বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে। IMD-র পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৪ অক্টোবর নিম্নচাপটি Depression, ২৫ অক্টোবর Deep Depression এবং ২৬ অক্টোবরের মধ্যে Cyclonic Storm-এ পরিণত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার নাম হতে পারে ‘Arnab’। সম্ভাব্য গতিপথ উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও সংলগ্ন দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে। এর প্রভাবে দিঘা, পুরী, ভুবনেশ্বর, বিশাখাপত্তনম-সহ উপকূলীয় এলাকায় ভ্রমণের আগে সতর্ক থাকার পরামর্শ। ২৭ অক্টোবর থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।
পুজোর মরশুমে বেড়ানোর পরিকল্পনা করছেন? দিঘা, পুরী কিংবা বিশাখাপত্তনম যাওয়ার কথা ভাবছেন? তাহলে এখনই আবহাওয়ার খবর একবার দেখে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নতুন নিম্নচাপ ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর বা IMD জানিয়েছে, এই নিম্নচাপ আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও শক্তিশালী হয়ে Depression, Deep Depression এবং পরে Cyclonic Storm-এ পরিণত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর নাম হবে ‘Arnab’।
সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, সিস্টেমটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং সংলগ্ন দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে যেতে পারে। ফলে উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সমুদ্র উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ সরাসরি ঘূর্ণিঝড়ের landfall zone-এর মধ্যে পড়ছে না বলেই আপাতত পূর্বাভাস। কিন্তু সিস্টেমটির গতিপথ এবং শক্তি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গেও তার পরোক্ষ প্রভাব পড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর থেকে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় পরিবর্তন আসতে পারে এবং ২৮ থেকে ৩০ অক্টোবর কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
তাই দিঘা, পুরী কিংবা ভাইজাগ যাওয়ার আগে শুধু হোটেল ও ট্রেনের টিকিট নয়, আবহাওয়ার সর্বশেষ আপডেটও দেখে নেওয়া দরকার।
ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পূর্ব-মধ্য এবং সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর একটি Low Pressure Area বা নিম্নচাপ এলাকা তৈরি হয়েছে।
এই নিম্নচাপটি ২৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৫টা নাগাদ তৈরি হয়। এর সঙ্গে যুক্ত cyclonic circulation সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫.৮ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। IMD-র পূর্বাভাস অনুযায়ী, সিস্টেমটি একই অঞ্চলে থেকে আরও শক্তি সঞ্চয় করে প্রথমে Depression-এ পরিণত হতে পারে।
এরপর পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে এটি আরও শক্তিশালী হতে পারে।
IMD-র বর্তমান পূর্বাভাসের সম্ভাব্য ধাপ হল:
২৪ অক্টোবর — Depression
২৫ অক্টোবর — Deep Depression
২৬ অক্টোবর — Cyclonic Storm হওয়ার সম্ভাবনা
এরপর সিস্টেমটি আরও শক্তিশালী হয়ে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং সংলগ্ন দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোতে পারে।
অর্থাৎ এই মুহূর্তে এটিকে সরাসরি ‘Cyclone Arnab’ বলে নিশ্চিতভাবে ঘোষণা করা ঠিক হবে না। বরং বলা যায়, নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে তার সম্ভাব্য নাম হবে Arnab।
এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আবহাওয়ার সিস্টেম তৈরি হওয়ার পর তার গতিপথ, গতি এবং শক্তি প্রতিদিন এমনকি কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেও পরিবর্তিত হতে পারে।
সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।
উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়গুলির নামকরণের জন্য নির্দিষ্ট তালিকা রয়েছে। পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়টি নির্দিষ্ট শক্তি অর্জন করলে সেই তালিকা অনুযায়ী তার নাম হবে Arnab।
এই নামটি দিয়েছে বাংলাদেশ। ‘Arnab’ শব্দের অর্থ সমুদ্র বা Ocean। বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের cyclone naming list-এ বাংলাদেশের দেওয়া নামগুলির মধ্যে Arnab রয়েছে।
তবে নামটি ব্যবহার করার আগে সিস্টেমটিকে নির্দিষ্ট মাত্রায় শক্তিশালী হয়ে cyclonic storm-এ পরিণত হতে হবে।
তাই এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। কিন্তু উপকূলীয় অঞ্চলে ভ্রমণকারীদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—সিস্টেমটি কোথায় যাবে?
IMD-র সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, সিস্টেমটি west-northwestward, অর্থাৎ পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোতে পারে। এরপর এর সম্ভাব্য গন্তব্য উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং সংলগ্ন দক্ষিণ ওড়িশা উপকূল।
এই অঞ্চলের মধ্যে পড়ে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং ওড়িশার দক্ষিণাংশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল।
সম্ভাব্য প্রভাবের কারণে ইতিমধ্যেই অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। আবহাওয়া দফতরও নিয়মিত পূর্বাভাস আপডেট করছে।
তবে landfall-এর নির্দিষ্ট স্থান এখনই নিশ্চিত করে বলা যায় না।
বর্তমান পূর্বাভাসের ভিত্তিতে সম্ভাব্য প্রভাবশালী উপকূলীয় অঞ্চল হিসেবে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ–দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু সিস্টেমটি আরও শক্তিশালী হওয়ার পরে তার track সম্পর্কে আরও নির্দিষ্ট ছবি পাওয়া যাবে।
দিঘা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকত।
শীতের আগে পুজোর মরশুমে দিঘায় পর্যটকদের ভিড় বাড়ে। কলকাতা এবং আশপাশের জেলা থেকে বহু মানুষ সপ্তাহান্তে দিঘা বেড়াতে যান।
বর্তমান সিস্টেমটির সম্ভাব্য মূল গতিপথ উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে হওয়ায় দিঘা এখনই সম্ভাব্য landfall location নয়।
তবে এর অর্থ এই নয় যে দিঘার আবহাওয়ার উপর কোনও প্রভাব পড়বে না।
বঙ্গোপসাগরে একটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার প্রভাবে সমুদ্রের পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে পারে। বাতাসের গতি বাড়তে পারে, আকাশ মেঘলা হতে পারে এবং দক্ষিণবঙ্গের উপকূলীয় জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
IMD-র পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর থেকে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন অঞ্চলে squally winds বা দমকা হাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে এবং দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায় ২৮ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
তাই দিঘায় যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে যাত্রার দিন এবং তার আগের দিন আবহাওয়ার আপডেট দেখা উচিত।
পুরী ওড়িশার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র এবং বঙ্গোপসাগরের একেবারে কাছেই অবস্থিত।
বর্তমান আবহাওয়া ব্যবস্থার সম্ভাব্য গতিপথ যেহেতু দক্ষিণ ওড়িশা এবং উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে, তাই ওড়িশার উপকূলীয় এলাকাগুলির উপর সরাসরি আবহাওয়াগত প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বেশি।
IMD উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে। ২৭ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে বিভিন্ন পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফলে পুরী যাওয়ার ক্ষেত্রে শুধু বৃষ্টির কথাই নয়, আরও কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে।
সমুদ্র উত্তাল হলে beach activities বন্ধ বা সীমিত হতে পারে।
স্থানীয় প্রশাসন সমুদ্রস্নানে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে।
মন্দির দর্শন সাধারণত আলাদা বিষয় হলেও প্রবল বৃষ্টি বা ঝোড়ো হাওয়ার কারণে যাতায়াত ব্যবস্থায় সমস্যা তৈরি হতে পারে।
ট্রেন বা বাস পরিষেবাতেও আবহাওয়ার কারণে পরিবর্তন আসতে পারে।
তাই পুরী যাওয়ার আগে hotel booking থাকলেও আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতি পরীক্ষা করা জরুরি।
বর্তমান forecast অনুযায়ী উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল সম্ভাব্য প্রভাবের অন্যতম প্রধান অঞ্চল।
বিশাখাপত্তনম বা Visakhapatnam এই উপকূলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর।
IMD-র পূর্বাভাস অনুযায়ী, সিস্টেমটি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও সংলগ্ন দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোতে পারে। ফলে Visakhapatnam এবং আশপাশের এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
Times of India-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৭ ও ২৮ অক্টোবর Visakhapatnam ও Anakapalle-সহ কয়েকটি এলাকায় extremely heavy rainfall-এর সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশের আরও কয়েকটি জেলাতেও heavy to very heavy rainfall-এর পূর্বাভাস রয়েছে।
তাই এই সময়ে ভাইজাগ ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে বিশেষ সতর্ক হওয়া উচিত।
বিশেষ করে যারা:
সমুদ্রসৈকতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন,
beach activities করবেন,
boat ride করতে চান,
উপকূলীয় sightseeing করবেন,
দূরের জায়গায় road trip করবেন,
তাঁদের আবহাওয়ার আপডেট না দেখে যাত্রা করা উচিত নয়।
সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়ার পরিবর্তন শুরু হতে পারে ২৭ অক্টোবর থেকে, অর্থাৎ মঙ্গলবার।
প্রথমদিকে বৃষ্টির পরিমাণ সব জায়গায় সমান নাও হতে পারে।
উপকূলীয় জেলাগুলিতে প্রভাব তুলনামূলক বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষ করে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা নজরে রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণবঙ্গের আরও কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
২৮ ও ২৯ অক্টোবর বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে।
অর্থাৎ পুজোর পরবর্তী সময়ে যারা দিঘা বা দক্ষিণবঙ্গের অন্য কোনও পর্যটনস্থানে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের জন্য weather update অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
কলকাতা সরাসরি সম্ভাব্য landfall zone-এ নেই।
তবে কলকাতার আবহাওয়ায় পরোক্ষ প্রভাব পড়তে পারে।
বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, সিস্টেমটি উপকূলের দিকে এগিয়ে এলে দক্ষিণবঙ্গে বাতাসে জলীয় বাষ্প বাড়তে পারে এবং আকাশের পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে পারে।
দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়লেও কলকাতায় বৃষ্টির পরিমাণ সবসময় উপকূলীয় জেলার মতো হবে না।
Telegraph-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলকাতায় আপাতত moderate rainfall-এর সম্ভাবনা রয়েছে এবং দক্ষিণবঙ্গে ২৭ থেকে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
তাই কলকাতার বাসিন্দাদের জন্য আপাতত আতঙ্কের কারণ না থাকলেও আগামী কয়েকদিন আবহাওয়ার আপডেট নজরে রাখা দরকার।
দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে উপকূলীয় জেলাগুলির দিকে বিশেষ নজর রয়েছে।
সম্ভাব্য প্রভাবের তালিকায় রয়েছে:
পূর্ব মেদিনীপুর
দক্ষিণ ২৪ পরগনা
কলকাতা
হাওড়া
হুগলি
পশ্চিম মেদিনীপুর
ঝাড়গ্রাম
বাঁকুড়া
তবে প্রত্যেক জেলায় একই পরিমাণ বৃষ্টি হবে এমন নয়।
বর্তমান forecast-এ বিশেষ করে পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা-র মতো উপকূলঘেঁষা এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরবর্তী bulletin-এ আরও নির্দিষ্ট district-wise warning পাওয়া যেতে পারে।
এই মুহূর্তে সরাসরি “দিঘা যাওয়া বন্ধ” এমন সিদ্ধান্তে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।
কারণ বর্তমান forecast অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য প্রধান গতিপথ উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশার দিকে।
কিন্তু আবহাওয়ার পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে পারে।
বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ:
Track
Intensity
Landfall location
এই তিনটির যেকোনও একটি পরিবর্তিত হলে প্রভাবের এলাকাও বদলে যেতে পারে।
তাই দিঘা যাওয়ার ২৪–৪৮ ঘণ্টা আগে নতুন করে IMD forecast দেখা সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।
পুরী যাওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় দেখে নিন।
প্রথমত, IMD-র latest cyclone bulletin।
দ্বিতীয়ত, Odisha government-এর local advisory।
তৃতীয়ত, hotel-এর cancellation policy।
চতুর্থত, train এবং flight status।
পঞ্চমত, beach restrictions।
যদি প্রবল বৃষ্টি বা ঝোড়ো হাওয়ার warning জারি হয়, তাহলে অপ্রয়োজনীয় coastal travel এড়ানো ভালো।
বিশেষ করে পরিবারে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি বা অসুস্থ কেউ থাকলে আবহাওয়ার ঝুঁকি আরও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত।
Visakhapatnam সম্ভাব্য প্রভাবের কাছাকাছি হওয়ায় এখানকার ক্ষেত্রে সতর্কতার মাত্রা বেশি হওয়া উচিত।
যাঁরা ইতিমধ্যেই ভাইজাগে রয়েছেন, তাঁদের:
সমুদ্রের কাছাকাছি অপ্রয়োজনে না যাওয়া,
প্রশাসনের নির্দেশ মানা,
সমুদ্রসৈকতে সতর্ক থাকা,
ঝোড়ো হাওয়ার সময় বাইরে না বেরোনো,
জরুরি ফোন নম্বর কাছে রাখা,
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জন্য torch/power bank প্রস্তুত রাখা
উচিত।
আর যাঁরা এখন যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের booking-এর পাশাপাশি আবহাওয়ার পূর্বাভাসও বিবেচনা করতে হবে।
ঘূর্ণিঝড়ের সময় সমুদ্রের আচরণ দ্রুত বদলে যেতে পারে।
শক্তিশালী নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ের ফলে:
বাতাসের গতি বাড়ে,
ঢেউয়ের উচ্চতা বাড়ে,
সমুদ্র উত্তাল হয়,
visibility কমে,
প্রবল বৃষ্টি হতে পারে,
lightning ও thunderstorm হতে পারে,
উপকূলের কাছে water surge-এর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
বর্তমান সিস্টেমের ক্ষেত্রেও সমুদ্রের অবস্থা ক্রমশ rough হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
IMD-র coastal bulletin-এ উত্তর ও দক্ষিণ অন্ধ্র উপকূলে thunderstorm-এর সময় সমুদ্র rough হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
আরও শক্তিশালী হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় বা শক্তিশালী depression-এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতাগুলির একটি হল সমুদ্রে না যাওয়া।
বর্তমান সিস্টেমের কারণে বঙ্গোপসাগরের পূর্ব-মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব অংশে সমুদ্রের পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
IMD ইতিমধ্যেই মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছে।
যাঁরা ইতিমধ্যে সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।
এক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন ও Coast Guard-এর নির্দেশ অবশ্যই মানতে হবে।
বর্তমান forecast-এ ২৬ অক্টোবর থেকে ঝোড়ো হাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
Times of India-র রিপোর্টে ২৬ অক্টোবর সকাল থেকে ৭০–৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে বাতাস এবং দমকা হাওয়ার গতি ৯০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আরও শক্তিশালী বাতাসের সম্ভাবনাও রয়েছে।
তবে এই গতি এবং intensity পরবর্তী forecast-এর সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে।
তাই পুরনো কোনও weather chart দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে latest IMD bulletin দেখা উচিত।
বর্তমান পূর্বাভাসে এই কয়েকটি দিন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
২৬ অক্টোবর: সম্ভাব্য cyclonic storm development
২৭ অক্টোবর: উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশায় আবহাওয়ার প্রভাব বাড়তে পারে
২৮ অক্টোবর: উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ–দক্ষিণ ওড়িশা অঞ্চলে প্রভাব আরও বাড়ার সম্ভাবনা
২৮–৩০ অক্টোবর: দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা
এই সময়সীমা এখনকার forecast-এর ভিত্তিতে তৈরি।
তবে cyclone-এর track বদলালে এই timeline-ও বদলাতে পারে।
বর্তমান forecast অনুযায়ী এমন কোনও নিশ্চিত পূর্বাভাস নেই।
এখনকার সম্ভাব্য track উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ওড়িশার দিকে।
তাই পশ্চিমবঙ্গে সরাসরি landfall-এর কথা বলা যাচ্ছে না।
বরং দক্ষিণবঙ্গে সম্ভাব্য indirect impact বা পরোক্ষ প্রভাবের সম্ভাবনাই বেশি।
এর মধ্যে থাকতে পারে:
বৃষ্টি,
মেঘলা আকাশ,
দমকা বাতাস,
আর্দ্রতা বৃদ্ধি,
উপকূলীয় এলাকায় সমুদ্র উত্তাল হওয়া।
এই কারণে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাদের আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকা উচিত।
বর্তমান forecast-এ দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গের উপর এই সিস্টেমের প্রভাব কম।
দক্ষিণবঙ্গ বিশেষ করে উপকূলীয় জেলাগুলিই বেশি নজরে রয়েছে।
তবে একটি cyclonic system-এর moisture field বড় হলে আবহাওয়ার প্রভাব অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পারে।
তাই উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রেও নিয়মিত forecast দেখা ভালো।
বর্তমান পরিস্থিতিতে দার্জিলিং, কালিম্পং ও উত্তরবঙ্গের বেশিরভাগ এলাকায় এই সিস্টেমের সরাসরি প্রভাবের আশঙ্কা তুলনামূলক কম বলেই দেখা যাচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার জন্য সমুদ্রের উষ্ণতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বঙ্গোপসাগরের জল এই সময় যথেষ্ট উষ্ণ থাকে।
উষ্ণ সমুদ্র থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প উঠে আসে। সেই moisture ও atmospheric conditions-এর সঙ্গে অন্যান্য অনুকূল পরিস্থিতি যুক্ত হলে নিম্নচাপ শক্তিশালী হতে পারে।
Telegraph-এর প্রতিবেদনে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি এবং cyclone development-এর জন্য অনুকূল পরিবেশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে শুধুমাত্র সমুদ্রের তাপমাত্রাই যথেষ্ট নয়।
Wind shear, atmospheric circulation এবং upper-level conditions-ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Cyclone formation-এর ক্ষেত্রে vertical wind shear গুরুত্বপূর্ণ।
উপরের স্তর এবং নিচের স্তরের বাতাসের গতির মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য থাকলে storm system ছড়িয়ে যেতে পারে এবং শক্তিশালী হওয়ার ক্ষমতা কমে যায়।
অন্যদিকে wind shear কম থাকলে storm circulation আরও সংগঠিত হতে পারে।
Telegraph-এর প্রতিবেদনে আবহাওয়াবিদদের বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমান পরিস্থিতিতে wind shear তুলনামূলক অনুকূল হওয়ায় সিস্টেমটির শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
তবে atmospheric condition দ্রুত পরিবর্তনশীল।
সেই কারণে প্রতিদিনের forecast গুরুত্বপূর্ণ।
গত মাসেও বঙ্গোপসাগরে একটি শক্তিশালী weather system তৈরি হয়েছিল।
সেটি Deep Depression-এ পরিণত হলেও Cyclonic Storm-এর পর্যায়ে পৌঁছতে পারেনি।
পরে সেটি অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে Deep Depression হিসেবে স্থলভাগে প্রবেশ করে এবং ওড়িশা, ছত্তীসগড় ও পশ্চিমবঙ্গের কিছু অংশে ভারী বৃষ্টির প্রভাব দেখা যায়।
বর্তমান সিস্টেমটি আরও শক্তিশালী হওয়ার অনুকূল পরিস্থিতিতে রয়েছে বলে IMD পূর্বাভাস দিয়েছে।
তবে আগের অভিজ্ঞতা থেকেই বোঝা যায়—নিম্নচাপ তৈরি হলেই সেটি নিশ্চিতভাবে cyclone হবে না।
এই কারণেই আবহাওয়া দফতরের পরবর্তী আপডেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পুজোর সময় সাধারণত দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর, শঙ্করপুর, পুরী এবং ভাইজাগে পর্যটকের ভিড় থাকে।
অনেকেই কয়েকদিন আগে hotel এবং transport booking করে রাখেন।
কিন্তু weather emergency হলে সেই booking-কে অগ্রাধিকার না দিয়ে নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
বিশেষ করে সমুদ্রের কাছাকাছি resort বা hotel হলে:
beach থেকে দূরে থাকার ব্যবস্থা আছে কি না দেখুন,
emergency exit কোথায় জেনে রাখুন,
স্থানীয় প্রশাসনের নম্বর রাখুন,
hotel management-এর নির্দেশ শুনুন,
mobile ফোন চার্জ করে রাখুন,
power bank সঙ্গে রাখুন,
প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে রাখুন,
পরিচয়পত্র ও জরুরি নথির digital copy রাখুন।
দিঘায় প্রবল বৃষ্টি হলে শুধু beach বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনাই নয়, road visibility কমে যেতে পারে।
দমকা হাওয়া থাকলে গাছের ডাল ভাঙা বা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মতো সমস্যা হতে পারে।
সমুদ্র উত্তাল হলে beach-এর নির্দিষ্ট অংশে পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।
তাই শুধুমাত্র “ঘূর্ণিঝড় দিঘায় landfall করছে কি না” দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।
দিঘা landfall zone-এর বাইরে থাকলেও cyclone-এর outer circulation-এর প্রভাবে বৃষ্টি এবং বাতাস হতে পারে।
প্রবল weather warning থাকলে:
সমুদ্রস্নান এড়িয়ে চলুন।
নৌকা বা boat ride এড়িয়ে চলুন।
সমুদ্রের ধারে selfie তুলতে যাবেন না।
বাতাসের সময় beach-এর কাছে দাঁড়াবেন না।
প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করবেন না।
জলমগ্ন রাস্তায় গাড়ি চালানোর ঝুঁকি নেবেন না।
অনেক সময় cyclone-এর সময় সবচেয়ে বেশি বিপদ তৈরি হয় মূল ঝড়ের চেয়ে মানুষের অসতর্কতার কারণে।
Visakhapatnam-এর ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন, কারণ সম্ভাব্য system track এই অঞ্চলের কাছাকাছি।
ভ্রমণকারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল:
IMD warning অনুসরণ করা।
স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশ মানা।
সমুদ্রের কাছাকাছি না যাওয়া।
জরুরি পরিস্থিতিতে hotel বা safe building-এ থাকা।
অপ্রয়োজনীয় road travel বন্ধ রাখা।
উপকূলীয় sightseeing এড়ানো।
যদি cyclone warning-এর মাত্রা বাড়ে, তাহলে পর্যটকদের স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় সরাসরি railway line বা airport-এর উপর দিয়ে না গেলেও বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে transport services প্রভাবিত হতে পারে।
রেললাইনে জল জমা, signal সমস্যা, গাছ পড়া, overhead equipment damage কিংবা নিরাপত্তাজনিত কারণে train speed restriction হতে পারে।
বিমান পরিষেবায় visibility, crosswind এবং airport operational conditions-এর কারণে delay বা cancellation হতে পারে।
তাই ২৭–৩০ অক্টোবরের মধ্যে দিঘা, পুরী বা ভাইজাগ যাওয়ার train/flight থাকলে যাত্রার আগে operator-এর latest status দেখা উচিত।
যাঁদের booking already করা আছে, তাঁদের cancellation policy দেখে রাখা ভালো।
অনেক hotel weather emergency-র ক্ষেত্রে date change বা cancellation-এর বিশেষ ব্যবস্থা করতে পারে।
তবে এটি প্রতিটি hotel-এর নিজস্ব policy-এর উপর নির্ভর করে।
তাই hotel-এর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে জেনে নেওয়া ভালো:
cancellation charge কত,
date change করা যাবে কি না,
weather-related disruption হলে refund policy কী,
advance payment ফেরত দেওয়া হবে কি না।
যাঁরা ইতিমধ্যে উপকূলীয় এলাকায় রয়েছেন, তাঁদের emergency kit প্রস্তুত রাখা ভালো।
এর মধ্যে থাকতে পারে:
drinking water
শুকনো খাবার
প্রয়োজনীয় ওষুধ
first-aid kit
torch
extra batteries
power bank
mobile charger
গুরুত্বপূর্ণ documents
কিছু cash
প্রয়োজনীয় শিশুখাদ্য
sanitary products
প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত সামগ্রী
বিদ্যুৎ বা internet service ব্যাহত হলে এই জিনিসগুলি কাজে লাগতে পারে।
বৃষ্টির পূর্বাভাস শুধু পর্যটকদের জন্য নয়, কৃষকদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
যেসব জমিতে ফসল কাটার সময় হয়েছে, সেখানে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে দ্রুত harvesting পরিকল্পনা করা যেতে পারে।
খোলা জায়গায় রাখা ধান, খড় বা অন্যান্য কৃষিজ সামগ্রী ঢেকে রাখা প্রয়োজন।
নার্সারি বা দুর্বল গাছের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সুরক্ষা নেওয়া ভালো।
তবে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা স্থানীয় কৃষি দফতরের advisory অনুযায়ী করা উচিত।
উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে cyclone preparedness অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সমুদ্রের কাছাকাছি বসবাস করলে স্থানীয় প্রশাসনের evacuation advisory থাকলে তা মানতে হবে।
জরুরি shelter কোথায় আছে আগে থেকে জেনে রাখা উচিত।
কোনও গুজব শুনে সমুদ্রের দিকে যাওয়া বা weather condition দেখতে বাইরে বের হওয়া উচিত নয়।
বিশেষ করে cyclone-এর সময় ভিডিও করার জন্য beach বা নদীর পাড়ে যাওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।
অবশ্যই পারে।
Cyclone forecast কখনও ১০০ শতাংশ স্থির থাকে না।
সিস্টেমটি যত এগোয়, satellite observation, ocean data এবং atmospheric model-এর নতুন তথ্য পাওয়া যায়।
তার ভিত্তিতে forecast track update করা হয়।
তাই আজ যদি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ–দক্ষিণ ওড়িশা coast-এর দিকে সম্ভাব্য track দেখানো হয়, আগামী bulletin-এ সেই track কিছুটা উত্তর বা দক্ষিণে সরে যেতে পারে।
এই কারণেই সংবাদপত্রের পুরনো forecast নয়, latest official bulletin দেখা জরুরি।
না।
আবহাওয়ার দফতর সিস্টেমটি খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছে।
বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য cyclone-এর প্রধান প্রভাব উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলে পড়ার আশঙ্কা বেশি।
পশ্চিমবঙ্গে সম্ভাব্য প্রভাব মূলত বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়ার মতো পরোক্ষ প্রভাব হতে পারে।
তাই আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সতর্কতা এবং প্রস্তুতি।
Cyclone-এর সময় social media-তে বিভিন্ন ধরনের অসম্পূর্ণ বা ভুল খবর ছড়ায়।
কেউ হয়তো বলবে:
“আজ রাতেই landfall।”
অন্য কেউ বলবে:
“দিঘা পুরো ডুবে যাবে।”
আবার কেউ পুরনো satellite image পোস্ট করে নতুন খবর হিসেবে প্রচার করতে পারে।
এ ধরনের তথ্য বিশ্বাস না করে official source দেখা উচিত।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস:
India Meteorological Department বা IMD
Regional Meteorological Centre
State Disaster Management Authority
জেলা প্রশাসন
স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসন
এই সংস্থাগুলির advisory-কে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
২৪ অক্টোবরের সর্বশেষ IMD coastal bulletin অনুযায়ী, পূর্ব-মধ্য এবং সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি ২৪ অক্টোবর Depression-এ পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এরপর ২৫ অক্টোবর Deep Depression এবং ২৬ অক্টোবর সকালে Westcentral Bay of Bengal-এর উপর Cyclonic Storm-এ পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এরপর এটি আরও শক্তিশালী হয়ে পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং সংলগ্ন দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে যেতে পারে।
এটাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ weather update।
IMD-র পূর্বাভাস অনুযায়ী coastal Andhra Pradesh-এ heavy to very heavy rainfall-এর সম্ভাবনা রয়েছে।
কিছু এলাকায় extremely heavy rainfall-এর আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
বিশেষ করে Visakhapatnam এবং আশপাশের কিছু এলাকায় ২৭ ও ২৮ অক্টোবর পরিস্থিতি নজরে রাখা হচ্ছে।
ভারী বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে urban flooding, waterlogging, landslide এবং transport disruption-এর মতো স্থানীয় সমস্যা তৈরি হতে পারে।
পাহাড়ি বা ঢালু এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
ওড়িশার উপকূলীয় এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
দক্ষিণ ওড়িশা সম্ভাব্য track-এর কাছাকাছি থাকায় সেখানকার জেলাগুলিতে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
প্রবল বৃষ্টি হলে নদী ও নিচু এলাকার জলস্তর বাড়তে পারে।
রাস্তা জলমগ্ন হতে পারে।
গাছ পড়তে পারে।
বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে।
সমুদ্র উত্তাল হলে fishing এবং coastal tourism-এ নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।
তিনটি জনপ্রিয় tourist destination-এর মধ্যে বর্তমান forecast অনুযায়ী ঝুঁকির মাত্রা একই নয়।
সম্ভাব্য cyclone track-এর কাছাকাছি। তাই সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
দক্ষিণ ওড়িশার উপকূলীয় অঞ্চলে থাকায় weather impact-এর সম্ভাবনা রয়েছে।
বর্তমান সম্ভাব্য track-এর তুলনায় অনেক উত্তরে। তবে দক্ষিণবঙ্গে indirect rainfall ও wind impact হতে পারে।
এই ranking স্থায়ী নয়। Cyclone track বদলালে প্রভাবের মাত্রাও বদলে যেতে পারে।
২৭ অক্টোবর থেকে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া বদলাতে পারে।
যাঁরা ২৭ থেকে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর বা সুন্দরবন যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকা উচিত।
কারণ এই সময়ে উপকূলীয় জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।
যদি weather warning জারি হয়, তাহলে travel plan পিছিয়ে দেওয়াই নিরাপদ হতে পারে।
সুন্দরবন সম্পূর্ণ আলাদা ধরনের coastal ecosystem।
এখানে নদী, জোয়ার এবং সমুদ্রের প্রভাব একসঙ্গে কাজ করে।
ঝড় বা নিম্নচাপের সময় নদী ও খাঁড়িতে জলস্তর বেড়ে যেতে পারে।
Boat safari বা launch travel weather-এর উপর অত্যন্ত নির্ভরশীল।
তাই cyclone alert থাকলে সুন্দরবনে boat trip করা উচিত কি না, তা স্থানীয় প্রশাসন ও বন দফতরের নির্দেশের ওপর নির্ভর করা উচিত।
Cyclone-এর সময় সবচেয়ে বড় ভুলগুলির একটি হল ঝড়ের শক্তি দেখতে সমুদ্রের কাছে যাওয়া।
দূর থেকে সমুদ্র শান্ত মনে হলেও কয়েক মিনিটের মধ্যে ঢেউয়ের আচরণ বদলে যেতে পারে।
দমকা বাতাসে মানুষ ভারসাম্য হারাতে পারে।
ঢেউয়ের সঙ্গে পাথর, কাঠ বা অন্য বস্তু ভেসে আসতে পারে।
তাই beach restriction থাকলে তা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে ভালো কৌশল হল:
আতঙ্ক নয়, নজরদারি।
প্রতিদিন weather bulletin দেখুন।
যদি উপকূলীয় এলাকায় থাকেন, স্থানীয় প্রশাসনের announcement শুনুন।
যাত্রা থাকলে train/flight status দেখুন।
হোটেল booking থাকলে cancellation policy জানুন।
মোবাইল ফোন ও power bank charged রাখুন।
বয়স্ক এবং শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সামগ্রী প্রস্তুত রাখুন।
২৩ অক্টোবর: বঙ্গোপসাগরে Low Pressure Area তৈরি।
২৪ অক্টোবর: Depression-এ পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা।
২৫ অক্টোবর: Deep Depression হওয়ার সম্ভাবনা।
২৬ অক্টোবর: Cyclonic Storm হওয়ার সম্ভাবনা।
২৭ অক্টোবর: অন্ধ্রপ্রদেশ-ওড়িশায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়তে পারে; দক্ষিণবঙ্গেও আবহাওয়ার পরিবর্তন শুরু হতে পারে।
২৮–২৯ অক্টোবর: সম্ভাব্যভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়; উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশায় ভারী বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাব থাকতে পারে।
২৮–৩০ অক্টোবর: দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এই তারিখগুলি বর্তমান forecast অনুযায়ী। নতুন bulletin প্রকাশিত হলে সময়সূচি ও প্রভাবের এলাকা বদলাতে পারে।
যদি নিম্নচাপটি পূর্বাভাস অনুযায়ী Cyclonic Storm-এ পরিণত হয়, তাহলে সেটির নাম হবে Arnab।
তখন IMD নিয়মিত:
cyclone position,
wind speed,
central pressure,
movement direction,
rainfall forecast,
coastal warning,
sea condition
সম্পর্কে bulletin প্রকাশ করবে।
এরপর landfall-এর সম্ভাব্য সময় ও স্থান আরও নির্দিষ্টভাবে জানানো সম্ভব হবে।
তাই এখনই “Arnab ঠিক কোথায় landfall করবে” বলে নিশ্চিত দাবি করা ঠিক হবে না।
Cyclone-এর সময় social media-তে অনেক ভুয়ো খবর ছড়ায়।
পুরনো cyclone-এর ছবি নতুন storm-এর ছবি হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে।
পুরনো forecast নতুন forecast হিসেবে প্রচার হতে পারে।
কোনও unofficial YouTube channel বা Facebook post-এ “১০০ শতাংশ নিশ্চিত landfall” বলা হলেও তা বিশ্বাস করার আগে official source দেখে নিন।
Weather forecast একটি dynamic process।
আজকের prediction আগামীকাল বদলাতে পারে।
বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ এখন দেশের পূর্ব উপকূলের আবহাওয়ার দিকে নজর ঘুরিয়ে দিয়েছে। ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নচাপটি ২৪ অক্টোবর Depression, ২৫ অক্টোবর Deep Depression এবং ২৬ অক্টোবরের মধ্যে Cyclonic Storm-এ পরিণত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার নাম হবে Arnab।
সম্ভাব্য গতিপথ আপাতত উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং সংলগ্ন দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে। ফলে Visakhapatnam-সহ উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় এলাকাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। ওড়িশার উপকূলীয় এলাকাতেও বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়া এবং উত্তাল সমুদ্রের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে সরাসরি cyclone landfall-এর পূর্বাভাস এখন নেই। কিন্তু সিস্টেমটি শক্তিশালী হয়ে উপকূলের দিকে এগিয়ে এলে দক্ষিণবঙ্গে তার পরোক্ষ প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে ২৭ অক্টোবর থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন শুরু হয়ে ২৮ থেকে ৩০ অক্টোবর কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ উপকূলীয় জেলাগুলিতে নজর বেশি।
তাই দিঘা, পুরী বা ভাইজাগ যাওয়ার আগে আবহাওয়ার সর্বশেষ খবর না দেখে বেরিয়ে পড়বেন না।
যাঁরা ইতিমধ্যেই হোটেল বা ট্রেনের টিকিট কেটে ফেলেছেন, তাঁদের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে আগামী কয়েকদিন নিয়মিত IMD bulletin এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশ দেখতে হবে।
বিশেষ করে ভাইজাগ ও দক্ষিণ ওড়িশার ক্ষেত্রে সতর্কতার মাত্রা বেশি রাখা দরকার, কারণ সম্ভাব্য cyclone track এই অঞ্চলের কাছাকাছি।
দিঘার ক্ষেত্রে আপাতত সরাসরি landfall-এর আশঙ্কা নেই, কিন্তু দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় পর্যটকদের travel plan flexible রাখা ভালো।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল—ঘূর্ণিঝড়ের track এখনও চূড়ান্ত নয়।
তাই আগামী ২৪–৪৮ ঘণ্টার forecast অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
আবহাওয়ার পরিস্থিতি পরিবর্তিত হলে IMD আরও নির্দিষ্ট landfall location, wind speed এবং rainfall warning প্রকাশ করবে।
প্রকৃতির পূর্বাভাসকে অবহেলা না করে সতর্ক থাকুন, গুজব এড়িয়ে চলুন এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলুন।
Weather System: বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ
সম্ভাব্য শক্তিবৃদ্ধি: Depression → Deep Depression → Cyclonic Storm
সম্ভাব্য Cyclone Name: Arnab
নাম দিয়েছে: বাংলাদেশ
সম্ভাব্য প্রধান প্রভাব: উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা
সম্ভাব্য প্রভাবিত শহর: Visakhapatnam, Gopalpur-সহ উপকূলীয় অঞ্চল
West Bengal Impact: দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা
দক্ষিণবঙ্গে সম্ভাব্য বৃষ্টির সময়: ২৭–৩০ অক্টোবর
উপকূলীয় পশ্চিমবঙ্গের নজরে: পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
পর্যটকদের পরামর্শ: যাত্রার আগে latest IMD forecast এবং local administration advisory পরীক্ষা করুন।