Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ভোপালে সড়ক দুর্ঘটনায়: কৃষক চন্দন সিং ঠাকুরের মৃত্যু!

ভোপালের কানহাসাইয়া গ্রামের ৪৫ বছর বয়সী কৃষক চন্দন সিং ঠাকুর কেসুখেদি গ্রামে সড়কদুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। একটি অজানা যানবাহন তার মোটরসাইকেলে প্রবল বেগে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন এবং বেরাসিয়ার সিভিল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। দুর্ঘটনার পর চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করছে এবং পলাতক দোষী চালককে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য তীব্র অনুসন্ধান চালাচ্ছে। চন্দন সিং ঠাকুর ছিলেন দীর্ঘদিনের কৃষক এবং গ্রামে সম্মানিত ব্যক্তি। তার স্ত্রী ও দুই সন্তান গভীর শোকে মুহ্যমান এবং পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমেছে

ভোপালের কানহাসাইয়া গ্রামের ৪৫ বছর বয়সী কৃষক চন্দন সিং ঠাকুর সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। তিনি মোটরসাইকেল চালিয়ে গুঙ্গা এলাকার কাছে কেসুখেদি গ্রামের একটি সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন যখন একটি অজানা যানবাহন তার মোটরসাইকেলের সঙ্গে প্রবল বেগে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় তিনি গুরুতর আহত হন এবং রাস্তায় পড়ে যান। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে বেরাসিয়ার সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যান কিন্তু  চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। যানবাহন চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান যা এই ঘটনাকে আরও বেশি বেদনাদায়ক করে তুলেছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে চন্দন সিং ঠাকুর ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত এবং একজন সহজ-সরল মানুষ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজে নিয়োজিত ছিলেন এবং তার পরিশ্রম ও সততার জন্য পরিবার এবং গ্রামের মানুষের কাছে গভীরভাবে সম্মানিত ও ভালোবাসার পাত্র ছিলেন। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন যে চন্দন সবসময় অন্যদের সাহায্য করতে প্রস্তুত থাকতেন এবং গ্রামের সামাজিক কাজে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতেন। তার এই অকাল ও আকস্মিক মৃত্যু পুরো গ্রামবাসীর মধ্যে গভীর শোক এবং দুঃখের ছায়া ফেলে দিয়েছে।পুলিশ ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং প্রাথমিক প্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু করে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে বিস্তারিত বয়ান নিয়েছে। পুলিশের একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে তারা আশা করছে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দোষী চালককে শনাক্ত এবং গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে এবং তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করছে এবং পলায়নকারী যানবাহনের তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছে|চন্দন সিং ঠাকুরের পরিবার এই মর্মান্তিক ক্ষতিতে গভীর শোকে আচ্ছন্ন এবং মানসিকভাবে বিধ্বস্ত। তার স্ত্রী এবং দুই সন্তান এখনও এই আকস্মিক বিয়োগের ধাক্কা সামলাতে পারেননি এবং মানসিকভাবে স্থির হতে পারছেন না। প্রতিবেশী, বন্ধুবান্ধব এবং গ্রামের মানুষ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং সাধ্যমতো সহায়তা প্রদান করছে। পরিবার এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার ধাক্কা সামলাতে প্রতিটি সম্ভাব্য সহায়তার প্রয়োজনে রয়েছে।এই দুর্ঘটনা শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত ক্ষতি এবং পারিবারিক বেদনা নয়, বরং এটি সমগ্র সমাজে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতার একটি বড় এবং জরুরি বার্তা বহন করে। স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশ জনগণকে সর্বদা সতর্ক এবং সাবধানে যানবাহন চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন এবং সবাইকে নিয়মিতভাবে ট্রাফিক নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। দায়িত্বশীল গাড়ি চালনাই পারে এই ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করতে।পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসন ইতিমধ্যেই এলাকায় সড়ক নিরাপত্তা বৃদ্ধি, স্পিড ব্রেকার স্থাপন, নিয়মিত টহল বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতা প্রচারণা চালানোর পরামর্শ দিয়েছে।

news image
আরও খবর
Preview image