রানাঘাট শহর চক্রের উদ্যোগে আহেলীতে অনুষ্ঠিত হলো শিক্ষক কর্মশালা জাতীয় শিক্ষা নীতির আলোকে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ নিষ্ঠা কোর্স সার্টিফিকেট ডাউনলোড ও শিক্ষার আধুনিকীকরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার নদিয়ার রানাঘাট শহর চক্রের উদ্যোগে আহেলীতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমান সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে এবং জাতীয় শিক্ষা নীতির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে শিক্ষকদের আরও সচেতন ও দক্ষ করে তোলাই ছিল এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পেডাগগি কো-অর্ডিনেটর ডক্টর সুজিত কুমার বিশ্বাস, রানাঘাট পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কামনাশিস চট্টোপাধ্যায় এবং রানাঘাট শহর ও আশেপাশের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ ও আগ্রহ।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, বর্তমান যুগে শুধুমাত্র পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক শিক্ষা যথেষ্ট নয়। শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে তারা রাজ্য, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করতে পারে। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
জাতীয় শিক্ষা নীতির বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বক্তারা জানান, আগামী দিনের শিক্ষা হবে আরও বেশি দক্ষতাভিত্তিক এবং ব্যবহারিক। শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর না করে তাদের সামগ্রিক বিকাশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেই লক্ষ্যেই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কর্মশালায় বিশেষভাবে আলোচনা হয় ‘নিষ্ঠা’ (NISHTHA) প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নিয়ে। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতি, ডিজিটাল শিক্ষা, শিশু মনোবিজ্ঞান, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা এবং মূল্যায়ন ব্যবস্থার বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। উপস্থিত শিক্ষকদের মধ্যে যারা নিষ্ঠা কোর্স সম্পূর্ণ করেছেন, তাদের অভিজ্ঞতা এবং প্রশিক্ষণ-পরবর্তী পরিবর্তন নিয়েও আলোচনা হয়।
এছাড়াও কোর্স রেজিস্ট্রেশন, প্রগ্রেস ট্র্যাকিং, অনলাইন মডিউল সম্পূর্ণকরণ এবং সার্টিফিকেট ডাউনলোড সংক্রান্ত বিভিন্ন নির্দেশিকা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকা অনলাইন পোর্টাল ব্যবহারের সময় যে সমস্যার সম্মুখীন হন, সেই বিষয়গুলিরও সমাধান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ডক্টর সুজিত কুমার বিশ্বাস তাঁর বক্তব্যে বলেন, শিক্ষকরা হলেন শিক্ষাব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি। তাঁদের জ্ঞান ও দক্ষতার উন্নয়নের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হতে পারে। তিনি শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং নতুন নতুন শিক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে আপডেট থাকার আহ্বান জানান।
কাউন্সিলর কামনাশিস চট্টোপাধ্যায় বলেন, বর্তমান সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার ক্রমশ বাড়ছে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দক্ষ হয়ে উঠতে হবে। শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রশাসন এবং শিক্ষকদের যৌথ প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
কর্মশালায় উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষিকারা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণমূলক কর্মসূচি তাঁদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষাদানের নতুন কৌশল, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আরও কার্যকর যোগাযোগের বিষয়ে তাঁরা নতুন ধারণা লাভ করেছেন।
শিক্ষার মানোন্নয়ন, আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতির প্রসার এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার নদিয়ার রানাঘাট শহর চক্রের উদ্যোগে আহেলীতে এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বর্তমান সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় যে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে, সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষকদের আরও দক্ষ, প্রযুক্তি-সচেতন এবং আধুনিক শিক্ষণ কৌশলে অভ্যস্ত করে তোলাই ছিল এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পেডাগগি কো-অর্ডিনেটর ডক্টর সুজিত কুমার বিশ্বাস, রানাঘাট পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কামনাশিস চট্টোপাধ্যায় এবং রানাঘাট শহর চক্রের অন্তর্গত বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। কর্মশালায় শিক্ষাক্ষেত্রে বর্তমান চ্যালেঞ্জ, জাতীয় শিক্ষা নীতির বাস্তবায়ন, নিষ্ঠা প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, ডিজিটাল শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, একবিংশ শতাব্দীর শিক্ষা আর শুধু বইভিত্তিক জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বর্তমান যুগে শিক্ষার্থীদের এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে যাতে তারা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করতে পারে, পাশাপাশি বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধান, নেতৃত্ব প্রদান, সৃজনশীল চিন্তাভাবনা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়। সেই লক্ষ্য পূরণে শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কর্মশালায় জাতীয় শিক্ষা নীতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হয়। আলোচকরা জানান, জাতীয় শিক্ষা নীতির অন্যতম লক্ষ্য হলো শিক্ষাকে আরও বেশি দক্ষতাভিত্তিক, ব্যবহারিক এবং শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক করে তোলা। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য নয়, বরং জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল হওয়ার জন্যও প্রস্তুত হবে। নতুন শিক্ষানীতিতে সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা, সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা, যোগাযোগ দক্ষতা এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞানকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বক্তারা বলেন, পরিবর্তিত শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে হলে নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং নতুন শিক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে আপডেট থাকা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান সময়ে শিক্ষক কেবল জ্ঞানদাতা নন, তিনি একজন পথপ্রদর্শক, পরামর্শদাতা এবং শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশের অন্যতম প্রধান সহায়ক। তাই শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের কোনও বিকল্প নেই।
কর্মশালার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল ‘নিষ্ঠা’ (NISHTHA) প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আধুনিক শিক্ষণ কৌশল, ডিজিটাল শিক্ষা, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা, শিশু মনোবিজ্ঞান, মূল্যায়ন পদ্ধতি এবং শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নিষ্ঠা প্রশিক্ষণ একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে নিষ্ঠা কোর্স সম্পূর্ণ করা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। তাঁরা জানান, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন শিক্ষণ কৌশল সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়েছে এবং শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের আরও কার্যকরভাবে শেখানোর বিভিন্ন পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করেছেন। বিশেষ করে ডিজিটাল টুলসের ব্যবহার, শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষাকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার বিভিন্ন বিষয় তাঁদের কাজে সহায়তা করছে।
কর্মশালায় কোর্স রেজিস্ট্রেশন, অনলাইন মডিউল সম্পূর্ণ করার প্রক্রিয়া, প্রগ্রেস ট্র্যাকিং এবং সার্টিফিকেট ডাউনলোড সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রদান করা হয়। অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সময় যে সমস্যার সম্মুখীন হন, সেগুলির সমাধানও হাতে-কলমে দেখানো হয়। ফলে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকরা বিভিন্ন প্রযুক্তিগত বিষয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন।
ডক্টর সুজিত কুমার বিশ্বাস তাঁর বক্তব্যে বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলেন শিক্ষকরা। একজন দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকই একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গঠনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে পারেন। তিনি বলেন, বর্তমান যুগে শিক্ষার ধারণা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শিক্ষকদেরও নিরন্তর শেখার মানসিকতা বজায় রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় শিক্ষা নীতির সফল বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি পেলে শিক্ষার্থীরাও তার সুফল পাবে এবং সামগ্রিকভাবে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন সম্ভব হবে। তিনি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রশিক্ষণমূলক কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
রানাঘাট পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কামনাশিস চট্টোপাধ্যায় বলেন, বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া শিক্ষাক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। স্মার্ট ক্লাসরুম, ডিজিটাল কনটেন্ট, অনলাইন মূল্যায়ন এবং ভার্চুয়াল শিক্ষার মতো বিষয়গুলি এখন শিক্ষাব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। তাই শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরও প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ হয়ে উঠতে হবে।
তিনি বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের দেশ গঠনের কারিগর। তাঁদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে হলে আধুনিক, বিজ্ঞানভিত্তিক এবং দক্ষতাকেন্দ্রিক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। আর সেই কাজ সফলভাবে করতে পারবেন দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক-শিক্ষিকারাই।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষিকারা জানান, এ ধরনের কর্মশালা তাঁদের পেশাগত জীবনে অত্যন্ত সহায়ক। এখানে শুধু নতুন তথ্য জানা যায় না, বরং অন্যান্য বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগও তৈরি হয়। ফলে একে অপরের অভিজ্ঞতা থেকে শেখার সুযোগ মেলে এবং শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের নতুন নতুন ধারণা পাওয়া যায়।
শিক্ষাবিদদের মতে, বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতা ক্রমশ বাড়ছে। তাই শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে তারা শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করেই থেমে না যায়, বরং জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারে। যোগাযোগ দক্ষতা, সৃজনশীলতা, দলগত কাজের মানসিকতা, প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষমতা এবং নৈতিক মূল্যবোধ—এই সব গুণাবলির বিকাশ ঘটানোও শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হওয়া উচিত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষকদের ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতির প্রসার আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। শিক্ষার্থীরা শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বাস্তব জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্যও প্রস্তুত হবে। প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে সফল হতে গেলে যে ধরনের দক্ষতা প্রয়োজন, তা অর্জনের ক্ষেত্রেও এই ধরনের উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
সব মিলিয়ে আহেলীতে অনুষ্ঠিত এই শিক্ষক কর্মশালা শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, জাতীয় শিক্ষা নীতির বাস্তবায়ন এবং শিক্ষার আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অংশগ্রহণকারী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হলে শিক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব হবে এবং শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে নিজেদের সফলভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে এই ধরনের প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার ধারাবাহিক আয়োজন আগামী দিনে আরও ফলপ্রসূ ভূমিকা পালন করবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।