‘কল্কি: ২৮৯৮ এডি’-এর সিক্যুয়েল থেকে দীপিকা পাড়ুকোনের সরে দাঁড়ানো নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। পারিশ্রমিক বৃদ্ধি ও ৮ ঘণ্টার কাজের দাবি ঘিরেই নাকি তৈরি হয়েছিল মতবিরোধ
কল্কি: ২৮৯৮ এডি’ ছবির সিক্যুয়েল নিয়ে দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা। প্রথম ছবির সাফল্যের পর থেকেই দ্বিতীয় পর্বে কারা থাকবেন, কোন চরিত্র কীভাবে ফিরে আসবে এবং গল্প কোন দিকে এগোবে—তা নিয়ে অনুরাগীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। এর মধ্যেই দীপিকা পাড়ুকোনকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ। জানা গিয়েছে, সিক্যুয়েল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন দীপিকা। তাঁর পারিশ্রমিক বৃদ্ধি এবং কাজের সময় নিয়ে আলোচনার জেরেই নাকি নির্মাতা ও অভিনেত্রীর মধ্যে মতের অমিল তৈরি হয়েছিল।
প্রথম পর্বে দীপিকা পাড়ুকোনের চরিত্রটি ছিল গল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁর চরিত্রকে কেন্দ্র করে ছবির কাহিনিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এগিয়েছিল। ফলে দ্বিতীয় পর্বে দীপিকা থাকবেন কি না, তা নিয়ে শুরু থেকেই দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দীপিকাকে ছাড়াই সিক্যুয়েল এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।
দীপিকা সিক্যুয়েল থেকে সরে যাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছিল, তাঁর জায়গায় কে অভিনয় করবেন? সেই সময় বিভিন্ন মহলে অভিনেত্রী সাই পল্লবীর নাম নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করেছিলেন, দীপিকার চরিত্রের জায়গায় এবার সাই পল্লবীকে দেখা যেতে পারে। তবে সেই জল্পনাতেও এবার নতুন মোড় এসেছে।
নির্মাতাদের তরফে ইঙ্গিত মিলেছে, আপাতত দীপিকার পরিবর্তে সাই পল্লবীকে নতুন করে একই জায়গায় আনার পরিকল্পনা নেই। অর্থাৎ, সাই পল্লবীকে নিয়ে যে আলোচনা তৈরি হয়েছিল, তা সম্ভবত বাস্তব রূপ পাচ্ছে না। নির্মাতারা জানিয়েছেন, গল্পে নতুন কোনও চরিত্র যুক্ত করার বদলে ইতিমধ্যেই থাকা চরিত্রগুলিকেই অন্যভাবে সাজানো হবে। ফলে দ্বিতীয় পর্বের গল্প কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
‘কল্কি: ২৮৯৮ এডি’-এর প্রথম পর্বে ভবিষ্যতের এক ভিন্ন পৃথিবীর প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছিল গল্প। বিজ্ঞান, পুরাণ, ভবিষ্যৎ সমাজ এবং একাধিক শক্তিশালী চরিত্রের সমন্বয়ে ছবিটি দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছিল। ছবির শেষদিকে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর ইচ্ছাকৃতভাবেই অসম্পূর্ণ রাখা হয়েছিল, যা সিক্যুয়েলের জন্য কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দেয়।
বিশেষ করে দীপিকার চরিত্রকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল গুরুত্বপূর্ণ একটি গল্পের স্তর। তাই দ্বিতীয় পর্বে তাঁর অনুপস্থিতি কীভাবে ব্যাখ্যা করা হবে, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই দর্শকদের মধ্যে আলোচনা চলছে। নতুন কোনও অভিনেত্রীকে একই চরিত্রে না এনে চরিত্রগুলিকে নতুনভাবে সাজানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে গল্পের কাঠামোতেও পরিবর্তন আসতে পারে।
এখনও পর্যন্ত সিক্যুয়েলের সম্পূর্ণ কাহিনি বা দীপিকার চরিত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে নির্মাতারা কীভাবে গল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন, সেটিই দেখার বিষয়। প্রথম ছবির সঙ্গে দ্বিতীয় ছবির যোগসূত্র কতটা রাখা হবে এবং দর্শকদের পরিচিত চরিত্রগুলির ভূমিকা কতটা পরিবর্তিত হবে, তা নিয়েও কৌতূহল রয়েছে।
সাই পল্লবীকে ঘিরে তৈরি হওয়া জল্পনা আপাতত নতুন মোড় নেওয়ায় ছবির সম্ভাব্য কাস্ট নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে নির্মাতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন চরিত্র না এনে পুরনো চরিত্রগুলির মধ্যেই গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে সিক্যুয়েলে কোনও নতুন মুখকে দীপিকার সরাসরি বিকল্প হিসেবে দেখা যাবে কি না, সেই সম্ভাবনা আপাতত কম বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রথম ছবিতে প্রভাস, দীপিকা পাড়ুকোন, অমিতাভ বচ্চন, কমল হাসান-সহ একাধিক তারকাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল। ছবির জগৎ এবং চরিত্রগুলির বিস্তার এতটাই বড় ছিল যে সিক্যুয়েলের জন্য একাধিক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই দীপিকার চরিত্রকে কীভাবে নতুন গল্পে রাখা হবে বা তার অনুপস্থিতিকে কীভাবে ব্যাখ্যা করা হবে, তা নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে।
দীপিকার সরে দাঁড়ানোর খবর সামনে আসার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছিল। তাঁর জায়গায় সাই পল্লবীকে দেখা যেতে পারে—এমন জল্পনাও ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু নির্মাতাদের সাম্প্রতিক বক্তব্য সেই জল্পনাকে অনেকটাই বদলে দিয়েছে। এখন নজর রয়েছে, শেষ পর্যন্ত সিক্যুয়েলের চূড়ান্ত কাস্টে কারা থাকছেন এবং গল্পের কোন চরিত্র কীভাবে সামনে আসে।
‘কল্কি: ২৮৯৮ এডি’-এর সিক্যুয়েল নিয়ে তাই একাধিক প্রশ্নের উত্তর এখনও বাকি। দীপিকার অনুপস্থিতি, সাই পল্লবীর সম্ভাব্য যোগদান এবং নতুন চরিত্র না আনার সিদ্ধান্ত—সব মিলিয়ে ছবিটির পরবর্তী পর্ব নিয়ে দর্শকদের কৌতূহল আরও বেড়েছে। নির্মাতারা যদি সত্যিই পুরনো চরিত্রগুলিকে নতুনভাবে সাজিয়ে গল্প এগিয়ে নিয়ে যান, তাহলে প্রথম ছবির সঙ্গে দ্বিতীয় পর্বের সংযোগ কীভাবে তৈরি হয়, সেটিই হবে অন্যতম আকর্ষণ।
সব মিলিয়ে ‘কল্কি: ২৮৯৮ এডি’-এর সিক্যুয়েলকে ঘিরে আপাতত সবচেয়ে বড় প্রশ্ন দীপিকার চরিত্র নিয়ে। তাঁর পরিবর্তে নতুন কাউকে সরাসরি আনা হবে না কি গল্পের প্রয়োজন অনুযায়ী চরিত্রটির উপস্থিতিকে অন্যভাবে ব্যাখ্যা করা হবে—তা এখনও স্পষ্ট নয়। সাই পল্লবীকে নিয়ে তৈরি হওয়া জল্পনাও নির্মাতাদের বক্তব্যের পর নতুন মাত্রা পেয়েছে। এখন চূড়ান্ত ঘোষণা এবং ছবির পরবর্তী আপডেটের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন অনুরাগীরা।
এদিকে ‘কল্কি ২’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহের অন্যতম কারণ ছবির ভবিষ্যৎ কাহিনি। প্রথম ছবিতে যে রহস্য ও প্রশ্নগুলির সূত্র দেওয়া হয়েছিল, সিক্যুয়েলে তার অনেকগুলিরই উত্তর মিলতে পারে বলে আশা করছেন অনুরাগীরা। বিশেষ করে দীপিকার চরিত্রের সঙ্গে গল্পের গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিকে কীভাবে চিত্রনাট্যে সামলানো হবে, সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।
দীপিকা পাড়ুকোনের পরিবর্তে সাই পল্লবীর নাম সামনে আসার পর ভক্তদের মধ্যে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু নতুন চরিত্র না আনার নির্মাতাদের সিদ্ধান্ত সেই সম্ভাবনাকে আপাতত অনিশ্চিত করে দিয়েছে। অর্থাৎ, সাই পল্লবীকে নিয়ে যে খবর ছড়িয়েছিল, সেটি বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা জানতে আরও অপেক্ষা করতে হবে।
সিক্যুয়েলে পুরনো চরিত্রগুলিকে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হলে গল্পের আবহেও পরিবর্তন আসতে পারে। প্রথম ছবির সঙ্গে দ্বিতীয় পর্বের সম্পর্ক বজায় রেখেই কীভাবে নতুন কাহিনি তৈরি করা হবে, সেটি এখন অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। দর্শকদের পরিচিত চরিত্রগুলির ভূমিকা বদলে গেলে গল্পে নতুন সংঘাত এবং নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
ছবির নির্মাতারা এখনও সিক্যুয়েলের সমস্ত তথ্য প্রকাশ্যে আনেননি। তাই কাস্ট, চরিত্র এবং গল্পের বিষয়ে বিভিন্ন জল্পনা থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অফিসিয়াল ঘোষণার অপেক্ষাই করতে হবে। দীপিকার পরিবর্তে অন্য কোনও অভিনেত্রীকে নেওয়া হবে কি না, নাকি তাঁর চরিত্রকে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে গল্পে পরিচালনা করা হবে—এই প্রশ্নের উত্তরই এখন সবচেয়ে বেশি জানতে চাইছেন দর্শকরা।
প্রথম পর্বের বিপুল জনপ্রিয়তার কারণে ‘কল্কি ২’ নিয়ে প্রত্যাশাও যথেষ্ট বেশি। তাই কাস্টে কোনও পরিবর্তন এলেই তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই দর্শকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হচ্ছে। দীপিকার সরে দাঁড়ানো এবং সাই পল্লবীকে ঘিরে তৈরি হওয়া জল্পনা সেই আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত নির্মাতারা কী সিদ্ধান্ত নেন। দীপিকার চরিত্রের গল্প কোন পথে এগোয়, পুরনো চরিত্রগুলির মধ্যে কার ভূমিকা বাড়ে এবং সিক্যুয়েলের নতুন গল্পে কোন চমক অপেক্ষা করছে—এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে ছবির পরবর্তী আপডেটগুলিতে। আপাতত ‘কল্কি ২’-এর কাস্ট ও গল্প নিয়ে অনুরাগীদের অপেক্ষা অব্যাহত
‘কল্কি: ২৮৯৮ এডি’ সিক্যুয়েলকে ঘিরে দীপিকা পাড়ুকোনের অনুপস্থিতি যে ছবির গল্পে বড় পরিবর্তন আনতে পারে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রথম ছবিতে তাঁর চরিত্রের গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে দ্বিতীয় পর্বে সেই চরিত্রকে সরাসরি বাদ দেওয়া হবে, নাকি অন্য কোনও উপায়ে গল্পের সঙ্গে যুক্ত রাখা হবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। নির্মাতাদের সাম্প্রতিক বক্তব্যে অবশ্য ইঙ্গিত মিলেছে, দীপিকার জায়গায় নতুন কোনও চরিত্রকে হুবহু বসানোর পরিকল্পনা নেই।
সাই পল্লবীর নাম সামনে আসার পর অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, তাঁকে হয়তো দীপিকার পরিবর্তে দেখা যাবে। কিন্তু নির্মাতাদের বক্তব্য সেই সম্ভাবনাকে আপাতত অনিশ্চিত করে দিয়েছে। নতুন কোনও চরিত্র না এনে বিদ্যমান চরিত্রগুলির গল্প এবং ভূমিকা পুনর্গঠন করার পরিকল্পনা থাকলে ‘কল্কি ২’-এর চিত্রনাট্যও আগের তুলনায় অন্যরকম হতে পারে।
দ্বিতীয় পর্বে গল্পের পরিধি আরও বাড়বে কি না, পুরনো চরিত্রদের মধ্যে কারা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন এবং প্রথম ছবির অসমাপ্ত ঘটনাগুলির কোন কোন রহস্যের সমাধান হবে—এসব নিয়েও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল রয়েছে। বিশেষ করে প্রথম ছবির শেষে তৈরি হওয়া বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সিক্যুয়েলে কীভাবে দেওয়া হয়, সেদিকেই নজর থাকবে।
প্রভাসের চরিত্রকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া গল্পের পাশাপাশি অমিতাভ বচ্চন ও কমল হাসানের চরিত্রও প্রথম ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। ফলে দ্বিতীয় পর্বে এই চরিত্রগুলির পারস্পরিক সম্পর্ক কীভাবে এগিয়ে যায়, সেটিও ছবির অন্যতম আকর্ষণ হতে পারে। দীপিকার চরিত্রের অনুপস্থিতি সেই গল্পের গতিপথে কী প্রভাব ফেলে, তা জানতে দর্শকদের অপেক্ষা করতে হবে।
এখনও সিক্যুয়েলের সম্পূর্ণ কাস্ট এবং চরিত্রের বিবরণ প্রকাশ্যে আসেনি। তাই সাই পল্লবীকে নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছে, সেটিকে চূড়ান্ত খবর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। নির্মাতাদের পরবর্তী ঘোষণা এবং অফিসিয়াল আপডেটই এই বিষয়ে শেষ কথা বলবে।
সব মিলিয়ে ‘কল্কি ২’ নিয়ে উত্তেজনা এখন আরও বেড়েছে। দীপিকার বিদায়, সাই পল্লবীকে ঘিরে জল্পনা এবং নতুন চরিত্র না আনার সিদ্ধান্ত—প্রতিটি বিষয়ই ছবির গল্প নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। প্রথম ছবির জনপ্রিয়তার পর সিক্যুয়েল কীভাবে দর্শকদের সামনে হাজির হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। বিশেষ করে দীপিকার গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের জায়গায় কোনও নতুন মুখ না এনে নির্মাতারা গল্পকে কোন পথে নিয়ে যান, সেই উত্তরই হতে পারে ‘কল্কি ২’-এর অন্যতম বড় চমক।