২৫ ডিসেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গে শীত আরও জাঁকিয়ে বসতে চলেছে। তাপমাত্রা ধাপে ধাপে কমবে, বাড়বে কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশার প্রভাব। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় সকালের দিকে দৃশ্যমানতা কমতে পারে বলে আবহাওয়া দফতরের সতর্কতা।
২৫ ডিসেম্বরের পর থেকে পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। রাজ্যের উপর উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঠান্ডা হাওয়ার প্রভাব বাড়তে শুরু করেছে, যার ফলে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা নামছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বড়দিনের পর থেকেই শীতের দাপট আরও জোরালো হবে এবং রাজ্যের বেশিরভাগ অংশে কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হবে। দিনের বেলায় সূর্যের দেখা মিললেও সকালের দিকে ঠান্ডার প্রকোপ এবং কুয়াশার দাপট বাড়তে পারে।
দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নামতে শুরু করেছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ার মতো জেলাগুলিতে ভোর ও সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। ২৫ ডিসেম্বরের পর এই কুয়াশা আরও ঘন হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ভোরের দিকে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।
উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে আরও শীতল হতে চলেছে। দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির পার্বত্য ও সংলগ্ন এলাকায় তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। পাহাড়ি এলাকায় ঠান্ডা হাওয়া এবং কুয়াশার সঙ্গে সঙ্গে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হবে। সমতলের জেলাগুলিতেও রাতের তাপমাত্রা আরও কয়েক ডিগ্রি কমতে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। শীতপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি না হলেও ঠান্ডার দাপট স্পষ্টভাবে বাড়বে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, এই সময়ে পশ্চিমবঙ্গের আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। তবে পরিষ্কার আকাশ থাকার কারণেই রাতের তাপমাত্রা দ্রুত নেমে যেতে পারে। দিনে সূর্যের আলো থাকলেও সকাল এবং রাতের দিকে ঠান্ডা বেশি অনুভূত হবে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় কুয়াশা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে। বিশেষ করে নদী তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলে কুয়াশার প্রভাব বেশি পড়তে পারে।
শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ভোরের দিকে স্কুলপড়ুয়া শিশু, বয়স্ক মানুষ এবং অসুস্থদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ঠান্ডাজনিত সমস্যা যেমন সর্দি-কাশি, জ্বর এবং শ্বাসকষ্টের প্রবণতা এই সময়ে বেড়ে যায়। তাই গরম পোশাক ব্যবহার, উষ্ণ পানীয় গ্রহণ এবং প্রয়োজন ছাড়া ভোরবেলা বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
কৃষিক্ষেত্রেও এই আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব পড়তে পারে। শীতের ফসলের জন্য ঠান্ডা আবহাওয়া সাধারণত উপকারী হলেও ঘন কুয়াশা ও শিশিরের কারণে কিছু ক্ষেত্রে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে সবজি ও আলু চাষে কুয়াশার প্রভাব নজরে রাখা জরুরি। কৃষকদের মাঠ পর্যবেক্ষণ বাড়ানোর এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পরিবহণ ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও কুয়াশা বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ভোরের দিকে ট্রেন ও সড়কপথে চলাচলে দেরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ে। তাই চালকদের সতর্ক হয়ে ধীরে গাড়ি চালানো এবং প্রয়োজনীয় আলো ব্যবহার করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিমান চলাচলেও কুয়াশার প্রভাব পড়তে পারে, বিশেষ করে সকালের ফ্লাইটগুলিতে দেরির সম্ভাবনা থাকে।
শহর কলকাতায় বড়দিন এবং বছরের শেষের উৎসবের মরশুমে ঠান্ডা আবহাওয়া আলাদা মাত্রা যোগ করছে। সন্ধ্যার পর ঠান্ডা হাওয়া বইতে শুরু করলে শহরের পার্ক, রাস্তাঘাট এবং খোলা জায়গায় শীতের আমেজ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। উৎসবের আনন্দের সঙ্গে সঙ্গে শীতের অনুভূতিও উপভোগ করছেন মানুষজন। তবে ভিড়ের মধ্যে ঠান্ডা লাগা বা অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা থাকায় বাড়তি সতর্কতা জরুরি।
আবহাওয়া দফতরের মতে, আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। শুষ্ক আবহাওয়ার মধ্যেই তাপমাত্রা কমতে থাকবে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব খুব বেশি না থাকলেও উত্তর ভারতের পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাতের কারণে ঠান্ডা হাওয়া রাজ্যের দিকে এগিয়ে আসছে। এর ফলেই শীতের দাপট বাড়ছে। আগামী কয়েকদিন এই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে।
সামগ্রিকভাবে বলা যায়, ২৫ ডিসেম্বরের পর পশ্চিমবঙ্গে শীত আরও জাঁকিয়ে বসতে চলেছে। তাপমাত্রা কমার পাশাপাশি কুয়াশার প্রভাব বাড়বে, যা দৈনন্দিন জীবন থেকে শুরু করে কৃষি ও পরিবহণ সব ক্ষেত্রেই প্রভাব ফেলতে পারে। উৎসবের মরশুমে এই শীত অনেকের কাছে আনন্দের হলেও সতর্কতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি। আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে সাবধানতা বজায় রাখলেই এই শীতের সময়টা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়কভাবে কাটানো সম্ভব হবে।
২৫ ডিসেম্বরের পর থেকে পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। রাজ্যের উপর উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঠান্ডা হাওয়ার প্রভাব বাড়তে শুরু করেছে, যার ফলে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা নামছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বড়দিনের পর থেকেই শীতের দাপট আরও জোরালো হবে এবং রাজ্যের বেশিরভাগ অংশে কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হবে। দিনের বেলায় সূর্যের দেখা মিললেও সকালের দিকে ঠান্ডার প্রকোপ এবং কুয়াশার দাপট বাড়তে পারে।
দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নামতে শুরু করেছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ার মতো জেলাগুলিতে ভোর ও সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। ২৫ ডিসেম্বরের পর এই কুয়াশা আরও ঘন হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ভোরের দিকে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।
উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে আরও শীতল হতে চলেছে। দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির পার্বত্য ও সংলগ্ন এলাকায় তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। পাহাড়ি এলাকায় ঠান্ডা হাওয়া এবং কুয়াশার সঙ্গে সঙ্গে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হবে। সমতলের জেলাগুলিতেও রাতের তাপমাত্রা আরও কয়েক ডিগ্রি কমতে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। শীতপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি না হলেও ঠান্ডার দাপট স্পষ্টভাবে বাড়বে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, এই সময়ে পশ্চিমবঙ্গের আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। তবে পরিষ্কার আকাশ থাকার কারণেই রাতের তাপমাত্রা দ্রুত নেমে যেতে পারে। দিনে সূর্যের আলো থাকলেও সকাল এবং রাতের দিকে ঠান্ডা বেশি অনুভূত হবে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় কুয়াশা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে। বিশেষ করে নদী তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলে কুয়াশার প্রভাব বেশি পড়তে পারে।
শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ভোরের দিকে স্কুলপড়ুয়া শিশু, বয়স্ক মানুষ এবং অসুস্থদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ঠান্ডাজনিত সমস্যা যেমন সর্দি-কাশি, জ্বর এবং শ্বাসকষ্টের প্রবণতা এই সময়ে বেড়ে যায়। তাই গরম পোশাক ব্যবহার, উষ্ণ পানীয় গ্রহণ এবং প্রয়োজন ছাড়া ভোরবেলা বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
কৃষিক্ষেত্রেও এই আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব পড়তে পারে। শীতের ফসলের জন্য ঠান্ডা আবহাওয়া সাধারণত উপকারী হলেও ঘন কুয়াশা ও শিশিরের কারণে কিছু ক্ষেত্রে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে সবজি ও আলু চাষে কুয়াশার প্রভাব নজরে রাখা জরুরি। কৃষকদের মাঠ পর্যবেক্ষণ বাড়ানোর এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পরিবহণ ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও কুয়াশা বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ভোরের দিকে ট্রেন ও সড়কপথে চলাচলে দেরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ে। তাই চালকদের সতর্ক হয়ে ধীরে গাড়ি চালানো এবং প্রয়োজনীয় আলো ব্যবহার করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিমান চলাচলেও কুয়াশার প্রভাব পড়তে পারে, বিশেষ করে সকালের ফ্লাইটগুলিতে দেরির সম্ভাবনা থাকে।
শহর কলকাতায় বড়দিন এবং বছরের শেষের উৎসবের মরশুমে ঠান্ডা আবহাওয়া আলাদা মাত্রা যোগ করছে। সন্ধ্যার পর ঠান্ডা হাওয়া বইতে শুরু করলে শহরের পার্ক, রাস্তাঘাট এবং খোলা জায়গায় শীতের আমেজ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। উৎসবের আনন্দের সঙ্গে সঙ্গে শীতের অনুভূতিও উপভোগ করছেন মানুষজন। তবে ভিড়ের মধ্যে ঠান্ডা লাগা বা অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা থাকায় বাড়তি সতর্কতা জরুরি।
আবহাওয়া দফতরের মতে, আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। শুষ্ক আবহাওয়ার মধ্যেই তাপমাত্রা কমতে থাকবে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব খুব বেশি না থাকলেও উত্তর ভারতের পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাতের কারণে ঠান্ডা হাওয়া রাজ্যের দিকে এগিয়ে আসছে। এর ফলেই শীতের দাপট বাড়ছে। আগামী কয়েকদিন এই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে।
সামগ্রিকভাবে বলা যায়, ২৫ ডিসেম্বরের পর পশ্চিমবঙ্গে শীত আরও জাঁকিয়ে বসতে চলেছে। তাপমাত্রা কমার পাশাপাশি কুয়াশার প্রভাব বাড়বে, যা দৈনন্দিন জীবন থেকে শুরু করে কৃষি ও পরিবহণ সব ক্ষেত্রেই প্রভাব ফেলতে পারে। উৎসবের মরশুমে এই শীত অনেকের কাছে আনন্দের হলেও সতর্কতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি। আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে সাবধানতা বজায় রাখলেই এই শীতের সময়টা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়কভাবে কাটানো সম্ভব হবে।