Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

‘আমাকে শাস্তি দেওয়া হোক’, হঠাৎ বিস্ফোরক মন্তব্য রোনাল্ডোর!

রোনাল্ডোর বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে ফুটবল মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। ‘আমাকে শাস্তি দেওয়া হোক’—কেন এমন বললেন পর্তুগিজ তারকা?

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আন্তর্জাতিক ফুটবল ভবিষ্যৎ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, তা আপাতত অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গেল। পর্তুগালের অধিনায়ক স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি এখনই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিচ্ছেন না। বরং শারীরিকভাবে ফিট থাকা এবং গোল করার ক্ষমতা বজায় থাকা পর্যন্ত পর্তুগালের হয়ে খেলতে চান তিনি। একই সঙ্গে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যাওয়ার ঘটনায় নিজের ভুলও স্বীকার করেছেন রোনালদো। তাঁর বক্তব্য, এই সিদ্ধান্তের জন্য পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের উচিত তাঁকে শাস্তি দেওয়া এবং সেই শাস্তি কমানোও উচিত নয়।

রোনালদোর এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কারণ পর্তুগালের হয়ে তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল মূলত নেশনস লিগের ক্যাম্প ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর। নরওয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচে রোনালদোকে প্রথম একাদশে রাখা হয়নি। এরপর ডেনমার্কের বিরুদ্ধেও তাঁকে শুরু থেকে না খেলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই পরিস্থিতির মধ্যেই রোনালদো জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান। পরে দীর্ঘ বিবৃতিতে নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দেন তিনি।

রোনালদোর বক্তব্য অনুযায়ী, জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি আবেগের বশে নেওয়া হলেও তিনি নিজের দায়িত্ব অস্বীকার করছেন না। বরং পর্তুগালের হয়ে দীর্ঘদিন খেলা এই তারকা ফুটবলার মনে করেন, তাঁর কাজের ফল তাঁকে ভোগ করতেই হবে। তাই পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের কাছে তিনি নিজেই শাস্তির কথা বলেছেন।

রোনালদো জানিয়েছেন, “আমার কাজের পরিণতি বিচার করতে হবে এবং আমাকে শাস্তি দিতে হবে। শাস্তি কমানো উচিত নয়।” তাঁর মতে, তিনি ইতিমধ্যেই ক্ষমা চেয়েছেন। কিন্তু ক্ষমা চাওয়া মানেই নিজের কাজের পরিণতি থেকে মুক্তি পাওয়া নয়। প্রত্যেকটি সিদ্ধান্তের একটি ফলাফল থাকে এবং সেই ফলাফল গ্রহণ করার মানসিকতা তাঁর রয়েছে।

তবে পুরো ঘটনার পিছনে পর্তুগালের কোচ জর্জ জেসুসের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। রোনালদোর অভিযোগ, নরওয়ে ও ডেনমার্কের ম্যাচকে কেন্দ্র করে তাঁর সঙ্গে কোচের যে পরিকল্পনা হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত ঠিকভাবে মানা হয়নি। এখান থেকেই তাঁর ক্ষোভের সূত্রপাত।

রোনালদোর দাবি, দুই ম্যাচে তাঁকে বিশ্রাম দেওয়ার বিষয়টি কোচের সঙ্গে আগে থেকেই আলোচনা করা হয়েছিল। অর্থাৎ, ম্যাচের শুরুতে তাঁকে না খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁর আপত্তি ছিল না। তিনি পরিস্থিতি মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু নরওয়ের ম্যাচের দিন পরিস্থিতি বদলে যায় বলে দাবি তাঁর।

রোনালদোর বক্তব্য অনুযায়ী, জর্জ জেসুস তাঁকে জানিয়েছিলেন যে দ্বিতীয়ার্ধে তিনি প্রায় ৩০ মিনিট খেলবেন। সেই অনুযায়ী রোনালদো প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। বিরতির পর তিনি ওয়ার্মআপ করেন এবং অপেক্ষা করতে থাকেন কখন তাঁকে মাঠে নামানো হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকে মাঠে নামানো হয়নি।

এই ঘটনাই রোনালদোর কাছে বড় হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তিনি জানান, তিনি মিনিট গুনছিলেন এবং মনে করছিলেন তাঁকে খুব শিগগিরই মাঠে নামানো হবে। কিন্তু সেই সুযোগ আর আসেনি। তাঁর মতে, কোচ তাঁর সঙ্গে যে কথা দিয়েছিলেন, সেটি রাখা হয়নি।

রোনালদো তাঁর দীর্ঘ বিবৃতিতে এই বিষয়টি খুব স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। তাঁর অভিযোগ, কোচের দেওয়া প্রতিশ্রুতি তিনি পাননি। শুধু মাঠে নামার বিষয়টিই নয়, পরবর্তী ঘটনাও তাঁকে আরও হতাশ করেছে।

রোনালদোর সঙ্গে জর্জ জেসুসের পরে একটি বৈঠক হয়। সেখানে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং দুজনের মধ্যে একটি সমঝোতাও হয়েছিল বলে দাবি করেছেন পর্তুগিজ অধিনায়ক। রোনালদোর বক্তব্য অনুযায়ী, সংবাদ সম্মেলনে কোচ বিষয়টি পরিষ্কার করবেন—এমনটাই ঠিক হয়েছিল।

কিন্তু সংবাদ সম্মেলনের পর রোনালদোর মনে হয়, কোচের বক্তব্য এবং বৈঠকে হওয়া আলোচনার মধ্যে মিল নেই। তিনি দাবি করেন, সংবাদ সম্মেলনে এমন কিছু কথা বলা হয়েছিল এবং এমন আচরণ করা হয়েছিল, যা তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি।

রোনালদোর ভাষায়, তিনি এমন কিছু “কথা ও রূঢ়তা” শুনেছিলেন, যা তাঁর প্রাপ্য ছিল না। এই পরিস্থিতিতে তিনি আর অপেক্ষা করতে চাননি। তাঁর মতে, আর একটি ভাঙা প্রতিশ্রুতির জন্য অপেক্ষা না করে তিনি জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তবে এখানেই রোনালদোর বক্তব্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি সামনে আসে। নিজের ক্ষোভ এবং কোচের সঙ্গে মতবিরোধের কথা বললেও তিনি জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে দাবি করেননি। বরং তিনি পরিষ্কারভাবে বলেছেন, তাঁর ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়া উচিত হয়নি।

অর্থাৎ, রোনালদো একই সঙ্গে নিজের অবস্থানও ব্যাখ্যা করেছেন এবং নিজের ভুলও স্বীকার করেছেন। তাঁর মতে, কোচের সঙ্গে মতবিরোধ থাকলেও জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যাওয়া সঠিক পদ্ধতি ছিল না। এই সিদ্ধান্তের সম্পূর্ণ দায় তিনি নিজের কাঁধে নিয়েছেন।

পর্তুগালের সতীর্থদের কাছেও তিনি ক্ষমা চেয়েছেন। একই সঙ্গে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছেও তাঁর এই আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। রোনালদোর বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, তিনি চান না এই ঘটনা তাঁর দীর্ঘ আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের শেষ অধ্যায়ের প্রধান পরিচয় হয়ে থাকুক।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আন্তর্জাতিক কেরিয়ার এমনিতেই ঐতিহাসিক। পর্তুগালের হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি দলের অন্যতম প্রধান মুখ। অসংখ্য ম্যাচে গোল করে দেশকে সাফল্য এনে দিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে পর্তুগাল আন্তর্জাতিক ফুটবলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য পেয়েছে। তাই তাঁর আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে যে কোনও মন্তব্য স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।

এই কারণেই নেশনস লিগের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, রোনালদো কি এবার জাতীয় দলের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করতে চলেছেন? তাঁর বয়সও এখন ৪১ বছর। ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছিল।

কিন্তু রোনালদো নিজেই সেই জল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিচ্ছেন না। বরং যতদিন তাঁর শরীর তাঁকে অনুমতি দেবে এবং তিনি গোল করার ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবেন, ততদিন পর্তুগালের হয়ে খেলে যেতে চান।

news image
আরও খবর

এটি তাঁর দীর্ঘ আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। কারণ বয়স ৪১ হলেও রোনালদোর নিজের আত্মবিশ্বাস এখনও অটুট। তিনি মনে করেন, মাঠে পারফর্ম করার মতো সক্ষমতা যতদিন তাঁর থাকবে, ততদিন জাতীয় দলের জার্সি পরার অধিকারও তাঁর রয়েছে।

রোনালদো আরও জানিয়েছেন, শাস্তির সময় শেষ হয়ে গেলে তিনি আগের মতোই মাঠে ফিরে আসবেন। তাঁর লক্ষ্য থাকবে আবার লড়াই করা, গোল করা এবং ম্যাচ জেতা। অর্থাৎ, সাম্প্রতিক বিতর্ক তাঁর মানসিকতায় কোনও বড় পরিবর্তন আনেনি।

রোনালদোর বক্তব্যে আরও একটি বিষয় স্পষ্ট—তিনি এখনও পর্তুগাল দলের প্রতি গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোচের সঙ্গে মতবিরোধ বা একটি বিতর্কিত ঘটনা তাঁর কাছে জাতীয় দলের হয়ে খেলার ইচ্ছাকে শেষ করে দেয়নি।

এদিকে জর্জ জেসুসও সম্প্রতি রোনালদোর জন্য জাতীয় দলের দরজা খোলা থাকার বার্তা দিয়েছেন। কোচের এই মন্তব্য রোনালদোর ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ আরও বাড়িয়েছে। রোনালদোও সেই সুযোগ গ্রহণ করেছেন। অর্থাৎ, দুজনের মধ্যে তৈরি হওয়া উত্তেজনার মধ্যেও জাতীয় দলের বৃহত্তর স্বার্থে ভবিষ্যতে আবার একসঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, রোনালদোর শাস্তি কী হবে এবং তিনি কবে আবার পর্তুগাল দলে ফিরবেন। পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন বিষয়টি কীভাবে বিবেচনা করে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ রোনালদো নিজেই বলেছেন, তাঁকে শাস্তি দেওয়া উচিত এবং শাস্তি কমানো উচিত নয়।

সাধারণত জাতীয় দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তবে রোনালদোর মতো দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং অভিজ্ঞ ফুটবলারের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল। তাই ফেডারেশন কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা নজরে থাকবে ফুটবল বিশ্বের।

রোনালদোর নিজের অবস্থান অবশ্য পরিষ্কার। তিনি ভুল স্বীকার করেছেন, ক্ষমা চেয়েছেন এবং শাস্তি মেনে নেওয়ার মানসিকতাও দেখিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর আন্তর্জাতিক কেরিয়ার এখনও শেষ হয়নি।

এই ঘটনাকে তাই রোনালদোর অবসর ঘোষণা হিসেবে দেখার কোনও কারণ নেই। বরং এটি তাঁর আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের একটি নতুন বিতর্কিত অধ্যায়। যেখানে একদিকে রয়েছে কোচের সঙ্গে মতবিরোধ, অন্যদিকে রয়েছে নিজের ভুল স্বীকার করার মানসিকতা এবং জাতীয় দলের হয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় ইচ্ছা।

রোনালদোর বক্তব্যের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশ সম্ভবত তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে মন্তব্য। ৪১ বছর বয়সেও তিনি অবসর নেওয়ার কথা ভাবছেন না। তিনি বিশ্বাস করেন, শরীর এবং পারফরম্যান্স যদি তাঁকে অনুমতি দেয়, তাহলে জাতীয় দলের হয়ে আরও খেলতে পারবেন।

বিশ্ব ফুটবলে এমন বয়সে নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলা অত্যন্ত বিরল। কিন্তু রোনালদো বরাবরই নিজের শারীরিক সক্ষমতা এবং পেশাদারিত্বের জন্য পরিচিত। তাঁর ফিটনেস, গোল করার দক্ষতা এবং ম্যাচ জেতার মানসিকতা এখনও তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে রেখেছে।

তাই রোনালদোর এই সিদ্ধান্ত তাঁর ভক্তদের জন্য নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর। যারা ভেবেছিলেন নেশনস লিগের বিতর্কের পর হয়তো পর্তুগালের জার্সিতে তাঁকে আর দেখা যাবে না, তাঁদের জন্য রোনালদোর এই ঘোষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে জর্জ জেসুসের মন্তব্যও পরিস্থিতিকে কিছুটা সহজ করেছে। তিনি যখন বলেছেন জাতীয় দলের দরজা রোনালদোর জন্য খোলা, তখন বোঝা যাচ্ছে যে কোচও পুরো বিষয়টিকে স্থায়ী বিচ্ছেদ হিসেবে দেখতে চাইছেন না।

এখন নজর থাকবে রোনালদোর প্রত্যাবর্তনের দিকে। তিনি কবে জাতীয় দলের ক্যাম্পে ফিরবেন, ফেডারেশন তাঁকে কী শাস্তি দেবে এবং জর্জ জেসুসের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কীভাবে এগোয়—এই তিনটি বিষয়ই আগামী দিনে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় থাকবে।

রোনালদোর আন্তর্জাতিক কেরিয়ার ইতিমধ্যেই ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘ ও সফল অধ্যায়। কিন্তু তাঁর নিজের বক্তব্য অনুযায়ী, সেই অধ্যায় এখনও শেষ হয়নি। বরং তিনি আরও লড়াই করতে চান, আরও গোল করতে চান এবং পর্তুগালের হয়ে আরও ম্যাচ জিততে চান।

সাম্প্রতিক বিতর্ক তাঁর কেরিয়ারে একটি অস্বস্তিকর অধ্যায় তৈরি করেছে ঠিকই, কিন্তু রোনালদো সেটিকে নিজের শেষ অধ্যায় হিসেবে দেখতে নারাজ। তিনি নিজের ভুল মেনে নিয়েছেন, সতীর্থ ও সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং একই সঙ্গে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও পরিষ্কার করেছেন।

সব মিলিয়ে, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বার্তা একেবারেই পরিষ্কার—অবসর নয়, আরও লড়াই। জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার জন্য শাস্তি পেতে তিনি প্রস্তুত, কিন্তু পর্তুগালের জার্সি ছেড়ে দিতে এখনও প্রস্তুত নন। শারীরিকভাবে সক্ষম থাকলে এবং গোল করার ক্ষমতা ধরে রাখতে পারলে তিনি জাতীয় দলের হয়ে খেলা চালিয়ে যাবেন।

তাই রোনালদো ভক্তদের জন্য আপাতত সবচেয়ে বড় খবর একটাই—পর্তুগালের হয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর গল্প এখনও শেষ হয়নি। তাঁর সামনে এখনও রয়েছে নতুন ম্যাচ, নতুন লক্ষ্য এবং আরও কিছু ইতিহাস লেখার সুযোগ।

Preview image