Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

‘হাত প্রায় 2 টুকরো, ক্ষতবিক্ষত গোটা শরীর!’ রক্তাক্ত ক্যাপ্টেন স্মিথ কীভাবে খুলেছিলেন ককপিটের দরজা?

Flydubai FZ1073-এর ককপিটে হামলা রুখতে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে লড়াই করেন ক্যাপ্টেন স্মিথ। সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে ও এগিয়ে আসা চার যাত্রীকে বিশেষ পুরস্কার দিয়েছে ইজ়রায়েল।

‘হাত প্রায় 2 টুকরো, ক্ষতবিক্ষত গোটা শরীর!’ রক্তাক্ত ক্যাপ্টেন স্মিথ কীভাবে খুলেছিলেন ককপিটের দরজা?
International News

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী Flydubai-এর FZ1073 ফ্লাইটে মাঝআকাশে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ককপিট হামলার ঘটনা ঘিরে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। Boeing 737 MAX 8 বিমানটির ককপিটে আচমকা কো-পাইলটের হামলা, ক্যাপ্টেনের গুরুতর আহত হওয়া, বিমানের দ্রুত উচ্চতা হারানো এবং শেষ পর্যন্ত যাত্রী ও কেবিন ক্রুদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার ঘটনা ইতিমধ্যেই অন্যতম আলোচিত বিমান-নিরাপত্তা ঘটনা হিসেবে সামনে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, Flydubai-এর FZ1073 ফ্লাইটটি দুবাই থেকে ইজ়রায়েলের তেল আভিভের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। বিমানে ছিলেন ১৭৪ জন যাত্রী। উড়ানের প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিমানটি যখন প্রায় ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতায় ছিল, তখনই ককপিটের ভিতরে আচমকা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হয়। অভিযোগ, ওমানি কো-পাইলট ছুরি নিয়ে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা চালান। হামলায় ক্যাপ্টেনের মাথা ও হাতে গুরুতর আঘাত লাগে এবং তিনি রক্তাক্ত হয়ে পড়েন।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় ছিল, ঘটনাটি শুধু ককপিটের ভিতরে সীমাবদ্ধ থাকেনি। সেই সময় বিমানটি আকাশে চলছিল এবং ককপিটে পাইলটদের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তে যে বিষয়গুলি সামনে এসেছে, তাতে কো-পাইলট বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিমানটি দ্রুত উচ্চতা হারাতে শুরু করে। ফ্লাইট-ট্র্যাকিং সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, অল্প সময়ের মধ্যে বিমানটি বিপুল উচ্চতা হারিয়েছিল বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই অবস্থায় গুরুতর আহত ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের কয়েকটি দ্রুত সিদ্ধান্ত গোটা পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দেয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। রক্তাক্ত অবস্থাতেও তিনি বিমানের ট্রান্সপন্ডারের মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতির সংকেত পাঠানোর চেষ্টা করেন। প্রথমে সাধারণ জরুরি পরিস্থিতির জন্য ব্যবহৃত 7700 কোড এবং পরে হাইজ্যাক বা অবৈধ হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত 7500 কোড পাঠানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এই সংকেত এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলকে বিমানের ভিতরে গুরুতর সমস্যার বিষয়ে সতর্ক করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

তবে পরিস্থিতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত আসে এরপর। ককপিটের ভিতরে তখনও হামলাকারী কো-পাইলটের সঙ্গে ক্যাপ্টেনের সংঘর্ষ চলছিল। গুরুতরভাবে আহত হওয়ার পরও ক্যাপ্টেন ককপিটের দরজা খোলার ব্যবস্থা করেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ ককপিটের দরজা খুলতে পারলেই বাইরে থাকা কেবিন ক্রু ও যাত্রীরা ভিতরের পরিস্থিতি বুঝতে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারতেন।

ককপিটের দরজা খোলার পরই পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যাপ্টেন বাইরে বেরিয়ে আসেন বা দরজার কাছে পৌঁছন এবং বিমানের সামনের দিকের কয়েকজন যাত্রী ও কেবিন ক্রু ককপিটে প্রবেশ করেন। তাঁদের সামনে তখন ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ দৃশ্য। ককপিটের ভিতরে রক্তের ছাপ এবং আহত ক্যাপ্টেনকে দেখে তাঁরা দ্রুত পরিস্থিতি বুঝতে পারেন। এরপর যাত্রীরা মিলে অভিযুক্ত কো-পাইলটকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।

এই ঘটনার মধ্যে যাত্রীদের ভূমিকা নিয়েও বিভিন্ন রিপোর্টে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে ইজ়রায়েলি নাগরিক ইয়ানিভ হায়ুনের নাম সামনে এসেছে। ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বক্তব্যেও তাঁর ভূমিকার উল্লেখ করা হয়েছে বলে রিপোর্টে জানা যায়। হায়ুনের বয়ান অনুযায়ী, ককপিটে প্রবেশ করার পর তিনি চারদিকে রক্ত দেখতে পান। পরিস্থিতি বুঝে তিনি হামলাকারী কো-পাইলটকে চেপে ধরে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং অন্যরাও তাঁকে সহযোগিতা করেন।

ঘটনাটি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছিল কারণ তখন বিমানটি স্বাভাবিকভাবে উড়ছিল না। বিমানটি সামনের দিকে ঝুঁকে দ্রুত নিচের দিকে নামছিল বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে ককপিটের ভিতরে হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি বিমানটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করাও ছিল অত্যন্ত জরুরি।

এই সময়ের ঘটনাগুলির একটি অংশ বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়ানিভ হায়ুন পেশাদার পাইলট ছিলেন না। তাঁর বিমান চালানোর কোনও আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছিল না। তবে বিমান দুর্ঘটনা বা বিমান চালনার বিষয়ে টেলিভিশন অনুষ্ঠান থেকে পাওয়া কিছু সাধারণ ধারণা কাজে লাগিয়ে তিনি কন্ট্রোল ধরে বিমানটির নাক উপরের দিকে তোলার চেষ্টা করেন বলে তাঁর বয়ানে উল্লেখ রয়েছে।

এখানেই FZ1073 ঘটনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে আসে। একটি যাত্রীবাহী বিমানে কয়েকশো মানুষের জীবন নির্ভর করে ককপিটের পেশাদার পাইলটদের উপর। কিন্তু যদি কোনও কারণে ককপিটের দুই পাইলটের মধ্যে একজন বিমান নিয়ন্ত্রণে অক্ষম হয়ে পড়েন এবং অন্যজনও গুরুতর আহত হন, তখন পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হয়ে ওঠে। FZ1073-এর ঘটনায় সেই ভয়াবহ পরিস্থিতিই তৈরি হয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পর দুই রিলিফ পাইলট বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেন বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে। এরপর বিমানটিকে নিরাপদ গন্তব্যের দিকে নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের তাবুক এলাকায় বিমানটির নিরাপদে অবতরণ করানো হয়। বিমানে থাকা ১৭৪ জন যাত্রী প্রাণে বেঁচে যান বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

news image
আরও খবর

এই ঘটনার মধ্যে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের ভূমিকা নিয়ে বিশেষ আলোচনা হচ্ছে। কারণ গুরুতরভাবে আহত হওয়ার পরও তিনি জরুরি সংকেত পাঠানো এবং ককপিটের দরজা খোলার মতো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। বিশেষ করে ককপিটের দরজা খোলা না গেলে বাইরের যাত্রী বা কেবিন ক্রুদের পক্ষে ভিতরে প্রবেশ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হত না।

বিমান নিরাপত্তার দিক থেকেও ঘটনাটি গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক যাত্রীবাহী বিমানের ককপিট অত্যন্ত সুরক্ষিত এলাকা। ককপিটের দরজা সাধারণত বাইরের অননুমোদিত প্রবেশ ঠেকানোর জন্য বিশেষভাবে সুরক্ষিত থাকে। তাই ককপিটের ভিতরে কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে বাইরে থাকা ক্রু বা যাত্রীদের জন্য পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সহজ নয়। FZ1073-এর ঘটনায় সেই নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেই ককপিটের ভিতর থেকে পরিস্থিতি বাইরে পৌঁছে যায় বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ঘটনার সময় ট্রান্সপন্ডারে 7700 এবং 7500 সংকেত ব্যবহারের বিষয়টিও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণভাবে 7700 আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে জরুরি পরিস্থিতির সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে 7500 কোড অবৈধ হস্তক্ষেপ বা হাইজ্যাকের পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত। তবে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কোন সংকেত কখন এবং কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল, তার পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্টের উপর নির্ভর করবে।

FZ1073-এর এই ঘটনা আরও একবার দেখিয়ে দিয়েছে, বিমান চলাচলে কয়েক সেকেন্ডের সিদ্ধান্ত কতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। আকাশে ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতায় চলন্ত একটি বিমান যখন দ্রুত উচ্চতা হারাতে শুরু করে, তখন প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ। ককপিটের ভিতরে একজন পাইলট গুরুতর আহত এবং অন্যজন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।

ঘটনার পর ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের শারীরিক অবস্থা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে তাঁর মাথা ও হাতে গুরুতর আঘাতের কথা বলা হয়েছে। ছুরির আঘাতে তাঁর হাত ক্ষতবিক্ষত হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে তাঁর চিকিৎসা, আঘাতের সঠিক মাত্রা এবং পরবর্তী শারীরিক অবস্থার বিষয়ে নিশ্চিত তথ্যের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।

এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কো-পাইলটের উদ্দেশ্য নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে। প্রাথমিক তদন্তে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা বা বিমানটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস করার আশঙ্কার কথা বিভিন্ন রিপোর্টে উঠে এসেছে। তবে হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। কোনও সম্ভাব্য উদ্দেশ্যকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরে নেওয়ার আগে তদন্তকারী সংস্থার আনুষ্ঠানিক রিপোর্টের অপেক্ষা করাই গুরুত্বপূর্ণ।

FZ1073-এর ঘটনাটি শুধু একটি বিমান হামলার ঘটনা নয়, এটি ককপিট সিকিউরিটি, ক্রু সেফটি, জরুরি সংকেত, যাত্রীদের ভূমিকা এবং বিমান পরিচালনার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে। বিশেষ করে যদি ককপিটে থাকা কোনও ক্রু সদস্যই বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ান, তাহলে বিমানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করে—এই প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

এখানে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল যাত্রীদের ভূমিকা। সাধারণ পরিস্থিতিতে যাত্রীদের ককপিটে প্রবেশের কোনও সুযোগ থাকে না। কিন্তু জরুরি অবস্থায় ককপিটের দরজা খুলে গেলে এবং ভিতরে হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজন হলে প্রশিক্ষণ না থাকা সাধারণ মানুষকেও অত্যন্ত দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। FZ1073-এর ঘটনায় কয়েকজন যাত্রীর এমন ভূমিকার কথা বিভিন্ন রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে।

সবশেষে, Flydubai FZ1073-এর ঘটনাটি একটি ভয়াবহ মাঝআকাশের জরুরি পরিস্থিতি হিসেবে সামনে এসেছে। দুবাই থেকে তেল আভিভগামী Boeing 737 MAX 8-এর ককপিটে হামলা, ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের গুরুতর আহত হওয়া, জরুরি সংকেত পাঠানো, ককপিটের দরজা খোলা, যাত্রীদের হস্তক্ষেপ, হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনা এবং পরে রিলিফ পাইলটদের মাধ্যমে বিমানকে তাবুকে নিরাপদে অবতরণ—পুরো ঘটনাক্রমই অত্যন্ত নাটকীয়।

তবে এই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত অনেক তথ্য এখনও তদন্ত ও বিভিন্ন প্রত্যক্ষদর্শী বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বয়ানের উপর নির্ভরশীল। তাই ঘটনার প্রতিটি দাবি ও হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বিমান কর্তৃপক্ষ, তদন্তকারী সংস্থা এবং সরকারি সূত্রের আনুষ্ঠানিক তথ্যকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

Flydubai FZ1073 cockpit attack, Captain Smit Machchhar, Dubai to Tel Aviv flight, Boeing 737 MAX 8, cockpit security, pilot attack, emergency landing, Tabuk landing এবং 7500 hijack code—এই ঘটনাকে ঘিরে বিমান নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে যে প্রশ্নগুলি উঠেছে, সেগুলিই এই প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

Preview image