Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

বসন্তে সংক্রমণের ঝুঁকি: ভাইরাল জ্বর ও হাম-পক্স থেকে ছোটদের কীভাবে নিরাপদ রাখবেন

শীতের শেষ আর গরমের শুরুর এই সময়টায় তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তনে শরীর সহজেই দুর্বল হয়ে পড়ে। বিশেষ করে সকালে ঠান্ডা আর দুপুরে গরমে ছোটদের সর্দি-কাশি, জ্বরসহ নানা সংক্রামক অসুখের ঝুঁকি বাড়ে। তাই এই সময়ে শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে বাবা-মায়েদের বাড়তি সতর্ক থাকা জরুরি।

শীত ও গ্রীষ্মের মাঝের সংযোগকারী ঋতু হল বসন্ত। এই সময় প্রকৃতির রূপ যেমন বদলায়, তেমনই বদলায় আবহাওয়ার চরিত্র। ভোর ও সকালবেলা হালকা থেকে মাঝারি ঠান্ডা অনুভূত হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তাপ বাড়ে এবং গরম লাগতে শুরু করে। দিনের মধ্যে এমন ঘন ঘন তাপমাত্রার তারতম্যের ফলে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক সময়ই দুর্বল হয়ে পড়ে। এর সুযোগ নেয় নানা ধরনের ভাইরাস ও জীবাণু। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এই সময়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই বসন্ত আসার আগে ও বসন্তকালে শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে বাবা-মায়েদের বাড়তি সতর্ক থাকা জরুরি।

এই ঋতুতে সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাগুলি দেখা যায়, তার মধ্যে রয়েছে ভাইরাল জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্টজনিত অসুখ, হাম, পক্স ও চোখের সংক্রমণ। অ্যাডিনোভাইরাস এবং রেসপিরেটরি সিনসিটিয়াল ভাইরাস বা আরএসভি-র সংক্রমণে অনেক শিশুই জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভোগে। বিশেষ করে যাদের বয়স কম, তাদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাস দ্রুত সংক্রমণ ঘটাতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, হঠাৎ ঠান্ডা লাগার কারণে টনসিলের সংক্রমণও এই সময়ে বেশি দেখা যায়, যার ফল হিসেবে জ্বর ও গলা ব্যথা শুরু হয়। তাই বাড়িতে যদি কেউ সর্দি-কাশি বা জ্বরে ভোগেন, তাহলে শিশুদের থেকে কিছুটা দূরে রাখাই ভাল।

এই সময় খাবার ও পানীয় জলের মাধ্যমেও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। আন্ত্রিক সংক্রমণ বা ডায়েরিয়ার প্রকোপ বসন্তকালে বেশ চোখে পড়ে। বাইরে থেকে কেনা খাবার, শরবত বা খোলা পানীয় শিশুদের একেবারেই না দেওয়াই ভাল। সম্ভব হলে পানীয় জল ফুটিয়ে ঠান্ডা করে খাওয়াতে হবে। যেসব বাড়িতে জল পরিশোধনের যন্ত্র ব্যবহার করা হয়, সেগুলিও নিয়মিত পরিষ্কার করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি বাড়ির জলের ট্যাঙ্ক পরিষ্কার রাখলেও সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কমে।

বসন্তকালে হাম ও পক্সের প্রকোপও তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। পক্স বা বসন্ত রোগ ভেরিসেলা জোস্টার ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। সাধারণত প্রথমে জ্বর আসে, তারপর সারা শরীরে ছোট ছোট ফোস্কার মতো বের হয়, যা খুব চুলকায় ও জ্বালা করে। এই রোগের স্থায়িত্ব সাধারণত সাত থেকে পনেরো দিন পর্যন্ত হতে পারে। যদি কোনও শিশুর জ্বর তিন থেকে চার দিনের বেশি স্থায়ী হয় বা শরীরে অস্বাভাবিক ফুসকুড়ি দেখা দেয়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

যেসব শিশুর হাঁপানি, অ্যালার্জি বা ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই সময় বাড়তি নজর দেওয়া প্রয়োজন। পাঁচ থেকে দশ বছর বয়সি অনেক শিশুরই বসন্তকালে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। রাত্রে কাশি বাড়া, ঘুমোতে গেলে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া বা নিশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া এই লক্ষণগুলি অবহেলা করা উচিত নয়। নিজে নিজে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ীই ওষুধ খাওয়ানো উচিত।

শিশুর দৈনন্দিন অভ্যাসের দিকেও এই সময়ে নজর রাখা দরকার। প্রস্রাব ঠিকমতো হচ্ছে কি না, তা লক্ষ্য করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দিনে যদি পাঁচ বারের কম প্রস্রাব হয়, তাহলে তা শরীরে জলের ঘাটতির ইঙ্গিত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা প্রয়োজন।

খাদ্যাভ্যাসও এই সময়ে বড় ভূমিকা নেয়। বসন্তকালে হালকা, সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়া উচিত। খাদ্যতালিকায় সজনে ডাঁটা, সজনে ফুল, সজনে শাক এবং নিমপাতার মতো উপকারী শাকসবজি রাখলে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলাই ভাল।

পোশাকের ক্ষেত্রেও সচেতনতা জরুরি। দিনের বেলায় হালকা সুতির পোশাক আর রাতে বা ভোরে ঠান্ডা পড়লে হালকা গরম জামা ব্যবহার করা উচিত। খুব বেশি ঠান্ডা লাগানো বা আবার অতিরিক্ত গরম জামা পরানো দুটোই ক্ষতিকর হতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, সময়মতো টিকাকরণ। অনেক ভাইরাসজনিত রোগ থেকে বাঁচতে টিকা অত্যন্ত কার্যকর। পাশাপাশি পরিবারের কারও মধ্যে সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিলে অন্যদেরও সতর্ক থাকতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং অসুস্থ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই এই সময় শিশুদের সুস্থ রাখার সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি।

সব মিলিয়ে বলা যায়, বসন্তকাল সৌন্দর্যের ঋতু হলেও শিশুদের জন্য এটি নানা অসুখের ঝুঁকি নিয়ে আসে। একটু সচেতনতা, নিয়ম মেনে চলা আর সময়মতো চিকিৎসা এই তিনটি বিষয় মেনে চললেই এই ঋতুতে ছোটদের অনেকটাই নিরাপদ রাখা সম্ভব। 

পোশাকের ক্ষেত্রে সচেতনতা বসন্তকালে শিশুদের সুস্থ রাখার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই সময়ে দিনের তাপমাত্রা ও রাতের ঠান্ডার মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য থাকে। তাই সকালে বা বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হালকা সুতির পোশাক পরানোই সবচেয়ে ভাল। এতে শরীর ঘামলেও আরাম থাকে এবং ত্বকে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। তবে সন্ধ্যা নামার পর বা ভোরের দিকে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হলে শিশুকে পাতলা কিন্তু গরম জামা পরানো প্রয়োজন। খুব বেশি মোটা জামা পরালে যেমন ঘাম জমে ঠান্ডা লাগার আশঙ্কা থাকে, তেমনই অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগলেও সর্দি-কাশি ও জ্বরের ঝুঁকি বাড়ে। তাই আবহাওয়ার সঙ্গে মিল রেখে পোশাক নির্বাচন করাই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

news image
আরও খবর

এই সময় শিশুদের সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সময়মতো টিকাকরণ। অনেক ভাইরাস ও জীবাণুবাহিত রোগ থেকে বাঁচতে টিকা কার্যকর ভূমিকা নেয়। নিয়মিত টিকাকরণের ফলে হাম, পক্সসহ একাধিক সংক্রামক রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। বাবা-মায়েদের উচিত শিশুদের টিকাকরণ সূচি ঠিকমতো মেনে চলা এবং কোনও টিকা বাদ না দেওয়া। প্রয়োজনে শিশু বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করে টিকার সময়সূচি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা দরকার।

পরিবারের কারও মধ্যে যদি সর্দি, কাশি, জ্বর বা অন্য কোনও সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে সেই সময় শিশুদের দিকে বাড়তি নজর দেওয়া প্রয়োজন। সংক্রমণ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, বিশেষ করে শিশুদের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় তারা সহজেই আক্রান্ত হয়। তাই অসুস্থ ব্যক্তিকে শিশুর কাছ থেকে কিছুটা দূরে রাখা, আলাদা তোয়ালে বা ব্যবহার্য জিনিস ব্যবহার করা এবং ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখা জরুরি।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলাও এই সময়ে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস শিশুদের ছোটবেলা থেকেই শেখানো উচিত। খাওয়ার আগে ও পরে, বাইরে থেকে ঘরে ঢুকে এবং শৌচকর্মের পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করলে অনেক সংক্রমণ এড়ানো সম্ভব। পাশাপাশি শিশুদের নখ ছোট করে রাখা, পরিষ্কার পোশাক পরানো এবং ঘরের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নেয়।

কোনও শিশুর মধ্যে অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিলে তা অবহেলা করা উচিত নয়। জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, খাবারে অনীহা বা অস্বাভাবিক দুর্বলতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ। নিজের সিদ্ধান্তে ওষুধ খাওয়ানো বা পরিচিতের পরামর্শে চিকিৎসা শুরু করা বিপজ্জনক হতে পারে। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা শুরু করলে রোগের জটিলতা অনেকটাই কমে যায়।

সব মিলিয়ে বলা যায়, বসন্তকাল প্রকৃতির সৌন্দর্যে ভরা হলেও শিশুদের জন্য এই সময় নানা অসুখের ঝুঁকি নিয়ে আসে। তবে একটু সচেতনতা, দৈনন্দিন কিছু নিয়ম মেনে চলা এবং সময়মতো চিকিৎসা নিলে এই ঝুঁকি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। আবহাওয়ার সঙ্গে মানানসই পোশাক, নিয়মিত টিকাকরণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া—এই কয়েকটি বিষয়ই বসন্তকালে শিশুদের সুস্থ রাখার সবচেয়ে বড় সহায়। 

কোনও শিশুর মধ্যে অসুস্থতার সামান্য লক্ষণও কখনও অবহেলা করা উচিত নয়। শিশুর শরীর পূর্ণাঙ্গভাবে গড়ে ওঠার পর্যায়ে থাকায় তাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক সময় বড়দের তুলনায় কম থাকে। ফলে জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, খাওয়ায় অনীহা কিংবা অস্বাভাবিক দুর্বলতার মতো উপসর্গ দ্রুত গুরুতর আকার নিতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে প্রথম দিকে লক্ষণ হালকা মনে হলেও ধীরে ধীরে তা জটিল রোগের রূপ নিতে পারে। তাই বাবা-মায়েদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হল—শিশুর আচরণ ও শারীরিক অবস্থার সামান্য পরিবর্তনও খেয়াল করা।

জ্বর শিশুদের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ একটি উপসর্গ হলেও এর কারণ বিভিন্ন হতে পারে। ভাইরাল সংক্রমণ থেকে শুরু করে ব্যাকটেরিয়াজনিত অসুখ, এমনকি শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণেও জ্বর দেখা দেয়। যদি জ্বর একদিনের বেশি স্থায়ী হয়, বারবার ওঠানামা করে বা জ্বরের সঙ্গে কাঁপুনি, বমি, মাথাব্যথা কিংবা শরীর ব্যথা যুক্ত হয়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। একই ভাবে দীর্ঘদিনের কাশি বা শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া কখনওই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। এগুলি নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস বা হাঁপানির মতো সমস্যার লক্ষণও হতে পারে।

খাবারে অনীহা বা হঠাৎ করে খাওয়া কমে যাওয়া অনেক সময় অসুস্থতার প্রাথমিক ইঙ্গিত দেয়। শিশুরা অসুস্থ হলে স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল হয়ে পড়ে এবং খেতে চায় না। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে যদি শিশুর খাওয়ার অনীহা থাকে, জল কম খায় বা বারবার বমি হয়, তাহলে শরীরে জলের ঘাটতি তৈরি হতে পারে, যা খুবই বিপজ্জনক। একই ভাবে অস্বাভাবিক দুর্বলতা, সারাদিন ঝিমুনি ভাব বা খেলাধুলায় আগ্রহ কমে যাওয়া শিশুর অসুস্থতার গুরুত্বপূর্ণ সংকেত।

এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় ভুল হল নিজের সিদ্ধান্তে ওষুধ খাওয়ানো। অনেক বাবা-মাই আগের অভিজ্ঞতা বা পরিচিতের পরামর্শে জ্বরের ওষুধ, কাশির সিরাপ বা এমনকি অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে দেন। কিন্তু শিশুর বয়স, ওজন ও শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে ওষুধের ধরন ও মাত্রা নির্ধারিত হয়। ভুল ওষুধ বা ভুল মাত্রা শিশুর শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। অপ্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে ভবিষ্যতে ওষুধ কাজ না করার ঝুঁকিও বাড়ে।

সময়মতো সঠিক চিকিৎসা শুরু করলে অনেক রোগের জটিলতা সহজেই এড়ানো সম্ভব। চিকিৎসক শিশুর উপসর্গ, শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজন হলে কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করে উপযুক্ত চিকিৎসা দেন। এতে রোগ দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে এবং শিশুর সুস্থ হয়ে ওঠার সময়ও কম লাগে। পাশাপাশি বাবা-মায়েদের মানসিক দুশ্চিন্তাও অনেকটাই কমে যায়।

সবশেষে বলা যায়, শিশুর অসুস্থতা নিয়ে কোনও ধরনের ঝুঁকি নেওয়া ঠিক নয়। সতর্ক দৃষ্টি, দ্রুত সিদ্ধান্ত এবং চিকিৎসকের উপর ভরসা—এই তিনটি বিষয়ই শিশুর সুস্থতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সহায়। সময়মতো চিকিৎসা শুধু রোগ সারায় না, বরং শিশুর নিরাপদ ও সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

Preview image