Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ইমরানের সঙ্গে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত কার ছিল? ‘আমি কখনও এমন করতাম না’—প্রাক্তন স্বামীকে নিয়ে মুখ খুললেন অবন্তিকা

ইমরান খান ও তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী অবন্তিকা মালিকের বিচ্ছেদ নিয়ে ফের চর্চা শুরু হয়েছে। একসময় বলিউডের অন্যতম চর্চিত দম্পতি ছিলেন ইমরান ও অবন্তিকা। তবে সময়ের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয় এবং শেষ পর্যন্ত আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। সম্প্রতি বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে অবন্তিকার মন্তব্য নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। ‘আমি কখনও এমন করতাম না’—তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। তা হলে কি ইমরানের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার সিদ্ধান্ত অবন্তিকার ছিল না? বিচ্ছেদের নেপথ্যে কি ছিল অন্য কোনও কারণ? প্রাক্তন স্বামীকে নিয়ে অবন্তিকার মন্তব্য ঘিরে অনুরাগীদের মধ্যে কৌতূহল বাড়ছে। যদিও সম্পর্কের ভাঙন নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও, তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনের প্রতিটি দিক সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। ইমরান ও অবন্তিকার সম্পর্কের অতীত, বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত এবং সাম্প্রতিক মন্তব্য—সব মিলিয়ে ফের শিরোনামে এই প্রাক্তন দম্পতি। তাঁদের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে বলিউডের অন্দরমহলে।

ইমরানের সঙ্গে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত কার ছিল? ‘আমি কখনও এমন করতাম না’—প্রাক্তন স্বামীকে নিয়ে মুখ খুললেন অবন্তিকা

বলিউড অভিনেতা ইমরান খান ও তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী অবন্তিকা মালিককে নিয়ে ফের শুরু হয়েছে আলোচনা। একসময় তাঁদের প্রেম ও দাম্পত্য জীবন ছিল অনুরাগীদের আগ্রহের অন্যতম বিষয়। দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন দু’জনে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কের সমীকরণ বদলে যায়। শেষ পর্যন্ত আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। সেই বিচ্ছেদকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে নানা আলোচনা সামনে এসেছে। সম্প্রতি অবন্তিকার ‘আমি কখনও এমন করতাম না’ মন্তব্যটি ঘিরে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তাঁর এই বক্তব্যের প্রেক্ষাপট কী, তিনি ঠিক কোন পরিস্থিতির কথা বলেছেন এবং সেই মন্তব্যের সঙ্গে ইমরানের সঙ্গে বিচ্ছেদের কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

তবে কোনও মন্তব্যের সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট না জেনে সেটিকে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করা ঠিক নয়। অবন্তিকা ঠিক কী বলতে চেয়েছেন, তা বোঝার জন্য তাঁর সম্পূর্ণ বক্তব্য এবং নির্ভরযোগ্য সূত্রের প্রয়োজন। ব্যক্তিগত সম্পর্কের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে অনুমানের বদলে যাচাই করা তথ্যের উপর নির্ভর করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ইমরান খান বলিউডে পরিচিতি পেয়েছিলেন ‘জানে তু... ইয়া জানে না’ ছবির মাধ্যমে। তাঁর অভিনীত রোম্যান্টিক চরিত্র দর্শকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়েছিল। আমির খানের ভাগ্নে হিসেবে চলচ্চিত্রজগতে প্রবেশ করলেও নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিলেন তিনি। অভিনয়জীবনের পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বরাবরই অনুরাগীদের আগ্রহ ছিল। বিশেষ করে অবন্তিকা মালিকের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেম এবং পরবর্তী সময়ে বিয়ে তাঁদের সম্পর্ককে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছিল।

ইমরান ও অবন্তিকার সম্পর্কের শুরু হয়েছিল প্রেমের মধ্য দিয়ে। দীর্ঘদিন একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কে থাকার পর ২০১১ সালে বিয়ে করেন তাঁরা। তাঁদের বিয়ে ঘিরে সেই সময় বলিউডে যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ককে পরিণতি দেওয়ার পর দু’জনের জীবনে শুরু হয়েছিল নতুন অধ্যায়। অনুরাগীদের একাংশ মনে করেছিলেন, এই সম্পর্ক দীর্ঘদিন স্থায়ী হবে। কিন্তু বাস্তব জীবনের সম্পর্ক সব সময় প্রত্যাশা অনুযায়ী এগোয় না। সময়ের সঙ্গে মানুষের ভাবনা, ব্যক্তিগত প্রয়োজন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসতে পারে। ইমরান ও অবন্তিকার সম্পর্কের ক্ষেত্রেও শেষ পর্যন্ত আলাদা থাকার পরিস্থিতি তৈরি হয়।

তাঁদের দাম্পত্য জীবনে ঠিক কী কারণে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু সম্পর্কের ভাঙনের পিছনে একটি নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে বলে নিশ্চিতভাবে দাবি করার জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রয়োজন। বাইরে থেকে কোনও দম্পতির সম্পর্ক যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে তা অনেক বেশি জটিল হতে পারে। দু’জন মানুষের ব্যক্তিত্ব, কাজের ব্যস্ততা, পারিবারিক দায়িত্ব এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রত্যাশার পার্থক্য সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এই সাধারণ বিষয়গুলির কোনওটিকেই ইমরান ও অবন্তিকার বিচ্ছেদের নিশ্চিত কারণ হিসেবে ধরে নেওয়া যায় না।

সম্প্রতি অবন্তিকার ‘আমি কখনও এমন করতাম না’ মন্তব্যটি ঘিরে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তার মূল কারণ এই বক্তব্যের সম্ভাব্য তাৎপর্য। অনেকেই জানতে চাইছেন, তিনি কি বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন? নাকি অন্য কোনও প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করেছেন? এই প্রশ্নগুলির উত্তর পেতে হলে বক্তব্যটির সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট জানা জরুরি। একটি বাক্যকে আলাদা করে তুলে ধরলে তার প্রকৃত অর্থ বদলে যেতে পারে। তাই শুধু শিরোনামের ভিত্তিতে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক হবে না।

ইমরান ও অবন্তিকার বিচ্ছেদ নিয়ে সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নটি সামনে আসছে, তা হল আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত আসলে কার ছিল। ইমরান কি প্রথমে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, নাকি অবন্তিকা নিজেই আলাদা হওয়ার কথা ভেবেছিলেন? আবার এমনও হতে পারে, দু’জনের আলোচনার পরেই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্পষ্ট বক্তব্য ছাড়া এই প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়।

একটি সম্পর্কের ক্ষেত্রে কে প্রথম বিচ্ছেদের কথা বলেছেন এবং সম্পর্ক ভাঙার পিছনে কী পরিস্থিতি ছিল, এই দুটি বিষয় এক নয়। কোনও একজন প্রথম আলাদা হওয়ার কথা বললেই পুরো সম্পর্কের অবসানের দায় তাঁর উপর চাপানো যায় না। একইভাবে কোনও ব্যক্তি প্রকাশ্যে কম কথা বললেও ধরে নেওয়া যায় না যে তাঁর কোনও মতামত ছিল না। সম্পর্কের ভিতরে কী ঘটেছিল, তা সংশ্লিষ্ট দু’জনের অভিজ্ঞতা এবং বক্তব্যের উপর নির্ভর করে।

দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক বিয়ের পরেও কেন বদলে যায়, তা নিয়েও অনেকের কৌতূহল রয়েছে। প্রেমের সময় দু’জন মানুষ একে অপরের সঙ্গে সময় কাটান, নিজেদের পছন্দ-অপছন্দ ভাগ করে নেন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু বিয়ের পর দৈনন্দিন জীবনের দায়িত্ব বেড়ে যায়। কাজের চাপ, পরিবারের দায়িত্ব, ব্যক্তিগত সময় এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নানা সিদ্ধান্ত নিতে হয়। প্রেমের সময় যে পার্থক্যগুলি খুব একটা চোখে পড়ে না, সংসারজীবনে সেগুলি কখনও কখনও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে পারস্পরিক বিশ্বাস, শ্রদ্ধা এবং খোলামেলা আলোচনার প্রয়োজন হয়। দু’জন মানুষের মধ্যে মতের অমিল তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু সেই মতের অমিল কীভাবে সামলানো হচ্ছে, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। কখনও দু’জন মানুষ একসঙ্গে সমস্যার সমাধান খুঁজে পান, আবার কখনও তাঁরা বুঝতে পারেন যে আলাদা পথে এগিয়ে যাওয়াই তাঁদের জন্য উপযুক্ত। তবে প্রতিটি সম্পর্কের অভিজ্ঞতা আলাদা। অন্য কোনও দম্পতির পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করে ইমরান ও অবন্তিকার ব্যক্তিগত জীবনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।

বলিউডের তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন সাধারণ মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকে। তাঁদের প্রেম, বিয়ে, সংসার কিংবা বিচ্ছেদের খবর সহজেই সংবাদমাধ্যমে জায়গা করে নেয়। কিন্তু পরিচিত মুখ হলেও তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনের সব তথ্য প্রকাশ্যে থাকে না। অনেক সময় সম্পর্কের নানা দিক ব্যক্তিগত রাখার সিদ্ধান্ত নেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান করা প্রয়োজন। ইমরান ও অবন্তিকার ক্ষেত্রেও তাঁদের সম্পর্কের অতীত নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে অনুমান এবং নিশ্চিত তথ্যের মধ্যে পার্থক্য বজায় রাখা জরুরি।

news image
আরও খবর

ইমরান ও অবন্তিকার একটি মেয়ে রয়েছে। তাই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করার সময় পারিবারিক গোপনীয়তার বিষয়টিও গুরুত্ব পাওয়া উচিত। দাম্পত্য সম্পর্কের অবসান ঘটলেও সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের দায়িত্ব থেকে যায়। বিচ্ছেদের পরে পরিবারের সদস্যরা কীভাবে নিজেদের জীবন এগিয়ে নিয়ে যাবেন, তা তাঁদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এই ধরনের বিষয়ে অপ্রমাণিত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অযথা জল্পনা তৈরি করা উচিত নয়।

কোনও সম্পর্ক শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে বহু বছর পরে আলোচনা হতে পারে। সময়ের সঙ্গে মানুষ নিজের অতীতকে নতুনভাবে বুঝতে শেখেন। কোনও ঘটনা সম্পর্কে তখনকার ভাবনা এবং পরবর্তী সময়ে সেই ঘটনাকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা হতে পারে। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে মানুষ নিজের মূল্যবোধ, সিদ্ধান্ত এবং সম্পর্কের প্রত্যাশা সম্পর্কে নতুন উপলব্ধি অর্জন করেন। তবে অবন্তিকার সাম্প্রতিক মন্তব্যের ক্ষেত্রে তিনি ঠিক কোন অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছেন, তা নিশ্চিত না হয়ে তাঁর মানসিক অবস্থা বা ইমরানের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব নয়।

একই সঙ্গে মনে রাখা প্রয়োজন, অতীত নিয়ে কথা বলা মানেই পুরনো সম্পর্ক ফিরিয়ে আনার ইচ্ছা নয়। কেউ নিজের অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা করতে পারেন, কোনও সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করতে পারেন কিংবা কোনও পরিস্থিতিতে নিজের অবস্থান বোঝাতে পারেন। বক্তব্যের প্রকৃত অর্থ বুঝতে হলে তার সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট জানা দরকার। ইমরান ও অবন্তিকার ক্ষেত্রেও তাঁদের সম্পর্কের অতীত নিয়ে আগ্রহ থাকলেও ব্যক্তিগত বক্তব্যকে অনুমানের মাধ্যমে নতুন কোনও গল্পে পরিণত করা ঠিক হবে না।

বলিউডে সম্পর্কের ভাঙন নিয়ে চর্চা নতুন নয়। জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে দর্শকদের কৌতূহল দীর্ঘদিনের। পর্দায় তাঁদের প্রেমের দৃশ্য দেখে দর্শকেরা অনেক সময় বাস্তব জীবনেও তাঁদের সুখী দেখতে চান। ফলে সম্পর্কের ভাঙনের খবর সামনে এলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কিন্তু পর্দার গল্প এবং বাস্তব জীবনের সম্পর্ক এক নয়। বাস্তবে একটি সম্পর্কের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, পারিবারিক সম্পর্ক, ব্যক্তিগত মূল্যবোধ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।

তারকাদের পরিচিতি বেশি বলে তাঁদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের উপর জনসাধারণের নজর থাকে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে তাঁদের সম্পর্কের প্রতিটি দিক প্রকাশ্যে জানা সম্ভব। ইমরান ও অবন্তিকার বিচ্ছেদ নিয়েও আলোচনার সময় এই পার্থক্যটি বজায় রাখা প্রয়োজন। কোনও মন্তব্য সামনে এলে সেটিকে সংবাদ হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু বক্তব্যের অর্থ স্পষ্ট না হলে তা নিয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা উচিত নয়।

ইমরান খান তাঁর অভিনয়জীবনের শুরু থেকেই তরুণ দর্শকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। রোম্যান্টিক চরিত্রে তাঁর অভিনয় তাঁকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে অভিনয়জগতে তাঁর উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কমে গেলেও তাঁকে ঘিরে আগ্রহ পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন এবং অবন্তিকার সঙ্গে সম্পর্কের ইতিহাস সেই আগ্রহের একটি অংশ। তবে একজন শিল্পীর পরিচয় শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর কাজ, সৃজনশীলতা এবং ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তেরও আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।

একইভাবে অবন্তিকার পরিচয়ও শুধু ইমরানের প্রাক্তন স্ত্রী হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর নিজের বক্তব্য, অভিজ্ঞতা এবং দৃষ্টিভঙ্গিকে স্বতন্ত্রভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তাঁর কোনও মন্তব্যের অর্থ বোঝার ক্ষেত্রে তাঁর নিজের কথাকেই গুরুত্ব দেওয়া উচিত। বক্তব্যের প্রেক্ষাপট না জেনে সেটিকে অন্য কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ হিসেবে তুলে ধরা ঠিক নয়।

ইমরান ও অবন্তিকার সম্পর্কের বিষয়ে যে প্রশ্নটি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে, তা হল বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত আসলে কার ছিল। এই প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে তাঁদের নিজস্ব বক্তব্যের উপর নির্ভর করতে হবে। শুধু সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম বা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনও বাক্য থেকে সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়। ‘আমি কখনও এমন করতাম না’ মন্তব্যটি যদি বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে থাকে, তা হলে তার সম্পূর্ণ বক্তব্য এবং প্রেক্ষাপট সামনে আসা প্রয়োজন। কিন্তু সেই সূত্র নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মন্তব্যটির ভিত্তিতে ইমরান বা অবন্তিকার কাউকে দায়ী করা যাবে না।

সম্পর্কের অবসান কখনও এক পক্ষের সিদ্ধান্তে ঘটে, কখনও দু’জনের দীর্ঘ আলোচনার পরে ঘটে। আবার কোনও সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাইরে থেকে যে বিষয়টি সহজ মনে হয়, তার পিছনে থাকতে পারে বহু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। তাই প্রতিটি পরিস্থিতিকে আলাদা করে দেখা প্রয়োজন। ইমরান ও অবন্তিকার সম্পর্কের অতীত নিয়ে ইমরানের সঙ্গে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত কার ছিল? ‘আমি কখনও এমন করতাম না’—প্রাক্তন স্বামীকে নিয়ে মুখ খুললেন অবন্তিকা

 

Preview image