Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

মেসিকে লাল কার্ড না দেখানোয় ক্ষুব্ধ আলজেরিয়া, FIFA-র কাছে রেফারির বিরুদ্ধে নালিশ

আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে নতুন ইতিহাস গড়লেন লিওনেল মেসি। অধিনায়কের ম্যাজিকেই বড় জয় পেল আর্জেন্টিনা, উচ্ছ্বসিত ফুটবলবিশ্ব।

মেসির হ্যাটট্রিকের মাঝেই রেফারিং বিতর্ক, ফিফার কাছে অভিযোগ আলজেরিয়ার

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘J’-এর আর্জেন্তিনা বনাম আলজেরিয়া ম্যাচ শেষ হলেও তার রেশ এখনও কাটছে না। মাঠের স্কোরলাইন বলছে, আর্জেন্তিনা ৩-০ গোলে সহজ জয় পেয়েছে। কিন্তু ম্যাচের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে শুধু লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিক নয়, তার থেকেও বেশি জায়গা দখল করেছে রেফারিং সিদ্ধান্ত, VAR-এর ভূমিকা এবং কয়েকটি বিতর্কিত মুহূর্ত। আলজেরিয়ার দাবি, ম্যাচে এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যা খেলার গতিপথ বদলে দিয়েছে। তাদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ঘটনায় রেফারি কঠোর সিদ্ধান্ত নিলে ম্যাচের চেহারা সম্পূর্ণ আলাদা হতে পারত।

এই ম্যাচে আর্জেন্তিনার জয়ের নায়ক নিঃসন্দেহে লিওনেল মেসি। বয়স, অভিজ্ঞতা এবং চাপ—সবকিছুকে পেছনে ফেলে তিনি আরও একবার প্রমাণ করেছেন কেন তাঁকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা বলা হয়। আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর হ্যাটট্রিক শুধু আর্জেন্তিনাকে জেতায়নি, বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁর ব্যক্তিগত কৃতিত্বকেও আরও উঁচুতে নিয়ে গেছে। কিন্তু সেই অসাধারণ পারফরম্যান্সের মধ্যেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। অভিযোগ উঠেছে, ম্যাচের প্রথমার্ধে আলজেরিয়ার অধিনায়ক আইসা মান্দির ওপর মেসির একটি চ্যালেঞ্জের পর তাঁকে লাল কার্ড দেখানো উচিত ছিল। কিন্তু রেফারি সেই পথে হাঁটেননি। এখান থেকেই শুরু বিতর্ক।

আলজেরিয়া ফুটবল ফেডারেশন এই ঘটনাকে হালকা ভাবে নেয়নি। তারা ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক ভাবে অভিযোগ জানিয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, রেফারির কয়েকটি সিদ্ধান্ত তাদের দলের বিরুদ্ধে গিয়েছে এবং তাতে খেলার ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। শুধু মেসির ঘটনাই নয়, আর্জেন্তিনার আরেক ফুটবলার আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের বিরুদ্ধেও আলজেরিয়া গুরুতর অভিযোগ তুলেছে। তাদের দাবি, দ্বিতীয়ার্ধে ইব্রাহিম মাজাকে কনুই দিয়ে আঘাত করার মতো একটি ঘটনায়ও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে পুরো ম্যাচের রেফারিং ও VAR ব্যবহারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে রেফারিং সিদ্ধান্ত সব সময়ই আলোচনার বিষয় হয়ে থাকে। একটি ফাউল, একটি কার্ড, একটি পেনাল্টি বা একটি VAR রিভিউ—মুহূর্তের মধ্যে ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারে। আর্জেন্তিনা ও আলজেরিয়া ম্যাচেও ঠিক সেটাই ঘটেছে বলে দাবি করছে আলজেরিয়া। তাদের বক্তব্য, মেসির মতো একজন তারকা ফুটবলারকে মাঠে রেখে দেওয়া হয়েছে, অথচ একই ধরনের ঘটনায় অন্য কোনও খেলোয়াড় হয়তো কঠোর শাস্তির মুখে পড়তেন। এই অভিযোগ প্রমাণিত হোক বা না হোক, বিতর্কটি ফুটবল দুনিয়ায় বড় আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ম্যাচের প্রথম দিকে আর্জেন্তিনা নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দে খেলতে শুরু করে। পাসিং, বল দখল, মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ—সব দিক থেকেই তারা ছিল এগিয়ে। মেসি শুরু থেকেই আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। তাঁর পায়ের ছোঁয়ায় আর্জেন্তিনার আক্রমণে ছন্দ তৈরি হচ্ছিল। আলজেরিয়া চেষ্টা করছিল দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকের মাধ্যমে চাপ তৈরি করতে। তবে আর্জেন্তিনার রক্ষণভাগ বেশ সংগঠিত ছিল। এই সময়েই আসে ম্যাচের প্রথম বড় বিতর্কিত মুহূর্ত। আলজেরিয়ার দাবি অনুযায়ী, মেসির চ্যালেঞ্জে মান্দি বিপজ্জনক ভাবে আক্রান্ত হন। ঘটনাটি নিয়ে মাঠে আপত্তি জানালেও রেফারি কোনও বড় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেননি।

এখানেই প্রশ্ন উঠছে VAR-এর ভূমিকা নিয়ে। আধুনিক ফুটবলে VAR আনা হয়েছিল বড় ভুল কমানোর জন্য। কিন্তু অনেক সময় VAR ব্যবহার নিয়েই সবচেয়ে বেশি বিতর্ক তৈরি হয়। কোন ঘটনা রিভিউ হবে, কোনটি হবে না, কোন কোণ থেকে দেখা হবে, রেফারির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী হবে—এসব বিষয় নিয়ে সমর্থক ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতভেদ থাকে। আলজেরিয়া মনে করছে, এই ম্যাচে VAR যদি যথাযথ ভাবে ব্যবহার করা হত, তাহলে সিদ্ধান্ত অন্যরকম হতে পারত। তাদের অভিযোগ, শুধু মাঠের রেফারি নন, VAR টিমও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সঠিক হস্তক্ষেপ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

মেসি যদি ওই সময় লাল কার্ড দেখতেন, তাহলে ম্যাচের গল্প হয়তো সম্পূর্ণ আলাদা হতে পারত। আর্জেন্তিনা দশ জনে নেমে যেত, মেসি আর মাঠে থাকতেন না, এবং আলজেরিয়ার সামনে ম্যাচে ফেরার বড় সুযোগ তৈরি হত। কিন্তু তা হয়নি। মেসি মাঠে থেকে যান এবং পরে হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন। এই কারণেই আলজেরিয়ার ক্ষোভ আরও বেশি। তাদের দাবি, যে ফুটবলারকে মাঠের বাইরে চলে যেতে হতে পারত, তিনিই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নায়ক হয়ে যান। ফুটবলের ভাষায় এটিই বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে।

তবে আর্জেন্তিনা শিবিরের দৃষ্টিকোণ থেকে ছবিটা আলাদা। তাদের কাছে এটি ছিল একটি দাপুটে জয়। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে নতুন বিশ্বকাপ অভিযানের শুরুতে এমন জয় আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মেসির হ্যাটট্রিক, দলের রক্ষণাত্মক শৃঙ্খলা, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণের ধার—সব মিলিয়ে আর্জেন্তিনা সমর্থকদের কাছে এই ম্যাচ ছিল উৎসবের মতো। কিন্তু জয় যত বড়ই হোক, বিতর্ক তার ছায়া ফেলেছে। ম্যাচ শেষে আলোচনায় স্কোরলাইন যতটা এসেছে, রেফারিং প্রশ্নও ততটাই উঠে এসেছে।

মেসির পারফরম্যান্স আলাদা করে বলার মতো। বিশ্বকাপের মঞ্চে তিনি বারবার নিজেকে প্রমাণ করেছেন। আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর গোলগুলো শুধু দক্ষতার পরিচয় নয়, চাপ সামলানোর ক্ষমতারও প্রমাণ। বড় ম্যাচে বড় খেলোয়াড়দের কাছ থেকে যা আশা করা হয়, মেসি তা আবারও করে দেখিয়েছেন। তাঁর ফিনিশিং, পজিশন নেওয়া, বল নিয়ন্ত্রণ এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এখনও সমান ধারালো। তবে এই ম্যাচে তাঁর হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি বিতর্কিত চ্যালেঞ্জও ইতিহাসে থেকে যেতে পারে।

ফুটবল কখনও শুধু স্কোরলাইনের খেলা নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে আবেগ, ন্যায়বিচারের অনুভূতি, সমর্থকদের বিশ্বাস এবং খেলোয়াড়দের মানসিকতা। আলজেরিয়ার জন্য এই ম্যাচ শুধু হার নয়, তাদের মতে এটি ছিল একটি ‘অন্যায্য’ ম্যাচের অভিজ্ঞতা। তারা মনে করছে, রেফারিংয়ের কারণে তাদের ন্যায্য সুযোগ নষ্ট হয়েছে। বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে এমন অনুভূতি কোনও দলের জন্যই সহজ নয়। বিশেষ করে যখন প্রতিপক্ষ আর্জেন্তিনার মতো শক্তিশালী দল, তখন প্রতিটি সিদ্ধান্ত আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

news image
আরও খবর

আলজেরিয়ার অভিযোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল রেফারিংয়ে ধারাবাহিকতা। একই ধরনের ফাউলে এক ম্যাচে এক সিদ্ধান্ত, অন্য ম্যাচে অন্য সিদ্ধান্ত হলে প্রশ্ন উঠবেই। ফুটবলে খেলোয়াড়ের নাম বা তারকা মর্যাদা দেখে সিদ্ধান্ত বদলানো উচিত নয়—এমনটাই মনে করেন বহু সমর্থক। আলজেরিয়ার অভিযোগ এই বৃহত্তর প্রশ্নকেও সামনে এনেছে। মেসি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ফুটবলার, কিন্তু নিয়মের চোখে সব খেলোয়াড় সমান হওয়া উচিত। বিতর্ক এখানেই সবচেয়ে বেশি।

ম্যাচে ম্যাক অ্যালিস্টারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। আলজেরিয়ার দাবি, ইব্রাহিম মাজাকে মুখে কনুই দিয়ে আঘাত করার ঘটনায় রেফারি এবং VAR যথাযথ নজর দেননি। এমন ঘটনা ফুটবলে ‘ভায়োলেন্ট কন্ডাক্ট’ বা বিপজ্জনক আচরণের আওতায় পড়তে পারে কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ফিফা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওপর নির্ভর করবে, কিন্তু অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি এখন আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে আলোচ্য।

এই ঘটনা বিশ্বকাপে VAR ব্যবস্থার ওপর নতুন করে চাপ বাড়িয়েছে। VAR থাকার পরও যদি দলগুলি মনে করে ন্যায়বিচার পাচ্ছে না, তাহলে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। ফুটবলে প্রযুক্তি মানুষের ভুল কমাতে সাহায্য করতে পারে, কিন্তু সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত মানুষেরই। তাই স্বচ্ছতা, দ্রুততা এবং ধারাবাহিকতা অত্যন্ত জরুরি। আর্জেন্তিনা-আলজেরিয়া ম্যাচের পর অনেকেই বলছেন, রেফারি ও VAR সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা আরও পরিষ্কার ভাবে সামনে আসা উচিত, যাতে সমর্থকরা বুঝতে পারেন কেন কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

আলজেরিয়ার সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ। প্রথম ম্যাচে ৩-০ হারের পর তাদের শুধু মানসিক ভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হবে না, মাঠের পারফরম্যান্সেও উন্নতি করতে হবে। অভিযোগ থাকতেই পারে, কিন্তু টুর্নামেন্টে এগোতে হলে পরের ম্যাচগুলিতে পয়েন্ট তোলা ছাড়া উপায় নেই। কোচিং স্টাফকে দলকে বোঝাতে হবে যে বিতর্ককে পেছনে ফেলে সামনে তাকানোই এখন জরুরি। ফুটবলে অন্যায়ের অনুভূতি অনেক সময় দলকে আরও লড়াকু করে তোলে। আলজেরিয়া সেই শক্তিকে কাজে লাগাতে পারে কি না, সেটাই দেখার।

অন্যদিকে আর্জেন্তিনার সামনে কাজ হল জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। কিন্তু তাদেরও এই বিতর্ক থেকে সাবধান হতে হবে। বড় টুর্নামেন্টে শৃঙ্খলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনও খেলোয়াড়ের একটি ভুল চ্যালেঞ্জ বা অপ্রয়োজনীয় ফাউল দলকে বড় বিপদে ফেলতে পারে। নকআউটের পথে এগোতে হলে আর্জেন্তিনাকে শুধু গোল করলেই হবে না, ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ও আচরণ—দুই দিকেই সতর্ক থাকতে হবে। মেসির নেতৃত্বে দল শক্তিশালী, কিন্তু বিতর্ক যেন দলের মনোযোগ নষ্ট না করে, সেটাই বড় বিষয়।

সমর্থকদের প্রতিক্রিয়াও এই বিতর্ককে আরও বড় করেছে। সামাজিক মাধ্যমে একদল বলছেন, মেসির মতো তারকাকে রেফারি বাড়তি সুবিধা দিয়েছেন। অন্যদিকে আর্জেন্তিনা সমর্থকদের দাবি, ঘটনাটি অতিরঞ্জিত করা হচ্ছে এবং আর্জেন্তিনা মাঠে যোগ্য জয় পেয়েছে। ফুটবলে এই ধরনের মতবিরোধ নতুন নয়। বড় ম্যাচ, বড় তারকা এবং বড় সিদ্ধান্ত—এই তিনটি একসঙ্গে এলেই বিতর্ক বাড়ে। আর্জেন্তিনা-আলজেরিয়া ম্যাচও তার ব্যতিক্রম নয়।

এই বিতর্কের চূড়ান্ত ফল কী হবে, তা নির্ভর করছে ফিফার পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর। ফিফা অভিযোগ খতিয়ে দেখবে কি না, রেফারিং কমিশন কোনও রিপোর্ট চাইবে কি না, বা কোনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হবে কি না—এসব বিষয় এখন নজরে থাকবে। সাধারণত ম্যাচ শেষ হওয়ার পর ফল বদলানোর সম্ভাবনা খুবই কম থাকে। কিন্তু রেফারিং মূল্যায়ন, ভবিষ্যৎ ম্যাচে রেফারি নিয়োগ এবং সম্ভাব্য শৃঙ্খলাজনিত পর্যালোচনার ক্ষেত্রে এই অভিযোগ প্রভাব ফেলতে পারে।

সব মিলিয়ে, আর্জেন্তিনা বনাম আলজেরিয়া ম্যাচ বিশ্বকাপ ২০২৬-এর শুরুতেই এক নাটকীয় অধ্যায় তৈরি করেছে। একদিকে মেসির ঐতিহাসিক হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে রেফারিং নিয়ে তীব্র বিতর্ক। আর্জেন্তিনা সমর্থকদের কাছে এটি স্মরণীয় জয়, আর আলজেরিয়ার কাছে এটি ক্ষোভ ও প্রশ্নে ভরা এক ম্যাচ। ফুটবলের সৌন্দর্য যেমন মাঠের গোল ও জাদুতে, তেমনই বিতর্কও কখনও কখনও এই খেলাকে আরও আলোচনায় নিয়ে আসে। তবে বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে প্রত্যাশা থাকে—সেরা দল জিতুক, কিন্তু সিদ্ধান্ত হোক নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ।

মেসির হ্যাটট্রিক হয়তো ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নেবে। কিন্তু একই সঙ্গে এই ম্যাচ মনে করিয়ে দিল, ফুটবলে প্রযুক্তি থাকলেও বিতর্ক শেষ হয়নি। বরং VAR যুগে প্রতিটি সিদ্ধান্ত আরও বেশি খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। আর্জেন্তিনা তাদের অভিযান দারুণ ভাবে শুরু করেছে, কিন্তু আলজেরিয়ার অভিযোগ বিশ্বকাপের রেফারিং মান নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। সামনে ফিফা কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন ফুটবলপ্রেমীদের নজরে।

Preview image