Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

১০ বছরের পুরনো এসি, পর্যাপ্ত অগ্নি-সুরক্ষা নেই শহরের বহু আবাসনেই

১০ বছরের পুরনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ব্যবহারে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি বাড়ছে দমকলের সতর্কতা

১০ বছরের পুরনো এসি, পর্যাপ্ত অগ্নি-সুরক্ষা নেই শহরের বহু আবাসনেই
Environment Pollution Health Weather Public Safety

১০ বছরের পুরনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র এসি ব্যবহারে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি বাড়ছে এমন সতর্কতা দিয়েছে দমকল বিভাগের কর্মকর্তারা। সাম্প্রতিক সময়ে শহর এবং শহর লাগোয়া একাধিক আবাসনে এসির মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এসি ব্যবহারে অতিরিক্ত পুরনো হওয়া তারের শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগার সম্ভাবনা থাকে এবং এই ঘটনাগুলি সাধারণত ভয়াবহ হয়ে থাকে। বেশ কিছু ক্ষেত্রে পুরনো এসির ফ্যান মোটর বা কন্ডেনসার ইউনিটের মধ্যে সমস্যা দেখা দেয় যার ফলে অতিরিক্ত তাপ তৈরি হয় এবং আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন ১০ বছরের বেশি পুরনো এসি যন্ত্র ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এ ধরনের যন্ত্রের অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারের সংযোগ দুর্বল হয়ে পড়তে পারে এবং যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ না করলে যন্ত্রের কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে। দমকল বিভাগের একাধিক তদন্তে জানা গেছে যে এসি যন্ত্রের ফ্রিজেন্ট বা কুলিং ফ্লুইডের লিকেজও আগুন লাগার এক অন্যতম কারণ হতে পারে।

এই ধরনের অগ্নিকাণ্ডের প্রতিরোধে কিছু প্রাথমিক পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসি ব্যবহারের আগে তার সব সংযোগ সঠিকভাবে পরীক্ষা করে দেখা উচিত। পুরনো এসির ক্ষেত্রে যন্ত্রটির রক্ষণাবেক্ষণের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এছাড়া বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী এসির পাওয়ার সাপ্লাই এবং ফ্যানের তারের অবস্থাও নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত।

আবার এমন এসি যেগুলি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাব রয়েছে সেগুলি চালানোর সময় অনেক বেশি তাপমাত্রা তৈরি হতে পারে যা শেষ পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ হতে পারে। দমকল বিভাগ এ ব্যাপারে জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছে যে পুরনো এসি ব্যবহার বন্ধ করার বা সেগুলি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করার বিকল্প নেই। তারা আরও জানায় এসি যন্ত্রের তাপমাত্রা এবং সঠিক সেটিং নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব।

এসির অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পেতে অবশ্যই নির্দিষ্ট সময় পরপর যন্ত্রটির রক্ষণাবেক্ষণ করা উচিত এবং যন্ত্রটি পরিবর্তন করার সময় সঠিক পণ্য নির্বাচন করা উচিত। দমকল বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী এসি ব্যবহারের সময় যন্ত্রটির নিরাপত্তা ফিচার যেমন শর্ট সার্কিট প্রোটেকশন এবং ফ্লেম রেটিং চেক করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একাধিক আবাসিক এলাকায় পুরনো এসি যন্ত্রের কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এবং তা অত্যন্ত ক্ষতিসাধক ছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে যেসব অঞ্চলে এসি যন্ত্রের কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তাদের মধ্যে শহরের আবাসিক এলাকা অন্যতম। দমকল বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করতে হলে জনগণের সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। জনগণ যদি এসি যন্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণ এবং সঠিক ব্যবহারে মনোযোগী হন তাহলে অনেক বড় দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব।

এসির সমস্যা শনাক্ত করতে এবং তা মেরামত করতে অদক্ষ বা অভিজ্ঞ মেকানিকের সাহায্য নেওয়া উচিত। যারা এসি রক্ষণাবেক্ষণ এবং মেরামত বিষয়ে অভিজ্ঞ নয় তারা অনিচ্ছাকৃতভাবে সমস্যাগুলি উপেক্ষা করে যন্ত্রটি চালানোর জন্য প্রস্তুত থাকেন যা পরে দুর্ঘটনা তৈরি করতে পারে। দমকল বিভাগে এমন পরিস্থিতি নিয়ে বেশ কয়েকটি অভিযোগ এসেছে যেখানে অভিজ্ঞ মেকানিক না থাকা এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এসি সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া অগ্নিকাণ্ডের আগাম সতর্কতার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করতে বলা হচ্ছে। আধুনিক এসি যন্ত্রে এমন কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে যা আগুন লাগার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। সেগুলির মধ্যে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং সঠিক সার্কিট ব্যবস্থাপনা অন্যতম। প্রযুক্তি উন্নতির সাথে সাথে এসি যন্ত্রে এমন কিছু ফিচার অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে যা আগুন লাগার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

দমকল বিভাগের পক্ষ থেকে জনগণকে দ্রুত এক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জানানো হয়েছে যে পুরনো এসি যন্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করতে এবং যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সতর্ক থাকলে এই ধরনের দুর্ঘটনা অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব হবে।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র এসি এক সময় গরমে স্বস্তির একমাত্র উপায় ছিল কিন্তু বর্তমানে ১০ বছরের পুরনো এসি ব্যবহারে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। দমকল বিভাগের কর্মকর্তারা সম্প্রতি এমন সতর্কতা দিয়েছেন যেখানে জানা গেছে পুরনো এসির ব্যবহার বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। বিশেষত, একাধিক আবাসনে অগ্নিকাণ্ডের পর এসি ব্যবহারে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হচ্ছে।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জানা গেছে, পুরনো এসির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হতে পারে, যার কারণে অতিরিক্ত তাপ তৈরি হয়ে আগুন লাগতে পারে। এছাড়াও এসির পাওয়ার সাপ্লাই, ফ্যান মোটর বা কন্ডেনসারের সমস্যা থাকলে তা শর্ট সার্কিট তৈরি করে আগুনের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি আসে এসির তারগুলোর অবস্থার কারণে, যেগুলো সময়ের সাথে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং অগ্নিকাণ্ডের কারণ হয়।

পুরনো এসি ব্যবহারে অনেক সময় এসির ফ্রিজেন্ট বা কুলিং ফ্লুইডের লিকেজও বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটাতে পারে। আধুনিক এসির তুলনায় পুরনো এসির প্রযুক্তি বেশ পিছিয়ে পড়েছে এবং এসব যন্ত্রের মধ্যে থাকা উপাদানগুলোও অগ্নি বিপদে পড়তে পারে। অনেক সময় এসির প্যানেল বা কন্ডেনসার ইউনিট পুরনো হয়ে গিয়ে নিজের কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, ফলে তার থেকে বের হওয়া তাপ ব্যবস্থার মধ্যে থাকা উপাদানগুলো সহজেই আগুন ধরাতে পারে।

news image
আরও খবর

দমকল বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, পুরনো এসি থেকে অগ্নিকাণ্ড রোধ করতে কয়েকটি মৌলিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। এসি ব্যবহারকারীদের এসি যন্ত্রের সমস্ত সংযোগ সঠিকভাবে পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে পুরনো এসির ক্ষেত্রে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াই যদি এসি চলতে থাকে তবে তা অগ্নিকাণ্ডের মতো বিপদ ডেকে আনতে পারে।

পুরনো এসির মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের বেশ কয়েকটি ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে সংবাদে এসেছে, যার মধ্যে অনেকেই আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। একাধিক শহর এলাকায় এসি যন্ত্রের মাধ্যমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার পর দমকল বিভাগ আরও বেশি গুরুত্ব দিয়ে পুরনো এসি যন্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করার এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের পরামর্শ দিয়েছে।

এছাড়া, আধুনিক এসির মধ্যে এমন কিছু নিরাপত্তা ফিচার সংযুক্ত করা হয়েছে যা আগুন লাগার ঝুঁকি অনেক কমিয়ে দেয়। এসির ফ্যান মোটর এবং পাওয়ার সাপ্লাইয়ে শর্ট সার্কিট প্রতিরোধক ব্যবস্থা, অতিরিক্ত তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য উন্নত প্রযুক্তি এসব ক্ষেত্রে কার্যকরী হতে পারে। এছাড়া যেকোনো এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা এবং সঠিক নিরাপত্তা ফিচার গুলি পরীক্ষা করা জরুরি।

দমকল বিভাগের মতে, এসি ব্যবহারকারীদের উচিত তাদের পুরনো এসি যন্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়মিত করা এবং যন্ত্রটি পরিবর্তন করার সময় উচ্চমানের নতুন যন্ত্র নির্বাচন করা। এর মাধ্যমে দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব এবং এক্ষেত্রে নিরাপত্তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখা সম্ভব।

একজন এসি ব্যবহারকারী যদি সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করে এবং পুরনো এসির পরিবর্তে নতুন প্রযুক্তির এসি ব্যবহার করে তবে তারা আগুনের ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকতে পারবে। তবে, পুরনো এসি যন্ত্র ব্যবহারকারীদের মনে রাখতে হবে, যে যতই উন্নত প্রযুক্তি থাকুক না কেন, নিরাপত্তা এবং রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়া কোন এসি নিরাপদ নয়।

১০ বছরের পুরনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ব্যবহার নিয়ে দমকল বিভাগের পক্ষ থেকে বড় ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ব্যবহৃত এসির মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষত শহর এবং শহরের আশপাশের আবাসিক এলাকায় একাধিক বার এসি থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই সমস্যার মূল কারণ এসির মধ্যে থাকা পুরনো তারের সমস্যা এবং সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাব। অনেক সময় পুরনো এসির ফ্যান, মোটর বা কন্ডেনসার ইউনিটের ত্রুটির কারণে অতিরিক্ত তাপ তৈরি হয়, যা আগুনের সূচনা করতে পারে।

দমকল বিভাগের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ১০ বছরের পুরনো এসি ব্যবহারের কারণে শর্ট সার্কিট এবং তাপমাত্রার নিয়ন্ত্রণ হারানো ঝুঁকি অনেক বেশি। এসব যন্ত্রের তার বা সংযোগে দীর্ঘদিনের ব্যবহারের কারণে দুর্বলতা আসে, যার ফলে আগুনের ঘটনা ঘটতে পারে। এছাড়া, পুরনো এসির মধ্যে থাকা কুলিং ফ্লুইড বা ফ্রিজেন্টের লিকেজও অগ্নিকাণ্ডের অন্যতম কারণ হতে পারে। এই ধরনের পরিস্থিতি শিগগিরই নিয়ন্ত্রণে না আনা হলে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, পুরনো এসির ব্যবহার বন্ধ করা অথবা নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা জরুরি। এসির প্রতিটি অংশ যেমন তারের সংযোগ, ফ্যান মোটর, কন্ডেনসার ইউনিট এবং পাওয়ার সাপ্লাই পরীক্ষা করা উচিত। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না করায় এসির কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে এবং এর মাধ্যমে সৃষ্ট তাপ পরিস্থিতি বিপজ্জনক হতে পারে। অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি কমানোর জন্য এসির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপাদানগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

বর্তমানে নতুন এসির মধ্যে উন্নত প্রযুক্তি এবং নিরাপত্তা ফিচার যুক্ত করা হয়েছে, যা আগুনের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। তাই পুরনো এসি ব্যবহারের তুলনায় নতুন প্রযুক্তির এসি ব্যবহার করা অধিক নিরাপদ। দমকল বিভাগের পক্ষ থেকে জনগণকে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে যেন তারা ১০ বছরের পুরনো এসি ব্যবহার না করেন বা সেগুলির রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত সাবধানতার সাথে করেন। এছাড়া, পুরনো এসি দ্রুত পরিবর্তন করা এবং নতুন প্রযুক্তির এসি ব্যবহারের জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

এই ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য দরকার সচেতনতা এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা। জনগণকে এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ফিচার এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের উপর মনোযোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। নিরাপদ এসি ব্যবহারে ঝুঁকি কমানো সম্ভব এবং অগ্নিকাণ্ডের মতো বিপদ থেকে মুক্ত থাকা যায়।

অগ্নিকাণ্ডের সঠিক সতর্কতা এবং ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে আমরা এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করতে পারব এবং সবাইকে নিরাপদ রাখতে পারব।

Preview image