Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

টাইব্রেকারে দুই সেভ, ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন পূরণ মোহনবাগানের

রুদ্ধশ্বাস সেমিফাইনালে টাইব্রেকারের নাটকীয় লড়াইয়ে দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখালেন গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে গোলশূন্য থাকার পর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে প্রতিপক্ষের দুটি গুরুত্বপূর্ণ শট রুখে দিয়ে মোহনবাগানকে জয়ের পথে এগিয়ে দেন তিনি। বিশালের অসাধারণ সেভে আত্মবিশ্বাস পায় সবুজ-মেরুন শিবির, আর শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করে শিল্ডের ফাইনালে জায়গা করে নেয় দল। ম্যাচ জুড়ে দুই দলের লড়াই ছিল সমানে সমান, তবে টাইব্রেকারে অভিজ্ঞতার প্রমাণ দিয়ে নায়ক হয়ে ওঠেন বিশাল। তাঁর দুর্দান্ত নৈপুণ্যে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস এখন তুঙ্গে। শিরোপার আর মাত্র এক ধাপ দূরে দাঁড়িয়ে মোহনবাগান, আর সেই স্বপ্নপূরণের পথে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নিলেন দলের নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষক।

কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে মোহনবাগান শুধু একটি ক্লাব নয়, একটি আবেগ। বছরের পর বছর ধরে দেশের ফুটবল মানচিত্রে নিজেদের সাফল্যের ছাপ রেখে চলেছে সবুজ-মেরুন শিবির। আর সেই ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায় যোগ হল শিল্ড প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে। রুদ্ধশ্বাস লড়াই, স্নায়ুচাপের পরীক্ষা এবং শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারের নাটকীয় মুহূর্ত—সবকিছু মিলিয়ে এক স্মরণীয় ম্যাচ উপহার দিল মোহনবাগান। আর সেই ম্যাচের নায়ক হয়ে উঠলেন দলের গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। টাইব্রেকারে পরপর দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে তিনি শুধু দলকে জিতিয়েই দেননি, ফাইনালে ওঠার স্বপ্নও বাস্তবে পরিণত করেছেন।

সেমিফাইনালের এই ম্যাচ ঘিরে সমর্থকদের প্রত্যাশা ছিল তুঙ্গে। প্রতিপক্ষও ছিল যথেষ্ট শক্তিশালী। শুরু থেকেই বোঝা যাচ্ছিল, ম্যাচটি সহজ হবে না। দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে চেয়েছিল, তবে একই সঙ্গে রক্ষণেও ছিল সতর্ক। ফলে প্রথম থেকেই মাঠে জমে ওঠে লড়াই। মাঝমাঠে বলের দখল নিয়ে প্রতিনিয়ত সংঘর্ষ, উইং ধরে আক্রমণ এবং পাল্টা আক্রমণের লড়াই ম্যাচকে করে তোলে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।

প্রথমার্ধে মোহনবাগান কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করেছিল। দলের ফরোয়ার্ডরা প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ তৈরি করলেও শেষ মুহূর্তে গোলের দেখা পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে প্রতিপক্ষও একাধিকবার মোহনবাগানের রক্ষণভাগকে পরীক্ষার মুখে ফেলে। তবে দুই গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় গোলশূন্যই থাকে ম্যাচ।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি আরও বেড়ে যায়। দুই কোচই পরিবর্তনের মাধ্যমে আক্রমণে নতুন মাত্রা আনার চেষ্টা করেন। মাঠে নেমে বদলি ফুটবলাররাও ম্যাচের রং বদলানোর চেষ্টা করেন। তবুও গোলের মুখ খুলছিল না। একদিকে মোহনবাগানের আক্রমণ, অন্যদিকে প্রতিপক্ষের পাল্টা আক্রমণ—দর্শকদের উত্তেজনা বাড়তে থাকে প্রতি মুহূর্তে।

নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে স্কোরলাইন যখন গোলশূন্য, তখন ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়েও দুই দলই গোলের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালায়। ক্লান্তি ধরা পড়লেও জয়ের ইচ্ছায় কোনও খামতি ছিল না। মোহনবাগানের কয়েকটি সুযোগ অল্পের জন্য হাতছাড়া হয়। একইভাবে প্রতিপক্ষও গোলের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিল কয়েকবার। কিন্তু ভাগ্য এবং রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় গোলশূন্যই থাকে ম্যাচ।

এরপর আসে সেই মুহূর্ত, যা ফুটবলে সবচেয়ে বেশি স্নায়ুচাপের—টাইব্রেকার। পাঁচটি শট, কয়েক সেকেন্ডের সিদ্ধান্ত এবং এক মুহূর্তের ভুলে বদলে যেতে পারে গোটা ম্যাচের ফলাফল। মাঠের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি তখন নজর থাকে গোলরক্ষকের উপরও। আর সেখানেই নিজের শ্রেষ্ঠ পারফরম্যান্স উপহার দেন বিশাল কাইথ।

টাইব্রেকারের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছিল তাঁকে। প্রতিপক্ষের শট নেওয়ার আগে তাঁর শরীরী ভাষাতেই ছিল দৃঢ়তা। প্রথম কয়েকটি শটে দুই দলই গোল করে। কিন্তু এরপরই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন বিশাল। প্রতিপক্ষের একটি শক্তিশালী শট অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন তিনি। সেই সেভে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গ্যালারি। কিন্তু কাজ তখনও শেষ হয়নি।

কয়েক মুহূর্ত পর আবারও সামনে আসে কঠিন চ্যালেঞ্জ। প্রতিপক্ষের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শটও দুর্দান্তভাবে বাঁচিয়ে দেন বিশাল। পরপর দুটি সেভ ম্যাচের পুরো গতি বদলে দেয়। চাপ চলে যায় প্রতিপক্ষের কাঁধে, আর আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় মোহনবাগান। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সবুজ-মেরুন ফুটবলাররা নিজেদের শট সফলভাবে জালে জড়ান।

শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে জয় নিশ্চিত হয় মোহনবাগানের। মাঠে তখন উৎসবের আবহ। খেলোয়াড়রা ছুটে গিয়ে জড়িয়ে ধরেন বিশাল কাইথকে। কারণ এই জয় শুধু একটি ম্যাচ জেতা নয়, ফাইনালে ওঠার স্বপ্নপূরণও। আর সেই স্বপ্নপূরণের সবচেয়ে বড় কারিগর ছিলেন দলের গোলরক্ষক।

ভারতীয় ফুটবলে বিশাল কাইথের নাম নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়ে আসছেন। বিভিন্ন ক্লাব এবং জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় তাঁর ধারাবাহিক পারফরম্যান্স তাঁকে দেশের অন্যতম সেরা গোলরক্ষকদের তালিকায় জায়গা করে দিয়েছে। তবে এই ম্যাচে তাঁর পারফরম্যান্স বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কারণ সেমিফাইনালের মতো বড় মঞ্চে এমন চাপের মুহূর্তে নিজের সেরাটা তুলে ধরা সহজ কাজ নয়।

মোহনবাগানের কোচও ম্যাচ শেষে বিশালের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তিনি বলেন, একজন গোলরক্ষক শুধু গোল বাঁচান না, পুরো দলের আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়ে দেন। বিশাল সেটাই করেছেন। তাঁর উপস্থিতি গোটা দলকে বাড়তি সাহস দিয়েছে।

সমর্থকদের কাছেও এখন তিনি নায়ক। সামাজিক মাধ্যমে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর থেকেই তাঁর প্রশংসায় ভরে যায় বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম। অনেকেই তাঁকে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে উল্লেখ করেন। কেউ কেউ আবার বলেন, বিশালের সেভ না থাকলে হয়তো ফাইনালের টিকিট পাওয়া সম্ভব হত না।

শিল্ডের সেমিফাইনালে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের শেষে টাইব্রেকারে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ফাইনালে জায়গা করে নিল মোহনবাগান। নির্ধারিত সময় এবং অতিরিক্ত সময় গোলশূন্য থাকার পর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। আর সেখানেই নায়ক হয়ে ওঠেন দলের গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। প্রতিপক্ষের দুটি গুরুত্বপূর্ণ শট সেভ করে তিনি সবুজ-মেরুন শিবিরকে এনে দেন মূল্যবান জয়।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে ছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। মাঝমাঠে বলের দখল নিয়ে চলতে থাকে তীব্র প্রতিযোগিতা। মোহনবাগান আক্রমণ গড়ে তুললেও প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ সহজে সুযোগ দিতে রাজি ছিল না। প্রথমার্ধে কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি হলেও গোলের দেখা পায়নি কোনও দল। অন্যদিকে প্রতিপক্ষও পাল্টা আক্রমণে বিপদ তৈরি করেছিল, কিন্তু মোহনবাগানের রক্ষণ এবং গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় স্কোরলাইন অপরিবর্তিত থাকে।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি আরও বেড়ে যায়। দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। কোচদের কৌশলগত পরিবর্তন ম্যাচে নতুন মাত্রা যোগ করে। মোহনবাগানের ফুটবলাররা একের পর এক আক্রমণ শানালেও শেষ মুহূর্তে গোল করতে ব্যর্থ হন। প্রতিপক্ষও কয়েকবার গোলের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। তবে দুই দলের রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষকদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ম্যাচ গোলশূন্যই থাকে।

news image
আরও খবর

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত সময়েও গোল না হওয়ায় ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণের দায়িত্ব চলে যায় টাইব্রেকারের উপর। ফুটবলে টাইব্রেকার মানেই স্নায়ুচাপের লড়াই। সেখানে শুধু দক্ষতা নয়, প্রয়োজন মানসিক দৃঢ়তারও। আর সেই পরীক্ষাতেই উজ্জ্বলভাবে উত্তীর্ণ হন বিশাল কাইথ।

টাইব্রেকারের শুরুতে দুই দলই নিজেদের প্রথম শট সফলভাবে জালে জড়ায়। কিন্তু এরপরই ম্যাচের মোড় ঘুরতে শুরু করে। প্রতিপক্ষের একটি গুরুত্বপূর্ণ শট ডানদিকে ঝাঁপিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় বাঁচিয়ে দেন বিশাল। সেই সেভে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে মোহনবাগান শিবির। তবে সবচেয়ে বড় মুহূর্তটি আসে কিছুক্ষণ পর। প্রতিপক্ষের আরেকটি শটও তিনি দুর্দান্তভাবে আটকে দেন। পরপর দুটি সেভ করে ম্যাচের চাপ পুরোপুরি প্রতিপক্ষের দিকে ঠেলে দেন তিনি।

অন্যদিকে মোহনবাগানের ফুটবলাররা নিজেদের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেন। তাঁরা ধারাবাহিকভাবে গোল করে দলকে এগিয়ে রাখেন। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে জয় নিশ্চিত হয় মোহনবাগানের। মাঠে তখন উৎসবের আবহ। সতীর্থরা ছুটে গিয়ে বিশাল কাইথকে জড়িয়ে ধরেন। কারণ এই জয়ের সবচেয়ে বড় অবদান ছিল তাঁরই।

ভারতীয় ফুটবলে বিশাল কাইথ দীর্ঘদিন ধরেই নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষক হিসেবে পরিচিত। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চাপ সামলে পারফর্ম করার ক্ষমতা তাঁর অন্যতম বড় শক্তি। এই সেমিফাইনালেও তিনি সেটাই প্রমাণ করলেন। ম্যাচের পুরো সময় জুড়েই তিনি ছিলেন আত্মবিশ্বাসী এবং মনোযোগী। টাইব্রেকারে তাঁর শরীরী ভাষা থেকেই বোঝা যাচ্ছিল, তিনি প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে প্রস্তুত।

ম্যাচ শেষে কোচ এবং সতীর্থরাও বিশালের প্রশংসা করেন। তাঁদের মতে, একজন ভালো গোলরক্ষক শুধু গোল বাঁচান না, গোটা দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেন। বিশাল সেই ভূমিকাই পালন করেছেন। তাঁর দুটি সেভ শুধু ম্যাচ জেতায়নি, ফাইনালে ওঠার পথও প্রশস্ত করেছে।

এই জয় মোহনবাগানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ফাইনালে ওঠার পাশাপাশি এটি দলের আত্মবিশ্বাসও অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। কঠিন পরিস্থিতিতে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা যে দলের রয়েছে, তা এই ম্যাচেই প্রমাণ হয়েছে। বিশেষ করে টাইব্রেকারের মতো স্নায়ুচাপের মুহূর্তে জয় পাওয়া ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বার্তা।

সমর্থকদের কাছেও এই জয় বিশেষ আনন্দের। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে বিশাল কাইথকে নিয়ে প্রশংসার ঝড় ওঠে। অনেকেই তাঁকে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় বলে উল্লেখ করেছেন। কেউ কেউ আবার লিখেছেন, তাঁর দুটি সেভ না থাকলে মোহনবাগানের ফাইনালে ওঠা সম্ভব হত না।

এখন সব নজর ফাইনালের দিকে। শিরোপা জয়ের জন্য আর মাত্র এক ধাপ পেরোতে হবে মোহনবাগানকে। সেমিফাইনালে যে লড়াকু মানসিকতা এবং দৃঢ়তা দেখা গিয়েছে, তা ধরে রাখতে পারলে ফাইনালেও সাফল্যের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। দলের ফুটবলাররা যেমন আত্মবিশ্বাসী, তেমনই সমর্থকরাও আশাবাদী।

সব মিলিয়ে বলা যায়, এই সেমিফাইনাল ছিল এক রুদ্ধশ্বাস ফুটবল লড়াই। আর সেই লড়াইয়ের নায়ক নিঃসন্দেহে বিশাল কাইথ। টাইব্রেকারে তাঁর দুটি দুরন্ত সেভ মোহনবাগানের ফাইনালে ওঠার স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করেছে। এখন শিল্ড জয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে সবুজ-মেরুন শিবির

এই জয় মোহনবাগানের কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি দলের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। একটি কঠিন সেমিফাইনাল জিতে ফাইনালে ওঠা যে কোনও দলের জন্য বড় অর্জন। বিশেষ করে টাইব্রেকারের মতো স্নায়ুচাপের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া মানসিক দৃঢ়তার পরিচয় দেয়।

ফাইনালে এখন আরও বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। প্রতিপক্ষ যে-ই হোক না কেন, শিরোপা জিততে হলে মোহনবাগানকে আরও নিখুঁত ফুটবল খেলতে হবে। তবে সেমিফাইনালের এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাসের ভান্ডার অনেকটাই সমৃদ্ধ করেছে। দলের ফুটবলাররা এখন জানেন, কঠিন পরিস্থিতিতেও ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা তাঁদের রয়েছে।

ফুটবল এমনই একটি খেলা যেখানে এক মুহূর্তেই নায়ক তৈরি হয়। এই ম্যাচে সেই নায়ক বিশাল কাইথ। তাঁর দুটি সেভ শুধু দুটি শট আটকানো নয়, বরং একটি দলের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখা। তাঁর হাত ধরেই মোহনবাগান পৌঁছে গেল ফাইনালে।

এখন সবুজ-মেরুন সমর্থকদের চোখ শিরোপার দিকে। ফাইনালে জয় পেলে এই সেমিফাইনালের স্মৃতি আরও উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। আর যদি সেই শিরোপা আসে, তাহলে নিঃসন্দেহে বিশাল কাইথের এই টাইব্রেকার পারফরম্যান্স ইতিহাসের পাতায় বিশেষ জায়গা করে নেবে।

মোহনবাগানের সমর্থকেরা বিশ্বাস করছেন, এই দলের মধ্যে সেই সামর্থ্য রয়েছে। সেমিফাইনালের লড়াইয়ে যে মানসিক শক্তি, একতা এবং লড়াকু মনোভাব দেখা গিয়েছে, তা ফাইনালেও দেখা গেলে সাফল্য হাতছানি দিতেই পারে। আপাতত আনন্দের মুহূর্ত উপভোগ করছে সবুজ-মেরুন শিবির। কারণ টাইব্রেকারে দুই সেভ করে বিশাল কাইথ যে স্বপ্ন দেখিয়েছেন, তা এখন আর কেবল স্বপ্ন নয়—বাস্তবের খুব কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়া এক সম্ভাবনা।

Preview image