স্পেনের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে লিয়োনেল মেসির উপর চাপ বাড়ালেন কিলিয়ান এমবাপে। দুটি গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডে প্রাক্তন পিএসজি সতীর্থকে পিছনে ফেলে নজির গড়লেন ফরাসি তারকা।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সের জয় আসেনি। রুদ্ধশ্বাস দশ গোলের ম্যাচে ৬-৪ ব্যবধানে ইংল্যান্ডের কাছে পরাজিত হয়েছে ফরাসিরা। কিন্তু দল হারলেও ব্যক্তিগত কীর্তিতে ফুটবল ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখে ফেলেছেন ফ্রান্স অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয়ার্ধে জোড়া গোল করে তিনি টপকে গিয়েছেন লিয়োনেল মেসিকে। শুধু চলতি বিশ্বকাপের সোনার বুটের লড়াইয়েই নয়, বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকাতেও আর্জেন্টিনার অধিনায়ককে পিছনে ফেলে দিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের তারকা।
ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে বিশ্বকাপে মেসি ও এমবাপের মোট গোলসংখ্যার ব্যবধান খুব বেশি ছিল না। মেসির নামের পাশে ছিল ২১ গোল এবং এমবাপে ছিলেন ২০ গোলে। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সের হয়ে দু’বার জালে বল পাঠিয়ে নিজের বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা ২২-এ নিয়ে যান এমবাপে। ফলে আপাতত তিনিই বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক গোল করা ফুটবলার। চলতি প্রতিযোগিতাতেও তাঁর গোলসংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০। অন্যদিকে স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনালে নামার আগে মেসির গোল আটটি।
এর ফলে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে মেসির সামনে তৈরি হয়েছে দ্বৈত চ্যালেঞ্জ। প্রথমত, আর্জেন্টিনাকে স্পেনের বিরুদ্ধে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করা। দ্বিতীয়ত, এমবাপেকে পিছনে ফেলে অথবা তাঁর সঙ্গে সমতা ফিরিয়ে ব্যক্তিগত গোলের রেকর্ড ও সোনার বুটের লড়াইয়ে নিজের অবস্থান পুনরুদ্ধার করা। অর্থাৎ নিউইয়র্ক–নিউ জার্সির ফাইনালটি এখন শুধু আর্জেন্টিনা ও স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের লড়াই নয়; এটি মেসির ব্যক্তিগত ইতিহাস রক্ষার ম্যাচও।
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচকে সাধারণত বিশ্বকাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হিসেবে দেখা হয় না। সেমিফাইনালে হারের হতাশা কাটিয়ে দলগুলি এই ম্যাচে মাঠে নামে। কিন্তু ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের ম্যাচটি রূপ নেয় এক অবিশ্বাস্য গোলের উৎসবে। ইংল্যান্ড প্রথমার্ধেই চার গোলের বড় ব্যবধান তৈরি করেছিল। বুকায়ো সাকার দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক এবং ইংল্যান্ডের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে শুরুতে দিশাহারা হয়ে পড়েছিল ফ্রান্স।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে সম্পূর্ণ ভিন্ন মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামে দিদিয়ের দেশঁর দল। আক্রমণের গতি বাড়ায় ফ্রান্স এবং সেই প্রত্যাবর্তনের নেতৃত্ব দেন এমবাপে। তিনি দু’টি গোল করে ফরাসি সমর্থকদের ম্যাচে ফেরার আশা দেখিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে গোল করেন ব্র্যাডলি বারকোলা ও উসমান দেম্বেলেও। একসময় ব্যবধান কমে দাঁড়িয়েছিল ৪-৩। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ড আরও দু’টি গোল করে ৬-৪ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে।
ফ্রান্স ব্রোঞ্জ পদক জিততে না পারলেও এমবাপের ব্যক্তিগত অর্জন ম্যাচটির গুরুত্ব কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। মাত্র ২৭ বছর বয়সেই তিনি বিশ্বকাপের তিনটি আসর মিলিয়ে ২২ গোল করেছেন। ২০১৮ সালে চারটি, ২০২২ সালে আটটি এবং ২০২৬ বিশ্বকাপে ১০টি গোল এসেছে তাঁর পা থেকে। এই ধারাবাহিকতাই তাঁকে ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা বিশ্বকাপ গোলদাতার আসনে বসিয়েছে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড দীর্ঘদিন ধরেই ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার অন্যতম বিষয়। বিভিন্ন প্রজন্মে গার্ড মুলার, রোনাল্ডো নাজারিও, মিরোস্লাভ ক্লোসে এবং লিয়োনেল মেসির মতো কিংবদন্তিরা এই তালিকার শীর্ষে উঠেছেন। এবার তাঁদের সবাইকে অতিক্রম করে শীর্ষস্থান দখল করলেন এমবাপে।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম গোলটি করার সঙ্গে সঙ্গে তিনি মেসির ২১ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করেন। দ্বিতীয় গোলটি তাঁকে এককভাবে শীর্ষে পৌঁছে দেয়। ফলে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার নতুন সংখ্যা এখন ২২। তবে এই রেকর্ড এখনও পুরোপুরি নিরাপদ নয়। কারণ মেসির হাতে স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনাল ম্যাচটি রয়েছে।
ফাইনালে একটি গোল করলেই মেসির বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা ২২ হবে। তখন দুই তারকা যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে থাকবেন। মেসি দুই গোল করলে তাঁর মোট গোলসংখ্যা হবে ২৩ এবং এমবাপেকে আবার পিছনে ফেলে এককভাবে রেকর্ডের মালিক হবেন। কিন্তু মেসি গোল করতে না পারলে আপাতত রেকর্ডটি এমবাপের কাছেই থাকবে।
মেসির বয়স বর্তমানে ৩৯ বছর। ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে তাঁর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা অত্যন্ত কম বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে। ফলে স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনালই বিশ্বকাপের গোলের রেকর্ড পুনরুদ্ধারের শেষ সুযোগ হতে পারে। অন্যদিকে এমবাপের বয়স মাত্র ২৭ বছর। ফিট থাকলে তিনি অন্তত আরও একটি, এমনকি দু’টি বিশ্বকাপেও খেলতে পারেন। সেই কারণে ভবিষ্যতে তাঁর গোলের রেকর্ড আরও অনেক দূর এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
শুধু সর্বকালের বিশ্বকাপ গোলের রেকর্ড নয়, চলতি বিশ্বকাপের সোনার বুটের দৌড়েও বড় সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছে গিয়েছেন এমবাপে। ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে তাঁর গোল ছিল আটটি। জোড়া গোলের পর সেটি বেড়ে হয়েছে ১০। মেসি এখনও পর্যন্ত আটটি গোল করেছেন। ফলে ফাইনালের আগে এমবাপের থেকে দুই গোলে পিছিয়ে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।
সোনার বুট জয়ের লড়াইয়ে ফিরে আসতে মেসিকে ফাইনালে কমপক্ষে দু’টি গোল করতে হবে। দুই গোল করলে তাঁর গোলসংখ্যা এমবাপের সমান ১০ হবে। তখন প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী গোলের পাশাপাশি গোল করাতে সহায়তা বা অ্যাসিস্টের সংখ্যা বিবেচনা করা হবে।
ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানের বিচারে স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনালটি লিয়োনেল মেসির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও তাঁর প্রধান লক্ষ্য থাকবে আর্জেন্টিনাকে আরও একটি বিশ্বকাপ ট্রফি এনে দেওয়া। দীর্ঘ ফুটবলজীবনে মেসি বারবার প্রমাণ করেছেন, ব্যক্তিগত রেকর্ডের তুলনায় দলের সাফল্যকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দেন। তাই সোনার বুট বা বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড নিয়ে আলোচনা যতই হোক, মাঠে নামার সময় তাঁর মনোযোগ থাকবে স্পেনের রক্ষণ ভাঙা এবং আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করার দিকে।
মেসিকে ফাইনালে অন্তত দু’টি গোল করতে হবে এমবাপের সঙ্গে সোনার বুটের লড়াইয়ে সমতা ফেরাতে। তিন গোল করলে তিনি সরাসরি এমবাপেকে পিছনে ফেলে দিতে পারবেন। কিন্তু বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করা অত্যন্ত কঠিন। স্পেনের রক্ষণভাগ যদি মেসিকে ঘিরে বিশেষ পরিকল্পনা তৈরি করে, তা হলে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের পক্ষে গোল করার সুযোগ পাওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
তবে মেসির সবচেয়ে বড় শক্তি হল, তিনি শুধু গোল করেন না, সতীর্থদের দিয়েও গোল করান। প্রতিপক্ষের দুই বা তিনজন ডিফেন্ডার তাঁকে আটকাতে গেলে আর্জেন্টিনার অন্য ফুটবলারদের সামনে জায়গা তৈরি হয়। ফলে মেসি নিজে গোল না করলেও তাঁর তৈরি করা সুযোগ থেকে আর্জেন্টিনা ম্যাচ জিততে পারে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালেও দেখা গিয়েছে, মেসি গোল না করলেও দল জয় তুলে নিতে সক্ষম। এই দলীয় শক্তিই ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনাকে আত্মবিশ্বাস জোগাবে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে ২২ গোল করে আপাতত সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসেছেন কিলিয়ান এমবাপে। কিন্তু এই রেকর্ড কত দিন তাঁর দখলে থাকবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে মেসির ফাইনালের পারফরম্যান্সের উপর। মেসি একটি গোল করলে দু’জনের গোলসংখ্যা সমান হয়ে যাবে। দুই গোল করলে আবার এককভাবে শীর্ষে উঠে যাবেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।
এমবাপের সুবিধা হল তাঁর বয়স। তিনি এখনও ফুটবলজীবনের সেরা সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। আগামী বিশ্বকাপগুলিতে খেলার সুযোগ পেলে নিজের গোলসংখ্যা আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। মেসির ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আলাদা। বয়সের কারণে স্পেনের বিরুদ্ধে এই ফাইনালই বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁর শেষ ম্যাচ হতে পারে। তাই রেকর্ড পুনরুদ্ধারের জন্য তাঁর হাতে সম্ভবত এটিই শেষ সুযোগ।
এমবাপে ইতিমধ্যে বিশ্বকাপের মঞ্চে অসাধারণ ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন। অল্প বয়সেই একাধিক ফাইনাল খেলা, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোল করা এবং দলের আক্রমণের দায়িত্ব সামলানোর ক্ষমতা তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফ্রান্স পরাজিত হলেও শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতা দেখিয়েছেন তিনি। তাঁর জোড়া গোল ম্যাচের ফল বদলাতে না পারলেও ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে দিয়েছে।
মেসি এবং এমবাপের এই প্রতিযোগিতাকে ফুটবলের দুই প্রজন্মের লড়াই হিসেবেও দেখা যেতে পারে। একদিকে মেসি, যিনি দীর্ঘদিন ধরে ফুটবলবিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে রাজত্ব করেছেন। অন্যদিকে এমবাপে, যাঁকে আগামী প্রজন্মের সবচেয়ে বড় তারকাদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
দু’জন একসময় প্যারিস সঁ জরমেঁর হয়ে একসঙ্গে খেলেছেন। ক্লাব ফুটবলে সতীর্থ হলেও আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাঁরা একে অপরের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান থাকলেও বিশ্বকাপের রেকর্ড এবং সোনার বুটের লড়াই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে।
মেসির ফুটবলে রয়েছে নিখুঁত পাস, ড্রিবলিং, খেলা তৈরির ক্ষমতা এবং চাপের মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা। এমবাপের প্রধান অস্ত্র গতি, শক্তি, বক্সের মধ্যে দ্রুত জায়গা তৈরি এবং সুযোগ কাজে লাগানোর অসাধারণ ক্ষমতা। খেলার ধরন আলাদা হলেও দু’জনেরই লক্ষ্য একই—নিজের দেশকে সর্বোচ্চ সাফল্য এনে দেওয়া।
মেসি ফাইনালে দুই গোল করে এমবাপের ১০ গোল স্পর্শ করলে শুধু গোলসংখ্যার ভিত্তিতে বিজয়ী নির্ধারণ করা নাও যেতে পারে। দু’জনের গোল সমান হলে সাধারণত অ্যাসিস্টের সংখ্যা বিবেচনা করা হয়। সেখানেও সমতা থাকলে কে কম সময় মাঠে থেকে গোল করেছেন, সেই হিসাব দেখা হতে পারে।
এই কারণেই মেসির জন্য ফাইনালে গোলের পাশাপাশি গোল করানোও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তিনি নিজে দুই গোল করার সঙ্গে একটি অ্যাসিস্ট করতে পারলে সোনার বুটের লড়াইয়ে সুবিধা পেতে পারেন। আবার গোলসংখ্যায় এমবাপেকে স্পর্শ করলেও টাইব্রেকারের অন্য নিয়মে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকবে।
তবে মেসি হয়তো ব্যক্তিগত পুরস্কারের হিসাব মাথায় রেখে খেলবেন না। তাঁর কাছে বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ই হবে সবচেয়ে বড় অর্জন। আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হলে সোনার বুট না পেলেও সেই সাফল্য তাঁর ফুটবলজীবনকে আরও ঐতিহাসিক করে তুলবে।
স্পেনের কোচিং দল মেসিকে আটকানোর জন্য বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করবে বলেই মনে করা হচ্ছে। মাঝমাঠে তাঁর কাছে সহজে বল পৌঁছাতে না দেওয়া, বক্সের সামনে জায়গা বন্ধ রাখা এবং একাধিক ফুটবলার দিয়ে তাঁকে ঘিরে রাখার চেষ্টা হতে পারে। মেসিকে যদি বল থেকে দূরে রাখা যায়, তা হলে আর্জেন্টিনার আক্রমণের গতি অনেকটাই কমিয়ে দেওয়া সম্ভব।
কিন্তু মেসিকে আটকাতে অতিরিক্ত খেলোয়াড় ব্যবহার করলে আর্জেন্টিনার অন্য আক্রমণকারীদের সামনে সুযোগ তৈরি হবে। তাই স্পেনকে অত্যন্ত সতর্কভাবে রক্ষণ এবং মাঝমাঠের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। একটি ছোট ভুলও মেসি বা তাঁর সতীর্থরা কাজে লাগাতে পারেন।
ফাইনালের ফল যা-ই হোক, মেসি ও এমবাপের গোলের এই লড়াই বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত অধ্যায় হয়ে থাকবে। এমবাপে ইতিমধ্যেই রেকর্ড গড়েছেন। এখন দেখার, মেসি শেষ ম্যাচে সেই রেকর্ড ফিরে পান কি না। স্পেনের বিরুদ্ধে একটি গোল তাঁকে এমবাপের পাশে বসাবে, দুই গোল পৌঁছে দেবে নতুন উচ্চতায়। আর ট্রফি জিততে পারলে ব্যক্তিগত সব হিসাব ছাপিয়ে আরও একবার বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে উঠে যাবেন আর্জেন্টিনার মহানায়ক।