বর্ষীয়ান চিত্রনাট্যকার মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি। গ্যালাক্সি থেকে সবচেয়ে কাছাকাছি রয়েছে সেই হাসপাতাল। অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাই সেলিমকে সেখানেই নিয়ে যাওয়া হয়।অসুস্থ সেলিম খান। গত সপ্তাহে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। তাঁর অসুস্থতার খবরে গোটা বলিউড উদ্বিগ্ন। অনেকেই হাসপাতালে সেলিমকে দেখতে গিয়েছিলেন। এ বার উদ্বিগ্ন হয়ে সলমন খানকে ফোন করলেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী (যুগ্ম) একনাথ শিন্দে। সেলিম খান কেমন আছেন, কী তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা, সলমনের কাছে সবকিছু খোঁজ নিলেন একনাথ।
বর্ষীয়ান চিত্রনাট্যকার এই মুহূর্তে মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি। তাঁর আবাসন ‘গ্যালাক্সি’ থেকে সবচেয়ে কাছাকাছি সেই রয়েছে এই হাসপাতালই। তাই সেই দিন অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেলিমকে সেখানেই নিয়ে যাওয়া হয়। জানা যাচ্ছেস একনাথ শিন্দেকে বলিউড তারকা জানিয়েছেন, তাঁর বাবার অবস্থা এখন স্থিতিশীল। চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন এবং সুস্থ হয়ে উঠছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন। মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীও সেলিম খানের আরোগ্য কামনা করছেন।
সেলিম অসুস্থ হওয়ার পর থেকে রোজ লীলাবতী হাসপাতালে যাচ্চেন সলমন খান। নিয়মিত বাবার স্বাস্থ্যের খবর নিচ্ছেন তিনি। সেলিমের অন্য ছেলেমেয়েরা অর্থাৎ অলবিরা খান অগ্নিহোত্রী, আরবাজ় খান, সোহেল খান, অর্পিতা খানও নিয়মিত হাসপাতালে আসছেন। অর্পিতার সঙ্গে আয়ুষ শর্মাকেও আসতে দেখা গিয়েছে হাসপাতালে।
বলিউড থেকেও অনেকে এসেছেন তাঁকে দেখতে। শাহরুখ খানও এর মধ্যে সেলিম খানকে দেখে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অ্যাজাজ় খান দেখা করে এসে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, আইসিইউয়ে আছেন সেলিম। ক্রমশ সুস্থতার দিকে এগোচ্ছেন তিনি। চিকিৎসকেরা তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি হাসপাতালে ভর্তি হন সেলিম খান।
বলিউডের প্রবীণ চিত্রনাট্যকার সেলিম খানের অসুস্থতার খবর সামনে আসার পর থেকেই উদ্বেগে রয়েছেন তাঁর পরিবার, অনুরাগী এবং গোটা চলচ্চিত্রমহল। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তাঁকে মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বয়সজনিত শারীরিক জটিলতা এবং হঠাৎ শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়। ভর্তি হওয়ার পর থেকেই চিকিৎসকেরা তাঁকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। কিছু সময়ের জন্য তাঁকে আইসিইউতেও রাখা হয়, যাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর সার্বক্ষণিক নজরদারি করা যায়।
সেলিম খানের অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই পরিবারে যেন একপ্রকার উদ্বেগের ছায়া নেমে আসে। বিশেষ করে তাঁর ছেলে, বলিউড সুপারস্টার সলমন খান প্রায় প্রতিদিনই লীলাবতী হাসপাতালে যাচ্ছেন বাবার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে। শুটিং, প্রযোজনা এবং অন্যান্য পেশাগত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি সময় বের করে নিয়মিত হাসপাতালে পৌঁছে যাচ্ছেন। বাবার কেবিনে দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছেন, চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলছেন, রিপোর্ট খতিয়ে দেখছেন এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন—সবকিছুতেই তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি চোখে পড়ছে।
শুধু সলমন খানই নন, সেলিম খানের অন্যান্য সন্তানরাও নিয়মিত হাসপাতালে আসছেন। অলবিরা খান অগ্নিহোত্রী, আরবাজ খান, সোহেল খান এবং অর্পিতা খান—সবাই বাবার শুশ্রূষায় ব্যস্ত। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁরা পালা করে হাসপাতালে থাকছেন যাতে সেলিম খান কখনও একা না থাকেন। চিকিৎসার পাশাপাশি মানসিকভাবে শক্ত রাখার জন্য পরিবারের উপস্থিতি যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা তাঁরা ভালোভাবেই বোঝেন।
অর্পিতা খানের সঙ্গে তাঁর স্বামী আয়ুষ শর্মাকেও হাসপাতালে আসতে দেখা গিয়েছে। শ্বশুরের অসুস্থতার খবর পাওয়ার পর থেকেই তিনিও পরিবারের পাশে রয়েছেন। হাসপাতালের বাইরে বহুবার তাঁদের একসঙ্গে দেখা গেছে। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে পরিবারের উদ্বিগ্ন মুখ, আবার কখনও আশাবাদী হাসিও—যা ইঙ্গিত দিচ্ছে ধীরে ধীরে সুস্থতার দিকেই এগোচ্ছেন সেলিম খান।
চিকিৎসক মহল সূত্রে জানা গেছে, প্রথমদিকে শারীরিক অবস্থার ওঠানামা থাকলেও বর্তমানে তিনি স্থিতিশীল। আইসিইউতে রাখার মূল উদ্দেশ্য ছিল সতর্কতামূলক পর্যবেক্ষণ। তাঁর বয়স বিবেচনায় রেখে কোনও ঝুঁকি নিতে চাননি চিকিৎসকেরা। নিয়মিত বিভিন্ন পরীক্ষা করা হচ্ছে—রক্তচাপ, হৃদ্যন্ত্রের কার্যকলাপ, শ্বাসপ্রশ্বাস, সংক্রমণের সম্ভাবনা—সবকিছু খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। ধীরে ধীরে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় পরিবার কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে।
বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতেও এই খবর গভীর প্রভাব ফেলেছে। সেলিম খান শুধু একজন সফল চিত্রনাট্যকার নন, তিনি বহু শিল্পীর পথপ্রদর্শক। তাঁর লেখা অসংখ্য সিনেমা হিন্দি চলচ্চিত্রজগতে মাইলফলক হয়ে আছে। ফলে তাঁর অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু তারকা হাসপাতালে ছুটে আসেন তাঁকে দেখতে।
বলিউড বাদশা শাহরুখ খানও সেলিম খানের শারীরিক অবস্থার খবর নিতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়। সলমন খানের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক যেমন উষ্ণ, তেমনই সেলিম খানের প্রতিও তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। ব্যস্ত শিডিউলের মাঝেও সময় বের করে হাসপাতালে গিয়ে তিনি পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং চিকিৎসকদের কাছ থেকে সেলিম খানের শারীরিক অবস্থার আপডেট নেন।
এছাড়াও অভিনেতা অ্যাজাজ খান হাসপাতালে গিয়ে সেলিম খানের সঙ্গে দেখা করেন। পরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, সেলিম খান আইসিইউতে রয়েছেন, তবে আগের তুলনায় অনেকটাই সুস্থতার দিকে এগোচ্ছেন। চিকিৎসকেরা তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। তাঁর কথায়, “উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই, তবে বয়সের কারণে সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।”
হাসপাতালের বাইরে প্রতিদিনই সংবাদমাধ্যমের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ভক্তরাও দূর থেকে খোঁজ নিচ্ছেন তাঁদের প্রিয় ব্যক্তিত্বের। কেউ ফুল পাঠাচ্ছেন, কেউ প্রার্থনা করছেন তাঁর দ্রুত আরোগ্যের জন্য। সোশ্যাল মিডিয়াতেও শুভেচ্ছা বার্তার বন্যা বয়ে গেছে। ‘গেট ওয়েল সুন’ মেসেজে ভরে উঠেছে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম।
সেলিম খানের অবদান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে এই সময়। সেলিম–জাভেদ জুটির লেখা ‘শোলে’, ‘দেওয়ার’, ‘জঞ্জির’, ‘ডন’—এর মতো কালজয়ী ছবিগুলোর কথা আবার উঠে এসেছে আলোচনায়। তাঁর লেখনী শুধু বাণিজ্যিক সাফল্যই আনেনি, হিন্দি সিনেমার গল্প বলার ধরণই বদলে দিয়েছিল। ‘অ্যাংরি ইয়ং ম্যান’ ইমেজ তৈরির পেছনেও তাঁর বিশাল ভূমিকা ছিল।
পরিবারের ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, হাসপাতালে থাকলেও সেলিম খান মানসিকভাবে দৃঢ় আছেন। মাঝেমধ্যে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছেন, পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করছেন। চিকিৎসকেরা তাঁকে ইতিবাচক থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন।
সলমন খান নাকি বাবার কেবিনে বসে অনেক সময় কাটান—কখনও নীরবে, কখনও গল্প করে। কাছের মানুষদের মতে, বাবার প্রতি সলমনের টান বরাবরই গভীর। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সেলিম খানের মতামত তাঁর কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। তাই বাবার এই অসুস্থতার সময় তিনি মানসিকভাবে বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন।
আরবাজ খান ও সোহেল খানও নিয়মিত হাসপাতালের আনাগোনা করছেন। তাঁরা চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে চিকিৎসার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন। অলবিরা খান অগ্নিহোত্রী পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সবকিছু ম্যানেজ করছেন।
অর্পিতা খান বাবার খুব কাছের। তাঁকে বহুবার কেবিনে দীর্ঘ সময় থাকতে দেখা গেছে। কখনও বাবার হাত ধরে বসে আছেন, কখনও চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলছেন। পরিবারের এই সংহতি চিকিৎসকদের কাছেও প্রশংসিত হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, আপাতত তাঁকে আরও কিছুদিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত ছাড়পত্র দেওয়া হবে না। বয়সজনিত কারণে সুস্থ হতে সময় লাগছে, তবে চিকিৎসকেরা আশাবাদী।
ভক্তদের প্রার্থনা, পরিবারের যত্ন এবং চিকিৎসকদের নিরলস প্রচেষ্টায় সেলিম খান দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবেন—এই আশাতেই দিন গুনছে সবাই। বলিউডের এই কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেন—এই বিশ্বাসই জোগাচ্ছে সাহস।
সব মিলিয়ে, সেলিম খানের অসুস্থতা শুধু একটি পারিবারিক উদ্বেগের বিষয় নয়, এটি গোটা চলচ্চিত্রজগতের আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে। তাঁর সুস্থতা কামনায় প্রার্থনায় সামিল হয়েছেন অগণিত মানুষ। পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী—সবাই একসঙ্গে দাঁড়িয়ে আছেন এই কঠিন সময়ে।
এখন সবার একটাই অপেক্ষা—কবে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবেন তিনি, আর কবে আবার আগের মতো হাসিমুখে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাবেন। তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেই প্রার্থনায় দিন কাটছে পরিবার ও অনুরাগীদের।
সেলিম খানের অসুস্থতার প্রেক্ষিতে পরিবারের ঐক্য এবং পারস্পরিক ভালোবাসার ছবি যেন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বহুবার দেখা গেছে, হাসপাতালের করিডরে পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে বসে চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। চিকিৎসার খুঁটিনাটি বিষয়, ওষুধের প্রতিক্রিয়া, পরবর্তী পদক্ষেপ—সবকিছু নিয়ে বিস্তারিতভাবে কথা বলছেন তাঁরা। এই সমন্বিত উদ্যোগই প্রমাণ করে, সেলিম খান শুধু পরিবারের কর্তা নন, তিনি তাঁদের জীবনের কেন্দ্রবিন্দু।
পরিবারের ঘনিষ্ঠ মহল জানিয়েছে, সেলিম খান বরাবরই মানসিকভাবে অত্যন্ত দৃঢ়চেতা মানুষ। জীবনের নানা চড়াই-উতরাই পার করে তিনি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। তাই এই শারীরিক অসুস্থতার সময়েও তিনি হাল ছাড়েননি। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলছেন, নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাচ্ছেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ইতিবাচক কথাবার্তা বলছেন। তাঁর এই মানসিক শক্তিই দ্রুত আরোগ্যের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকেরা।
সলমন খানকে প্রায়ই হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যাচ্ছে গভীর মনোযোগে ফোনে কথা বলতে। অনেকে মনে করছেন, তিনি কাজের পাশাপাশি বাবার চিকিৎসা সংক্রান্ত নানা বিষয় সামলাচ্ছেন। শুটিং সেট থেকে সরাসরি হাসপাতালে আসা, আবার সেখান থেকে কাজের জায়গায় ফেরা—এই রুটিনই এখন তাঁর নিত্যসঙ্গী। তবুও তাঁর মুখে কোনও বিরক্তি বা ক্লান্তির ছাপ নেই। বরং একজন দায়িত্ববান সন্তানের মতো তিনি বাবার পাশে থাকার চেষ্টা করছেন সর্বক্ষণ।
বলিউডের অন্যান্য তারকারাও নিয়মিত খোঁজখবর নিচ্ছেন। কেউ ফোনে যোগাযোগ করছেন, কেউ বার্তা পাঠাচ্ছেন। এই সমর্থন এবং ভালোবাসা পরিবারের কাছে বড় সান্ত্বনা হয়ে উঠেছে। চলচ্চিত্রজগতের সহকর্মীদের সঙ্গে সেলিম খানের সম্পর্ক বরাবরই ছিল আন্তরিক। তাই তাঁর অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই অনেকে ব্যক্তিগতভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এদিকে ভক্তদের আবেগও কম নয়। সামাজিক মাধ্যমে অনেকে তাঁর সুস্থতা কামনায় পোস্ট করছেন, পুরনো সাক্ষাৎকারের ক্লিপ শেয়ার করছেন, তাঁর লেখা সিনেমার সংলাপ উদ্ধৃত করছেন। অনেকেই লিখেছেন, “তিনি শুধু একজন লেখক নন, তিনি একটি যুগের নির্মাতা।” এই ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধাই প্রমাণ করে, তাঁর প্রভাব কতটা গভীর এবং বিস্তৃত।
বর্তমানে চিকিৎসকদের প্রধান লক্ষ্য হলো তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পূর্ণ স্থিতিশীল করা। ধীরে ধীরে আইসিইউ থেকে সাধারণ কেবিনে স্থানান্তরের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না, যদি উন্নতির ধারা বজায় থাকে। তবে কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সবদিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সব মিলিয়ে, উদ্বেগের মাঝেও আশার আলো জ্বলছে। পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী এবং অসংখ্য অনুরাগীর প্রার্থনা একসঙ্গে মিলে যেন তাঁকে সুস্থতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। এখন সকলের একটাই কামনা—সেলিম খান দ্রুত সুস্থ হয়ে আবার নিজের ঘরে ফিরুন, প্রিয়জনদের মাঝে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুন।