Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

‘হিরো’ পাইলট মচ্ছর! হনুমান চালিশা পাঠ থেকে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা—দেবলীনার মুখে অজানা কাহিনি

ব্যক্তিগত জীবনে হনুমান চালিশার প্রভাব, সমাজমাধ্যমে অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন দেবলীনা ভট্টাচার্য

‘হিরো’ পাইলট মচ্ছর! হনুমান চালিশা পাঠ থেকে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা—দেবলীনার মুখে অজানা কাহিনি
Bollywood News

 

 

বিমান মাঝআকাশে ভয়াবহ সংকটের মুখে। ককপিটে হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থাতেও যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যান ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছার। সেই কঠিন সময়ে তিনি হনুমান চালিশা পাঠ করছিলেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর এই বক্তব্যের পরই সমাজমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে হনুমান চালিশা পাঠ এবং ব্যক্তিগত জীবনে তার প্রভাব। এবার নিজের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী দেবলীনা ভট্টাচার্য।

 

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভিডিও কলে কথোপকথনের সময় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছার জানান, সংকটের মুহূর্তে তিনি হনুমান চালিশা পাঠ করছিলেন। সংবাদমাধ্যমের প্রতিব

 

স্মিতের এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পরই সমাজমাধ্যমে অনেকেই নিজেদের অভিজ্ঞতা ও বিশ্বাসের কথা জানাতে শুরু করেছেন। সেই আলোচনাতেই এবার যোগ দিলেন অভিনেত্রী দেবলীনা ভট্টাচার্য।

 

## হনুমান চালিশা নিয়ে কী বললেন দেবলীনা?

 

টেলিভিশন অভিনেত্রী দেবলীনা সমাজমাধ্যমে বেশ সক্রিয়। বিভিন্ন সামাজিক বিষয় থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—বিভিন্ন বিষয়েই তিনি নিজের মতামত প্রকাশ করে থাকেন। এবার হনুমান চালিশা পাঠের সঙ্গে নিজের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা জানালেন অভিনেত্রী।

 

দেবলীনার দাবি, প্রায় **১৭-১৮ বছর ধরে তিনি নিজে হনুমান চালিশা পাঠ করছেন**। তাঁর কথায়, এই পাঠ তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে তিনি অনুভব করেছেন।

 

অভিনেত্রীর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল—কেবল অন্যের কথা শুনে কোনও কিছুকে বিশ্বাস না করে নিজের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সেটিকে বোঝার চেষ্টা করা উচিত।

 

তিনি জানিয়েছেন, তাঁকে কেউ বিশেষভাবে হনুমান চালিশা পাঠ করতে শেখাননি। এমনকী, কারও কথায় প্রভাবিত হয়েও তিনি এটি শুরু করেননি। বরং নিজের ইচ্ছাতেই বহু বছর আগে পাঠ শুরু করেছিলেন।

 

## ‘কেউ বলেনি, নিজে থেকেই শুরু করেছিলাম’

 

নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে দেবলীনা সমাজমাধ্যমে লেখেন, **“হনুমান চালিশা, কাউকে বিশ্বাস না করে নিজে একবার করে দেখুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন এর ক্ষমতা।”**

 

এরপরই নিজের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন তিনি। অভিনেত্রীর কথায়, প্রায় সতেরো থেকে আঠারো বছর আগে তিনি নিজে থেকেই হনুমান চালিশা পাঠ শুরু করেছিলেন। এর পিছনে কোনও নির্দিষ্ট কারণও ছিল না।

 

দেবলীনা আরও জানিয়েছেন, সময়ের সঙ্গে তিনি নিজের জীবনে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন অনুভব করেছেন। তাঁর বক্তব্যে সেই ব্যক্তিগত উপলব্ধির কথাই উঠে এসেছে।

 

তবে অভিনেত্রীর বক্তব্যটি তাঁর **নিজস্ব ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও বিশ্বাসের প্রকাশ**। হনুমান চালিশা পাঠের ফলে প্রত্যেক মানুষের জীবনে একই ধরনের পরিবর্তন ঘটবে—এমন কোনও বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত তাঁর বক্তব্য থেকে টানা যায় না।

 

## স্মিত মচ্ছারের বক্তব্যের পরেই নতুন করে আলোচনা

 

ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছারের ঘটনা সামনে আসার পর হনুমান চালিশা পাঠের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথোপকথনের সময় মচ্ছার জানান, কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি হনুমান চালিশা পাঠ করছিলেন। ([Loksatta][1])

 

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাঝআকাশে গুরুতর সংকটের সময় আহত অবস্থাতেও স্মিত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যান। পরে বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে। তাঁর এই ভূমিকার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে প্রশংসা এসেছে। ([Loksatta][2])

 

এই ঘটনার পর অনেকেই স্মিতের সাহসিকতার পাশাপাশি তাঁর আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের কথাও আলোচনা করছেন। বিশেষ করে সংকটের সময় হনুমান চালিশা পাঠ করার বিষয়টি সমাজমাধ্যমে মানুষের আগ্রহের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।

 

## ‘বিশ্বাস করার আগে নিজে পড়ুন’

 

দেবলীনার বক্তব্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল তাঁর **নিজে পড়ে উপলব্ধি করার পরামর্শ**। অভিনেত্রীর মতে, শুধুমাত্র অন্য কারও অভিজ্ঞতা বা কথার ভিত্তিতে কোনও কিছু গ্রহণ না করে নিজের মতো করে তা বোঝার চেষ্টা করা উচিত।

 

তাঁর বক্তব্যের মধ্যে ব্যক্তিগত বিশ্বাসের পাশাপাশি একটি নিজস্ব অভিজ্ঞতার কথাও রয়েছে। বহু বছর ধরে তিনি হনুমান চালিশা পাঠ করছেন এবং সেই সময়ের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই নিজের উপলব্ধির কথা জানিয়েছেন।

 

অর্থাৎ, স্মিত মচ্ছারের সাম্প্রতিক বক্তব্য তাঁকে নিজের পুরনো অভিজ্ঞতার কথা মনে করিয়ে দিয়েছে বলেই তাঁর পোস্ট থেকে বোঝা যায়।

 

## ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার দেবলীনার

 

দেবলীনা জানিয়েছেন, দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে তাঁর জীবনের সঙ্গে হনুমান চালিশা পাঠ জড়িয়ে রয়েছে। তাঁর কথায়, এর জন্য তাঁকে কেউ আলাদা করে অনুপ্রাণিত করেননি বা কোনও বিশেষ পদ্ধতিও শেখাননি।

 

নিজের আগ্রহ থেকেই তিনি পাঠ শুরু করেছিলেন। সময়ের সঙ্গে সেই অভ্যাস তাঁর দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে ওঠে।

 

অভিনেত্রীর দাবি, পরবর্তীকালে তিনি জীবনের বিভিন্ন ঘটনায় ইতিবাচক পরিবর্তন অনুভব করেছেন। সেই অভিজ্ঞতার কথাই এবার তিনি তাঁর অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন।

 

## ব্যক্তিগত বিশ্বাস থেকেই দেবলীনার এই বক্তব্য

 

দেবলীনার পোস্টকে তাঁর ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও অভিজ্ঞতার জায়গা থেকেই দেখা যায়। ধর্মীয় পাঠ, প্রার্থনা বা আধ্যাত্মিকতার সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। কারও কাছে এটি মানসিক প্রশান্তির অংশ, কারও কাছে আধ্যাত্মিক অনুশীলন, আবার কেউ একে পারিবারিক বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে দেখেন।

 

দেবলীনার বক্তব্যেও মূলত তাঁর নিজের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার কথাই উঠে এসেছে।

 

অন্যদিকে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছারও সংকটের সময় হনুমান চালিশা পাঠ করার কথা জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কঠিন পরিস্থিতিতে এটি তাঁকে সাহস জুগিয়েছিল। ([Jagran][3])

 

## সংকটের মুহূর্তে মানসিক শক্তির প্রসঙ্গ

 

কোনও ভয়াবহ বা চাপের পরিস্থিতিতে মানুষ নিজের বিশ্বাস, অভ্যাস কিংবা পরিচিত কোনও মানসিক অনুশীলনের সাহায্য নিতে পারেন। প্রার্থনা, জপ, শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন কিংবা অন্য কোনও আধ্যাত্মিক রীতি অনেকের কাছে মানসিকভাবে স্থির থাকার একটি উপায় হতে পারে।

 

স্মিত মচ্ছারের বক্তব্যেও এমন একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা উঠে এসেছে। আর দেবলীনা তাঁর পোস্টে জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে হনুমান চালিশা পাঠ তাঁর নিজের জীবনেও ইতিবাচক অনুভূতির সঙ্গে যুক্ত।

 

তবে কোনও ধর্মীয় পাঠের প্রভাব ব্যক্তি বিশেষে আলাদা হতে পারে—এটিও মনে রাখা জরুরি।

 

## সমাজমাধ্যমে দেবলীনার পোস্ট ঘিরে আলোচনা

news image
আরও খবর

 

দেবলীনার এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই তাঁর অনুরাগীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। কারণ, তিনি কেবল সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে মন্তব্য করেননি, বরং নিজের প্রায় ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেছেন।

 

বিশেষ করে তাঁর এই বক্তব্য—**“কাউকে বিশ্বাস না করে নিজে একবার করে দেখুন”**—অনেকের নজর কেড়েছে। কারণ, তিনি অন্যের অভিজ্ঞতাকে অন্ধভাবে অনুসরণ করার পরিবর্তে নিজের উপলব্ধিকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন।

 

তাঁর বক্তব্যে ব্যক্তিগত বিশ্বাস, দীর্ঘদিনের অভ্যাস এবং নিজের জীবনে অনুভূত ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রসঙ্গ একসঙ্গে উঠে এসেছে।

 

## স্মিত মচ্ছার থেকে দেবলীনা—একই প্রসঙ্গে দুই অভিজ্ঞতা

 

একদিকে মাঝআকাশে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছার জানিয়েছেন, তিনি হনুমান চালিশা পাঠ করছিলেন। অন্যদিকে দেবলীনা জানিয়েছেন, প্রায় ১৭-১৮ বছর ধরে তিনি নিজে হনুমান চালিশা পাঠ করছেন এবং এর ইতিবাচক প্রভাব অনুভব করেছেন বলে তাঁর দাবি।

 

দুই ক্ষেত্রেই বক্তব্যের কেন্দ্রবিন্দু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা।

 

স্মিতের ক্ষেত্রে এটি ছিল একটি আকস্মিক ও চরম সংকটের মুহূর্তে তাঁর ব্যক্তিগত বিশ্বাসের আশ্রয় নেওয়ার কথা। আর দেবলীনার ক্ষেত্রে এটি দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত অভ্যাস ও তার সঙ্গে যুক্ত তাঁর নিজস্ব উপলব্ধির কথা।

 

## ‘কীভাবে পড়তে হয়, কেউ শেখায়নি’

 

দেবলীনার বক্তব্যের আরও একটি উল্লেখযোগ্য দিক হল, তিনি জানিয়েছেন যে তাঁকে কেউ হনুমান চালিশা পাঠ করার পদ্ধতি শেখাননি।

 

নিজের আগ্রহ থেকেই তিনি এটি শুরু করেছিলেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। অর্থাৎ, কোনও নির্দিষ্ট পরিস্থিতির চাপে নয়, বরং নিজের ইচ্ছাতেই তাঁর এই অভ্যাস তৈরি হয়েছিল।

 

সময়ের সঙ্গে সেই অভ্যাস তাঁর জীবনের অংশ হয়ে যায়। আর এখন, দীর্ঘ বছর পর, তিনি পিছনে ফিরে নিজের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে জানালেন।

 

## ‘জীবনে যা কিছু ভালো ঘটেছে…’

 

নিজের পোস্টে দেবলীনা জানিয়েছেন, হনুমান চালিশা পাঠ শুরু করার পর তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ইতিবাচক ঘটনা তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সেই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা তাঁর পক্ষে কঠিন।

 

এখানেই তাঁর পোস্টের ব্যক্তিগত দিকটি সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তিনি কোনও নির্দিষ্ট ঘটনার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেননি; বরং নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা এবং বিশ্বাসের কথা জানিয়েছেন।

 

তাই তাঁর বক্তব্যকে মূলত **ব্যক্তিগত উপলব্ধি** হিসেবেই দেখা যায়।

 

## স্মিতের সাহসিকতার ঘটনাও আলোচনার কেন্দ্রে

 

হনুমান চালিশা নিয়ে দেবলীনার বক্তব্যের পাশাপাশি যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে এই আলোচনা শুরু হয়েছে, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইট FZ1073-এ মাঝআকাশে ককপিটে সহ-পাইলটের হামলার পর পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। গুরুতর আহত হওয়ার পরও ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছার ককপিটের দরজা খোলার ব্যবস্থা করেন, যার ফলে অন্য ক্রু ও যাত্রীরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সুযোগ পান। পরে বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে। ([India Today][4])

 

এই ঘটনার সময় তিনি হনুমান চালিশা পাঠ করছিলেন বলে নিজেই জানিয়েছেন। ([Loksatta][1])

 

এই বক্তব্যই এখন তাঁর ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয়টিকে ঘটনার সঙ্গে আরও বেশি করে যুক্ত করেছে।

 

## দেবলীনার পোস্টে উঠে এল পুরনো স্মৃতি

 

স্মিত মচ্ছারের বক্তব্য সামনে আসার পরই দেবলীনা নিজের পুরনো অভিজ্ঞতার কথা মনে করেন। সমাজমাধ্যমে সেই অভিজ্ঞতা ভাগ করে তিনি জানান, প্রায় ১৮ বছর ধরে তাঁর জীবনে হনুমান চালিশা পাঠের অভ্যাস রয়েছে।

 

তিনি আরও বোঝাতে চেয়েছেন, শুধুমাত্র কারও কথা শুনে তিনি এই অভ্যাস তৈরি করেননি। নিজের মতো করে শুরু করেছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে পাঠ করার পর নিজের জীবনে তার প্রভাব অনুভব করেছেন বলে দাবি করেছেন।

 

এভাবেই সাম্প্রতিক একটি ঘটনা অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবনের একটি দীর্ঘ অধ্যায়কে আবার সামনে নিয়ে এল।

 

## বিশ্বাসের জায়গা ব্যক্তিগত

 

ধর্মীয় বিশ্বাস বা আধ্যাত্মিক অনুশীলন ব্যক্তিগত বিষয়। একজনের কাছে যে অভ্যাস মানসিক শান্তির কারণ হতে পারে, অন্যজনের ক্ষেত্রে তার অভিজ্ঞতা ভিন্ন হতে পারে।

 

দেবলীনা তাঁর নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন। একইভাবে স্মিত মচ্ছারও সংকটের সময় হনুমান চালিশা পাঠের কথা জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য তাঁদের নিজস্ব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে।

 

এই দুই বক্তব্য থেকেই বোঝা যায়, কঠিন পরিস্থিতিতে মানুষ নিজের পরিচিত বিশ্বাস ও মানসিক আশ্রয়ের দিকে ফিরে যেতে পারেন।

 

### শেষ কথা

 

ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছারের মাঝআকাশের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা এবং সংকটের সময় হনুমান চালিশা পাঠের বক্তব্যের পরই বিষয়টি সমাজমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় আসে। সেই আলোচনায় নিজের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা নিয়ে যোগ দিলেন অভিনেত্রী দেবলীনা ভট্টাচার্য।

 

প্রায় **১৭-১৮ বছর ধরে হনুমান চালিশা পাঠ করার কথা জানিয়ে** দেবলীনা বলেছেন, এই অভ্যাস তাঁর জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে তিনি অনুভব করেন। একইসঙ্গে তিনি অন্যের কথা অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে নিজের মতো করে পড়ে ও উপলব্ধি করার কথাও বলেছেন।

 

অন্যদিকে, ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছার জানিয়েছেন, মাঝআকাশের সেই কঠিন পরিস্থিতিতেও তিনি হনুমান চালিশা পাঠ করছিলেন এবং সেটি তাঁকে সাহস জুগিয়েছিল। ([Loksatta][1])

 

দুই ভিন্ন মানুষের দুই ভিন্ন অভিজ্ঞতা—তবে দু’জনের বক্তব্যেই উঠে এসেছে সংকটের সময়ে বিশ্বাস ও মানসিক শক্তির প্রসঙ্গ।

 

 

Preview image