Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত লড়াই বসনিয়ার বিরুদ্ধে ড্র করে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম পয়েন্ট পেল কানাডা

পিছিয়ে পড়েও হার মানেনি কানাডা। বসনিয়ার বিরুদ্ধে দুরন্ত লড়াই করে ম্যাচ ড্র করল তারা। এই ফলের সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম পয়েন্ট অর্জন করে নতুন অধ্যায় লিখল কানাডা।

পিছিয়ে পড়েও হার মানেনি কানাডা। বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিরুদ্ধে কঠিন লড়াই করে ১-১ গোলে ড্র করে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম পয়েন্ট তুলে নিল তারা। ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ বি-র এই ম্যাচটি কানাডার জন্য শুধু একটি ড্র নয়, বরং দীর্ঘ অপেক্ষার পর স্বপ্নপূরণের এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ম্যাচে ২১ মিনিটে জোভো লুকিচের গোলে এগিয়ে যায় বসনিয়া, কিন্তু ৭৮ মিনিটে বদলি হিসেবে নেমে সাইল লারিন কানাডাকে সমতায় ফেরান। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে নামা কানাডার উপর প্রত্যাশার চাপ ছিল অনেক বেশি। সমর্থকদের উচ্ছ্বাস, স্টেডিয়ামের আবেগ এবং ইতিহাস গড়ার সুযোগ সব মিলিয়ে ম্যাচের শুরু থেকেই কানাডা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার চেষ্টা করে। কিন্তু প্রথমার্ধে সুযোগ তৈরি করলেও গোলের মুখ খুলতে পারেনি তারা। উল্টে সেট-পিস থেকে সুযোগ কাজে লাগিয়ে বসনিয়া এগিয়ে যায়। লুকিচের গোল কানাডার শিবিরে চাপ বাড়িয়ে দেয়, কারণ পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফিরতে হলে শুধু বল দখল নয়, দরকার ছিল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করার মানসিকতা।

গোল খাওয়ার পরও কানাডা ভেঙে পড়েনি। মাঝমাঠে বল ধরে রেখে ধীরে ধীরে আক্রমণের গতি বাড়াতে থাকে তারা। উইং দিয়ে আক্রমণ, কর্নার এবং দ্রুত পাসিং ফুটবলের মাধ্যমে বসনিয়ার রক্ষণকে বারবার চাপে রাখে কানাডা। তবে বসনিয়ার রক্ষণভাগও যথেষ্ট সংগঠিত ছিল। তারা গভীরে নেমে কানাডার ফরোয়ার্ডদের জায়গা কমিয়ে দেয়। ফলে একাধিক আক্রমণ তৈরি হলেও কাঙ্ক্ষিত গোল আসছিল না। সময় যত গড়াচ্ছিল, কানাডার সমর্থকদের মধ্যে ততই উদ্বেগ বাড়ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে কানাডার খেলায় আরও তীব্রতা দেখা যায়। কোচের পরিবর্তনগুলো ম্যাচের গতি বদলে দেয়। বিশেষ করে সাইল লারিন মাঠে নামার পর কানাডার আক্রমণে নতুন প্রাণ আসে। শেষ পর্যন্ত ৭৮ মিনিটে সেই লারিনই দলকে সমতায় ফেরান। তাঁর গোল শুধু স্কোরলাইন ১-১ করেনি, কানাডার ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ও লিখে দিয়েছে। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম পয়েন্ট পাওয়ার আনন্দে কানাডার ফুটবলপ্রেমীরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন।

এই ড্র কানাডার জন্য মানসিক দিক থেকেও বড় সাফল্য। বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফেরা সহজ নয়। বিশেষ করে প্রতিপক্ষ যখন রক্ষণে শক্তিশালী এবং সুযোগ পেলেই কাউন্টার অ্যাটাকে বিপদ তৈরি করতে পারে, তখন ধৈর্য ধরে খেলা চালিয়ে যাওয়াই সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। কানাডা সেই পরীক্ষায় সফল হয়েছে। তারা দেখিয়েছে, বড় মঞ্চে চাপ সামলানোর ক্ষমতা তাদের আছে। জয় না পেলেও এই ড্র দলকে আত্মবিশ্বাস দেবে আগামী ম্যাচগুলির জন্য। বসনিয়ার দিক থেকেও ম্যাচটি ছিল লড়াকু। প্রথমার্ধে গোল করে এগিয়ে যাওয়ার পর তারা ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করে। রক্ষণে শৃঙ্খলা বজায় রেখে কানাডাকে হতাশ করার পরিকল্পনা অনেকটা সময় সফলও হয়েছিল। কিন্তু শেষদিকে কানাডার চাপ সামলাতে গিয়ে তারা গোল হজম করে। তবুও বসনিয়া এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ায় গ্রুপের লড়াই আরও জমে উঠল। গ্রুপ বি-তে কানাডা, বসনিয়া, কাতার ও সুইজারল্যান্ডের লড়াই এখন আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।

কানাডার এই পয়েন্টের গুরুত্ব শুধু পয়েন্ট টেবিলের হিসাবে সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে কানাডা একাধিক ম্যাচ খেললেও পয়েন্ট পায়নি। তাই এই ড্র দেশের ফুটবল সংস্কৃতির জন্য বড় বার্তা। দীর্ঘদিন ধরে আইস হকি প্রধান দেশ হিসেবে পরিচিত কানাডা এখন ফুটবলেও নিজেদের পরিচয় তৈরি করছে। নতুন প্রজন্মের ফুটবলার, উন্নত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এবং ঘরোয়া ফুটবলের অগ্রগতির ফল এই ম্যাচে স্পষ্ট দেখা গেল। ম্যাচের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হল, কানাডা এখন আর শুধু অংশগ্রহণকারী দল নয়। তারা লড়াই করতে জানে, চাপ সামলাতে জানে এবং পিছিয়ে পড়েও ফিরে আসতে পারে। বড় টুর্নামেন্টে এই মানসিক শক্তিই অনেক সময় দলকে অনেক দূর এগিয়ে দেয়। সাইল লারিনের গোল সেই আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হয়ে থাকবে। বদলি হিসেবে নেমে তাঁর প্রভাব প্রমাণ করে দিয়েছে, বেঞ্চের শক্তিও কানাডার বড় সম্পদ।

সমর্থকদের জন্য এই ম্যাচ ছিল আবেগে ভরা। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ, গ্যালারিতে কানাডার পতাকা, আর শেষ পর্যন্ত ইতিহাসের প্রথম পয়েন্ট সব মিলিয়ে এই ড্র জয় না হলেও জয়ের মতোই অনুভূতি দিয়েছে। কানাডার খেলোয়াড়দের শরীরী ভাষাতেও ম্যাচ শেষে সেই আবেগ স্পষ্ট ছিল। তারা জানে, সামনে আরও কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। তবে প্রথম ম্যাচেই ইতিহাস তৈরি করে তারা নিজেদের যাত্রা ইতিবাচকভাবে শুরু করল। সব মিলিয়ে বসনিয়ার বিরুদ্ধে ১-১ ড্র কানাডার ফুটবল ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। পিছিয়ে পড়েও যে দল হার মানে না, শেষ বাঁশি বাজার আগে পর্যন্ত লড়াই করে, সেই দলই বড় মঞ্চে সম্মান অর্জন করে। কানাডা সেটাই করে দেখাল। বিশ্বকাপে প্রথম পয়েন্ট পাওয়ার এই সাফল্য শুধু একটি ফলাফল নয়, বরং কানাডিয়ান ফুটবলের উত্থানের শক্তিশালী ঘোষণা।সমর্থকদের জন্য এই ম্যাচ ছিল আবেগে ভরা। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ, গ্যালারিতে কানাডার পতাকা, আর শেষ পর্যন্ত ইতিহাসের প্রথম পয়েন্ট সব মিলিয়ে এই ড্র জয় না হলেও জয়ের মতোই অনুভূতি দিয়েছে। কানাডার খেলোয়াড়দের শরীরী ভাষাতেও ম্যাচ শেষে সেই আবেগ স্পষ্ট ছিল। 

news image
আরও খবর

সমর্থকদের জন্য এই ম্যাচ ছিল আবেগ, গর্ব এবং ইতিহাসের এক অসাধারণ মিশ্রণ। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে খেলতে নামা যে কোনও দলের কাছেই বিশেষ অনুভূতির বিষয়। কিন্তু কানাডার জন্য বসনিয়ার বিরুদ্ধে এই ম্যাচের গুরুত্ব ছিল আরও অনেক বেশি। কারণ এই ম্যাচে তারা শুধু প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়েনি, লড়েছে নিজেদের অতীত ব্যর্থতা, দীর্ঘ অপেক্ষা এবং বিশ্বকাপের মঞ্চে পরিচয় তৈরি করার স্বপ্নের সঙ্গে। গ্যালারিতে কানাডার পতাকার ঢেউ, সমর্থকদের চিৎকার, খেলোয়াড়দের চোখে দৃঢ়তা সব মিলিয়ে ম্যাচটি শুরু থেকেই এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছিল। ম্যাচে পিছিয়ে পড়ার পর কানাডার সামনে পরিস্থিতি সহজ ছিল না। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে একটি গোল হজম করা মানেই চাপ বহুগুণ বেড়ে যাওয়া। বিশেষ করে যখন ঘরের মাঠে হাজার হাজার সমর্থক দলের দিকে তাকিয়ে থাকে, তখন সেই চাপ আরও বেশি অনুভূত হয়। কিন্তু কানাডার খেলোয়াড়রা সেই চাপকে ভয় না পেয়ে সেটাকেই শক্তিতে পরিণত করলেন। তাদের শরীরী ভাষায় হতাশা নয়, বরং ফিরে আসার জেদ স্পষ্ট ছিল। প্রতিটি পাসে, প্রতিটি আক্রমণে এবং প্রতিটি দৌড়ে বোঝা যাচ্ছিল, তারা শেষ বাঁশি বাজার আগে পর্যন্ত লড়াই ছাড়বে না।

বসনিয়া ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার পর রক্ষণ আরও শক্ত করে কানাডাকে আটকে রাখার চেষ্টা করেছিল। তাদের পরিকল্পনা ছিল কানাডার আক্রমণের গতি কমিয়ে দেওয়া এবং কাউন্টার অ্যাটাকে সুযোগ খোঁজা। অনেকটা সময় সেই পরিকল্পনা সফলও হয়েছিল। কিন্তু কানাডা ধৈর্য হারায়নি। তারা বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ধাপে ধাপে আক্রমণ গড়ে তোলে। মাঝমাঠ থেকে উইং, উইং থেকে বক্স প্রতিটি জায়গায় তারা প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যায়। গোলের সুযোগ তৈরি হলেও কাঙ্ক্ষিত ফল আসছিল না, তবুও কানাডা থেমে যায়নি। এই ম্যাচের সবচেয়ে বড় দিক ছিল কানাডার মানসিক শক্তি। পিছিয়ে পড়ার পর অনেক দলই ছন্দ হারিয়ে ফেলে, কিন্তু কানাডা উল্টো আরও সংগঠিত হয়ে ওঠে। খেলোয়াড়দের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, লড়াই করার ইচ্ছা এবং সমর্থকদের সামনে নিজেদের প্রমাণ করার তাগিদ স্পষ্ট ছিল। ম্যাচের শেষ দিকে তারা যখন সমতায় ফেরে, তখন গোটা স্টেডিয়াম যেন আবেগে বিস্ফোরিত হয়। সেই গোল শুধু স্কোরলাইন বদলায়নি, বদলে দিয়েছে কানাডার বিশ্বকাপ ইতিহাসের অধ্যায়ও।

১-১ ড্র ফলাফল হিসেবে হয়তো জয় নয়, কিন্তু কানাডার কাছে এই ম্যাচ ছিল জয়ের মতোই মূল্যবান। কারণ এই ড্রয়ের মাধ্যমেই তারা বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম পয়েন্ট অর্জন করল। একটি পয়েন্ট অনেক সময় শুধু পয়েন্ট টেবিলে সংখ্যার হিসাব নয়, বরং একটি দেশের ফুটবল সংস্কৃতির জন্য আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়। কানাডার ক্ষেত্রেও এই পয়েন্ট ঠিক সেই অর্থই বহন করছে। এটি প্রমাণ করল, তারা এখন আর শুধু অংশগ্রহণকারী দল নয়, বড় মঞ্চে লড়াই করার মতো শক্তি ও মানসিকতা তাদের আছে। সমর্থকদের আবেগ এই ম্যাচকে আরও বিশেষ করে তুলেছিল। গ্যালারিতে উপস্থিত হাজার হাজার মানুষ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দলকে উৎসাহ দিয়ে গেছেন। কানাডা যখন পিছিয়ে পড়েছিল, তখনও সমর্থকদের সমর্থন কমেনি। বরং তারা আরও জোরে চিৎকার করে খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ফুটবলে সমর্থকদের এই ভূমিকা অনেক সময় খেলোয়াড়দের বাড়তি শক্তি দেয়। কানাডার খেলোয়াড়দের শরীরী ভাষায় ম্যাচ শেষে যে আবেগ দেখা গিয়েছে, তার পিছনে সমর্থকদের এই অকুণ্ঠ ভালোবাসার বড় ভূমিকা রয়েছে।

ম্যাচ শেষে কানাডার খেলোয়াড়দের মুখে ছিল স্বস্তি, গর্ব এবং ভবিষ্যতের জন্য নতুন আত্মবিশ্বাস। তারা জানে, সামনে আরও কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচই চ্যালেঞ্জিং। গ্রুপ পর্বে টিকে থাকতে হলে পরের ম্যাচগুলোতে আরও ভালো খেলতে হবে। আক্রমণে সুযোগ কাজে লাগানো, রক্ষণে ভুল কমানো এবং পুরো ৯০ মিনিট মনোযোগ ধরে রাখা এই বিষয়গুলোতে আরও উন্নতি দরকার। কিন্তু বসনিয়ার বিরুদ্ধে এই ড্র তাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্ত ভিত তৈরি করে দিল। কানাডার ফুটবল ইতিহাসে এই ম্যাচ দীর্ঘদিন মনে রাখা হবে। কারণ ইতিহাস তৈরি হয় এমন মুহূর্ত দিয়েই, যেখানে একটি দল প্রতিকূল পরিস্থিতির সামনে মাথা নত না করে লড়াই চালিয়ে যায়। বসনিয়ার বিরুদ্ধে কানাডা সেটাই করে দেখাল। পিছিয়ে পড়েও তারা হাল ছাড়েনি, শেষ বাঁশি বাজার আগে পর্যন্ত নিজেদের বিশ্বাস ধরে রেখেছে। সেই বিশ্বাসই তাদের এনে দিয়েছে বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম পয়েন্ট।

এই সাফল্য কানাডিয়ান ফুটবলের উত্থানের একটি শক্তিশালী বার্তা। দীর্ঘদিন ধরে ফুটবলে বড় শক্তি হিসেবে পরিচিত না হলেও সাম্প্রতিক সময়ে কানাডা নিজেদের নতুন করে গড়ে তুলছে। তরুণ ফুটবলারদের উঠে আসা, দলের মধ্যে আত্মবিশ্বাস এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মানসিকতা সব কিছু মিলিয়ে এই দল ভবিষ্যতের জন্য বড় আশা জাগাচ্ছে। বসনিয়ার বিরুদ্ধে ড্র সেই উন্নতিরই প্রতিফলন। সব মিলিয়ে বলা যায়, বসনিয়ার বিরুদ্ধে ১-১ ড্র কানাডার জন্য শুধুমাত্র একটি ম্যাচের ফল নয়। এটি এক আবেগঘন অধ্যায়, এক ঐতিহাসিক অর্জন এবং ভবিষ্যতের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। জয় না পেলেও এই ড্র কানাডার ফুটবলপ্রেমীদের মনে জয়ের আনন্দ এনে দিয়েছে। কারণ এই ম্যাচে কানাডা দেখিয়েছে, বড় মঞ্চে সম্মান অর্জন করতে হলে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করতে হয়। বিশ্বকাপের প্রথম পয়েন্ট তাই শুধু একটি সংখ্যা নয়, এটি কানাডার ফুটবল যাত্রার এক নতুন সূচনা।


 

Preview image