iPhone, iPad ও Apple Watch-এর মাধ্যমে এবার সহজেই Apple Pay-তে পেমেন্ট করা যাবে, এমনটাই জানিয়েছে সংস্থা।
ভারতে ডিজিটাল পেমেন্টের দুনিয়ায় নতুন সংযোজন Apple Pay। Apple-এর জনপ্রিয় ডিভাইস ব্যবহারকারীদের জন্য এবার আরও সহজ হতে চলেছে দৈনন্দিন পেমেন্টের অভিজ্ঞতা। iPhone, iPad এবং Apple Watch-এর মাধ্যমে পেমেন্ট করার সুবিধা নিয়ে ভারতে হাজির হয়েছে Apple Pay। ফলে Apple ডিভাইস ব্যবহারকারীরা আলাদা করে কার্ড বের না করেই নিজেদের ডিভাইসের সাহায্যে নির্দিষ্ট মার্চেন্টের কাছে পেমেন্ট করতে পারবেন। QR স্ক্যান করে পেমেন্ট করার সুবিধার পাশাপাশি NFC প্রযুক্তির মাধ্যমেও দ্রুত ও নিরাপদ লেনদেনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
Apple Pay নিয়ে ভারতে দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহারকারীদের মধ্যে আগ্রহ ছিল। বিশেষ করে iPhone ব্যবহারকারীদের কাছে Apple-এর নিজস্ব পেমেন্ট সিস্টেম কবে ভারতে আসবে, তা নিয়ে কৌতূহল ছিল। এবার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, Apple Pay ব্যবহার করে বিভিন্ন অনলাইন এবং অফলাইন পেমেন্ট করা যাবে। Apple-এর নিজস্ব স্টোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন পরিচিত সংস্থা ও পরিষেবার ক্ষেত্রেও এই পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করার সুযোগ থাকবে।
তবে Apple Pay-এর সুবিধা শুধুমাত্র iPhone-এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। iPad এবং Apple Watch-এর মতো ডিভাইসেও এই পরিষেবা ব্যবহার করা যাবে। আপাতত Mac কম্পিউটারে এই সুবিধা চালু করা হয়নি। তবে ভবিষ্যতে Mac-এর ক্ষেত্রেও Apple Pay ব্যবহারের সুবিধা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
Apple Pay ভারতে চালু হওয়ার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল—কোথায় ব্যবহার করা যাবে এই পরিষেবা? Apple-এর তরফে জানানো তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন পরিচিত ব্র্যান্ড ও পরিষেবায় Apple Pay ব্যবহার করার সুযোগ থাকবে।
Apple-এর নিজস্ব স্টোর ছাড়াও Blinkit, Chaayos, Croma, Ixigo, Reliance-এর বিভিন্ন আউটলেট, Tata 1mg এবং Zomato-সহ একাধিক জায়গায় Apple Pay ব্যবহার করা যাবে। অর্থাৎ দৈনন্দিন কেনাকাটা, খাবার অর্ডার, অনলাইন পরিষেবা কিংবা অন্যান্য লেনদেনের ক্ষেত্রেও Apple Pay ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
তবে কোনও নির্দিষ্ট দোকান বা মার্চেন্টে Apple Pay ব্যবহার করার আগে সেই মার্চেন্টের পেমেন্ট সিস্টেম Apple Pay বা সংশ্লিষ্ট QR পেমেন্টকে সমর্থন করে কি না, তা দেখে নেওয়া প্রয়োজন। কারণ প্রতিটি দোকান বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের পেমেন্ট ব্যবস্থা নাও থাকতে পারে।
Apple Pay-এর এই পরিষেবাকে আরও বিস্তৃত করার জন্য একাধিক পেমেন্ট গেটওয়ে ও পেমেন্ট সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে Apple। Razorpay, Worldline, Paytm, PayU, JusPay, MSwipe এবং Cashfree-এর মতো সংস্থার সঙ্গে কাজ করার ফলে বিভিন্ন মার্চেন্টের কাছে Apple Pay-এর পেমেন্ট গ্রহণ করা আরও সহজ হতে পারে।
Apple Pay-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল QR Code স্ক্যান করে পেমেন্ট করার সুবিধা। কোনও মার্চেন্টের QR Code Apple Pay-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে iPhone দিয়ে সেই QR Code স্ক্যান করে পেমেন্ট করা যাবে।
বর্তমানে ভারতে UPI এবং QR Code-ভিত্তিক পেমেন্ট অত্যন্ত জনপ্রিয়। তাই Apple Pay-এর ক্ষেত্রেও QR Code ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ব্যবহারকারীদের কাছে পেমেন্ট প্রক্রিয়াটি তুলনামূলকভাবে পরিচিত মনে হতে পারে।
QR Code স্ক্যান করার পর প্রয়োজনীয় পেমেন্ট তথ্য যাচাই করে লেনদেন সম্পন্ন করা যাবে। ডিভাইসের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে পেমেন্টের আগে Face ID, Touch ID অথবা Device Passcode ব্যবহার করতে হতে পারে।
Apple Pay ব্যবহার করার আগে iPhone-এ পরিষেবাটি সেটআপ করতে হবে। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, Axis Bank-এর সর্বশেষ মোবাইল ব্যাঙ্কিং অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে Apple Wallet-এর সঙ্গে প্রয়োজনীয় সংযোগ তৈরি করতে হবে।
প্রথমে Axis Bank-এর লেটেস্ট মোবাইল ব্যাঙ্কিং অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টল করতে হবে। এরপর নিজের Apple Wallet-এর সঙ্গে সেটি কানেক্ট করতে হবে। পেমেন্টের জন্য যে কার্ড ব্যবহার করা হবে, সেই কার্ডের প্রয়োজনীয় তথ্য Apple Wallet-এ যুক্ত করতে হবে।
কার্ড যুক্ত করার সময় ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত যাচাইকরণ বা authentication-এর প্রয়োজন হতে পারে। কার্ড সফলভাবে যুক্ত হয়ে গেলে Apple Pay-এর মাধ্যমে পেমেন্ট করার জন্য সেটি ব্যবহার করা যাবে।
তবে ব্যবহারকারীদের অবশ্যই নিজেদের ব্যাঙ্ক, কার্ড এবং Apple Wallet-এর বর্তমান eligibility ও support-এর বিষয়টি যাচাই করে নেওয়া উচিত। কারণ সমস্ত কার্ড বা ব্যাঙ্কিং পরিষেবা সবসময় একইভাবে সমর্থিত নাও হতে পারে।
Apple Pay সেটআপ হয়ে যাওয়ার পর পেমেন্ট করার প্রক্রিয়া বেশ সহজ। iPhone-এর ক্ষেত্রে সাধারণত Side Button-এ ডাবল ক্লিক করে Apple Pay বা Wallet-এর পেমেন্ট ইন্টারফেস চালু করা যায়। পুরনো Home Button-যুক্ত ডিভাইসে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে Home Button ব্যবহার করা যেতে পারে।
এরপর Face ID, Touch ID অথবা Device Passcode-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর পরিচয় যাচাই করতে হবে। নিরাপত্তা যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পর পেমেন্ট করা যাবে।
এই authentication ব্যবস্থার ফলে ফোন হাতে থাকা অন্য কেউ সহজে ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া পেমেন্ট করতে পারবে না। ফলে Apple Pay-এর ক্ষেত্রে convenience-এর পাশাপাশি device-level security-ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Apple Pay নিয়ে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল—প্রতিটি পেমেন্টের সময় কি ইন্টারনেট কানেকশন প্রয়োজন?
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, NFC-ভিত্তিক পেমেন্টের ক্ষেত্রে Wi-Fi বা মোবাইল ডেটা সংযোগ সবসময় প্রয়োজন হয় না। ডিভাইসের NFC chip পেমেন্ট টার্মিনালের সঙ্গে যোগাযোগ করে লেনদেন সম্পন্ন করতে পারে।
Near Field Communication বা NFC হল একটি short-range wireless communication technology। এর মাধ্যমে খুব কাছাকাছি থাকা দুটি compatible device বা system-এর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। Contactless payment-এর ক্ষেত্রেও এই প্রযুক্তি বহুল ব্যবহৃত।
Apple Pay-এর ক্ষেত্রে NFC-enabled ডিভাইস পেমেন্ট টার্মিনালের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় payment information পাঠাতে পারে। ফলে নির্দিষ্ট ধরনের contactless payment-এর ক্ষেত্রে ফোনে সক্রিয় ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও লেনদেন সম্ভব হতে পারে।
তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলে পেমেন্টের পর Transaction History সঙ্গে সঙ্গে আপডেট নাও হতে পারে। পরে ডিভাইস ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত হলে লেনদেনের তথ্য আপডেট হতে পারে।
Apple Pay-এর ব্যবহার শুধুমাত্র ভারতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে উপযুক্ত merchant বা online payment support থাকলেও Apple Pay ব্যবহার করার সুযোগ থাকতে পারে।
বিদেশে পেমেন্টের ক্ষেত্রে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের নিয়ম, আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুবিধা, currency conversion এবং applicable transaction fee-এর বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। কোনও কার্ডে international transaction চালু না থাকলে বিদেশে Apple Pay-এর মাধ্যমে পেমেন্ট করা সম্ভব নাও হতে পারে।
অর্থাৎ বিদেশে Apple Pay ব্যবহার করার আগে ব্যবহারকারীদের নিজেদের কার্ডের international usage facility এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের charges সম্পর্কে জেনে নেওয়া উচিত।
ডিজিটাল পেমেন্টের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। Apple Pay-তে ব্যবহারকারীর ডিভাইসের authentication system গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। Face ID, Touch ID অথবা Device Passcode ব্যবহার করে পেমেন্ট অনুমোদন করা যায়।
এর ফলে শুধু ফোন হাতে থাকলেই পেমেন্ট করা সম্ভব নয়। ব্যবহারকারীর authentication প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষ করে Face ID বা Touch ID-এর মতো biometric security ব্যবস্থার মাধ্যমে পেমেন্ট অনুমোদন করা যায়।
তবে যেকোনও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মতো Apple Pay ব্যবহার করার সময়ও ব্যবহারকারীদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন। অপরিচিত QR Code স্ক্যান করা, অজানা লিঙ্কে কার্ডের তথ্য দেওয়া বা কাউকে OTP কিংবা Passcode জানানো উচিত নয়।
ভারতে UPI, QR Code এবং contactless card payment ইতিমধ্যেই দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে Apple Pay-এর প্রবেশ Apple ডিভাইস ব্যবহারকারীদের জন্য আরও একটি payment option তৈরি করছে।
বিশেষ করে যারা iPhone, iPad বা Apple Watch নিয়মিত ব্যবহার করেন, তাদের জন্য Wallet-এর মধ্যে payment card সংরক্ষণ করে রাখা সুবিধাজনক হতে পারে। প্রয়োজনের সময় আলাদা করে physical card বের না করেই compatible payment terminal বা QR Code-এর মাধ্যমে লেনদেন করা সম্ভব হতে পারে।
এছাড়া Apple Watch-এর মাধ্যমে payment করার সুবিধা থাকলে কিছু ক্ষেত্রে ফোন বের করার প্রয়োজনও কমতে পারে। তবে নির্দিষ্ট ডিভাইস, কার্ড, ব্যাঙ্ক এবং merchant support-এর উপর পরিষেবার availability নির্ভর করবে।
বর্তমানে Apple Pay-এর এই ভারতীয় পরিষেবায় iPhone, iPad এবং Apple Watch-এর উপর জোর দেওয়া হয়েছে। Mac-এর ক্ষেত্রে এখনও একই সুবিধা চালু করা হয়নি।
তবে ভবিষ্যতে Mac-এও Apple Pay চালু করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। ফলে Mac ব্যবহারকারীদের জন্যও পরবর্তী সময়ে Apple-এর payment ecosystem আরও বিস্তৃত হতে পারে।
Mac-এ Apple Pay চালু হলে online shopping এবং অন্যান্য digital services-এর ক্ষেত্রে payment experience আরও সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে Mac-এর জন্য পরিষেবাটি ঠিক কবে থেকে এবং কী কী সুবিধা নিয়ে চালু হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত ঘোষণার জন্য Apple-এর পরবর্তী আপডেটের দিকে নজর রাখতে হবে।
Apple Pay ব্যবহার করার আগে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, আপনার iPhone বা অন্যান্য Apple device Apple Pay-এর প্রয়োজনীয় hardware ও software support করে কি না, তা যাচাই করতে হবে।
দ্বিতীয়ত, যে ব্যাঙ্ক বা কার্ড ব্যবহার করবেন সেটি Apple Pay-এর সঙ্গে compatible কি না তা দেখতে হবে। তৃতীয়ত, যে দোকান বা merchant-এ পেমেন্ট করবেন সেখানে Apple Pay, NFC বা supported QR payment গ্রহণ করা হয় কি না তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
বিদেশে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে international transaction facility, currency conversion এবং অতিরিক্ত charges-এর বিষয়টিও জানা দরকার।
এছাড়া Apple Wallet-এ কার্ড যুক্ত করার সময় শুধুমাত্র অফিসিয়াল Apple এবং ব্যাঙ্কিং অ্যাপ ব্যবহার করা উচিত। কোনও সন্দেহজনক third-party application বা লিঙ্কের মাধ্যমে card details দেওয়া উচিত নয়।
Apple-এর ecosystem-এ ইতিমধ্যেই iPhone, Apple Watch, iPad এবং Mac-এর মতো একাধিক device রয়েছে। এই ডিভাইসগুলির সঙ্গে payment service যুক্ত হলে ব্যবহারকারীদের জন্য একটি integrated digital payment experience তৈরি হতে পারে।
বিশেষ করে Apple Watch-এর মতো wearable device-এর মাধ্যমে পেমেন্ট করার সুবিধা contactless payment-কে আরও সহজ করে তুলতে পারে। একইভাবে iPhone-এর মাধ্যমে QR Code scan অথবা NFC payment-এর সুবিধা থাকায় ব্যবহারকারীরা পরিস্থিতি অনুযায়ী payment method বেছে নিতে পারবেন।
তবে Apple Pay-এর বাস্তব ব্যবহার কতটা বিস্তৃত হবে, তা অনেকটাই নির্ভর করবে merchant acceptance, supported banks, cards এবং payment infrastructure-এর উপর।
ভারতে Apple Pay-এর আগমন Apple ecosystem-এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। iPhone, iPad এবং Apple Watch ব্যবহারকারীরা এখন compatible merchant-এর কাছে QR Code বা NFC-এর মাধ্যমে পেমেন্ট করার সুযোগ পাবেন। Apple Store-এর পাশাপাশি Blinkit, Chaayos, Croma, Ixigo, Reliance, Tata 1mg এবং Zomato-সহ বিভিন্ন পরিষেবায় এই payment system ব্যবহারের সুযোগ থাকার কথা জানানো হয়েছে।
Razorpay, Worldline, Paytm, PayU, JusPay, MSwipe এবং Cashfree-এর মতো payment infrastructure সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্বের ফলে Apple Pay-এর merchant acceptance আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
Apple Pay সেটআপের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাঙ্কিং অ্যাপের মাধ্যমে Apple Wallet-এর সঙ্গে কার্ড যুক্ত করতে হবে। এরপর Side Button বা প্রয়োজনীয় control ব্যবহার করে Face ID, Touch ID অথবা Device Passcode দিয়ে authentication সম্পন্ন করে পেমেন্ট করা যাবে।
NFC-ভিত্তিক contactless payment-এর ক্ষেত্রে সবসময় সক্রিয় ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন নাও হতে পারে। তবে ইন্টারনেট না থাকলে Transaction History তাৎক্ষণিকভাবে update নাও হতে পারে।
বিদেশে Apple Pay ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট দেশের merchant support, ব্যাঙ্কের international transaction facility এবং applicable charges সম্পর্কে আগে থেকে জেনে নেওয়া প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে, ভারতে Apple Pay চালু হওয়ায় Apple device ব্যবহারকারীদের সামনে digital payment-এর আরও একটি বিকল্প তৈরি হয়েছে। তবে পরিষেবাটি ব্যবহার করার আগে নিজের device, card, bank এবং merchant-এর compatibility যাচাই করে নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।