের কঠিন দাবিগুলিও তাঁর ভাবনায় রয়েছে।

news image
আরও খবর

২০২৭ সাল এখনও সামনে। তার আগে ভারতের একদিনের ম্যাচগুলিতে বিরাটের পারফরম্যান্স, ফিটনেস এবং দলের পরিকল্পনা নজরে থাকবে। বিশ্বকাপের মতো প্রতিযোগিতায় অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের ভূমিকা অনেক সময় শুধু বড় ইনিংসে সীমাবদ্ধ থাকে না। ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে ব্যাট করা, চাপের সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সতীর্থদের সঙ্গে কার্যকর জুটি গড়াও গুরুত্বপূর্ণ। বিরাট দীর্ঘ দিন ধরে একদিনের ক্রিকেটে এই ধরনের পরিস্থিতিতে খেলেছেন। তবে অতীতের সাফল্য নয়, বিশ্বকাপের সময় তিনি কতটা কার্যকর থাকবেন, সেটিই শেষ পর্যন্ত বেশি জরুরি। বিশ্বকাপের আগে বর্তমান ফর্মের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্তও দিয়েছেন বিরাট। ২৭ সেপ্টেম্বর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচে তিনি অপরাজিত ১৩৯ রান করে ভারতের রান তাড়া সফলভাবে শেষ করেন। সেই ম্যাচে তিনি একদিনের ক্রিকেটে ১৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন এবং নিজের ৫৫তম একদিনের শতরান করেন। ২০২৭ বিশ্বকাপ নিয়ে তাঁর বক্তব্যের পরদিনই এই ইনিংস এসেছে। তবু একটি ম্যাচের পারফরম্যান্স দিয়ে ভবিষ্যতের পুরো প্রতিযোগিতার ফল অনুমান করা যায় না এটি আপাতত তাঁর সাম্প্রতিক ফর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। বিরাটের মন্তব্য ঘিরে যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে, তা মূলত শেষ বিশ্বকাপ এবং  অবসর এই দুটি কথাকে এক করে দেখার কারণে। একজন ক্রিকেটার নিজের শেষ বিশ্বকাপের কথা জানাতে পারেন কিন্তু সেই প্রতিযোগিতার পরে কবে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবেন, তা আলাদাভাবে ঘোষণা করতে পারেন। বিরাট ২০২৭ সালের বিশ্বকাপকে ভারতের হয়ে নিজের শেষ বিশ্বকাপ বলেছেন। তিনি কোনও নির্দিষ্ট অবসরের দিন জানাননি। আইপিএলে তাঁর ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও এই বক্তব্য থেকে কোনও সিদ্ধান্ত টানা যায় না। তাই খবরের শিরোনাম ও বিবরণে এই পার্থক্য বজায় রাখা প্রয়োজন।

ভারতের একদিনের দলে বিরাটের পাশাপাশি রোহিত শর্মাও রয়েছেন। দুজনেই দীর্ঘ সময় ধরে দলের ব্যাটিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তবে ২০২৭ বিশ্বকাপ সম্পর্কে বিরাটের বক্তব্যকে রোহিতের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও ঘোষণা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। রোহিত নিজেও বিশ্বকাপের দিকে তাকিয়ে থাকার কথা বলেছেন, কিন্তু প্রত্যেক ক্রিকেটারের সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনা তাঁর নিজের। আগামী মাসগুলিতে দলে তাঁদের ভূমিকা কীভাবে নির্ধারিত হয় তা ম্যাচ এবং নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হবে। বিরাটের জন্য ২০২৭ বিশ্বকাপ তাই একাধিক অর্থে গুরুত্বপূর্ণ। এটি ভারতের হয়ে তাঁর শেষ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা একই সঙ্গে বিশ্বকাপজয়ী দলের আবার সদস্য হওয়ার সুযোগ। ২০১১ সালে যে সাফল্যের স্বাদ তিনি পেয়েছিলেন বহু বছর পরে সেই ট্রফি জয়ের লক্ষ্য নিয়েই আবার নামতে চান। ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ থাকবে তিনি কত রান করলেন তার পাশাপাশি সেই রান ভারতের কতগুলি ম্যাচ জেতাতে সাহায্য করল, সেদিকেও। আপাতত নিশ্চিত খবরটি সরল বিরাট কোহলি ২০২৭ সালের একদিনের বিশ্বকাপকে ভারতের হয়ে নিজের শেষ বিশ্বকাপ বলেছেন এবং ট্রফি জয়ের লক্ষ্য জানিয়েছেন। তিনি ক্রিকেট থেকে অবসরের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করেননি। বিশ্বকাপের আগে এখনও সময় আছে আছে একাধিক ম্যাচ ও প্রস্তুতির ধাপ। সেই পথ পেরিয়ে শেষ বিশ্বকাপে বিরাট কী ভূমিকা নেন সেটিই এখন ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের বড় প্রত্যাশা।

বিরাটের কথায় শেষবার বিশ্বকাপে নামার বিষয়টিই তাঁর কাছে বড় প্রেরণা। তিনি প্রতিযোগিতাটি জিততে চান এবং সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় চেষ্টা করতে প্রস্তুত। এই বক্তব্যে বিদায়ের আবেগের পাশাপাশি রয়েছে একজন প্রতিযোগীর লক্ষ্য। কেবল শেষ বিশ্বকাপ খেলতে নামা নয়, দলের জয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখাই তাঁর পরিকল্পনার কেন্দ্রে। তিনি চান গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলিতে তাঁর ব্যাট ভারতের কাজে লাগুক। বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে বিরাট আরও একটি ব্যক্তিগত ইচ্ছার কথা বলেছেন। ফাইনালে রান তাড়া করার সময় ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলতে পারলে সেটি তাঁর কাছে আদর্শ সমাপ্তি হবে। তবে নিজের ইনিংসের চেয়েও দলের জয়কে তিনি এগিয়ে রেখেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ফাইনালে ব্যক্তিগতভাবে সেই ভূমিকা না পেলেও ভারত ট্রফি জিতলে তিনি খুশি হবেন। এই ভাবনা তাঁর লক্ষ্যটি পরিষ্কার করে শেষ বিশ্বকাপে স্মরণীয় ব্যক্তিগত মুহূর্ত চান, কিন্তু বিশ্বকাপ জয়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ২০২৭ বিশ্বকাপ নিয়ে তাঁর বক্তব্যের পরদিনই এই ইনিংস এসেছে। তবু একটি ম্যাচের পারফরম্যান্স দিয়ে ভবিষ্যতের পুরো প্রতিযোগিতার ফল অনুমান করা যায় না এটি আপাতত তাঁর সাম্প্রতিক ফর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। বিরাটের মন্তব্য ঘিরে যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে, তা মূলত শেষ বিশ্বকাপ এবং  অবসর এই দুটি কথাকে এক করে দেখার কারণে। একজন ক্রিকেটার নিজের শেষ বিশ্বকাপের কথা জানাতে পারেন কিন্তু সেই প্রতিযোগিতার পরে কবে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবেন, তা আলাদাভাবে ঘোষণা করতে পারেন। বিরাট ২০২৭ সালের বিশ্বকাপকে ভারতের হয়ে নিজের শেষ বিশ্বকাপ বলেছেন। তিনি কোনও নির্দিষ্ট অবসরের দিন জানাননি। আইপিএলে তাঁর ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও এই বক্তব্য থেকে কোনও সিদ্ধান্ত টানা যায় না। তাই খবরের শিরোনাম ও বিবরণে এই পার্থক্য বজায় রাখা প্রয়োজন।

Preview image