Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

Everest এর জিরে গুঁড়োয় ক্ষতিকর কীটনাশক রান্নাঘরের মশলায় বিপদ বাজার থেকে প্যাকেট তুলে নিতে নির্দেশ FSSAI-এর

এভারেস্টের জিরে গুঁড়োয় ক্ষতিকর কীটনাশক পাওয়ার অভিযোগে খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সংশ্লিষ্ট প্যাকেট বাজার থেকে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে FSSAI বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে  কোন ব্যাচের পণ্য নিয়ে সতর্কতা এবং ক্রেতাদের কী করণীয়  তা জানতে বিস্তারিত নির্দেশিকা দেখা জরুরি

রান্নাঘরে ব্যবহৃত পরিচিত মশলা জিরে গুঁড়োর গুণমান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরীক্ষায় নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে বেশি কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়ার পরে এভারেস্ট ফুড প্রোডাক্টস প্রাইভেট লিমিটেডের প্যাকেটজাত জিরে গুঁড়োর একটি নির্দিষ্ট ব্যাচ বাজার থেকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে ভারতের খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা FSSAI। সংশ্লিষ্ট ব্যাচ নম্বর E080668761। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই নির্দেশ নির্দিষ্ট ব্যাচটির জন্য প্রযোজ্য।

ঘটনাটি সামনে আসে গোয়ার Riverside Resorts & Holiday Homes Pvt. Ltd. থেকে সংগৃহীত একটি নমুনার পরীক্ষার মাধ্যমে। খাদ্য বিশ্লেষকের রিপোর্টে জিরে গুঁড়োয় Azoxystrobin এবং Thiamethoxam-এর অবশিষ্টাংশ অনুমোদিত সর্বোচ্চ মাত্রার চেয়ে বেশি পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে নমুনাটিকে খাদ্য সুরক্ষা ও মান আইন, ২০০৬-এর আওতায় অনিরাপদ বা UNSAFE হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। প্রাথমিক পরীক্ষার রিপোর্টের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল সংশ্লিষ্ট খাদ্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে। এর পরে নমুনাটি পুনরায় পরীক্ষার জন্য রেফারেল ফুড ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। দ্বিতীয় পরীক্ষাতেও নমুনাটিকে অনিরাপদ বলা হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানেও ওই দুই পদার্থের অবশিষ্টাংশ নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। তার পরেই সংশ্লিষ্ট ব্যাচের সমস্ত প্যাকেট বাজার থেকে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই ঘটনায় উদ্বেগের মূল বিষয় হলো খাদ্যপণ্যে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি অবশিষ্টাংশ পাওয়া। সংবাদে বিষয়টিকে শুধু ‘জিরে গুঁড়োয় কীটনাশক’ বলে উল্লেখ করলে পরীক্ষার ফলের গুরুত্বপূর্ণ অংশটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এখানে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পদক্ষেপের ভিত্তি হলো অনুমোদিত সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করা এবং পরীক্ষিত নমুনাটিকে অনিরাপদ হিসেবে চিহ্নিত করা। একইভাবে, ব্যাচ নম্বরটি সঠিকভাবে উল্লেখ করাও জরুরি। একই ব্র্যান্ডের একই ধরনের পণ্য বিভিন্ন সময়ে তৈরি ও প্যাকেটজাত হতে পারে। ব্যাচ নম্বরের সাহায্যে সংশ্লিষ্ট উৎপাদন লট শনাক্ত করা যায়। তাই শুধু ব্র্যান্ডের নাম দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিবর্তে প্যাকেটের গায়ে লেখা নম্বর মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন। এই ঘটনায় ক্রেতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শনাক্তকারী হলো E080668761।

বাড়িতে এভারেস্টের জিরে গুঁড়োর প্যাকেট থাকলে প্রথমে তার ব্যাচ নম্বর পরীক্ষা করুন। নম্বরটি প্রত্যাহারের আওতায় থাকা ব্যাচের সঙ্গে মিলে গেলে পণ্যটি ব্যবহার বন্ধ রেখে বিক্রেতা বা প্রস্তুতকারকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফেরত দেওয়ার পদ্ধতি জানতে পারেন। প্যাকেট, লেবেল এবং কেনাকাটার রসিদ থাকলে সেগুলি সংরক্ষণ করলে পণ্য শনাক্ত করতে সুবিধা হবে। এগুলি ক্রেতাদের জন্য ব্যবহারিক সতর্কতামূলক পরামর্শ ফেরত বা টাকা ফেরতের নির্দিষ্ট ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে। অনেক পরিবার মশলা কেনার পরে আলাদা কৌটোয় ঢেলে মূল প্যাকেট ফেলে দেন। সে ক্ষেত্রে ব্যাচ নম্বর যাচাই করা কঠিন হতে পারে। প্যাকেটের ছবি, অনলাইন অর্ডারের বিবরণ বা অন্য কোনো তথ্য থাকলে তা দেখে শনাক্ত করার চেষ্টা করা যেতে পারে। প্রয়োজন হলে বিক্রেতার সাহায্য নিন। তথ্য পাওয়া না গেলে অনুমানের ভিত্তিতে কোনো ব্যাচের সঙ্গে পণ্যটিকে মেলানো উচিত নয়। প্রত্যাহারের নির্দেশ কার্যকর করার দায়িত্বও গুরুত্বপূর্ণ। FSSAI সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে প্রত্যাহার করা পণ্যের সম্পূর্ণ রেকর্ড রাখতে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য ও অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে। ভবিষ্যতে একই ঘটনা এড়াতে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রত্যাহার সম্পন্ন হওয়ার পরে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশও রয়েছে। ফলে এই পদক্ষেপের মধ্যে বাজার থেকে পণ্য সরানোর পাশাপাশি সেই প্রক্রিয়ার হিসাব ও পরবর্তী সংশোধনের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দোকান, হোটেল বা রেস্তরাঁয় সংশ্লিষ্ট পণ্য মজুত থাকলে ব্যাচ নম্বর যাচাই করে সরবরাহকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা প্রয়োজন। খোলা প্যাকেট এবং মজুত থাকা প্যাকেট উভয়ের ক্ষেত্রেই শনাক্তকরণের তথ্য কাজে আসতে পারে। প্রত্যাহারের নির্দেশের উদ্দেশ্য সফল করতে সরবরাহ ব্যবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ে সঠিক পণ্য চিহ্নিত হওয়া জরুরি। এই খবরের ক্ষেত্রে নির্ভুল তথ্যই ক্রেতাদের সবচেয়ে বেশি সাহায্য করতে পারে। নির্দিষ্ট ব্যাচে পরীক্ষায় সমস্যা পাওয়া এবং সেই ব্যাচ প্রত্যাহারের নির্দেশ এই দুটি বিষয় স্পষ্টভাবে জানানো প্রয়োজন। আপাতত প্রকাশিত নির্দেশ অনুযায়ী এভারেস্টের প্যাকেটজাত জিরে গুঁড়োর E080668761 নম্বর ব্যাচই এই পদক্ষেপের আওতায় রয়েছে। ক্রেতাদের প্রথম করণীয় হলো নিজের প্যাকেটের নম্বর মিলিয়ে দেখা এবং মিল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বিক্রেতা বা প্রস্তুতকারকের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া। এভারেস্টের প্যাকেটজাত জিরে গুঁড়োর নির্দিষ্ট ব্যাচ প্রত্যাহারের ঘটনায় পণ্য শনাক্ত করা, বাজার থেকে সরানো এবং পুরো প্রক্রিয়ার হিসাব রাখার গুরুত্ব সামনে এসেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, E080668761 নম্বর ব্যাচ এই পদক্ষেপের আওতায় রয়েছে। ফলে প্রস্তুতকারক, সরবরাহকারী, বিক্রেতা এবং ক্রেতাদের কাছে সঠিক ব্যাচ নম্বর পৌঁছানো প্রত্যাহার কার্যকর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

news image
আরও খবর

FSSAI সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে প্রত্যাহার করা পণ্যের সম্পূর্ণ রেকর্ড সংরক্ষণ করতে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য ও অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে। ভবিষ্যতে একই ঘটনা এড়াতে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রত্যাহার সম্পন্ন হওয়ার পরে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশও রয়েছে। এই নির্দেশের মাধ্যমে বাজার থেকে পণ্য সরানোর কাজ কতটা এগিয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা পর্যবেক্ষণের সুযোগ তৈরি হয়। প্রত্যাহারের প্রক্রিয়ায় রেকর্ড রাখার ব্যবহারিক গুরুত্ব যথেষ্ট। কোনো পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থার একাধিক ধাপ পেরিয়ে ক্রেতার কাছে পৌঁছায়। প্রস্তুতকারকের গুদাম থেকে পরিবেশক, পাইকারি ব্যবসায়ী এবং খুচরো দোকানে একই ব্যাচের প্যাকেট ছড়িয়ে থাকতে পারে। কোথায় কত পণ্য পাঠানো হয়েছিল এবং কত পণ্য ফেরত পাওয়া গেল, সেই তথ্য পরিষ্কার থাকলে সংশ্লিষ্ট মজুত শনাক্ত করার কাজ সহজ হয়। এর ভিত্তিতে এখনও কোন জায়গায় যোগাযোগ প্রয়োজন, তা-ও বোঝা যায়। অগ্রগতির রিপোর্ট এই প্রক্রিয়াকে আরও স্পষ্ট করতে পারে। প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়ার পরে সংশ্লিষ্ট পণ্য বাস্তবে কতটা বাজার থেকে সরানো হয়েছে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। শুধু নির্দেশ জারি হওয়ার খবর জানলেই ক্রেতার কাছে থাকা প্যাকেট শনাক্ত হয়ে যায় না। সরবরাহ ব্যবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ে তথ্য পৌঁছানো এবং সেই তথ্য অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এই কারণেই নিয়মিত হিসাব ও যোগাযোগ প্রত্যাহারের কার্যকারিতার সঙ্গে যুক্ত। সংশোধনমূলক ব্যবস্থার বিষয়টিও সমান তাৎপর্যপূর্ণ। পরীক্ষায় সমস্যা ধরা পড়ার পরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কীভাবে সেই সমস্যার কারণ খুঁজবে এবং ভবিষ্যতে তা এড়ানোর চেষ্টা করবে, সেই কাজের গুরুত্ব রয়েছে। তবে এই নির্দিষ্ট ঘটনায় প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে কী পরিবর্তন করেছে বা কী কারণ শনাক্ত করেছে, সে বিষয়ে যাচাই করা তথ্য ছাড়া সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়। প্রকাশিত নির্দেশে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা রয়েছে তার বাস্তব অগ্রগতি জানতে পরবর্তী রিপোর্ট প্রয়োজন।

দোকান বা অন্যান্য বিক্রয়কেন্দ্রে এভারেস্টের জিরে গুঁড়ো মজুত থাকলে প্যাকেটের ব্যাচ নম্বর পরীক্ষা করা একটি কার্যকর প্রথম পদক্ষেপ। সংশ্লিষ্ট নম্বরের পণ্য পাওয়া গেলে সরবরাহকারী বা প্রস্তুতকারকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফেরত নেওয়ার পদ্ধতি জানতে হবে। শনাক্ত করা প্যাকেট আলাদা করে রাখলে অন্য মজুতের সঙ্গে মিশে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। এটি মজুত ব্যবস্থাপনার ব্যবহারিক পরামর্শ নির্দিষ্ট ফেরত প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিশ্চিত করতে হবে। হোটেল, রেস্তরাঁ এবং অন্যান্য রান্নাঘরে বিষয়টি কিছুটা জটিল হতে পারে। সেখানে মশলা অনেক সময় মূল প্যাকেট থেকে বড় কৌটো বা পাত্রে ঢেলে রাখা হয়। ফলে পণ্যের ব্যাচ নম্বর আর চোখের সামনে থাকে না। মূল প্যাকেট, তার ছবি, সরবরাহের নথি বা ক্রয়ের তথ্য সংরক্ষিত থাকলে শনাক্তকরণে সাহায্য পাওয়া যেতে পারে। কোনো তথ্য না থাকলে অনুমানের ভিত্তিতে পণ্যকে নির্দিষ্ট ব্যাচের বলে চিহ্নিত করার পরিবর্তে সরবরাহকারীর সাহায্য নেওয়া ভালো। বাড়ির ক্রেতাদের ক্ষেত্রেও প্রথম কাজ হলো নিজের প্যাকেটের নম্বর মিলিয়ে দেখা। E080668761 নম্বর পাওয়া গেলে পণ্যটি ব্যবহার বন্ধ রেখে বিক্রেতা বা প্রস্তুতকারকের কাছ থেকে পরবর্তী ব্যবস্থা জেনে নেওয়া যেতে পারে। প্যাকেটের ছবি এবং কেনাকাটার রসিদ থাকলে সেগুলি সংরক্ষণ করুন। পণ্য ফেরত, পরিবর্তন বা টাকা ফেরতের ব্যবস্থা কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জানতে হবে প্রকাশিত তথ্যের বাইরে কোনো সুবিধা নিশ্চিত ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।

অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রে অর্ডারের বিবরণ যোগাযোগের কাজে সাহায্য করতে পারে। তবে অর্ডার নম্বর এবং পণ্যের ব্যাচ নম্বর এক জিনিস নয়। একই পণ্য একাধিক ব্যাচ থেকে বিক্রি হতে পারে। তাই সম্ভব হলে প্যাকেটের গায়ে লেখা তথ্যই মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন। নম্বর অস্পষ্ট হলে পরিষ্কার ছবি তুলে বিক্রেতার কাছে পাঠিয়ে শনাক্তকরণের সহায়তা চাওয়া যেতে পারে। এই ঘটনার সংবাদ পরিবেশনেও নির্ভুলতা জরুরি। পরীক্ষায় সমস্যা পাওয়া পণ্য এবং প্রত্যাহারের আওতায় থাকা ব্যাচ দুটির পরিচয় স্পষ্টভাবে জানালে পাঠক নিজের কেনা পণ্যের সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে দেখতে পারেন। শুধু ব্র্যান্ডের নাম উল্লেখ করে বিস্তৃত দাবি করলে সেই কাজ কঠিন হয়ে যায়। আবার ব্যাচ নম্বর ভুল লেখা হলে প্রয়োজনীয় সতর্কতা সংশ্লিষ্ট ক্রেতার কাছে পৌঁছাতে বাধা তৈরি হতে পারে। প্রত্যাহারের নির্দেশ বাস্তবে কার্যকর করতে তাই সঠিক তথ্যের ধারাবাহিক ব্যবহার প্রয়োজন। প্রস্তুতকারকের রেকর্ড, সরবরাহকারীর যোগাযোগ, বিক্রেতার মজুত পরীক্ষা এবং ক্রেতার প্যাকেট যাচাই প্রতিটি ধাপ পরবর্তী কাজকে সাহায্য করে। সংশ্লিষ্ট ব্যাচের পণ্য পাওয়া গেলে যোগাযোগের সময় নম্বর, পণ্যের নাম এবং পাওয়া প্যাকেটের তথ্য পরিষ্কারভাবে জানানোই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার সবচেয়ে কার্যকর ভিত্তি।

Preview image